Posts

Showing posts from November, 2019

সাধারণ জ্ঞান : বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৪ অনুযায়ী গড় স্বাক্ষরতার হার – ৫৭.৯%। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মুসলমান উপাচার্য কে ছিলেন? – স্যার এ. এফ. রহমান। বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান কে ছিলেন? – কুদরত-ই-খুদা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ছিলেন – আর. সি. মজুমদার। ব্রিটিশ ভারতে সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজির প্রবর্তন হয় – ১৮৩৫। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার নামে বোস চেয়ার প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল? – সত্যেন বসু। বিখ্যাত ভারতীয় ব্রিটিশ সাহিত্যিক নীরদ সি চৌধুরীর পৈতৃক বাসভূমি কোথায়? – বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জে। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ কখন প্রতিষ্ঠিত হয়? – ১৮০০ সালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়? – ১৯২১ সালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য কে? – পি. জে. হার্টস। আমাদের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তন কে করেন? – স্যার সৈয়দ আহমদ। কার্জন হল কবে নির্মিত হয়? – ১৯০৫ সালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য গঠিত কমিশনের নাম কী? – নাথান কমিশন। (১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিশন ১৯১২ সালে গঠিত হয়।) ঢাকা বিশ্ববিদ্যাল...

সাধারণ জ্ঞান : প্রতিরক্ষা বাহিনী

প্রতিরক্ষা বাহিনী বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর স্লোগান কী? – বাংলার আকাশ রাখিব মুক্ত। বাংলাদেশের মিলিটারি একাডেমি কোথায় অবস্থিত? – চট্টগ্রামের ভাটিয়ারীতে। যে কারণে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী বিশ্বে সুনাম অর্জন করেছে – আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা কার্যক্রম। বাংলাদেশের বিমান বাহিনী প্রমিক্ষণ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত? – যশোর। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পূর্ব নাম কী? – ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্ট। ’অপারেশন জ্যাকপট’ কী? – ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি নৌ-শক্তিকে ধ্বংস করার জন্য পরিচালিত অভিযান। বিমান বাহিনীর প্রধানকে কি বলে?  –   এয়ার চীফ মার্শাল বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান কে? – রাষ্ট্রপতি। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতীক কী? – ক্রস চিহ্নিত দুটি তরবারি এবং উপরে কৌণিক অবস্থায় জাতীয় ফুল শাপলা। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতীক কী? – রণতরী। বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রতীক কী? – জঙ্গী বিমান। বাংলাদেশ নেভাল একাডেমি কোথায় অবস্থিত? – চট্টগ্রামের পতেঙ্গা। বাংলাদেশের মিলিটারি একাডেমি কোথায় অবস্থিত? – চট্টগ্রামের ভাটিয়ারীতে। বাংলাদেশে মেরিন একাডেমি কোথায় অবস্থি...

সাধারণ জ্ঞান : গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানসমূহ

গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানসমূহ বাংলাদেশ সংবিধানের কত নম্বর অনুচ্ছেদ অনুসারে কর্ম কমিশন গঠিত হচ্ছে? – ১৩৭ নং (দায়িত্ব ১৪০নং অনুচ্ছেদে)। বাংলাপিডিয়া প্রকাশের উদ্যোক্তা কে? – বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। বাংলা একাডেমি বাংলা একাডেমি কবে প্রতিষ্ঠিত হয়? – ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর (১৭ অগ্রহায়ণ ১৩৬২ বঙ্গাব্দ)। বাংলা একাডেমি ভবনের পুর্বতন নাম কী? – বর্ধমান হাউস। বাংলা একাডেমি কে উদ্বোধন করেন? – পূর্ব বাংলার তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকার। বাংলা একাডেমি’র প্রথম মহাপরিচালক কে? – ড. মাযহারুল ইসলাম। কবে থেকে বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রবর্তিত হয়? – ১৯৬০ সাল থেকে। ’বাংলা একাডেমী’ নামের বানান ‘বাংলা একাডেমি’ কবে করা হয়? – ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩। বাংলা একাডেমি কবে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করে? – ২০১০ সালে। বাংলা একাডেমি’র প্রথম প্রকাশনা কোনটি? – বাংলা একাডেমী পত্রিকা (১৩৬৩ বঙ্গাব্দ, ইংরেজি ১৯৫৭)। ‘নজরুল চত্বর’ ও ‘নজরুল মঞ্চ’ কোথায় অবস্থিত? – বাংলা একাডেমী। বাংলা একাডেমি’র মূল ভবনে কবে ‘ভাষা আন্দোলন জাদুঘর’ উদ্বোধন করা হয়? – ১ ফেব্রুয়ারি ২০১০। এশিয়াটিক সোসাইটি এশিয়াটিক স...

সাধারণ জ্ঞান : বাংলাদেশের সাথে বিভিন্ন চুক্তি ও সনদ

বাংলাদেশের সাথে বিভিন্ন চুক্তি ও সনদ গঙ্গা পানি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কবে? – ১২ ডিসেম্বর ১৯৯৬। টিপাইমুখ বাঁধ ভারতের কোন রাজ্যে অবস্থিত? – মণিপুর রাজ্যের চুয়াচাঁদপুর জেলায়। বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে ট্রেন চলাচল চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়? – ৪ জুলাই ২০০০। ঢাকা-কলকাতা বাস চলাচল চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়? – ১৭ জুন ১৯৯৯। বাংলাদেশ CTBT চুক্তি স্বাক্ষর করে কোন তারিখে? – ২৪ অক্টোবর ’৯৬ (১২৯তম দেশ হিসেবে)। শান্তি বাহিনীর রাজনৈতিক সংগঠনের নাম কী? – জনসংহতি। বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী চুক্তি বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়েছিল? – ১৯ মার্চ ১৯৭২। (মেয়াদ শেষ হয় ১৮ মার্চ ১৯৯৭)। বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী চুক্তি কত বছরের জন্য স্বাক্ষরিত হয়? – ২৫ বছর। বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন কে কে? – বাংলাদেশের পক্ষে শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের পক্ষে ইন্দিরা গান্ধী। বাংলাদেশ-ভারত স্থল সীমান্ত চুক্তি বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল সমস্যা সমাধান কল্পে প্রথম চুক্তিটির নাম কি? – মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি ‘৭৪। (১৬ মে ১৯৭৪ সালে স্বাক্ষরিত হয়।) বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে ১৯৭৪ সালে স্বাক্ষরিত সীমান্...

সাধারণ জ্ঞান : কম্পিউটারের প্রয়োগ ও মাল্টিমিডিয়া

কম্পিউটারের প্রয়োগ ও মাল্টিমিডিয়া কম্পিউটারের ব্যবহার কম্পিউটার যা নিয়ে কাজ করে তার সর্বনিম্ন একককে বলা হয় – উপাত্ত। কম্পিউটার যা নিয়ে কাজ করে তার সর্বনিম্ন একক – উপাত্ত। মানুষের চেয়ে কম্পিউটারের বুদ্ধি – কম। কোন বিষয়ে কম্পিউটার গবেষণা প্রযোজ্য? – বিজ্ঞান, রাজনীতি, চিকিৎসা। চিকিৎসা বিজ্ঞানে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি কোনটি? – কম্পিউটার। ব্যবসায়-বাণিজ্যে কম্পিউটার বাজারপ্রবণতা বিশ্লেষণে কোনটি ব্যবহৃত হয়? – কম্পিউটার। ব্যবসায় বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কম্পিউটার যে আধুনিক ধারণাটি নিয়ে এসেছে তা নাম কি? – E-commerce E-COMMERCE-ক্ষেত্রে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে / E-COMMERCE এর জনপ্রিয় ক্ষেত্র হল – ব্যবসায়-বাণিজ্যের। ই-কমার্স-এর পূর্ণরূপটি কী? – ইলেকট্রনিক কমার্স। ------ ই হচ্ছে একুশ শতকের ব্যবসা-বাণিজ্যের স্বরূপ। / একুশ শতকের ব্যবসা বাণিজ্যের স্বরূপ কোনটি? – ই-কমার্স। ই-কমার্স কোনটির সাথে বেশি জড়িত? – ব্যবসা-বাণিজ্যে। ব্যবসায়-বাণিজ্যের হিসাব-নিকাশে ব্যাপক অবদান রাখছে - / ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কম্পিউটার যে আধুনিক ধারণাটি নিয়ে এসেছে তার নাম কি? – কম্পিউটার। মানুষের কাপ...

সাধারণ জ্ঞান : কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট পরস্পর তথ্য আদান-প্রদান করার কাজটি যখন কোন কম্পিউটার ব্যবস্থায় করা হয়, তখন তাকে কী বলে? – নেটওয়ার্ক। যখন কোনো কম্পিউটার ব্যবস্থায় পরস্পর তথ্য আদান-প্রদান করার কাজটি করা হয় তখন তাকে বলে – নেটওয়ার্ক। কম্পিউটারের পারস্পরিক যোগাযোগকে বলা হয় – নেটওয়ার্ক। নেটওয়ার্ক হল – কম্পিউটারের আন্তঃ যোগাযোগ। যখন কোনো কম্পিউটার ব্যবহার করে সমষ্টিগতভাবে কাজ করেন তখন অনেক আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতিই ভাগাভাগি করে ব্যবহার করতে পারেন। এটা ব্যবহারকারীর জন্য একটি – সুবিধা। নেটওয়ার্কের প্রকারভেদ কম্পিউটারসমূহের ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনা করলে কম্পিউটারের নেটওয়ার্ক হতে পারে - / কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কত প্রকার? – দু প্রকার। নেটওয়ার্ককে যেভাবে বিভাজন করা যায় তা হল – লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক এবং ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক। LAN দ্বারা বুঝায় – Local Area Network (লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক)। WAN দ্বারা বুঝায় – Wide Area Network (ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক)। নেটওয়ার্ক নয় – www যেসব নেটওয়ার্ক দূরবর্তী স্থানসমূহের জন্য করা হয় তাকে কী বলা হয়? – WAN এক কম্পিউটারের সাথে অন্য কম্পিউটার...

সাধারণ জ্ঞান : কম্পিউটার প্রোগ্রামিং

কম্পিউটার প্রোগ্রামিং প্রোগ্রামিং ভাষা কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যার কীরূপ? – সম্মিলিত রূপ। যে ভাষায় দেওয়া নির্দেশ কম্পিউটার বুঝতে পারে তাকে কী বলে? – প্রোগ্রামিংয়ের ভাষা। নিচের কোনটি প্রোগ্রামিংয়ের ভাষা নয়? – মানুষের ভাষা। ব্যবহারিক কর্মসূচি তৈরি করা হয় – প্রোগ্রামিং ভাষার সাহায্যে। প্রোগ্রামিং-এর ভাষা কত প্রকার? / কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষাকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? / কম্পিউটার প্রোগ্রামিং-এর ভাষা হল ---- প্রকার। - ৩ প্রকার। কম্পিউটার মানুষের ভাষা – যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তরিত হলে বুঝতে পারে। বাইনারি পদ্ধতিতে ইনপুট ও নির্দেশ দিলে কি অসুবিধার সৃষ্টি হয়? – শ্রমের অপচয় ঘটে, সময় বেশি লাগে, প্রচুর পরিমাণ সংখ্যা টাইপ করতে হয়। মেশিন ভাষায় রূপান্তরিত প্রোগ্রামকে কী বলে? – Object Code. কম্পিউটার একমাত্র যে ভাষাটি বুঝতে পারে তা হল – মেশিনের ভাষা। কোনটি নিম্নস্তরের ভাষা? – যান্ত্রিক। কম্পিউটারের যান্ত্রিক ভাষার কয়টি বর্ণ আছে? – দুটি। কম্পিউটারের যান্ত্রিক ভাষায় কোন দুটি বর্ণ আছে? – ০ এবং ১। মেশিন ল্যাংগুয়েজ বিদ্যুৎ প্রবাহের কয়টি সংকেতের সমন্বয়ে গঠিত হয়...

প্রবন্ধ রচনা : সার্ক / SAARC

ভূমিকা : দক্ষিণ এশিয়া একটি প্রাচীন ও বৈচিত্র্যময় জনপদ। এ অঞ্চল সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারী। আটটি দেশের জনসমষ্টি একত্রে সমগ্র পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-চতুর্থাংশ। কিন্তু বিশ্ববাণিজ্যে এ অঞ্চলের অংশ মাত্র ১ শতাংশ এবং বিশ্বের মোট জাতীয় উৎপাদনের মাত্র দেড় শতাংশ অবদান এ অঞ্চলের। সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক তেমন সুবিধাজনক না হওয়ায় জনসংখ্যায় বিশ্বের বৃহৎ এ আঞ্চলিক সংস্থাটি অনেক ক্ষেত্রেই ব্যর্থ। সর্ক গঠনের প্রেক্ষাপট : ১৯৮০ সালে বাংলাদেশের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একটি আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা গড়ে তোলার জন্য দক্ষিণ এশিয় দেশগুলোর নিকট প্রস্তাব পেশ করেন। এ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার জন্য ১৯৮১ সালে শ্রীলংকার রাজধানী কলম্বোতে দক্ষিণ এশিয় সাতটি দেশের প্রতিনিধিগণ বৈঠকে মিলিত হয়। পরবর্তীতে কাঠমান্ডু, ইসলামাবাদ, ঢাকা ও সর্বশেষ নয়াদিল্লিতে সচিব পর্যায়ের বৈঠকের পর ১৯৮৫ সালে সাতটি দেশের সরকারপ্রধানদের ঢাকায় এক শীর্ষ সম্মেলনে এটি গঠিত হয়। সার্কের বর্তমান সদস্য দেশ ৮টি। দেশগুলো হলো বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তান। পর্যবেক্ষক...

প্রবন্ধ রচনা : ভিশন-২০২১

↬ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও অর্থনৈতিক ও সামাজিক পদক্ষেপ ভূমিকা : বাংলাদেশ ২০২১ সালে তার স্বাধীনতার ৫০ বছর অতিক্রম করবে। ১৯৭১ সালে ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয় আমাদের স্বাধীনতা। পাকিস্তানি শোষণ থেকে মুক্তি ও এদেশের জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করাই ছিল মুক্তিযুদ্ধের প্রধান উদ্দেশ্য। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে স্বাধীনতার ৪৩ বছর পার হওয়ার পরেও স্বাধীনতার স্বপ্ন ও উদ্দেশ্য আজও পূরণ হয়নি। ৯০ দশকের পর থেকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও গণতান্ত্রিক চর্চার কিছুটা উন্নতি হয়ে আসছিল। কিন্তু কোনো ক্ষমতাসনি দলই দুনির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা গ্রহণ না করায় অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা কোন পর্যায়ে পৌঁছাবে তা বুঝা যাচ্ছিল না। ২০০৮ সালে বাংলাদেশের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ একটি দীর্ঘমেয়াদি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা সম্বলিত নির্বাচনী ইশতেহার রচনা করেছিল। যেখানে ২০২১ সালে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের কথা বলা হয়েছিল। মূলত ২০২১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে গৃহীত পরিকল্পনা...