Posts

Showing posts from January, 2018

প্রবন্ধ রচনা : বাংলাদেশের ফল

ভূমিকা : সুজলা-সুফলা, শস্য-শ্যামলা আমাদের এ বাংলাদেশ। ষড়ঋতুর এদেশে এক একটি ঋতুতে প্রকৃতি যেন নতুন সাজে সজ্জিত হয়ে আমাদের সামনে উপস্থিত হয়। বিভিন্ন ঋতুতে আমরা দেখতে পাই বিচিত্র ফলের সমারোহ। এখানে মাঠে মাঠে বসে ফলের মেলা, বনে বনে দেখা যায় সবুজের হাট ও গাছে গাছে নানাবিধ ফল। আমাদের দেশে যেসব ফল জন্মে তাদের মধ্যে আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, আনারস, পেঁপে, পেয়ারা, তাল, নারিকেল, বেল, খেজুর, তরমুজ, ভাঙ্গি ইত্যদি প্রধান।  আম : আমকে বলা হয় ফলের রাজা। আমের মতো সুস্বাদু ফল পৃথিবীতে খুব কমই আছে। এদেশে আম প্রচুর পরিমাণে জন্মে। তন্মধ্যে রাজশাহীর আম উল্লেখযোগ্য। হিমসাগর, ল্যাংড়া, গোলাপভোগ, মোহনভোগ ইত্যাদি আম সেখানে পাওয়া যায়। ল্যাংড়া আমের পরে ফজলি আমের নাম উল্লেখযোগ্য। আম গাছ বাংলাদেশের সকল স্থানেই আছে বলেই আম গাছ বাংলাদেশের জাতীয় গাছ। তাই এই ফলও কম বেশি সব জেলাতে পাওয়া যায়। জাম : বাংলাদেশের প্রায় সকল জেলাতেই জাম পাওয়া যায়। এই জাতীয় ফল কেবল পাকা অবস্থায় খাওয়া যায়। জাম পাকলে উপরের খোসা কালো হয়ে যায়। জাম মানবদেহের রক্ত বৃদ্ধি ও পরিষ্কার করে।  লিচু : বাংলাদেশের অল্প কয়েকটি জেলায় লিচু জন্মে...

প্রবন্ধ রচনা : বাংলাদেশের অর্থকরী ফসল : ধান

ভূমিকা : ধান বাংলাদেশের প্রধান কৃষিজাত ফসল। বাঙালির প্রধান খাদ্য ভাত। আমরা এই ভাত ধান থেকে প্রস্তুত চাল থেকে আহরণ করি। এর অভাবে দেশের হাহাকার পড়ে যায়- দুর্ভিক্ষ ও মহামারী দেখা দেয়। সুতরাং ধানের সাথে আর কোনো কৃষিজাত দ্রব্যেরই তুলনা হতে পারে না। উৎপত্তি স্থান : পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই কম-বেশি ধানের চাষ হয়। এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়। আমাদের বাংলাদেশের প্রচুর পরিমাণে ধান জন্মে। তবে শীতপ্রধান দেশে ধান একেবারেই জন্মায় না বললেই চলে। প্রকারভেদ : ধান গবেষক ও বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রায় শতাধিক রকমের ধান আছে। এদের মধ্যে বেশি রকম ধানের নাম অনেকেই জানে। আমাদের দেশে দুই প্রকার ধান প্রত্যেকের কাছেই সুপরিচিত- আউশ (আশু) এবং আমন (হৈমন্তিকা)। এছাড়া, ‘বোরো’ নামে এক ধরনের ধানও জন্মে। এ ধানটি উচ্চ ফলনশীল এবঙ বছরের যে-কোনো সময়ই এ চাষ করা যায়। তবে এ জন্যে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি-সেচের প্রয়োজন হয়। এ ধানটি দরিদ্রের পরম বন্ধু। কারণ অল্প দামে সহজে পাওয়া যায়। চাষ প্রণালী : বৈশাখ সাসে আউশ ধানের বীজ বপন করতে হয়। শ্রাবণ-ভাদ্র মাসে ধান পাকে এবং কৃষকরা তা কেটে ঘরে তোলে। এ ধান সাধারণত উঁচু জমি...

ভাবসম্প্রসারণ : সুজনে সুযশ গায় কুযশ চাপিয়া / কুজনে কুরব করে সুরব নাশিয়া

সুজনে সুযশ গায় কুযশ চাপিয়া কুজনে কুরব করে সুরব নাশিয়া ‘সু’ এবং ‘কু’ এদের পার্থক্য চিরন্তন। একটি অপরটির বিপরীত। যা ভাল, যা সুন্দর ও কল্যাণকর তা-ই ‘সু’। আর যা খারাপ ও ক্ষতিকর, অমঙ্গলজনক তা-ই ‘কু’। আমাদের সমাজে এ দুশ্রেণীর লোক দেখা যায়। মহৎ-ব্যক্তিগণ অন্যের দোষত্রুটি গোপন রেখে ভালদিকটা প্রচার করে থাকেন। পক্ষান্তরে, হীনব্যক্তি অন্যের ভালদিক গোপন রেখে মন্দের দিকটা প্রচার করে থাকে। মানুষের আচরণে তাঁর নিজস্ব মানসিকতা বা চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ফুটে ওঠে। কৃতকর্মের মধ্যেই তাঁর স্বাভাবিক পরিচয় প্রকাশ পায়। উত্তম চরিত্রের কোন মানুষই কারও দোষ খোঁজে না এবং অপযশও প্রচার করে না। বরং মহৎ ব্যক্তি অপরের দোষ-ত্রুটি ঢেকে রেখে তার সুনাম করে। এ ধরনের আচরণে তার মহত্ত্বের প্রকাশ ঘটে। সুজন বা ভালমানুষ নিজের সুন্দর মনের বিবেচনায় অপরের মধ্যে খারাপ কিছু দেখতে পায় না। সে নিজে ভাল বলেই অপরকেও ভাল দেখে। অপরদিকে কুজন বা খারাপ প্রকৃতির মানুষ অপরের ভাল দেখতে পারে না। সৎ চরিত্রের লোকগণ যেখানে অপরের কুৎসিত স্বভাবকে গোপন রাখে সেখানে মন্দ চরিত্রের লোকেরা ভাল দিকটি গোপন রেখে মানুষের খারাপ বা দুর্বল দিকটি স্পষ্ট করে তোলে। ...

প্রবন্ধ রচনা : পল্লী উন্নয়ন

↬ চলো গ্রামে ফিরে যাই ↬ বাংলাদেশের গ্রামীণ উন্নয়ন ভূমিকা : ‘লাগলে মাথায় বৃষ্টি বাতাস উল্টে কি যায় সৃষ্টি আকাশ বাঁচতে হলে লাঙ্গল ধর রে আবার এসে গাঁয়।’                                             -শেখ ফজলুল করিম। হরিতে-হিরণে, সবুজে-শ্যামলে, সুজলা-সুফলা, শস্য-শ্যামলা আমাদের এই দেশ বাংলাদেশ- যার মূলভিত্তি ‘ছায়া-সুনিবিড় শান্তির নীড় ছোট ছোট গ্রামগুলো’ । প্রায় বিরানব্বই হাজার গ্রাম (বর্তমান পরিসংখ্যান অনুযায়ী) নিয়ে গঠিত এই দেশের শতকরা ৭৭ জন ১ লোক পল্লাীগ্রামে বাস করে। পল্লীর সুজলা সুফলা শস্যশ্যামলা রূপ নিয়ে কবির কণ্ঠে ধ্বনিত হয়েছিল- ‘আমাদের গ্রামখানি ছবির মতন মাটির তলায় এর ছড়ানো রতন’ কিন্তু পল্লীর সে-সৌন্দর্য এখন আর দেখা যায় না, আমাদের অবহেলার কারণে পল্লীগ্রামগুলো আজ শ্রীহীন হয়ে পড়েছে। মানুষ কেবলই- ‘ ইটের পর ইট মাঝে মানুষ-কীট , নেইকো ভালোবাসা নেইকো মায়া’ - এমনি কৃত্রিম সুখের অন্বেষণে শহরের দিকে ধাবিত হচ্ছে। অথচ কৃষিনির্ভর এই দেশের উন্নয়ন কখনোই সম্ভব নয়, যদি না পল্লীর ...

প্রবন্ধ রচনা : পণপ্রথা / যৌতুক প্রথা একটি জাতীয় সমস্যা

↬ নারী স্বাধীনতা ও পণপ্রথা ↬ পণপ্রথার অভিশাপ ভূমিকা : ‘যাব না বাসরকক্ষে বধূবেশে বাজায়ে কিঙ্কিনী’ - রবীন্দ্রনাথ । কেন নারীর বধূজীবনের প্রতি এই অনাসক্তি? কেন তার হৃদয়মথিত এই অভিমান? কেনই বা নারীজীবনের চিরন্তন স্বপ্ন ও সার্থকতা বধূজীবন এমন ধিক্কার ধ্বনিতে মন্ত্রিত হয়? কেন তার স্বপ্ন-সাধ সমাজের নিষ্করুণ নির্যাতনে অকালে বিলীন হয়ে যায়? কেন নারী তার আপন সগৌরব অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়? যে নারী গৃহের সৌন্দর্য ও শান্তির চির উৎস, কেন সেই নারীর জীবনে নেমে আসে অকাল মৃত্যুর অভিশাপ? কেন নারী পরিণত হয় বিকিকিনির সহজ পণ্যে? নির্মম, নিষ্ঠুর কোন সামাজিক প্রথা যুগে যুগে নারীজীবনকে অশ্রুময়ী করেছে? পণপ্রথাই হল হৃদয়হীন সমাজের সেই নির্লজ্জ নারীপীড়নের অন্যতম হাতিয়ার। এই নির্মম প্রথার পাষাণ ফলকে লেখা আছে কত নারীর অশ্রুত করুণ কাহিনী, কত বেদনার নিষ্ঠুর ইতিহাস, কত দীর্ঘশ্বাস আর অশ্রুপাত। এরই নির্দয় অত্যাচারে কত জীবন মৃত্যুর মধ্যে পেয়েছে চিরশান্তি। কত নারীর সুখের সংসার হয়েছে ছারখার। বর্তমানের বিজ্ঞান-উজ্জ্বল দিনে সর্বপ্রকার মানবতা-বিরোধী বন্ধন মুক্তির আলোকিত বিশাল প্রান্তরে আজও কত নিরুপমাদের চিতা জ্বলছে। এখনও...

প্রবন্ধ রচনা : একুশের বই মেলা

↬ ২১শে বইমেলা ↬ বইমেলা ↬ গ্রন্থমেলা ↬ পুস্তক প্রদর্শনী ভূমিকা : ‘বিপুলা এ পৃথিবীর কতটুকু জানি। / বিশাল বিশ্বের আয়োজন মোর মন জুড়ে থাকে অতি ক্ষুদ্র তারই এক কোণ। সেই ক্ষোভে পড়ি ভ্রমণ বৃত্তান্ত আছে যাহে / অক্ষয় উৎসাহে-’                                                                     ------- রবীন্দ্রনাথ । মেলা মিলিয়ে দেয়-মানুষে মানুষে, জিনিসে জিনিসে, দেশে দেশে। মেলা আবার চিনিয়েও দেয় দেশ-শিল্প-সংস্কৃতি-সমাজকে। তবে মেলা যেমন নানা জাতের, তার পৃষ্ঠপোষকরাও তেমনি আবার নানান প্রবণতার। বাণিজ্য-মেলায় উদ্দীপনা লক্ষণীয়। ব্যাপারটি নবাগত এবং বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই বিদ্যোৎসাহীদের সন্ধানী দৃষ্টি আজ এর ওপর নিবদ্ধ। প্রতিবছর আমাদের দেশে একুশে ফেব্রুয়ারির বই-মেলাটি বেশ তোড়জোড় ও ঘটা করে হয়ে থাকে। এছাড়া, অন্যান্য সময়ও রাজধানী শহর ও মফঃস্বল শহরে বই-মেলার আয়োজন হয়ে থাকে। বইমেলার প্রচলন : ১৮০২ সালে প্রথম নিউইয়র্কে শহরে বইমেলার...

ভাবসম্প্রসারণ : কর যুদ্ধ বীর্যবান যার যাবে যাক প্রাণ / মহিমাই জগতে দুর্লভ

কর যুদ্ধ বীর্যবান যার যাবে যাক প্রাণ মহিমাই জগতে দুর্লভ মূলভাব : পৃথিবীতে আত্মপ্রতিষ্ঠিত হতে হলে সংগ্রামের প্রয়োজন। সংগ্রামহীন জীবন ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। জগতের বুকে স্মরণীয় হতে চাইলে কঠোর সংগ্রাম করতে হয়। মহিমা অর্জনের চেয়ে পৃথিবীতে বড় কিছু নেই। সম্প্রসারিত ভাব : মানবজীবন কণ্টকার্কীন নয়। অনেক কষ্ট, ত্যাগ, তিতিক্ষা, পরিশ্রম ও সংগ্রামের বিনিময়ে মানুষ মহিমান্বিত হতে পারে। বিশ্বের অগণিত মানুষ আত্ম-প্রতিষ্ঠা অর্জন তথা টিকে থাকার জন্য অবিরত সংগ্রাম করে চলছে। এ ধরার বুকে মানবের আবির্ভাব ঘটেছে হাজার হাজার বছর পূর্বে। সে থেকে আজ পর্যন্ত অগণিত মানুষ জন্মেছে, আবার কিছু কাল সংসার রচনা করে, নিজেকে বিলিয়ে মৃত্যুপথের যাত্রী হয়েছে। সেই অসংখ্য, অগণিত, অজস্র বিলীন মানুষের মধ্যে গুটিকতক বীর্যবান ও গণ্য মানুষ মাত্রই আমাদের অন্তর্লোকে শ্রদ্ধার পাত্র হয়ে স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন; তাদেরই জীবন সার্থক, তাঁরাই ধন্য। বীর্যবান ও গণ্য মানুষেরা তাদের সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছার জন্য সর্বদাই ছিলেন তৎপর। তাঁরা প্রাণ যাবার ভয়ে ভীত না হয়ে, মানবকল্যাণের বাণীকে প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে; বরণীয় ও শ্রদ্ধাভাজন হতে না পারে তব...

ভাবসম্প্রসারণ : গতিই জীবন, স্থিতিতে মৃত্যু

গতিই জীবন, স্থিতিতে মৃত্যু মূলভাব : গতিশীলতা বা প্রবাহমানকতাই জীবনকে প্রাণবস্ত করে তোলে, আর স্থবিরতা আত্মার মৃত্যু ঘটায়। সম্প্রসারিতভাব : এ জগৎ স্থিতিশীল নয়। অনন্তকাল ধরে এটি চলবে মহাকালের গতি যেদিন থেমে যাবে সেদিন ঘটবে মহাপ্রলয়। এ অনন্ত যাত্রা পথে আমাদের জীবনও তাই এবং ভবিষ্যতেও গতিশীল। গতিশীলতার মধ্যেই ফুটে ওঠে জীবনের লক্ষণ। সংগ্রাম মুখর আমাদের জীবন। জীবনে বেঁচে থাকতে হলে কাজের প্রয়োজন। কর্মই মানুষকে গতিশীল রাখে। কুঁড়ে এবং গোঁড়া ব্যক্তিরা সমাজে জীবন্মৃত অবস্থায় পড়ে থাকে। কারণ তাদের আত্মার মৃত্যু অনেক আগেই ঘটে যায়। স্রোতস্বিনী নদীর জলে কারণে সেখানে শেওলা জমাতে পারে না। কিন্তু স্রোতহীন নদী শেওলায় ভরে যায় এবং এতে জল নষ্ট হয়ে ব্যহারের অযোগ্য হয়। তেমনি কর্মময় জীবনই হচ্ছে জীবন। কর্মহীন জীবন মৃত্যুর নামান্তর। এ পৃথিবী হচ্ছে এক বিরাট রণক্ষেত্র। সংগ্রাম করে, যুদ্ধ করে এখানে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হয়। ডারউন বলেছেন, ‘প্রকৃতির জগতে যে অধিকতর যোগ্য সেই টিকে থাকবে।’ অথাৎ পৃথিবীতে বাঁচতে হলে, টিকে থাকতে হলে সংগ্রাম করেই টিকে থাকতে হবে। দৃষ্টি রাখতে হবে সামনের দিকে, পেছনের দিকে নয়। চিন্ত...

প্রবন্ধ রচনা : জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান - PDF

Image
↬ বিশ্বসম্মোহনী নেতৃত্ব বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমার ↬ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি ভূমিকা : বিশ্বসম্মোহনীদের নামের তালিকায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সর্বাগ্রে। তিনি সগৌরবে সম্মোহনিতার আসনে সমাসীন। তবে হ্যাঁ, সম্মোহনিতা হচ্ছে অত্যাকর্ষণজানিত মোহিনীশক্তি যা যুগে যুগে কোনো না কোনো ব্যক্তিত্বে প্রকাশ পায়। আর এসব ব্যক্তিত্বের আঙুলের ইশারায় পৃথিবীর বুকে মহাবিপ্লব সংঘটিত হয়। ফলে গোটা মানবজাতির মুক্তি আসে। এটি বস্তুত ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্বের সর্বোচ্চ গুণাবলির সমন্বিত রূপ। জন্ম ও পারিবারিক পরিচয় : জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ সাবেক ফরিদপুর আর বর্তমান গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম শেখ লুৎফর রহমান ও মাতার নাম সায়েরা খাতুন। দুই ভাই ও চার বোনের মধ্যে তিনি পিতা-মাতার তৃতীয় সন্তান। শিক্ষাজীবন : ১৯২৭ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর বয়স ৭ বছর তখন তাঁকে স্থানীয় গিমাডাঙা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করা হয়। তারপর ৯ বছর বয়সে অথাৎ ১৯২৯ সালে তাঁকে গোপালগঞ্জ পাবলিক স্কুলে ভর্তি করা হয়। পরে তিনি মিশনারি স্কুলে পড়ালেখা করেন। কি...