Posts

Showing posts with the label এপ্রিল

Letter to pen-friend about describing Pohela Boishakh

Imagine, you are Nehal/Neha of 9 Airport Road, Dhaka-1000. Recently you have celebrated Pahela Boishakh in your school. Now, write a letter to your non-Bangladeshi friend Robert who lives at 9 Derriford Road, Bricklane, UK, telling him about the occasion. 9 Airport Road, Dhaka-1000,  Bangladesh  20 April 2020 My dear Robert, Hope you are well. I am also well. Now, I am writing to you about the celebration of Pahela Boishakh. Recently we have celebrated Pahela Boishakh, the Bangla New Year’s Day at our school in a befitting manner. The day is a tradition of our Bangla culture. On this very day early in the morning people of all ages and religions assemble at a particular place wearing traditional dress and welcome the Bangla New Year through songs and music. We, the students and the teachers of our school, also went to our campus wearing traditional dress and sang patriotic songs in chorus welcoming the new year. Then artists r...

বিদ্যালয়ে নববর্ষ উদ্‌যাপন উপলক্ষে একটি আমন্ত্রণপত্র রচনা

তোমার বিদ্যালয়ে নববর্ষ উদ্‌যাপন উপলক্ষে একটি আমন্ত্রণপত্র রচনা কর। ২৭ চৈত্র, ১৪২৮ সুধী, আসছে ১৪২৯ পয়লা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ। এ উপলক্ষে আমাদের বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী। উক্ত অনুষ্ঠানে আপনার / আপনাদের সবান্ধব উপস্থিতি আমাদের প্রেরণা যোগাবে। বিনীত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক বিরিসিরি উচ্চ বিদ্যালয়, নেত্রকোনা অনুষ্ঠানসূচি বিকাল ৩টা : অতিথিদের আসনগ্রহণ  বিকাল ৪টা : আলোচনা সভা সন্ধ্যা ৬টা : সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান  

বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ

বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে দুই বন্ধুর কথোপকথন রচনা করো। সাফেনা : মৌমিতা কেমন আছ? মৌমিতা : আমি ভালো আছি। তুমি কেমন আছ? সাফেনা : আমিও ভালো আছি। অনেক দিন পর তোমার সঙ্গে দেখা হলো । মৌমিতা : তা প্রায় দুমাস হবে । আচ্ছা এবার বাংলা নববর্ষে তুমি কী কী করলে? সাফেনা : এবারের নববর্ষে আমি ও আমার বন্ধুরা মিলে অনেক মজা করেছি। সকালবেলা মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেছি। এরপর নববর্ষ উপলক্ষে বৈশাখি মেলার বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখেছি, নাগরদোলা উঠেছি, বন্ধুদের সাথে ঝালমুড়ি খেয়েছি আরও কত্তো কী! কিছু কেনাকাটাও করেছি। তুমি কীভাবে পালন করলে বাংলা নববর্ষ? মৌমিতা : সকালবেলা বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দ শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেছি। এরপর আমাদের বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছি। তুমি কী কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলে? সাফেনা : হ্যা। আমি একটি কবিতা আবৃত্তি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছিলাম। তুমি? মৌমিতা : আমি সম্মিলিত গান গাওয়ায় অংশ নিয়েছিলাম। সমস্বরে গেয়ে উঠেছিলাম— এসো হে বৈশাখ, এসো এসো। অনুষ্ঠানে আমরা আমাদের সংস্কৃতিকে তুলে ধরার ...

দুই বন্ধুর মধ্যে পহেলা বৈশাখ নিয়ে একটি সংলাপ

দুই বন্ধুর মধ্যে পহেলা বৈশাখ নিয়ে একটি সংলাপ লেখো। শেফা : মিলা শোন, আগামীকাল লাল পাড় সাদা শাড়ি পরে বের হবি— মনে থাকে যেন। মিলা : কেন? কাল আবার কী হবে, তোর জন্মদিন নাকি? শেফা :  না, আমার জন্মদিন নয়, কাল পহেলা বৈশাখ। আমরা নববর্ষের উৎসবে যোগ দেব। মিলা : বৈশাখ তো আমার কী? যা পরি তাই পরব। শেফা : তুই আর ঠিক হলি না। কাল পহেলা বৈশাখ। সবাই সাদা শাড়ি লাল পাড় পরে বের হবে। সকালবেলা চারুকলা থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হবে। এটা বাঙালির উৎসবের দিন। সেই সম্রাট আকবরের সময় থেকে এই বৈশাখ উৎসব পালন করা হয়। তুই আসলে গবেট-ই রয়ে গেলি। মিলা : আচ্ছা ঠিক আছে বাবা আমি পরব। তুই কী পরবি? শেফা : আমিও শাড়ি পরব, টকটকে লাল। সকালবেলা মঙ্গল শোভাযাত্রার পর মুড়ি-মুড়কি খাব। তারপর সারাদিন টইটই করে ঘুরে বেড়াব। আর শোন, কাল কিন্তু রুবিনার সাথে পরিচয় করিয়ে দিবি। মিলা : না রে, ও কাল আসবে না, বাসায় ঝামেলা হয়েছে। অন্যদিন পরিচয় করিয়ে দেব। শেফা : ...

বাংলা নব্বর্ষ উদযাপনের দিনলিপি

বাংলা নব্বর্ষ উদযাপনের উপর একটি দিনলিপি লেখ। ১৪ই এপ্রিল, ২০১৮ মানিকগঞ্জ। এবার বাংলা নববর্ষ উদযাপন করতে এসেছি গ্রামে। ঠিক গ্রাম নয়, ছোট শহর বলা যায়। সঙ্গে এসেছেন আব্বা, আম্মা, ভাই-বোন, মামা সবাই। ভোরে ঘুম থেকে উঠে ফুরফুরে বাতাসে কিছুক্ষণ সবুজ প্রকৃতিতে মিশে গেলাম। তারপর পুকুরে গোসল সেরে নতুন পাঞ্জাবি পায়জামা পরে বেরিয়ে পড়লাম। এখানকার স্কুল মাঠের পাশে বিশাল বটগাছের নিচে উদীচীর বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। সবুজ ঘাসের উপর বসে কখনো নবীনদের সম্মিলিত কন্ঠে, কখনো একক কন্ঠে গান শুনে ভালো লাগল। তিন রাস্তার মোড়ে গেরুয়া পোশাক পরা বাউলরা মন মাতানো গান গাইছেন, শুনলাম কিছুক্ষণ। এর মধ্যেই চাচাত ভাই টেনে নিয়ে চলল নদীর পাড়ে। নৌকাবাইচ হবে। দশ বারোটা নৌকা চমৎকারভাবে সাজানো, ঢোল খঞ্জনি বাজিয়ে গান হচ্ছে। স্থানীয় এমপি সাহেব এসে গেছেন। শুরু হলো বাইচ। নৌকার দু’দিকে বসা রঙিন পোশাক পরা লোকেরা বৈঠা ফেলছে একতালে আর তর তর করে নৌকার ছুটে চলছে। কারা জিতল জানা হলো না, আলোচনা সভায় যোগ দিলাম। আলোচকরা খুব চমৎকার বললেন। নতুন কিছু বিষয় জানলাম। লাঞ্চ প্যাকেট দেওয়া হলো, খেয়ে নিলাম। তারপর ভাই বোনেরা মিলে আব্...

‘বৈশাখী মেলা’ শিরোনামে দিনলিপি

‘বৈশাখী মেলা’ শিরোনামে দিনলিপি ১০এপ্রিল,২০১৮ ঘিউর, মানিকগঞ্জ। বৈশাখ মেলা আমাকে খুব কাছে টানে। এর মধ্যে আমি যেন শেকড়ের সন্ধান পাই। আবহমান বাঙালি ঐতিহ্যের প্রকাশ ঘটে মেলার মধ্য দিয়ে। তাই আমি প্রতিবছরই ছুটে যাই আমার গ্রামে। আর মেলার জন্য মাটির ব্যাংকে টাকা জমাই। যা দিয়ে চাচাত ভাই বোনদের নিয়ে বেশ আনন্দে কাটানো যায়। এবার মেলার আগের দিন চলে এসেছি। আমাকে পেয়ে ওদের মনে খুশির বান এলো। কে কী করবে, কে কী কিনবে তাই নিয়ে হৈচৈ আর জল্পনা কল্পনা। গল্পে গল্পে অনেক রাত হয়ে গেল। ঘুম থেকে উঠে সবাইকে ডেকে তুললাম। হুড়মুড় করে উঠে সবাই ঝটপট তৈরি হয়ে নিল। এক টেম্পোএ উঠে সবাই একসঙ্গে নামলাম মেলাস্থলে। শুরুতেই বাঁশিওয়ালার উদাস করা সুর। সৈকত বাজিয়ে দেখে একটা বাঁশি কিনল পছন্দ করে। তারপর নাগরদোলা,কেউ উঠল না। কারণ গত বছর কিসলু পড়ে গিয়েছিল। সামনেই মিষ্টির দোকান। গরম গরম জিলাপি আর রসগোল্লা খেল সবাই। ঐশী আর বাবলি চুড়ি কিনল হরেক রকম। মিন্টু আর রিন্টু কিনল মাটির ঘোড়া, হাতি, বউ আর মাটির ব্যাংক। তাপস পছন্দ করল মাটির চমৎকার একটা ফুলদানি। ডানপাশে বাঁশ আর বেতের তৈরি নানা তৈজসপত্র সাজানো। বামপাশে লো...

ভাষণ : বাংলা নববর্ষ বরণ

বাংলা নববর্ষ বরণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে একজন বক্তা হিসেবে তোমাকে ভাষণ দিতে হবে। ভাষণটি তৈরি কর। অথবা, ‘ বাংলা নববর্ষ’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভার প্রধান বক্তার ভাষণ তৈরি কর। অথবা, বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের জন্য প্রধান বক্তার একটি ভাষণ রচনা কর। অথবা, বাংলা নববর্ষ বরণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে একজন বক্তা হিসেবে একটি ভাষণ রচনা কর। বাংলা নববর্ষ বরণ উপলক্ষে ভাষণ অনুষ্ঠানের শ্রদ্ধেয় সভাপতি, সম্মানিত প্রধান অতিথি, অতিথিবৃন্দ উপস্থিত সুধীবৃন্দ সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা। পৃথিবীর সর্বত্র ‘নববর্ষ’ একটা Tradition বা ঐতিহ্য। এটা আবার এমন একটা ‘ঐতিহ্য’ যে, যার বয়সের কোনো গাছপাথর নেই। অর্থাৎ অতি পুরাতন। গোড়ার কোনো সুনির্দিষ্ট দিন, তারিখ বা বছরের সাথে এর কোনো যোগাযোগ ছিল বলে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। অথচ বছরের প্রথম দিনটি ‘নববর্ষ’ নামে পরিচিত হয়ে আসছে। এর মানে এই নয় যে, দিনটিই নতুন বছর; বরং এর মানে হচ্ছে নতুন বছরের আগমন উপলক্ষে অনুষ্ঠিতব্য উৎসবের প্রথম দিন। আসলে নববর্ষ একটা নির্দিষ্ট উৎসবের দিন। সুধীমণ্ডলী, পৃথিবীর সব নতুন ...

ঢাকার পহেলা বৈশাখের অভিজ্ঞতা

ঢাকার পহেলা বৈশাখের অভিজ্ঞতা লেখ। গ্রামে পহেলা বৈশাখে হালখাতা আর বৈশাখী মেলা ছাড়া আর কোনো আনন্দ নেই। অবশ্য সারাদিন বিশেষ খাবার খাওয়ার আলাদা তৃপ্তি এবং আনন্দ আছে। কিন্তু টিভি চ্যানেলগুলোতে ঢাকায় পহেলা বৈশাখের ছবি দেখে আর বর্ণনা শুনে আগ্রহ তৈরি হয়েছে এবার পহেলা বৈশাখ ঢাকায় কাটাবো। ৩০ চৈত্র ঢাকায় চলে এলাম, উঠলাম ফুফুর বাসায়। আমাকে পেয়ে সবাই খুব খুশি। বিকেলে ভাইয়ার সঙ্গে বের হলাম পাঞ্জাবি পাজামা কিনতে। সন্ধ্যার পর পহেলা বৈশাখের সারাদিনের প্রোগ্রাম তৈরি হয়ে গেল। খুব ভোরে উঠে গোসল সেরে নিলাম। সবাই ভাইয়ার সঙ্গে বের হলাম হাঁটতে। অনেকেই হাঁটছে। মেয়েদের পরনে হলুদ লাল পেড়ে অথবা সাদা লালা পেড়ে শাড়ি, খোঁপায় ফুল আর ছেলেদের পাঞ্জাবি বা ধুতি। ছোটদের নানা রঙের ড্রেস। চমৎকার যেন এক ঝাঁক পরি নেমে এসেছে পার্কে। বটতলায় ছায়ানটের বেশ বড় মঞ্চ। সামনের মাঠে প্রায় ভরব গেছে। ফুরু পেপার বিছিয়ে বসতে বললেন। সমবেত কন্ঠে 'আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে' রবীন্দ্রসংগীত দিয়ে শুরু হলো অনুষ্ঠান। এরপর থেকে আবৃত্তি, একক গান, বাঁশি, সেতার, বেহালার সুর, সমবেত সংগীত চলতে থাকল। খুব ভালো লাগল ছায়ানটের অ...

কালবৈশাখীর অভিজ্ঞতা

কালবৈশাখীর অভিজ্ঞতা বর্ণনা করো। আমি তখন বেশ ছোট। ডানপিটে ছিলাম বলে দুরন্তপনায় জুড়ি ছিল না। বাবা কাজের প্রয়োজনে বছরের বেশিরভাগ সময় বাড়ির বাইরে কাটাতেন। এজন্য আমার ওপর শাসনের মাথাটা একটু কমই ছিল। কাদা পানিতে মাছ ধরা, গাছে চড়া, বিভিন্ন ফল চুরি করে খাওয়া, নদীতে দীর্ঘসময় ধরে সাঁতার কাটা- এসব ছিল নিত্যদিনের কাজ। মানসপটে এখনো জল জল করে এসব অভিজ্ঞতা। এই দুরন্তপনার একটা ঘটনা আমার জীবনে একটি ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার জন্ম‌ দেয়, যা এখনো আমাকে শিহরিত করে। বৈশাখের মাঝামাঝি সময়ের ঘটনা। চারদিকে তখন আম কুড়ানোর ধুম লেগে গেছে। আমিও অভ্যাসমতো সাথীদের সঙ্গে গ্রামের আমতলা চষে বেড়াচ্ছি আর ছড়া কেটে কালবৈশাখীর উপস্থিতি কামনা করছি। কারণ তাতে আম কুড়াতে সুবিধা হবে। অবশেষে তার (ঝড়ের) উপস্থিতি। উত্তর-পশ্চিমের আকাশ কালো করে হাজির হলো কালবৈশাখী। তার তান্ডব লীলায় আমগুলো পালকের মতো ঝরে পড়ছিল। কিন্তু হঠাৎই আমসহ গাছের মোটা একটা ডাল ভেঙে পড়ল আমার উপর। আমি চারদিকে তখন অন্ধকার দেখছি। তারপরে আর যখন জ্ঞান ফিরল তখন দেখি আমার পায়ে ব্যান্ডেজ। সেবার আমাকে তিন মাসের মত বেডে শুয়ে থাকতে হয়ে...

প্রবন্ধ রচনা : কালবৈশাখীর রাত

↬ একটি দুর্যোগময় রাত ভূমিকা :  কবিদের এক মহান রাজা রবীন্দ্রনাথ  তােমার কাছে দাঁড়িয়েছিলেন করজোড়ে  যা পুরানাে শুষ্ক মরা, অদরকারী  কালবােশেখের একটি ফুয়ে উড়িয়ে দিতে।  ধ্বংস যদি করবে তবে, শােনাে তুফান  ধ্বংস করে বিভেদকারী পরগাছাদের  পরের শ্রমে গড়ছে যাত্রা মস্ত দালান  বাড়তি তাদের বাহাদুরী গুড়িয়ে ফেলো। – আল মাহমুদ বাংলাদেশের সড়ঋতুর মধ্যে গ্রীষ্ম সবচেয়ে খরতাপের ঋতু, ভয়ঙ্কর ঋতু। গ্রীষ্ম দিয়ে আমাদের ঋতুচক্রের যাত্রা শুরু হয়। শেষ যত রােমান্টিক বসন্তের পর ঘামঝরা গ্রীষ্মের আগমন ঘটে। এ সময়ে নদীনালা, খালবিল, পুকুর ডােবায় তেমন একটা পানি থাকে না। শূন্য প্রান্তর শুকিয়ে মাটি ফেটে হা-করে থাকে। চারদিকে শুধু ধূলি আর ধূলি। রসহীন রােদের সুতীব্র উত্তাপে মাথার মগজ গলে যেতে চায় না। পায়ে মেঠো পথে হাঁটা যায় না। গ্রীষ্মের প্রথম মাস বৈশাখ, কালবৈশাখীর মাস। ঝড় তুফানের তাণ্ডবলীলা শুরু হয় এ মাস থেকে। ঝড়ের পূর্বাভাস : বৈশাখ মাস। ভাের থেকেই কেমন যেন এক ধরনের গুমট ভাব ছিল আকাশে। দুপুর বেলার গরমটা...

নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বন্ধুকে পত্র লেখো

নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বন্ধুকে একটি পত্র লেখো। নরসিংদী ১লা বৈশাখ ১৪২২ প্রিয় প্লাবন, আজ পহেলা বৈশাখ, শুভ নববর্ষ। আশা করি ভালো আছো। অনেকদিন তোমার খোঁজ খবর পাই না। ভূলে গেছ না কী? বন্ধু নববর্ষে বারবার মনে পড়ছে তোমার কথা। মনে পড়াটাই স্বাভাবিক। নববর্ষ আমাদের সার্বজনীন উৎসব, প্রাণের উৎসব, জাতীয় উৎসব। এদিনে তোমাকে কাছে ফেলে কতোই না ভালো লাগত! জীবন ও জীবিকার তাগিদে আমরা এক একজন একেক জায়গায় পড়ে আছি। কিন্তু প্রাণের টান কমে গেছে এটি মনে করার কোন কারণ নেই। আমার বিশ্বাস থেকে এই কথা বলছি। তোমারও মনোভাব সেরকমই হবে বলে আশাকরি। নববর্ষ আমাদের জীবনকে উদ্দীপ্ত করে। অতীতের সব ব্যর্থতা, গ্লানি ভুলে গিয়ে নতুন দিনের আহ্বানে জেগে উঠি আমরা, স্বপ্ন দেখি নতুন করে। নববর্ষ তোমার জীবনকেও উদ্দীপ্ত করুক। নতুন দিনে আহ্বানে জেগে ওঠো তুমি, তোমার চোখের তারায় ভেসে উঠুক নতুন দিনের স্বপ্ন- এ আমার প্রার্থনা। নববর্ষ তোমার জীবনকে আরো আশাবাদী করুক। এ নববর্ষে আমরা সংকল্প করব, সকলের জীবন নতুনভাবে শুরু হোক। আমাদের সংস্কৃতি সমৃদ্ধ, এখন আমাদের দরকার অর্থনৈতিক সমৃদ্ধ ঘটানো। নববর্ষের এ সম্মিলিত ...

প্রবন্ধ রচনা : বাংলা নববর্ষ উদ্‌যাপন / পহেলা বৈশাখ উদ্‌যাপন / বৈশাখী উৎসব

ভূমিকা : পহেলা বৈশাখ বাংলা বর্ষের প্রথম মাসের প্রথম দিন। বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বাহক ‘পহেলা বৈশাখ’ এক অসাম্প্রদায়িক উৎসবের দিন। অতীতের ভুলত্রুটি ও ব্যর্থতার গ্লানি ভুলে নতুন করে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় আনন্দঘন পরিবেশে উদ্‌যাপিত হয় নববর্ষের প্রথম দিন। বাংলা সনের সূচনা : কৃষিকাজের সুবিধার্থেই মোগল সম্রাজ আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০/১১ মার্চ বাংলা সন প্রবর্তন করেন এবং তা কার্যকর হয় তার সিংহাসনে আরোহনের সময় থেকে (১৫৫৬, হিজরি ৯৬৩)। হিজরি চন্দ্রসন ও বাংলা সৌরসনকে ভিত্তি করে বাংলা সন প্রবর্তিত হয়। নতুন সনটি প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল, পরে তা বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়। পহেলা বৈশাখ উদ্‌যাপন : নতুন বছরের উৎসবের সাথে বাঙালি জনগোষ্ঠীর কৃষ্টি ও সংস্কৃতির নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। হাজার বছরের ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় এসময় বাঙালি হারিয়ে যায় বাঁধভাঙা উল্লাসে। সর্বজনীন এবং স্থানীয় এ দু’ধরনের অনুষ্ঠান সমারোহে ফুঁটে উঠে বাঙালির লোক-সংস্কৃতির চিরাচরিত ধারা। এর মধ্যে কয়েকটি -বৈশাখী মেলা, হালখাতা, গম্ভীরা, বলীখেলা, লাঠিখেলা বা কাঠি নাচ, ষাঁড়ের লড়াই, মোরগের লড়াই, গরুর দৌড়, হা-ডু-ড...

প্রতিবেদন : বিদ্যালয়ে বাংলা নববর্ষ উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে

তোমার বিদ্যালয়ে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানমালার বিবরণ দিয়ে একটি প্রতিবেদন রচনা করো। বা, তুমি রতন। আনন্দ পাঠশালার দশম শ্রেণির একজন ছাত্র। তোমার বিদ্যালয়ে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানমালার বিবরণ দিয়ে প্রধান শিক্ষক বরাবরে একটি প্রতিবেদন রচনা করো। ১৮ই এপ্রিল. ২০২১ বরাবর প্রধান শিক্ষক শান্তিনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ঢাকা। বিষয় : বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানমালা সম্পর্কে পতিবেদন। সূত্র : শা.বা.উ.বি./৮৭/২০২১ জনাব, আপনার আদেশক্রমে শান্তিনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সম্প্রতি যে বাংলা নববর্ষ উদ্‌যাপন অনুষ্ঠান হয়ে গেল সে সম্পর্কে আপনার সমীপে প্রতিবেদন উপস্থাপন করলাম। শান্তিনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বাংলা নববর্ষ উদ্‌যাপিত গত ১৪ এপ্রিল, ২০২১ শান্তিনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ‘বাংলা নববর্ষ-১৯২৮’ উদ্‌যাপিত হয়। এ উপলক্ষ্যে আয়োজন করা হয় আলোচনা সভা, বৈশাখি মেলা, বইমেলা, স্বরচিত কবিতা পাঠের আসর, সংগীত ও নৃত্যানুষ্ঠানের। নববর্ষ উপলক্ষ্যে কলেজ মাঠকে চমৎকারভাবে সজ্জিত করা হয়। ‘বাংলা নববর্ষ’ খুব ব...

নববর্ষ উদ্‌যাপনের আয়োজন সম্পর্কে জানিয়ে ভাইকে পত্র লেখো

নববর্ষ উদ্‌যাপনের জন্য কেমন আয়োজন চলছে তা জানিয়ে ছোট ভাইকে পত্র লেখো। চট্টগ্রাম ৩রা এপ্রিল, ২০১৯ প্রিয় ইমন, প্রথমেই আমার ভালোবাসা নিও। কেমন আছ তুমি? সামনে তো নববর্ষ। এই নববর্ষ উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে আমাদের এখানে এবার কেমন আয়োজন চলছে আজ তোমাকে সে সম্পর্কে লিখব। আমাদের স্কুলের সামনে যে বড় মাঠটি আছে সেখানে নববর্ষ উপলক্ষ্যে বৈশাখি মেলার আয়োজন করা হয়েছে। সকালে ‘এসো হে বৈশাখ’ গানটি গেয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হবে।  মেলা উপলক্ষ্যে বাংলার ঐতিহ্য হিসেবে সকালে পান্তা ভাত এবং ইলিশ ভাজার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কয়েকটা স্টল থাকবে। সেগুলোতে পিঠা, বই ও লোক ফিল্মের প্রদর্শনী ও বিক্রির ব্যবস্থা থাকবে। এর সাথে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানেরও আয়োজন চলছে। অনুষ্ঠানমালায় থাকবে নাচ, গান আবৃত্তি ও রম্যবিতর্ক। আমাদের এ বাংলার ঐতিহ্যকে ধরে রাখা আমাদের সকলেরই দায়িত্ব। এবার নববর্ষে তোমার কথা খুব মনে পড়বে। কারণ এর আগের নববর্ষগুলো তোমার সাথে কাটিয়েছি। দুজনে মিলে কত মজা করেছি। তোমার ওখানে নববর্ষ উপলক্ষ্যে কেমন আয়োজন চলছে তা চিঠি লিখে জানিও।  ভালো থেকো। এ কামনায় এখানেই শেষ করলাম। ইতি- সুমন * [ ...

Paragraph : Baishakhi Mela

Baishakhi Mela ↬ Boishakhi Mela Baishakhi Mela is a part and parcel of Bengali culture. It is perhaps the largest and most comprehensive celebration of the arts and culture of Bangladesh. It is held on the 1st day of the Bangla New Year and the Bangalees were all looking forward to welcoming the year through this celebration. The Ramna Batamul is the centre around which New Year celebration has spread around the city and gradually across the country. This festival encompasses exhibitions, music, poetry, crafts, photography, theatre, etc. in the urban area. A Baishakhi Mela is an annual gathering. It is one of the chief attractions of the village too. Some fairs are held for a day, some are held for some days. It is held generally in the open place or on the bank of a river or a canal. Men, women, and children gather in the Baishakhi Mela in large numbers. Fancy goods, toys, balloons, flutes, sweets, and wooden things are mostly sold and children buy them. Circus parties are the ...

Paragraph : Pahela Baishakh

Pahela Baishakh Pahela Baishakh is a part and parcel of Bengali culture. It is the first day of Bengali Calendar year. Our people observe this day with great festivities. The Baishakhi Mela which is celebrated this day is perhaps the largest festival of Bengali culture. People from all walks of life join this festival in a joyous mood. Urban people try to keep a while away from their blind mimicry of western culture and tend to be a Bengali at least this day. In villages people pass the day meeting one another, giving and receiving invitations, enjoying music etc. by local performers and doing many other festive deeds. Businessmen open new books of account this very day which is known as Halkhata. Thus Pahela Baishakh comes every year with great joy and delight. আরো দেখুন : দুই বন্ধুর মধ্যে পহেলা বৈশাখ নিয়ে একটি সংলাপ রচনা : নববর্ষ / পহেলা বৈশাখ অনুচ্ছেদ : বাংলা নববর্ষ রচনা : বাংলা নববর্ষ উদ্‌যাপন / পহেলা বৈশাখ উদ্‌যাপন / বৈশাখী উৎসব অনুচ্ছেদ : বৈশাখী মেলা Composition : Pohela Boisha...

অনুচ্ছেদ : মঙ্গল শোভাযাত্রা

মঙ্গল শোভাযাত্রা মঙ্গল শোভাযাত্রা হলো বংলা নববর্ষের প্রথম দিনের প্রথম সকালে সম্মিলিতভাবে সজ্জাসহকারে হাঁটা। প্রতিবছর হাজার হাজার মানুষ মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ নেয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা (ফাইন আর্টস) অনুষদের শিক্ষার্থীদের তৈরি করা নানারকম প্রতিলিপি যেমন- মাছ, পাখি, প্রাণী ও অন্যান্য মোটিফের প্রতিলিপি সমন্বিত করা হয় মঙ্গল শোভাযাত্রার মিছিলে। চারুকলা অনুষদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রথম মিছিল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবটি বাংলাদেশি মানুষের ধর্মনিরপেক্ষ পরিচয় প্রকাশ এবং ঐক্য উন্নয়নের একটি উপায় হিসেবে পরিচিতি পায়। ২০১৪ সালে বাংলা একাডেমি মঙ্গল শোভাযাত্রার একটি মনোনয়ন ফাইল সংকলন করে যা বাংলাদেশ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত হয় এবং ইউনেস্কোতে জমা দেয়। ৩০ নভেম্বর ২০১৩ সালে ইউনেস্কো মঙ্গল শোভাযাত্রাকে একটি অমূল্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ঘোষণা করে। এই উৎসবের মিছিলটি প্রথম শুরু হয়েছিল ১৯৮৯ সালে যখন স্বৈরাচারী শাসক হোসেন মুহাম্মদ এরশাদ রাষ্ট্রপতি ছিলেন। সেই সময় বাংলাদেশ সামরিক একনায়কত্বের অধীনে ছিল এবং বন্যার শিকার হয়েছিল। ফলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের অধ্যাপকগণ স্বৈরাচার...

Report on Boishakhi Mela

Imagine that you have celebrated ‘A Boishakhi Mela’ in your village with festivity and grandeur. Now, write a short report on the celebration of ‘A Boishakhi Mela’ held in your village. Or, Suppose, you had a chance to pay a visit to a village far at your locality last month. Now, prepare a report on that fair for the daily paper you are working for.  A BOISHAKHI MELA HELD AT MATUAIL IN DHAKA  MATUAIL, DHAKA, April 17 : A grand mela was held at Matuail under Demra thana, Dhaka on the occasion of the Pohela Boishakh, the Bengali New Year’s Day. Hundreds and thousands of villagers from and around the locality attended the mela that continued from morning till evening. The main attractions of the mela included nagar dola, magic show, jarigan, kabi gan, baul gan, lathi khela and sale of local handicrafts to the customers and clients on the occasion as they opened the ‘hal khata’ in keeping with the age-old-tradition of the country. The local MP who visited the mela spoke to the v...

অনুচ্ছেদ : বৈশাখী মেলা

বৈশাখী মেলা বৈশাখী মেলা নববর্ষের সর্বজনীন অনুষ্ঠানগুলোর অন্যতম। নববর্ষের প্রথম দিন অর্থাৎ, পহেলা বৈশাখ থেকে বাংলাদেশে ছোট-বড় অনেক মেলা শুরু হয়। স্থানীয় লোকেরাই এসব মেলার আয়োজন করে থাকে। মেলার স্থায়িত্বকাল সাধারণত এক থেকে সাত দিন। তবে কোথাও কোথাও এ মেলা সারা বৈশাখ মাস ধরে চলে। বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের দিনাজপুর জেলার নেকমর্দানে পহেলা বৈশাখে যে মেলা বসে, তা হচ্ছে উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে বড় এবং জাঁকজমকপূর্ণ মেলা। সাধারণত এ মেলা এক সপ্তাহ স্থায়ী হয়। উত্তরবঙ্গের এমন বস্তু নেই যা এ মেলায় পাওয়া যায় না। এ মেলাকে সর্বসাধারণের উপযোগী করে গড়ে তোলা হয়। নাচ, গান, নাগরদোলা প্রভৃতি মেলার হাজার বছরের ঐতিহ্য বলে বিবেচিত। মেলার দিনগুলোতে ছেলে-বুড়ো সবার মাঝেই বিরাজ করে সাজ সাজ রব। বাংলাদেশের মেলাগুলোতে খুঁজে পাওয়া যায় এদেশের হারিয়ে যাওয়া বিভিন্ন দ্রব্যসামগ্রী, যা বাঙালির ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক বলে বিবেচিত। বৈশাখী মেলা বাঙালির ইতিহাস-ঐতিহ্যের মিলনমেলা। এ মেলা সকলের প্রাণে এনে দেয় খুশির বন্যা, ধুয়ে মুছে দেয় সারা বছরের কর্মক্লান্তি ও মানসিক অশান্তি। আমরা নতুন করে বাঙালি ঐতিহ্য লালন করে বাঁচার অনুপ্রেরণা লাভ করি...

অনুচ্ছেদ : বাংলা নববর্ষ - PDF

বাংলা নববর্ষ বাংলা নববর্ষ বাঙালির প্রাণের উৎসব। পয়লা বৈশাখ এ উৎসব পালিত হয়। পৃথিবীর যেখানে যত বাঙালি আছে, তারা সবাই উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ পালন করে। বাংলাদেশে একসময় এ দিনে ‘পুণ্যাহ’ অনুষ্ঠান হতো জাঁকজমকভাবে। এখন হালখাতা, মঙ্গল শোভাযাত্রা, কবিগান, কীর্তন, যাত্রা, বৈশাখী মেলা, আবৃত্তি-নাচ-গানে মুখরিত থাকে সারাদেশ। কোনো কোনো এলাকায় নৌকাবাইচ, হাডুডু, ষাঁড়েল লড়াই, মোরগের লড়াই ইত্যাদি খেলাধুলার আয়োজন করা হয়। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পালন করে তিন দিনব্যাপী আনন্দময় ‘বৈসাবি’ উৎসব। পন্ডিতরা মনে করেন মুঘল সম্রাট আকবর বাংলা সন চালু করেন। এ দিনটা যেমন আনন্দ উল্লাসের জন্য তেমনি পরস্পর কুশল বিনিময় ও কল্যাণ কামনার জন্য। আমরা একে অন্যকে বলি, শুভ নববর্ষ। এ দিনে শহরাঞ্চলে পান্তা-ইলিশ খাওয়ার চল হয়েছে ইদানীং। নতুন অথবা সুন্দর জামাকাপড় পরে সব বয়সের মানুষ বাংলা নববর্ষে আনন্দে মেতে ওঠে। বাংলা নববর্ষ এখন জাতীয় উৎসব। একই অনুচ্ছেদ আরেকবার সংগ্রহ করে দেয়া হলো সারাবছরের সমস্ত গ্লানি মুছে দিয়ে পাওয়া না পাওয়ার হিসেব চুকিয়ে প্রতিবছর আসে পহেলা বৈশাখ। এ দিনটিই বাংলা নববর্ষ নামে পরিচিত। নতুন বছরের এ দিনটি বাঙা...