Posts

Showing posts with the label My Pen

যেভাবে CV/Resume তৈরী করলে Interview Call নিশ্চিত!

Image
চাকুরীর জীবনবৃত্তান্ত (CV/Resume) তৈরীর কৌশল আপনার জীবনবৃত্তান্ত (CV/Resume) হচ্ছে একজন সম্ভাব্য চাকুরীদাতার কাছে একজন চাকুরীপ্রার্থী হিসাবে উপস্থাপন করার প্রাথমিক মাধ্যম৷ কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় চাকুরীপ্রার্থীরা তাদের জীবনবৃত্তান্ত সুন্দর এবং সঠিকভাবে তৈরী করার ব্যপারে গুরুত্ব প্রদান করে না৷ ফলশ্রুতিতে অনেক যোগ্য প্রার্থীই Job Interview তে ডাক পায় না এবং যোগ্যতা প্রমানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়। আপনার জীবনবৃত্তান্ত (CV/Resume) তৈরীর আগে যে সকল বাস্তবতার দিকে নজর রাখবেন: একজন চাকুরীদাতা গড়ে একটি জীবনবৃত্তান্ত (CV/Resume)-এর উপর ৩০ সেকেন্ডের বেশী সময় দেয় না। সুতরাং এটি হতে হবে সংক্ষিপ্ত৷ তথ্যগুলোর উপস্থাপন হতে হবে সুস্পষ্ট৷ অপ্রয়োজনীয় বা অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিহার করতে হবে। একজন অনভিজ্ঞ/সদ্য পাস করা চাকুরীপ্রার্থীর জীবনবৃত্তান্ত এক থেকে দুই পাতার বেশী হওয়া কোনভাবেই উচিৎ নয়। আপনার জীবনবৃত্তান্ত হচ্ছে আপনার নিজেকে বিপণন করার মাধ্যম। সুতরাং এটি হতে হবে আকর্ষণীয়। তবে চটকদার কোন কিছু যে...

৯টি কারণে বই পড়া আপনার জীবনের অংশ হওয়া উচিত

Image
৯টি কারণে বই পড়া আপনার জীবনের অংশ হওয়া উচিত: ১। নলেজ হাইওয়ে: বই কল্পনাযোগ্য যে কোন বিষয়ের উপর জ্ঞানের একটি বিশাল ভাণ্ডার প্রদান করে। ইতিহাস, বিজ্ঞান, দর্শনের গভীরে ডুব দিন, অথবা নতুন শখ এবং আগ্রহ অন্বেষণ করুন। ২। উন্নত শব্দভাণ্ডার: নিয়মিত পড়া আপনাকে বিস্তৃত শব্দভাণ্ডার প্রকাশ করে, আপনার যোগাযোগ দক্ষতা এবং বোঝার উন্নতি করে। ৩। স্মৃতি বুস্ট: গবেষণা সুপারিশ করে যে পড়া আপনার স্মৃতি এবং জ্ঞানীয় ফাংশন তীক্ষ্ণ করতে সাহায্য করতে পারে, আপনার মন সক্রিয় এবং জড়িত রাখতে। ৪. চাপ হ্রাস: একটি ভাল বই সঙ্গে কার্লিং আপ মানসিক পরিত্রাণ একটি ফর্ম হতে পারে, দৈনিক উদ্বেগ থেকে একটি অস্থায়ী পরিত্রাণ এবং একটি সুযোগ প্রদান করে। ৫। উন্নত ফোকাস এবং একাগ্রতা: আজকের দ্রুত গতির বিশ্বে বিক্ষেপ দিয়ে ভরা, পড়া আপনার বর্ধিত সময়ের জন্য ফোকাস এবং একাগ্রতা করার ক্ষমতা শক্তিশালী করে। ৬। সহমর্মিতা এবং দৃষ্টিভঙ্গি: কাল্পনিক চরিত্রের জুতার মধ্যে পা দিলে আপনি সহমর্মিতা বিকাশ করতে এবং বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির গভীর বোঝাপড়ার সুযোগ লাভ করতে পারবেন। ৭। উন্নত সৃজনশীলতা: পড়া আপনাকে নতুন ধারণা এবং চিন্তা ...

ব্যাংক একীভূতকরণ ও অধিগ্রহণ : কী, কেন ও কীভাবে?

Image
একীভূতকরণ একীভূতকরণ বা ‘মার্জার’ হলো দুই বা ততোধিক কোম্পানির একত্রীকরণ। এর ফলে নতুন কোম্পানি সৃষ্টি হতে পারে; আবার আকারে ছোট কোনো কোম্পানি বড় কোম্পানির সঙ্গে একীভূত হলে বড় কোম্পানির সঙ্গে ছোট কোম্পানির অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যেতে পারে। একীভূতকরণ দুই প্রকার হতে পারে। এক. ভার্টিক্যাল একীভূতকরণ। এ ক্ষেত্রে একই ব্যবসায় নিয়োজিত দুটি কোম্পানি একীভূত হয়। যেমন একটি কর্মাশিয়াল ব্যাংকের সঙ্গে সমজাতীয় একটি ব্যাংকের একীভূতকরণ। দুই. হরাইজনটাল একীভূতকরণ। এ ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন ব্যবসায় নিয়োজিত দুটি কোম্পানি একীভূত হয়। যেমন একটি ভোগ্যপণ্য প্রস্তুতকারী কোম্পানির সঙ্গে একটি ওষুধ প্রস্তুতকারী কোম্পানির একীভূতকরণ। আরও এক ধরনের একীভূতকরণ রয়েছে, যাকে বলা হয় অ্যামালগামেশন। ইংরেজি ‘মার্জার’ ও ‘অ্যামালগামেশন’ শব্দদ্বয়কে বাংলা করলে একই অর্থ দাঁড়ায়– একীভূতকরণ বা একত্রীকরণ। কিন্তু মার্জার ও অ্যামালগামেশনের মধ্যে সূক্ষ্ম পার্থক্য রয়েছে। অ্যামালগামেশন এমন একটি একত্রীকরণ পদ্ধতি, যেখানে দুটি সমমানের কোম্পানি এক হয়ে নতুন একটি কোম্পানির অস্তিত্ব সৃষ্টি করে। এ ক্ষেত্রে সৃষ্ট নতুন কোম্পানির শেয়ার অ্যামালগামেটেড কোম্পানিগুল...

কর্মক্ষেত্রে মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে ৮ সহজ উপায়

Image
কর্মক্ষেত্রে মানসিক চাপ (স্ট্রেস) নিয়ন্ত্রণ করার কিছু কার্যকর উপায় রয়েছে যা আপনার কর্মজীবনকে সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে পারে। নিচে সেই উপায়গুলো তুলে ধরা হলো: ১. সময় ব্যবস্থাপনা কাজের তালিকা তৈরি করা : দৈনন্দিন কাজের তালিকা তৈরি করুন এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো প্রথমে শেষ করার চেষ্টা করুন। এভাবে সময়ের মধ্যে কাজগুলো শেষ করা সহজ হবে। সঠিক সময়ে বিরতি নেওয়া : কাজের মধ্যে বিরতি নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। প্রতি ঘণ্টায় কয়েক মিনিটের বিরতি নিয়ে কাজের চাপ কমানো যায়। How control stress at workplace ২. প্রায়োরিটি লিস্ট ইম্পর্টেন্ট কাজগুলো চিহ্নিত করা : কোন কাজগুলো সবচেয়ে বেশি জরুরি এবং গুরুত্বপূর্ণ তা চিহ্নিত করুন এবং সেগুলোকে প্রায়োরিটি লিস্টের উপরে রাখেন। কম গুরুত্বপূর্ণ কাজ এড়ানো : যেসব কাজ আপনার প্রধান দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না, সেগুলো এড়ানোর চেষ্টা করুন। ৩. স্বাস্থ্যকর অভ্যাস নিয়মিত ব্যায়াম : প্রতিদিন নিয়মিত ব্যায়াম করুন, যা স্ট্রেস কমাতে এবং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। সুস্থ খাদ্যাভ্যাস : পুষ্টিকর এবং স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, যেমন ফল, সবজি এবং প্রোটিন, মানসিক চাপ...

জীবনে সফল হওয়ার ২১টি মন্ত্র

Image
১. কথা হজম করতে শিখুন, এটা অনেক বড় গুণ- এটি আপনাকে সফলতা অর্জনে সহায়তা করবে! কথা না বাড়িয়ে নীরবে কাজ করে যান; আপনার কাজই আপনার হয়ে কথা বলবে। মন খারাপের কারণ অতীত, আর টেনশন-এর কারণ ভবিষ্যৎ। তারচেয়ে বরং বর্তমানকে উপভোগ করুন; আনন্দে বাঁচুন! ২. ঠেকতে ঠেকতে সোজা সরল ভালো মানুষটিও বুঝে যায়- কে তাকে সত্যিকারের ভালোবাসে আর কে তাকে নিজ স্বার্থে ব্যবহার করে। আপনার সামনে যিনি আপনার প্রশংসা আর অন্যের সমালোচনা করেন, একটু পরেই তিনি অন্যের কাছে আপনাকে নিয়ে একই কাজ করবেন! ৩. পরম সমালোচনাকারী প্রতিনিয়ত আপনার উপকার করে যাচ্ছেন। আপনাকে ‘একজন’ হয়ে উঠার জন্য সাহায্য করেন। সমালোকেরা নিঃসন্দেহে আপনার ভালো বন্ধু- বিনা পয়সায় ভুল ধরিয়ে দিতে সর্বদা তৎপর থাকেন... তাঁদের কখনোই অবহেলা করবেন না! আপনি বরং বিনয়ী হোন, মানুষকে সম্মান করুন ও গুরুত্ব দিন; সবকিছু বহুগুণ হয়ে আপনার কাছেই ফেরত আসবে! ৪. কেউ যদি আমায় ঈর্ষা করে, আমি খুবই খুশি হই। কারণ আমি বুঝতে পারি যে, আমি সঠিক কাজটাই করছি! আপনার কাজ বা কথা নিয়ে কেউ কোনো মন্তব্য করল না, তার মানে আপনি সঠিক জায়গায় পৌঁছতে পারেননি!! মানুষের জনপ্রিয়তার মাত্রা নির্গত হওয়া উচিত তার...

স্যোশাল মিডিয়ায় চাকরির পোস্ট দেখে আবেদন করার ক্ষেত্রে কিছু পরামর্শ

Image
কোম্পানির মালিক বা HR বা কোনো শুভাকাঙ্ক্ষি থেকে যদি ফেসবুক আর লিংকড-ইন এ কোনো চাকরির পোস্ট দেওয়া হয় তবে সেই চাকরিতে আবেদন করার ক্ষেত্রে কিছু কিছু বিষয় মনে রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে, যিনি চাকরির জন্য একটি পোস্ট দিয়েছেন তার সাথে কিভাবে আচরণ করতে হবে। কারণ চাকরির পোস্ট দাতা যদি আপনার কোনো আচরণের কারণে বিরক্ত হন, তবে আপনার সিভি নির্দিষ্ট লক্ষ্যে নাও পৌঁছতে পারে। আপনার কমুনিকেশন দক্ষতা আপনার সিভি ইন্টারভিউর জন্য নির্বাচিত হতে খুবই সাহায্য করবে। তাই যেনে নিন কিভাবে চাকরির পোস্ট দাতার সাথে আচরণ করতে হবে এবং কি কি বিষয়গুলো মনে রাখতে হবে। ১। চাকরির পোস্টে যা লেখা আছে তা ভালোমতো পড়ুন। পুরোটা না পড়েই পোস্টে উল্লেখিত জিনিসই আবার পোস্ট দাতাকে জিজ্ঞেস করাটা বিরক্তিকর। ২। যেখানে স্পষ্ট করে লেখাই আছে অমুক সাবজেক্টে পড়াশোনা বা অভিজ্ঞতা লাগবে। সেখানে "আমিতো তমুক সাবজেক্টে/ আমার তো অভিজ্ঞতা নাই, আমি কী আবেদন করতে পারবো?" এরকম প্রশ্ন করাটা একদমই আনস্মার্টনেস। ৩। মেইল আইডি বা আবেদনের পন্থা বলা থাকলে সেটাই ফলো করুন। খুব বেশি দরকার না হলে আলাদা করে মে...

আমি জিপিএ-৫ পেয়েছি - এর ইংরেজি কি?

Image
I am GPA 5. ❌ I got GPA 5. ❌ I have got GPA 5. ❌ প্রতিবছর পরীক্ষার রেজাল্টের পর কমবেশি এটি আলোচনা হয় এবং এটা খুব দুঃখজনক ব্যাপার যে কেউ-ই ইংরেজিতে বলতে পারে না সে জিপিএ-৫ পেয়েছে। বরাবরের মতন এবছর (2023) এইচএসসি পরীক্ষার পর ঢাকার শীর্ষস্থানীয় কিছু কলেজের জিপিএ-৫ প্রাপ্ত রেজাল্টধারীদের “আমি জিপিএ-৫ পেয়েছি” ইংরেজিতে বলতে বললে তারা বলতে পারছে না। যাইহোক সেসব আলোচনায় না গিয়ে “আমি জিপিএ-৫ পেয়েছি” বাক্যটিকে কতভাবে শুদ্ধকরে ইংরেজিতে বলা যায় সেটি আলোচনা করছি। বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় জিপিএ-৫ হচ্ছে সর্বোচ্চ রেজাল্ট যেটিকে আমেরিকা গ্রেডিং সিস্টেমে এ+ ধরা হয়। সুতরাং “আমি জিপিএ-৫ পেয়েছি” সবচেয়ে সহজ ও প্রসিদ্ধতম উপায়ে এটিকে বলা যায়: I have got a GPA of 5. অথবা, আপনি got এর পজিশনে achieved / secured / obtained / ensured / attained / gained / received / earned / scored ইত্যাদি বসিয়ে এটিকে ট্রান্সলেট করতে পারেন। যেমন: I have achieved a GPA of 5. I have obtained a GPA of 5. I have attained a GPA of 5. I have earned a GPA of 5. I have received a GPA of 5. নোট: জিপিএ-৫ কে a GPA of 5 না লিখে a 5 GPA ...

একটি কোম্পানির লিডার কেমন হওয়া উচিত?

Image
নেতারা চমৎকার ধরনের যোগাযোগকারী। যোগাযোগের যোগ্যতা নেতৃত্বের একটি মৌলিক গুণ । সেকারণে নেতা হিসেবে আপনার সফলতার শতকরা ৮৫ ভাগ নির্ধারিত হয় অন্যান্যদের সাথে আপনার কার্যকর যোগাযোগের উপর। সর্বোপরি একজন নেতা হওয়ার মানেই হলো অন্যদের সাথে যোগাযোগ করা- তাদের সফলতাই আপনার সফলতা। আপনি যদি যোগাযোগ করতে না পারেন, আপনি নেতা হতে পারবেন না । যোগাযোগ একটি দক্ষতা যেটি শিখতে হয়। প্রথম ধাপ হলো পাঁচটি লক্ষ্যকে বোঝা, যেগুলো আপনি যোগাযোগ দক্ষতার মাধ্যমে অর্জন করতে চান। ১. আপনি চান লোকেরা আপনাকে পছন্দ ও সম্মান করুক. নেতৃত্ব বন্ধু তৈরি করার নাম নয় কিন্তু আপনি যদি অন্যদের দৃষ্টিতে পছন্দনীয় ও সম্মানিত হন, লোকজন আপনার কথা শোনার জন্য অধিক আগ্রহী হবে। ২. আপনি চান লোকেরা আপনার কদর ও গুরুত্ব স্বীকার করুক। আপনাকে তাদের সামনে কারণ উপস্থাপন করতে হবে, যে কারণে তারা আপনার কথা শুনবে। ৩. আপনি অন্যদের আপনার দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি প্রভাবিত করার যোগ্যতা চান, আজকের দিনে নেতৃত্ব হলো আদেশ না করে প্রভাবিতকরণ। আপনার মধ্যে অন্যদের প্রভাবিত করার যোগ্যতা থাকতে হবে।তাদেরকে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি ও অবস্থানের সাথে সহমত পোষণ করানোর ব্যাপারে প...

কর্মস্থলে ভালো থাকার কিছু বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি

প্রতিদিন চাকরিজীবীদের একটি বিশাল সময় কাটে কর্মস্থলে। এটাই তাদের রুটি-রুজির জায়গা। কিন্তু কর্মস্থলে সবাই যে খুব ভালো বা কোয়ালিটি টাইম কাটাতে পারেন, তা নয়। তবুও চাকরিটা করে যেতেই হয়। কারণ, ওই চাকরির বেতনেই যে চলে জীবনের চাকা। কোনো কোনো কর্মস্থলে কর্তৃপক্ষই কর্মীদের ভালো থাকার বা ভালো বোধ করার ব্যবস্থা করে দেয়। কোথাও আবার প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ কম থাকে কিছুটা। তখন আসলে ব্যক্তিগত পর্যায়েই উদ্যোগী হতে হয়। আসুন, তবে জেনে নেওয়া যাক এমনই কিছু ছোট ছোট অভ্যাসের কথা। ১. নিজের খোঁজ নিন শুনতে কি অদ্ভুত লাগছে? যত অবাকই হন না কেন, মনে রাখতে হবে–নিজের খোঁজ আসলে নিজেকেই রাখতে হয়। এ জন্য নিজেকেই জিজ্ঞেস করতে হবে, ‘আছ কেমন? ভালো আছো তো?’ আর এটা করতে হবে প্রতিটি দিনই। যাপিত জীবনে আমরা নিজের সঙ্গে কথা বলার ফুরসতই যেন পাই না। আর এতে সবচেয়ে বড় ক্ষতিটা নিজেরই হয়। এমন নয় যে, নিজেকে করা প্রশ্নের উত্তরেই সব সমাধান মিলবে। তবে নিজ সত্তার সঙ্গে আলোচনাটা অন্তত শুরু হবে। হবে সেলফ কাউন্সেলিংয়ের কাজটিও। এতে নিজের অবস্থা ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে একটা স্পষ্ট ধারণা তৈরি হবে। ২. প্রয়োজন নিয়মিত বিরতি কর্মস্থলে কাজের...

চিন্তা ভাবনাকে আরো বেশি স্বচ্ছ করার কৌশল

Image
একজন মানুষের তার চিন্তা ভাবনার উপর নিয়ন্ত্রণ থাকা খুবই জরুরী একটি বিষয়। চিন্তা ভাবনায় স্বচ্ছতা না থাকলে হয়তো একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ভাল থাকা যায় কিন্তু সেই ভাল থাকাটা দীর্ঘস্থায়ী নয়। তাই চিন্তা ভাবনা কে স্বচ্ছ ও নিয়ন্ত্রণে রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। উদাহরণ হিসাবে বলা যায়; ১) আমরা ছোট বেলায় লুডু খেলায় “ছক্কার” জন্য জোরে জোরে ঝাকি দিয়ে মারতাম, আর “এক” এর জন্য আস্তে আস্তে ঝাকি দিয়ে মারতাম। কেন এরকমটি করতাম আমরা? আচ্ছা জোরে মারলেই কি ছক্কা উঠতো আর আস্তে মারলেই কি এক উঠতো? এটি এক ধরনের বিভ্রান্তি, যাকে বলে Illusion of Control Bias, এ ধরনের Bias এর উপর আমাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই, কিন্তু আমরা জোর করে বিশ্বাস করি ফলাফল আমার পক্ষেই আসবেই। এ ধরনের বিশ্বাসের ফলে মানুষ শুধু টাকা হারায় আর হতাশায় নিমজ্জিত হয়। যেমন, লটারির কিনা, ক্যাসিনোতে গিয়ে জুয়া খেলা ইত্যাদি। Moral : আমাদের ফোকাস করা উচিত ওইসব জিনিসের দিকে যেগুলোর ক্ষেত্রে আমাদের নিয়ন্ত্রণ আছে। ২) অনেক সময় সমাজের দিকে তাকিয়ে বা সমাজে আমাদের গ্রহণ যোগ্যতা বৃদ্ধি করার জন্য জীবনের লক্ষ্য সম্পর্কিত সিদ্ধান্তগুলো নিতে হয়...

ত্রিকোণমিতিক কোণ নির্ণয় সহজে

Image
ত্রিকোণমিতিক কোণ নির্ণয় সহজে গণিত আমাদের জীবনের এক অপরিহার্য বিষয়। সাবজেক্ট হিসেবে গণিতের অনেক ডিমান্ড আছে।আমাদের ভেতর কমবেশি অনেকেই গণিত-কে ভয় পাই। আবার অনেকের কাছে গণিত খুব সহজ লাগে এবং মজা পায়। আর গণিতের একটা টপিক হল ত্রিকোণমিতি। বলা চলে গণিতের একটা অপরিহার্য পার্ট এটি। ত্রিকোণমিতিতে কোণের মান নির্ণয়ের সাথে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত। অনেকে মুখস্থ করে আবার অনেকে অনেক উপায়ে মনে রাখে। তাই আজ আমি এতো সহজ একটা ফর্মুলা দেখাবো যেটার সাহায্যে যে কেউ খুব সহজেই এইসব কোণের মান আয়ত্ত্বে রাখতে পারবে। তো চলুন কথা না বাড়িয়ে শুরু করি— ।।এক।। বৃদ্ধা আঙ্গুল হতে শুরু করে প্রতিটা আঙ্গুল কে পর্যায়ক্রমে ০, ৩০, ৪৫, ৬০, ৯০ ডিগ্রি বলে ধরবেন। ।।দুই।। Sin - এর মান নির্ণয়ের জন্যে ডান পাশে কটা আঙ্গুল বাকি আছে তা ধরতে হবে। ।।তিন।। Cos - এর মান নির্ণয়ের জন্যে বাম পাশে কটা আঙ্গুল বাকি আছে তা ধরতে হবে। পদ্ধতি ১। যতো ডিগ্রির (আঙ্গুলের) মান বের করতে হবে তার ডান/বাম পাশে কয়টা আঙ্গুল বাকি আছে তা দেখতে হবে।ধরি, আঙ্গুলের সংখ্যা = x ২। তারপর x এর বর্গমূল করতে হবে। ...

পরীক্ষায় বেশি নম্বর পাওয়ার কৌশল

Image
আমরা সবাই জানি পরীক্ষার খাতায় ভালো করে লিখলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। ভালো ফল পেতে কোনো ভালো স্টুডেন্ট হতে হয় না। হতে হয় স্মার্ট স্টুডেন্ট, বুদ্ধিমান স্টুডেন্ট। পরীক্ষার হলে যে যত বেশি smart idea ব্যবহার করে এবং যে যত শান্ত ও স্থীর থেকে পরীক্ষা দেয় তার ততই ভালো ফল পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।  নিচে আমি ভালো ফল পাওয়ার কিছু কৌশল নিয়ে আলোচনা করছি। আশাকরি তোমাদের উপকারে আসবে।  কারো কারো প্রশ্নপত্রে তেমন কিছুই কমন পড়ে না, তারপরও সে ভালো রেজাল্ট করে। আবার কারো কারো সব কমন পড়ার পরও সে তেমন ভালো রেজাল্ট করতে পারে না। এর কারণ কি? এর কারণ মেধাবী শিক্ষার্থী আর স্মার্ট পরীক্ষার্থীর পার্থক্য। সুতরাং এসো জেনে নিই স্মার্ট হওয়ার কিছু idea - স্মার্ট পরীক্ষার্থী হওয়ার idea :  পরীক্ষা শুরুর ত্রিশ মিনিট আগে পরীক্ষার হলে পৌঁছতে হবে।  অতিরিক্ত কলম, পেন্সিল, রাবার ও পানি সাথে নিতে হবে।  গরমে ঢিলেঢালা পোশাক ও টিস্যু রাখতে হবে।  অন্যদের সাথে কম কথা বলার চেষ্টা করতে হবে।  পরীক্ষার আগে পেট ভরে না খাওয়াই ভালো।  স্মার্ট উত্তরপত্র তৈরি করার idea :  ...

জনি অর্থ যোনি; রুগি কিন্তু রোগী

জানু তুমি কই? অর্থ হাঁটু তুমি কোথায়? জানু আমার কাঁপে কেন? অর্থ— হাঁটু আমার কাঁপে কেন? প্রথমেই বলে রাখি জনি ও যোনি উভয় শব্দের উচ্চারণ জোনি এবং উভয় শব্দ প্রায়-সমার্থক।জনি নামের অর্থ কী? নামের কোনো অর্থ হয় না, নামধারীই নামের একমাত্র অর্থ। তবে নামটি যে শব্দ দিয়ে রচিত, শব্দ হিসেবে তার অর্থ চাওয়া যেতে পারে (যদি আদৌ কোনো অর্থ থেকে থাকে)।অনেকে মনে করেন, জনি ইংরেজি শব্দ—হতে পারে। এক ভাষার শব্দ অবিকল অন্য ভাষায় দেখা যায়। তবে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে জনি নামের অনেক পুরুষ দেখা যায়। বাংলাতে জনি বানানের একটি অর্থবহুল শব্দ আছে। জনি যোনি: তৎসম জনি (√জন্+ই) অর্থ (বিশেষ্যে) জন্ম, উৎপত্তি; মাতা, জননী; নারী, জায়া, পুত্রবধূ। শব্দটি নারীবাচক, তবু বাংলাদেশে জনি নামটি পুরুষে বেশি ভর করানো হয়। যোনি (√যু+নি) অর্থ— (বিশেষ্যে) উৎপত্তিস্থান, স্ত্রীজননেন্দ্রিয়, স্ত্রী-চিহ্ন, জাতি, জন্ম। সুতরাং, অর্থ বিবেচনায় যোনি ও জনি প্রায়-সমার্থক। জনু (√জন্+উ) অর্থ উৎপত্তি, জন্ম। এর উচ্চারণ জোনু। জনি ও যোনি শব্দের উচ্চারণ জোনি। অর্থাৎ কারো নাম জনি রাখা হলে তাকে ডাকতে হবে জোনি; যোনি রাখা হলে যা ডাকতে হতো। জানু: অনেকে বঁ...

ব্যতিক্রম শিক্ষাক্রম

৫ম শ্রেণি থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় প্রতিটা বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে-ইতিহাসে ভরা। বাংলা ১ম পত্রে গদ্যে বঙ্গবন্ধুর জীবনী, পদ্যে বঙ্গবন্ধুর স্তুব নিয়ে কবিতা। বঙ্গবন্ধু কথা আশা মানেই মুক্তিযুদ্ধের কথা আসা। আবার বাংলা ২য় পত্রের রচনা আছে ‘বঙ্গবন্ধ শেখ মুজিবর রহমান ’ ‘ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ’ ‘আমাদের মুক্তি যুদ্ধ’ । ইংরেজি পথমপত্র বইয়েও দুই এক lesson মুক্তিযুদ্ধের কথা আছে। ইংরেজি ২য় পত্রেও paragraph, letter হিসেবেও আছে মুক্তিযুদ্ধ। যেমন, paragraph আছে, Victory Day, Independent Day, 21st February, Our Liberation War, A Freedom Fighter. স্কুলে বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস পালন নিয়েও আছে ইংরেজি letter, Dialogue, Composition. এতেই শেষ নয় “বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়” নামক একটা বিষয় তো আছেই, এখানে বিশাল অধ্যায়ের মধ্যে শিখানো হয় মুক্তিযু্দ্ধের আদি থেকে প্রান্ত পর্যন্ত। বাকি আছে শুধু গণিত আর বিজ্ঞান। হয়তো কয়দিন পর গণিতেও মুক্তিযুদ্ধের ইহিতাস পাওয়া যাবে। তখন হয়তো অংক গুলো হবে এই রকম - “১২ জন মুক্তিযোদ্ধা সাহসী আক্রমণে ৩০ জন পাকিস্তানী সৈনিক মারা গেছে এবং ২ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হয়েছে, তাহলে মৃত...

ধর্মনিরপেক্ষতা / Secularism

(1) ইংরেজি Secularism এর অর্থ, “The belief that religion should not be involved in the organization of society, education, etc.” (Oxford Dictionary) যার বাংলা অর্থ “এটা বিশ্বাস করা যে ধর্ম সামাজিক প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা ইত্যাদির সাথে যুক্ত করা উচিৎ নয়” (2) Wikipedia-র ইংরেজী ভাষায় লিখা আছে, “Secularism is the principle of the separation of government institutions and persons mandated to represent the state from religious institutions and religions dignitaries.” (3) Wikipedia-র বাংলা ভাষায় লিখা আছে, “ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ বলতে বোঝানো হয় কিছু নির্দিষ্ট প্রথা বা প্রতিষ্ঠানকে ধর্ম বা ধর্মীয় রীতিনীতির বাইরে থেকে পরিচালনা করা।” (4) বাংলাদেশের মুসলমান মানুষের বিশ্বাস- “ধর্মনিরপেক্ষতা হলো ধর্ম না থাকা অর্থাৎ দেশে ধর্ম থাকতে পারবে না” উপরের প্রথম তিনটার সাথে চার নম্বরটার কোনো মিল পাওয়া যায় কি? প্রশ্নটা আপনাদের কাছে রইলো.... আমাদের দেশের অংশের মুসলমানদের মধ্যে একটা বিশ্বাস আছে যে ধর্ম নিরপেক্ষতা মানে হলো, দেশে ধর্ম না থাকা অর্থাৎ দেশের মধ্যে কোনো ধর্ম পালন করা যাবে না। আসলে আমাদের এই ম...

নারী বন্দীর কুফল

অনেক ধর্মান্ধ মনে করে নারীকে গৃহবন্দী করে রাখলে বা নারীরা পুরুষের সাথে কাজ না করলেই সমাজ থেকে ইভটিজিং বা অনাচার বন্ধ হবে। হ্যাঁ, হয়তো রাস্তা-ঘাটে ইভটিজিং বন্ধ হবে। কিন্তু পাশাপাশি সৃষ্টি হবে আরো অনেক মারাত্মক সমস্যা। কিছু দিন আগে রাজনীতির মাঠ গরম ছিলো একটি ইসলামিক দলের ১৩ দফা দাবি নিয়ে। তাদের অনেক গুলো দারি সাথে ছিলো, পুরুষের সাথে নারীর কর্ম নিষিদ্ধ করা এবং সহ শিক্ষা বন্ধ করা। এটা মধ্য যুগিয় আবদার। এই দাবির বাংলাদেশের মত দেশে সম্ভব নয়। কারণ এই দেশ স্বাধীনতা অর্জনের মূল ভিত্তিই ছিলো ধর্মনিরপেক্ষতা । তাছাড়াও এই দেশের মানুষ তাদের নিজস্ব সংস্কৃতিই ধারণ ও লালন করতে পছন্দ করে। এই দেশে কখনোই এই ধরনের নারী বন্দীমূলক আইন প্রণয়ন সম্ভব নয়। তারপরও যদি ধরে নিই এই ধরনের নারী বন্দী নীতিমূলক আইন বাংলাদেশর মত দেশ হতে যাচ্ছে, এতে কি কি সমস্যার মধ্যে বাংলাদেশ পড়তে পারে তা নিচে আমি তুলে ধরার চেষ্টা করলাম। আপনার আমার সকলেই জানা নারীরা আমাদের দেশের অর্থনীতিতে কতটা গুরুত্ব বহন করে। নারীরা আজ গার্মেন্টস্, অফিস, হাসপাতাল, বিমান, সামরিক বাহীনি, গৃহ কর্মী, সুইপার ইত্যাদি বহু পেশায় কাজ করে, যদি নারীরা এই পেশা...

চার দিয়ে নিঃশেষে ভাগ করেও হল না লিপ-ইয়ার!

1996 – লিপ-ইয়ার। কারণ 4 দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য। 1956 – লিপ-ইয়ার। কারণ 4 দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য। 2001 – লিপ-ইয়ার নয়। কারণ 4 দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য নয়। ছোট বেলায় আমরা সবাই পড়ছি, যে সকল সালকে 4 দিয়ে নিঃশেষে ভাগ যায় সেই সালগুলো লিপ-ইয়ার বা অধিবর্ষ হয়। আসলেই কি তাই? না, আসলে তা নয়। সবগুলো বছরকে 4 দিয়ে নিঃশেষে ভাগ গেলেই তা লিপ-ইয়ার হয় না। বিশ্বাস হয় না তো? দেখেন— 1900 – 4 দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য। তারপরও লিপ-ইয়ার নয়। 1800 – 4 দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য। তারপরও লিপ-ইয়ার নয়। 1700 – 4 দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য। তারপরও লিপ-ইয়ার নয়। আসলে বেপারটা 4 দ্বারা বিভাজ্যের বিষয় নয়। যে সকল সালের একক ও দশক স্থানে শূণ্য আছে সেকল সালকে 400 দ্বারা নিঃশেষে ভাগ করা গেলে তবেই তা লিপ-ইয়ার হয়। যেমন— 2000 – 400 দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য। সুতরাং এই সাল লিপ-ইয়ার। 2400 – 400 দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য, তাই এইটিও লিপ-ইয়ার। অর্থাৎ একক ও দশক স্থানে শূণ্য না হয়ে অন্য যে কোনো সংখ্যা হলে 4 দ্বারা ভাগ করে লিপ-ইয়ার নির্ণয় করতে হবে, এবং যদি একক ও দশক স্থানে শূণ্য হয় তবে 400 দিয়ে ভাগ করে লিপ-ইয়ার নির্ণয় করতে হবে। এখন প্রশ্ন ...