Posts

Showing posts from December, 2021

Grammar : Classification of Noun

Classification of Noun পূর্বের লেখায় আমরা Noun সম্পর্কে অনেক বিস্তারিত বিষয়াবলী সহ Noun সম্পর্কিত অজানা কিছু বিষয় আলোচনা করেছি। আজ আমরা Noun এর প্রকারভেদ সমূহ নিয়ে আলোচনা করব।  Noun প্রধানত ২ প্রকার। যথা—  (1) Abstract Noun (গুণ/ ভাববাচক নাম) যে Noun দ্বারা কোনো ব্যক্তির বা বস্তুর গুণ, অবস্থা বা কার্যের নামকে প্রকাশ করে তাকে Abstract Noun বলে। (A noun referring to things that our five senses can't detect is called abstract noun.)    Abstract Noun এর বাহ্যিক কোনো অস্তিত্ব নেই। এবং যা স্পর্শ করা যায় না, গন্ধ / শ্রবণ দ্বারা বুঝা যায় না। এমনকি ইহা চোখেও দেখা যায় না, শুধুমাত্র অনুভূতির সাহায্যে একে উপলব্ধি করা যায়। উদাহরণ— Honesty, Length, Truth ইত্যাদি।  মনে রাখুন : Abstract Noun গুলো Uncountable Noun হয়। যেমন—  চেনার উপায় — ১ : Adjective ও Verb এর Noun Form গুলো Abstract Noun।  উদাহরণ : Honest (adj) Honesty (abstract noun) Advertise (v) Advertising (abstract noun)...

Grammar : Noun

Noun সাধারণত : যে word দ্বারা কোন ব্যক্তি, বস্তু, স্থান, কাজ, গুণ, ভাব, অবস্থা বা অন্য কোন কিছুর নাম বোঝায়, তাকে Noun বলে।  P. C. Das খুব সহজেই বলেছেন— A noun is a naming word. (কোন নামবাচক পদকেই Noun বলে।) Wren & Martin বলেছেন— Noun is the objects that we can see, hear, taste, touch or smell etc.  এবার Noun এর স্পেশাল কিছু উদাহরণ খেয়াল করুন যেগুলো অনেক বেশি পরিমাণে বিভিন্ন পরীক্ষায় এসেছে—  Pen, Gold, Song (কলম, সোনা, গান)  Species (প্রজাতি)  Flute (বাঁশি)  Guise (ছদ্মবেশ)  Simulation (ছলনা)  Articulation (স্পষ্ট উচ্চারণ)  Imprimatur (অগ্রিম প্রদত্ত/ অগ্রদত্ত টাকা) Idemnity (নিরাপত্তা বিধান)  Tormentor (যন্ত্রণাদানকারী)   Jealousy (ঈর্ষা/ সন্দেহ)  Wonder (বিস্ময়/ বিস্ময়জনক বস্তু)  Speech (বক্তব্য), Chaos (বিশৃঙ্খল)  Mite (অতি অল্প পরিমাণ / ফোটা/ বিন্দু)  Furniture (আসবাবপত্র)  Accessory (আনুষঙ্গিক বস্তু)  Tyranny / Tyrant (স্বৈরশাসন)  Nostalgia (গৃহকাতরতা)  Undertaker (ঠিকাদার ব্যক্ত...

Grammar : Parts of Speech

Parts of Speech ইংরেজি গ্রামারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো Parts of Speech। একজন শিক্ষার্থী তার স্কুল জীবন থেকে শুরু করে চাকুরী জীবনের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত গ্রামারের এই অংশটি নিয়ে সবচেয়ে বেশি ভোগে। তাই আজকে আমরা Parts of Speech এর সকল খুটিনাটি সহ যাবতীয় নতুন ধরনের সকল সমস্যা নিয়ে এখানে আলোচনা করব। যাতে আজকের পর থেকে Parts of Speech এর ঝামেলা চিরতরে মুছে ফেলতে পারো।   Parts of Speech অর্থ বাক্যের অংশ। [Parts — অংশসমূহ, of — র/এর, Speech — বাক্য / কথা]  সংজ্ঞা : Wren & Martin এর মতে, "বাক্যে ব্যবহারের ভিত্তিতে বাক্যের অর্থবোধক প্রত্যেকটি শব্দই এক একটি Parts of Speech।" তাই Parts of Speech কে Parts of Sentence –ও বলা যায়।  Parts of Speech প্রকারভেদ :  Parts of Speech কে ৮ প্রকারে ভাগ করা যায়। যথা—  Noun (বিশেষ্য)  Pronoun (সর্বনাম)  Verb (ক্রিয়া)  Adjective (বিশেষণ)  Adverb (ভাব বিশেষণ)  Preposition (প্রেপজিশ— পদান্বয়ী অব্যয়)  Conjunction (সংযোজক অব্যয়)  Interjection (অনন্বয়ী অব্যয়)  Detailed Discussion (বিস্তারিত ...

ব্যাকরণ : সরকারি কাজে প্রমিত বাংলা ব্যবহারের নিয়ম - ৯

সরকারি কাজে প্রমিত বাংলা ব্যবহারের নিয়ম পর্ব - ৯  –সহ, –সমেত, –যুদ্ধ 'সহিত' অর্থে '–সহ', '–সমেত' এবং '–যুদ্ধ' সবসময় সংশ্লিষ্ট শব্দের পরে যুক্তভাবে বসে। যেমন : 'বইসহ পড়তে এসো', 'গ্রামসুদ্ধ লোক এসেছে', 'বাজারসমেত ব্যাগটা দাও' ইত্যাদি। 'সহ্য করা' অর্থেও 'সহ' শব্দের শেষে যুক্তভাবে বসে। যেমন : দুঃসহ, সর্বংসহা ইত্যাদি।  সহকারী, উপ–, যুগ্ম, অতিরিক্ত উপরের চারটি বিশেষণপদের মধ্যে কেবল 'উপ–' একটি উপসর্গ। উপসর্গ স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হতে পারে না, তাই এটিকে পরবর্তী শব্দের সাথে যুক্তভাবে ব্যবহার করতে হবে। যেমন : উপসচিব, উপপরিদর্শক, উপরিচালক, উপমহাপরিচালক, উপমহাহিসাবনিরক্ষক, উপমন্ত্রী ইত্যাদি। 'সহযোগী' অর্থে 'যুগ্ম' যুক্তভাবেই লেখা সংগত। যেমন— যুগ্মসচিব। 'সহকারী', 'অতিরিক্ত' এবং 'জ্যৈষ্ঠ' স্বাধীন ও পূর্ণাঙ্গ শব্দ, তাই এগুলোকে আলাদাভাবে লেখাই যুক্তিযুক্ত। যেমন : সহকারী পরিচালক, অতিরিক্ত সচিব, জ্যৈষ্ঠ (সিনিয়র) সচিব ইত্যাদি।  সহনীয়, সহনশীল 'সহনীয়' শব্দের অর্থ 'সহ্য করা যায় এ...

ব্যাকরণ : সরকারি কাজে প্রমিত বাংলা ব্যবহারের নিয়ম - ৮

সরকারি কাজে প্রমিত বাংলা ব্যবহারের নিয়ম পর্ব - ১  ৬ষ্ঠ/ষষ্ঠ ইত্যাদি তারিখবাচক শব্দ সংখ্যা ও কথার সহযোগে পূর্ণ রূপে লেখা হবে; তারিখ নির্দেশক সংখ্যার সাথে 'ই' ব্যবহার অপ্রয়োজনীয়৷ যেমন— ৭মে ২০১৬, ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ ইত্যাদি।  পূরণবাচক শব্দ কথায় বা সংখ্যা সহযোগে লেখা যেতে পারে। যেমন— দশম, ১০ম।  সংস্কৃত ভাষার সকল পূরণবাচক বাংলায় ব্যবহার বাস্তবসম্মত নয়। ভাষা ব্যবহারে জনগ্রহণযোগ্যতা কিংবা জনব্যবহারের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। বাংলায় 'বিংশতিতম' –এর স্থানে '২০তম',  'একত্রিংশত্তম' –এর স্থানে '৩১তম' ইত্যাদির ব্যবহার স্বচ্ছন্দ ও গৃহীত। দাপ্তরিক ক্ষেত্রে এই রূপগুলোর ব্যবহার চলতে পারে। স, শ, ষ বাংলা বানানে ষ–এর স্থান ষত্ব বিধান দ্বারা সুনির্দিষ্ট (ষত্ব বিধান দ্রষ্টব্য)। এই নিয়ম অপরিবর্তিত থাকবে। বিদেশি বা বিদেশি উৎসজাত শব্দে ষ–এর ব্যবহার নেই। এক্ষেত্রে স ও শ –এর ব্যবহার সংশ্লিষ্ট বিদেশি শব্দের উচ্চারণ অনুযায়ী হবে। উচ্চারণ ইংরেজি S –এর মতো হলে স ব্যবহৃত হবে। যেমন— স্টোর (store), সিট (seat)।  উচ্চারণ ইংরেজি Sh –এর মতো হলে শ ব্যবহৃত হবে। যেমন— শার্ট (shirt), শিট (sheet),...

ব্যাকরণ : সরকারি কাজে প্রমিত বাংলা ব্যবহারের নিয়ম - ৭

সরকারি কাজে প্রমিত বাংলা ব্যবহারের নিয়ম পর্ব - ৭  যে, যে–, যেই, যে–ই 'যে' প্রয়োজন অনুযায়ী মুক্ত এবং যুক্তভাবে, এবং অর্থ স্পষ্ট করার তাগিদে দীর্ঘ শব্দের সাথে যুক্ত হলে হাইফেন সহযোগে লেখা হবে। যেমন—  যেদিন তুমি আমার কাছে আসবে (সময় বোঝাচ্ছে)  যে দিন তুমি এসেছিলে (নির্দিষ্ট একটি দিনকে বোঝাচ্ছে)  তুমি যে এসেছিলে তা আমি বুঝিনি। (আসার ব্যাপারটিকে বোঝাচ্ছে)  তুমি যে–উপহার দিলে সেটা আমার কাছে অমূল্য। (উপহারটিকে বোঝাচ্ছে)  তুমি কথা দিয়েছিলে যে, আমার কথা মেনে চলবে। 'যেই' অর্থ 'যখনই' বা 'যে মুহূর্তে', যেমন— যেই আমি তাকালাম অমনি সে মুখ লুকাল। 'যে–ই' অর্থ 'যে–ব্যক্তিই', যেমন— অপরাধ যে–ই করুক, শাস্তি তাকে পেতেই হবে।  যেহেতু/যেইহেতু, সেহেতু/সেইহেতু 'যেহেতু' এবং 'যেইহেতু'–র মধ্যে বস্তুত কোনো পার্থক্য বিদ্যমান নাই। অনেকে মনে করেন, পরে 'সেইহেতু' থাকলে তার সাথে সামঞ্জস্য রাখতে 'যেইহেতু' লিখতে হবে। এটি একটি ভুল ধারণা। 'যেহেতু.......সেহেতু' / 'যেহেতু........সেইহেতু' ('সেইহেতুতে অর্থগত জোর পড়লে) সাধারণ ব্যবহার...

ব্যাকরণ : সরকারি কাজে প্রমিত বাংলা ব্যবহারের নিয়ম - ৬

সরকারি কাজে প্রমিত বাংলা ব্যবহারের নিয়ম পর্ব - ৬  বোল্ড, আন্ডারলাইন, ইট্যালিক কোনও শব্দ, বাক্যাংশ বা বাক্যকে 'হাইলাইট করার প্রয়োজনে বোল্ড বা আন্ডারলাইন করা যেতে পারে। বই, পত্রিকা, জার্নাল ইত্যাদির নাম ঊর্ধ্বকমার মধ্যে না লিখে 'ইট্যালিক' বা হেলানো হরফে লেখা হয়।  –ভাবে, –রূপে 'পদ্ধতিতে', 'ধরনে' অর্থে '–ভাবে' সবসময় সংশ্লিষ্ট শব্দের পরে যুক্তভাবে বসবে। যেমন : এভাবে, সম্পূর্ণভাবে ইত্যাদি। অন্যদিকে, '–রূপে'র ব্যবহার সাধারণত '–ভাবে'র সঙ্গে অভিন্ন হলেও এর স্বতন্ত্র বয়বহারও ব্যাকরণসিদ্ধ, তবে এক্ষেত্রে পূর্ববর্তী শব্দের রূপ ভিন্নতর হবে। যেমন : কীরূপ, যেরূপ, পক্ষীরূপে ইত্যাদি। কিন্তু 'পাখির রূপে', 'সুরের রূপো', ইত্যাদি ক্ষেত্রে 'রূপে' আলাদা বসবে।  ভারি/ভারী 'ভারি' শব্দটি ব্যবহৃত হয় 'খুব', 'অত্যন্ত' ইত্যাদি অর্থে। যেমন : 'তোমার ভারি অহংকার হয়েছে।' এটি সাধারণত কথ্য ভাষায় ব্যবহৃত হয়। প্রমিত ব্যবহারে এর প্রযোগ অসমীচীন। অন্যদিকে, 'ভারী' শব্দটি ব্যবহৃত হয় 'ওজনদার', 'অতিরিক্ত ভ...

ব্যাকরণ : সরকারি কাজে প্রমিত বাংলা ব্যবহারের নিয়ম - ৫

সরকারি কাজে প্রমিত বাংলা ব্যবহারের নিয়ম পর্ব - ৫  বাংলা হরফে বিদেশি শব্দ লিখন বা প্রতিবর্ণীকরণ (Transliteration) বিদেশি ও বিদেশি উৎসজাত শব্দকে বাংলা বর্ণমালায় লেখার জন্য সংশ্লিষ্ট বিদেশি শব্দটির উচ্চারণ প্রধান বিবেচ্য। এ ক্ষেত্রে বাংলা এ, ঈ, ঊ, ণ, ন, স, শ, ষ, র, ড়, ঢ়শ বর্ণগুলোর ব্যবহার নিয়ে কিছু দ্বিধার কারণ থাকে। যথাসম্ভব উচ্চারণ অনুযায়ী প্রতিবর্ণীকারণ করলে এ সমস্যা এড়ানো যায়। এক্ষেত্রে কিছু নিয়ম অনুসরণ করা উচিত—  উচ্চারণ 'অ্যা' এর মতো হলে 'অ্যা' ব্যবহৃত হবে ('এ্যা', 'এ' নয়)। যেমন : অ্যাকাডেমি, অ্যাসিড।  বিদেশি (এবং অ–তৎসম) শব্দের বানানে দীর্ঘস্বরের ব্যবহার হবে না, প্রায় সবক্ষেত্রেই হ্রস্ব ই–কার ও হ্রস্ব উ–কার ব্যবহৃত হবে। কিছু সুপরিচিত নামের বানানে ব্যতিক্রম হতে পারে। যেমন : চীন৷  বিদেশি (এবং অ–তৎসম) শব্দের বানানে ড়, ঢ়, ণ –এর ব্যবহার হবে না।  বিদেশি (অ–তৎসম) শব্দে স, শ, ষ –এর ব্যবহারের নিয়ম জানতে 'স, ষ, শ', এর ব্যবহারের নিয়মটি দেখুন।  বিকল্পচিহ্ন ( / ) 'বা' 'অথবা' শব্দের বিকল্প হিসেবে বা পরিবর্তনে কখনো কখনো বিকল্পচিহ্ন ব্যবহার ক...

ব্যাকরণ : সরকারি কাজে প্রমিত বাংলা ব্যবহারের নিয়ম - ৪

সরকারি কাজে প্রমিত বাংলা ব্যবহারের নিয়ম পর্ব - ৪  –নির্বিশেষে ‘নির্বিশেষে অন্য শব্দের পরে যুক্তভাবে (দীর্ঘ শব্দ হলে হাইফেন সহযোগে) বসে। যেমন—বয়সনির্বিশেষে, জাতিধর্মবর্ণ নির্বিশেষে। নেই/নিই ‘নেওয়া' অর্থে ‘নেই’ ব্যবহৃত হয় না, এটি অনুপস্থিতি অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন—আরিফ এখানে নেই। অন্যদিকে, উত্তম পুরুষে ‘নেওয়া' অর্থে 'নিই' ব্যবহৃত হয়। যেমন—আমি সবসময় ভালোটাই নিই। প্রতি, –প্রতি, প্রতি– ‘প্রতি’ অর্থ অনুযায়ী মুক্ত ও যুক্তভাবে (শব্দের শুরুতে ও শেষে) বসে। যেমন— প্রতি বসন্তে পৃথিবী ফুলে ফুলে সেজে ওঠে। আমি প্রতিদিন (প্রত্যহ, daily) এক মাইল হাঁটি। জনপ্রতি একসের চাল পেল গরিবরা। প্রশ্নবোধক চিহ্ন (?) বাক্যের শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্নের আগে ১টি ‘স্পেস' ব্যবহার করা সংগত। প্রায়/ –প্রায় বিশেষণবাচক ‘প্রায়' শব্দটি সাধারণত একাধিক অর্থে স্বতন্ত্র শব্দ হিসেবে সংশ্লিষ্ট বিশেষ্য বা বিশেষণের আগে বসে। যেমন—প্রায় দশ মণ, তিনি প্রায়ই এখানে আসেন ইত্যাদি। তবে ‘মতো’ অর্থে এটি বিশেষণের পরে মুক্ত বা যুক্তভাবে ব্যবহৃত হয়। যেমন— ভগ্নপ্রায়, পাগলপ্রায়, পাগলের প্রায় ইত্যাদি। বন্ধনীর ব্যবহার...

ব্যাকরণ : সরকারি কাজে প্রমিত বাংলা ব্যবহারের নিয়ম - ৩

সরকারি কাজে প্রমিত বাংলা ব্যবহারের নিয়ম পর্ব - ৩  কোলন/কোলন-ড্যাশ/বিসর্গ (:/___:/ঃ)  বাক্যের পূর্ববর্তী অংশের ব্যাখ্যা কিংবা উদাহরণ উপস্থাপনের আগে কোলন ব্যবহার করা হয়। যেমন— নিম্নলিখিত গাছগুলো কাঠের ভালো উৎস : সেগুন, মেহগনি, কাঁঠাল কোলন-ড্যাশের ব্যবহার বর্তমানে নেই। কোলন (:) হিসেবে বিসর্গ চিহ্ন (ঃ) ব্যবহার করা সমীচীন নয়। কোলন-এর আগে ১টি ‘স্পেস’ ব্যবহৃত হবে। কোলনের পরেও একই লাইনে আরও টেক্সট থাকলে কোলনটির পরে একটি স্পেস দিতে হবে।  অন্যদিকে, বিসর্গ বস্তুত একটি বর্ণ; এটি কোনও যতিচিহ্ন নয়। সাধারণত শব্দের মাঝখানে বিসর্গ বসে। যেমন— দুঃখ, দুঃশাসন, পুনঃপুন ইত্যাদি। শব্দের শেষে বিসর্গের ব্যবহার নেই। যেমন—প্রধানত (‘প্ৰধানতঃ’ ভুল), অংশত (‘অংশতঃ’ ভুল)। ঙ,  ং সন্ধিসাধিত তৎসম শব্দে পূর্বপদের ‘ম্’ স্থানে '' হবে। যেমন—সংগীত (সম্ + গীত), ভয়ংকর (ভয়ম্ + কর), সংগত (সম্ + গত)। সন্ধি না হলে 'ঙ'-এর সঙ্গে পরবর্তী বর্ণ যুক্তভাবে বসবে। যেমন—অঙ্ক ('অংক' নয়), প্রত্যঙ্গ, সঙ্গ ইত্যাদি। অ-তৎসম শব্দে উচ্চারণ হলপ্ত হলে শব্দের শেষে ও মধ্যে ব্যবহৃত হবে। যেমন— রং, ঢং, গাং, বাংলা ইত্যাদি। তবে ...

ব্যাকরণ : সরকারি কাজে প্রমিত বাংলা ব্যবহারের নিয়ম - ২

সরকারি কাজে প্রমিত বাংলা ব্যবহারের নিয়ম পর্ব - ২  একবচন : টি একবচনসূচক ' –টি ' সবসময় বিশেষ্যের সাথে যুক্তভাবে বসবে। যেমন— 'লোকটি', 'কথাটি' ইত্যাদি।  একবিন্দু ( . ), ত্রিবিন্দু ( ... ) বাংলায় শব্দ সংক্ষেপণের জন্য একবিন্দু ব্যবহার করা যায়। যেমন— 'ড.' বা 'ডা.'। অসম্পূর্ণ বাক্য বা উদ্ধৃতি বোঝাতে ত্রিবিন্দু ব্যবহৃত হয়। যেমন—  "হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে, সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে..."  অসম্পূর্ণ পদ্য–অনুচ্ছেদ তথা অনুল্লেখিত উক্তি/ লাইন/ চরণ বোঝাতে ত্রিবিন্দু বাক্যের শেষে না লিখে একটি চরণ হিসেবে লেখা হয়। যেমন— "গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা। কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা। ... কাটিতে কাটিতে ধান এলো বরষা।"  এ–কার শব্দের শুরুর এ–কার মাত্রাহীন হয়। যেমন— বেলা, লেখা, খেলা ইত্যাদি। কিন্তু শব্দের মধ্যকার এ–কার মাত্রাযুক্ত হয়। যেমন— শেষবেলা, স্মৃতিলেখা, ধূলিখেলা ইত্যাদি।  –এর, –য়ের, –র '–এর' এবং '–র' সাধারণভাবে বিশেষ্যের সঙ্গে যুক্তভাবে ব্যবহৃত হবে। যেমন— বনের রাজা, ঢাকার ইতিহাস, জামাইয়ের বাড়ি, ইনস্টিটিউটের কর্...

ব্যাকরণ : সরকারি কাজে প্রমিত বাংলা ব্যবহারের নিয়ম - ১

সরকারি কাজে প্রমিত বাংলা ব্যবহারের নিয়ম পর্ব - ১  অধীন/ অধীনে/ অধীনস্থ   'অধীনস্থ' ভুল শব্দ। এর কোনও প্রয়োগ চলবে না। 'অধীন' ও 'অধীনে' ব্যবহৃত হয়, তবে কিছুটা ভিন্ন অর্থে। যেমন— 'এটি মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি দপ্তর।' 'সালাম সাহেব আমার অধীনে কাজ করেন।'  ই–কার, ঈ–কার (ি, ী)  সব অ–তৎসম (তদ্ভব, দেশি, বিদেশি) শব্দে সবসময়ই ই–কার (ি) বসবে। যেমন— শাড়ি, বাড়ি, দাদি, রপ্তানি, বুজরকি ইত্যাদি।  দেশ, ভাষা জাতির নাম ই–কার (ি) দিয়ে লেখা হয়। যেমন : ইংরেজি, জার্মানি, মারাঠি ইত্যাদি।  ব্যতিক্রম : চীন, চীনা।  ইত্যাদি/ প্রভূতি  'ইত্যাদি' এবং 'প্রভূতি' –র মধ্যে কার্যত অর্থগত কোনও পার্থক্য নেই; এই দুটি শব্দ বিকল্পে ব্যবহার করা যেতে পারে।  উ–কার, ঊ–কার (ু, ূ)  অ–তৎসম (তদ্ভব, দেশি, বিদেশি) শব্দে সবসময়ই উ–কার (ু) বসবে। যেমন—  ঊনবিংশ (তৎসম) — উনিশ (তদ্ভব)  ধূলি (তৎসম) — ধুলা/ধুলো (তদ্ভব)  পূর্ব — পুব  'অদ্ভুত' ছাড়া আর সব শব্দে 'ভূত' ঊ–কার দিয়ে লেখা হয়। যেমন— কিম্ভূতকিমাকার, ভূতপূর্ব, অদ্ভূতপূর্ব।  উদ্দেশ্যে/ উদ্দেশে  'উদ্দেশ্যে' অর্থ ...

ব্যাকরণ : বাংলা একাডেমি প্রণীত বাংলা বানানের নিয়ম - ৪

বাংলা একাডেমি প্রণীত বাংলা বানানের নিয়ম পর্ব — ৪ বিবিধ  ১. যুক্ত–ব্যঞ্জনবর্ণের যতদূর সম্ভব স্বচ্ছ করতে হবে অর্থাৎ পুরাতন রূপ বাদ দিয়ে এগুলোর স্পষ্ট রূপ দিতে হবে। তার জন্যে কতগুলো স্বরচিহ্নকে বর্ণের নিচে বসাতে হবে। যেমন— গু, রু, রূ, শু, ব্রু, ভ্রু, হৃ, ত্র, ভ্র। তবে ক্ষ–এর পরিচিত যুক্ত রূপ অপরিবর্তিত থাকবে। যেমন— অক্ষর, অক্ষয়, ক্ষতি, ক্ষমা, নক্ষত্র।  ২. সমাসবদ্ধ পদগুলো একসাথে লিখতে হবে, মাঝখানে ফাঁক রাখা চলবে না। যেমন— সংবাদপত্র, রবিবার, পূর্বপরিচিত, অদৃষ্টপূর্ব, সমস্যাপূর্ণ, সংযতবাক, নেশাগ্রস্ত। বিশেষ প্রয়োজনে সমাসবদ্ধ পদটিকে একটি, কখনও একটির বেশি হাইফেন (–) দিয়ে যুক্ত করা যায়। যেমন : মা–মেয়ে, ভবিষ্যৎ–তহবিল, বে–সামরিক, স্থল–জল–আকাশ–যুদ্ধ, কিছু–না–কিছু। ৩. বিশেষণ পদ সাধারণভাবে পরবর্তী পদের সঙ্গে যুক্ত হবে না। যেমন— স্নিগ্ধ বাতাস, সুন্দর ফুল, লাল গোলাপ, তিন হাজার, কত দূর, এক জন। কিন্তু যদি সমাসবদ্ধ পদ অন্য বিশেষ্যে বা ক্রিয়াপদের গুণ বর্ণনা করে তা হলে স্বভাবই সে যুক্তপদ একসঙ্গে লিখতে হবে। যেমন— কতদূর যাবে, একজন শিক্ষক, তিনহাজার টাকা।...

ব্যাকরণ : বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম - ৩

বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম পর্ব — ৩  ৯. ও বাংলায় অ–কারের উচ্চারণ বহুক্ষেত্রে ও–কার হয়। এ উচ্চারণকে লিখিত রূপ দেওয়ার জন্যে ক্রিয়াপদের বেশ কয়েকটি রূপের এবং কিছু বিশেষণ ও অব্যয় পদের শেষে, কখনও আদিতে অনেকে যথেচ্ছভাবে ও–কার ব্যবহার করেছেন। যেমন— ছিলো, করলো, বলতো, কোরছো, হোলে, যেনো, কেনো (কী জন্যে) ইত্যাদি ও–কার যুক্ত বানান লেখা হচ্ছে। বিশেষ ক্ষেত্রে ছাড়া অনুরূপ ও–কার ব্যবহার করা যাবে না।  বিশেষ ক্ষেত্রের মধ্যে রয়েছে এমন অনুজ্ঞাবাচক ক্রিয়াপদ এবং বিশেষণ ও অব্যয় পদ বা অন্য শব্দ যার শেষে ও–কার যুক্ত না করলে অর্থ অনুধাবনে ভ্রান্তি বা বিলম্ব ঘটতে পারে। যেমন— ধরো, চড়ো, চলো, বলো, বোলো, জেনো, কেনো (ক্রয় করো), করানো, খাওয়ানো, শেখানো, করাতো, মতো, ভালো, কালো, হলো। ১০. ং (অনুস্বার), ঙ  তৎসম শব্দে ং এবং ঙ যেখানে যেমন ব্যবহার্য ও ব্যাকরণসম্মত সেভাবে ব্যবহার করতে হবে।  তদ্ভব, দেশি, বিদেশি, মিশ্র শব্দের বানানের ক্ষেত্রে এ নিয়মের বাধ্যবাধকতা নেই। তবে এক্ষেত্রে প্রত্যয় ও বিভক্তিহীন শব্দের শেষে সাধারণভাবে অনুস্বার (ং) ব্যবহৃত হবে...

ব্যাকরণ : বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম - ২

বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম পর্ব — ২   ৪. শ, ষ, স  ক. তৎসম শব্দের বানানে শ, ষ, স–এর নিয়ম মানতে হবে। এ ছাড়া অন্য কোনো ক্ষেত্রে ষত্ব বিধি প্রযোজ্য হবে না।  খ. বিদেশি মূল শব্দের শ, স–এর যে প্রতিসঙ্গী বর্ণ বা ধ্বনি রয়েছে বাংলা বানানে তা–ই ব্যবহার করতে হবে। যেমন : সাল (= বৎসর), সন, হিসাব, শহর, শরবত, শামিয়ানা, শখ, সৌখিন, মসলা, জিনিস, আপস, সাদা, পোশাক, বেহেশত, নাশতা, কিশমিশ, শরম, শয়তান, শার্ট।  তবে 'পুলিশ' শব্দটি ব্যতিক্রমরূপে শ দিয়ে লেখা হবে। গ. তৎসম শব্দে ট, ঠ বর্ণের পূর্বে যুক্তব্যঞ্জনে ষ হয়। যেমন : বৃষ্টি, দৃষ্ট, নিষ্ঠা, পৃষ্ঠা।  কিন্তু বিদেশি শব্দে এক্ষেত্রে স হবে। যেমন : স্টল, স্টোর, স্টাইল, স্টিমার, স্টুডিও, স্টেশন, স্ট্রিট, স্টার, মাস্টার।  তবে খ্রিষ্ট যেহেতু বাংলায় আত্তীকৃত শব্দ এবং এর উচ্চারণও তৎসম কৃষ্টি, তুষ্ট ইত্যাদি শব্দের মতো, তাই ষ্ট দিয়ে খ্রিষ্ট শব্দটি লেখা হবে।  ৫. আরবি - ফারসি শব্দে সে, সিন্, সোয়াদ, বর্ণগুলোর প্রতিবর্ণরূপে স এবং শিন্ –এর প্রতিশব্দরূপে শ ব্যবহৃত হবে। যেমন— সা...

ব্যাকরণ : বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম - ১

বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম পর্ব — ১  বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম বা সূত্রগুলো আলোচনা করো।  উত্তর : বাংলা একাডেমির "প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম" অনুসরণ করে বাংলা বানানের নিয়ম নিচে দেওয়া হলো—  তৎসম শব্দ  ১. তৎসম অর্থাৎ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অবিকৃত সংস্কৃত শব্দের বানান যথাযথ ও অপরিবর্তিত থাকবে। কারণ এসব শব্দের বানান ও ব্যাকরণগত প্রকরণ ও পদ্ধতি নির্দিষ্ট রয়েছে। তবে এ বানানরীতিতে যেসব ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম প্রস্তাবিত হয়েছে, তা অনুসৃত হবে।  ২. যেসব তৎসম শব্দের ই, ঈ বা উ, ঊ উভয় শুদ্ধ সেসব শব্দে কেবল ই বা উ এবং তার কারচিহ্ন (ি বা ু) ব্যবহৃত হবে। যেমন : কিংবদন্তি, চিৎকার, ধমনি, ধূলি, পঞ্জি, পদবি, ভঙ্গি, সরণি, সূচিপত্র, উর্ণা, উষা।  ৩. রেফ–এর পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবে না। যেমন : অর্জন, অর্থ, অর্ধ, কর্তন, কর্ম, কার্য, মূর্ছা, কার্তিক, সূর্য। ৪. ক, খ, গ, ঘ পরে থাকলে পদের অন্তস্থিত ম্ স্থানে অনুস্বার (ং) লেখা যাবে। যেমন : অহংকার, ভয়ংকর, সংগীত, শুভংকর, সংকোচন, সংগতি, সংঘাত, সংকল্প, সংখ্যা। বিকল্পে...

সাধারণ জ্ঞান : রশীদ করীম

রশীদ করীম রশীদ করীম কবে, কোথায় জন্মগ্রহণ করেন? — ১৯২৫ সালের ১৪ ই আগস্ট, কলকাতায়। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থগুলোর নাম কী কী? উপন্যাস : 'উত্তম পুরুষ' (১৯৬১), 'প্রসন্ন পাষাণ' (১৯৬৩), 'আমার যত গ্লানি' (১৯৭৩), 'সোনার পাথর বাটি', 'বড়ই নিঃসঙ্গ', 'লান্সবাক্স' ইত্যাদি।  প্রবন্ধ : 'আর এক দৃষ্টিকোণ', 'মনের গহনে তোমার মুরতিখানা'।  'উত্তম পুরুষ' উপন্যাসের পরিচয় দাও। — রশীদ করীমের এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৬১ সালে। উপন্যাসের প্রধান চরিত্র শাকেরকে ঘিরে সেলিনা, অণিমা, শেখর, মুশতাক, সলিল, চন্দ্রা, নিহার ভাবি, শিশির এ রকম অসংখ্য চরিত্র আবর্তিত হয়েছে। এদের মনস্তাত্ত্বিক জটিলতায় কোথাও কোথাও শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে। আধুনিক মননশীলতা, পরিশীলতা, আঙ্গিক, অভিজ্ঞতার নির্লিপ্ত বর্ণনায় পাঠকের পাঠতৃষ্ণার নিবারণ হয়। 'আমার যত গ্লানি' উপন্যাসের পরিচয় দাও। — স্বাধীনতা পূর্ববর্তী সামাজিক, রাজনৈতিক ও ব্যক্তিক অস্থিরতাকে আশ্রয় করে রশীদ করিম উপন্যাসটি রচনা করেন। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৭৩ সালে। গ্রন্থটিকে ঐতিহাসিক উপন্যাস বলা যায় না, কা...

সাধারণ জ্ঞান : রণেশ দাশগুপ্ত

রণেশ দাশগুপ্ত রণেশ দাশগুপ্ত কবে, কোথায় জন্মগ্রহণ করেন? — ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ই জানুয়ারি; আসামের ডিব্রুগড়ে। তিনি কিভাবে রাজনীতিতে আসেন? — ১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দের বাঁকুড়া ক্রিশ্চিয়ান কলেজে পড়ার সময় সশস্ত্র গোপন দলে যোগদানের মাধ্যমে।  কোথায় তাঁর কর্মজীবন আরম্ভ হয়? — ঢাকায় নলিনীকিশোর গুহ সম্পাদিত 'সোনার বাংলা' পত্রিকায় (এই পত্রিকায় শামসুর রাহমানের প্রথম কবিতা ছাপা হয়) সহকারী সম্পাদক হিসেবে (১৯৩৮)। তিনি কোন সংগঠনের প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন? — ঢাকায় 'প্রগতি লেখক শিল্পী সংঘ' প্রতিষ্ঠায় (১৯৩৯–৪০)। তাছাড়া এই সংঘের মুখপত্র 'ক্রান্তি' প্রকাশের ক্ষেত্রে।   রণেশ দাশগুপ্ত কোন রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন? — বামপন্থী রাজনীতি। এ কারণে তিনি বহুবার জেল খেটেছেন, বিনা বিচারে আটক থেকেছেন। তিনি ঢাকা মিউনিসিপ্যালটির কী ছিলেন? — নির্বাচিত (১৯৫৭) ওয়ার্ড কমিশনার। শাঁখারি বাজার–তাঁতি, বাজার–ইসলামপুর ছিল ছিল তাঁর এলাকা। রণেশ দাশগুপ্ত রচিত প্রবন্ধগ্রন্থগুলোর নাম কী কী? — 'উপন্যাসের শিল্পরূপ' (১৯৫৯), 'শিল্পীর স্বাধীনতার প্রশ্নে' (১৯৬৬), 'আলো দিয়ে আলো জ্বালা' (১৯...

সাধারণ জ্ঞান : মোহিতলাল মজুমদার

মোহিতলাল মজুমদার মোহিতলাল মজুমদারের জন্মতারিখ কত? — ২৬ শে অক্টোবর, ১৮৮৮। তিনি কোথায় জন্মগ্রহণ করেন? — কাঁচড়াপাড়া, নদীয়া, পশ্চিমবঙ্গ। তিনি মূলত কী ছিলেন? — বিশিষ্ট কবি, প্রাবন্ধিক ও সাহিত্য সমালোচক।  তাঁর পেশা কী ছিল? — অধ্যাপনা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিভাগে তিনি অধ্যাপনা করতেন? — বাংলা বিভাগে। তিনি কোন ছদ্মনামে লিখতেন? — সত্যসুন্দর দাস। তিনি কোন পত্রিকা প্রকাশ ও সম্পাদনা করেন? — বঙ্কিমচন্দ্র প্রতিষ্ঠিত 'বঙ্গদর্শন'। মোহিতলালের কবিতা বিশিষ্ট কোন দিক থেকে? — তিনি সাহিত্যের আদর্শানুসারে বাংলায় চমৎকারভাবে আরবি, পারসি শব্দের প্রয়োগ ঘটাতে সক্ষম হন। মোহিতলালের কবি প্রতিভার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো দেহবাদ–ভোগবাদ। তাঁর কবিস্বভাবের মর্মমূলে ছিল ঘোর বাস্তববাদ। তিনি বস্তুজগৎ ও বাস্তবের পূজারী। কবিতার আঙ্গিক সম্বন্ধে তিনি বিশেষ যত্নবান ছিলেন। তার কথায়— 'From বলিতে রচনার একটি পরিপাট্য ও পরিচ্ছন্নতা বোঝায়— ভাষা যেমন গাঢ়বন্ধ হইবে, কবিতার গঠনও তেমনই সুসম্বন্ধ ও আকার সুপরিকল্পিত হইবে।'  মোহিতলালের কবিতার প্রধান বিষয় কী? — মোহিতলালের কবিতার প্রধান বিষয় প্রেম দেহাশ্রয়ী, কামকে স্বীকার করেই প্...

সাধারণ জ্ঞান : মোহাম্মদ লুতফর রহমান

মোহাম্মদ লুতফর রহমান মোহাম্মদ লুতফর রহমান কবে, কোথায় জন্মগ্রহণ করেন? — ১৮৮৯ সালে বর্তমান মাগুরা জেলার পারনান্দুয়ালি গ্রামে। তাঁর পৈতৃক নিবাস কোথায়? — মাগুরা জেলার হাজিপুর গ্রামে। তাঁর পিতার নাম কী? — সরদার মইনউদ্দিন আহমেদ। তিনি আর কী নামে পরিচিত? — ডাক্তার লুতফর রহমান। (লক্ষণীয় : তিনি 'লুতফর' বানান লিখতেন 'লুৎফর' বানান তাঁর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।)  তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কতটুকু? — মাগুরা স্কুল থেকে এন্ট্রাস পাস করে হুগলি মহসিন কলেজে ভর্তি হন। কিন্তু লেখাপড়া অব্যাহত রাখেন নি। অনেক পরে হোমিওপ্যাথিক এইচ. এম.বি পাস করে হোমিও ডাক্তারিতে নিয়োজিত হন। লুতফর রহমান সমাজ পরিত্যক্ত নারীদের জন্য কোন কোন সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন এবং কোথায়? — 'নারীবিদ্যা বিদ্যালয়' এবং 'নারীতীর্থ', কলকাতায়।  এ প্রতিষ্ঠান দুটির সভাপতি করা হয় কাকে? — রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনকে। মোহাম্মদ লুতফর রহমান  কোন কোন পত্রিকা সম্পাদনা করেন? — 'বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা', 'সহচর', 'নারীশিক্ষা'।  প্রকাশকালসহ মোহাম্মদ লুতফর রহমান রচিত গ্রন্থাবলির নাম লেখ। প্রবন্ধগ্রন্থ : 'উচ...

সাধারণ জ্ঞান : মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান

মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান কবে, কোথায় জন্মগ্রহণ করেন? — ১৩৪৩ বঙ্গাব্দের ৩০ শে শ্রাবণ, যশোরের খড়কি নামক এলাকায়। তিনি কী হিসেবে পরিচিত? — শিক্ষাবিদ, কবি ও গীতিকার। তাঁর প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের নাম কী? প্রবন্ধ গবেষণা : 'আধুনিক বাংলা কাহিনীকাব্যে মুসলিম জীবন ও চিত্র' (১৯৬২), 'আধুনিক বাংলা কাব্যে হিন্দু মুসলমান সম্পর্ক ১৮৫৭–১৯২০' (১৯৭০), 'বাংলা কবিতার ছন্দ' (১৯৭০), 'সাহিত্যে উচ্চতর গবেষণা' (১৯৭৮), 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগের ইতিহাস ১৯২১–৮১' (১৯৮২), 'আধুনিক বাংলা কবিতা : প্রাসঙ্গিকতা ও পরিপ্রেক্ষিত' (১৯৮৫)।  কবিতা : 'দুর্লভ দিন' (১৯৬১), 'শঙ্কিত আলোক' (১৯৬৮), 'বিপন্ন বিষাদ' (১৯৬৮), 'প্রতনু প্রত্যাশা' (১৯৭৩)।  সঙ্গীত : 'অনির্বাণ' (১৯৬৭), 'নির্বাচিত গান' (১৯৮৪) ইত্যাদি।  তাঁর জনপ্রিয় দুটি গানের চরণ কী কী? — 'আমার দেশের মাটির গন্ধে' এবং 'অশ্রু দিয়ে লেখা এ গান'।  তিনি কী কী পুরস্কার লাভ করেন? — বাংলা একাডেমি পুরস্কার (কবিতা : ১৯৭২), জহির রায়হান চলচ্চিত্র...

সাধারণ জ্ঞান : মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক

মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক কবে জন্মগ্রহণ করেন? — ১৮৬০ সালে। তিনি কোথায় জন্মগ্রহণ করেন? — বাউইগাছি গ্রাম৷ শান্তিপুর, নদীয়া। তিনি মূলত কী ছিলেন? — কবি ও গদ্যশিল্পী।  তাঁর সম্পাদিত পত্রিকার নাম কী? — 'মোসলেম ভারত' (১৩২৭)। কোন পত্রিকার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম ব্যাপকভাবে সাহিত্যচর্চা শুরু করেন? — "মোসলেম ভারত"। তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম কী কী? — 'কুসুমাঞ্জলি' (১২৮৮), 'অপূর্ব দর্শন' (১২৯২), 'হযরত মহাম্মদ' (১৩১০), 'জাতীয় ফোয়ারা' (১৩১৯)। তাঁর রচিত গদ্যগ্রন্থগুলোর নাম কী কী? — 'মহর্ষি মনসুর' (১৩০৩), 'ফেরদৌসী চরিত' (১৩০৫) ইত্যাদি।  তাঁর রচিত উপন্যাসের নাম কী কী? — 'জোহরা' (১৩২৪), 'দরাফ খান গাজী' (১৩২৬) ইত্যাদি।  তিনি কোথায় কত তারিখে মৃত্যুবরণ করেন? — শান্তিপুর, ৩০ শে নভেম্বর, ১৯৩৩।