Posts

Showing posts with the label বঙ্গবন্ধু

অনুচ্ছেদ : মুজিবনগর দিবস

মুজিবনগর দিবস মুজিবনগর দিবস আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এবং জাতীয় জীবনে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ স্মরণীয় একটি দিন। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল এদেশের রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র স্বাধীনতার সংগ্রাম। এই মুক্তির সংগ্রামকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ১০ এপ্রিল ১৯৭১ গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার। এ সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায়, যার বর্তমান নাম মুজিবনগর। শপথ অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক দেশি-বিদেশি সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। সরকার প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার নাম অনুসারে বৈদ্যনাথতলার নামকরণ করা হয় মুজিবনগর এবং অস্থায়ী সরকারও পরিচিত হয় মুজিবনগর সরকার নামে। এ সরকার গঠনের মাত্র দুই-ঘণ্টা পর পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান মুজিবনগরে বোমাবর্ষণ করে এবং মেহেরপুর দখল করে নেয়। ফলে মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোডে স্থানান্তরিত হয়। বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের ১২টি মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ছিল। এসব বিভাগের মাধ্যমেই যুদ্ধকালে সামরিক ও বেসামরিক যাবতীয় প্রশাসন পরিচালিত...

বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার দেখার অভিজ্ঞতা বর্ণনা কর

বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার দেখার অভিজ্ঞতা বর্ণনা কর। এক যুগেরও আগে বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হলেও একবারও যাওয়া হয়নি এবং ‘দেখা হয়নি চক্ষু মেলিয়া’। অথচ ইতিবাচক বৈজ্ঞানিক ধ্যানধারণা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সমাজ থেকে অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কার দূর করাই এই অনানুষ্ঠানিক বিজ্ঞান শিক্ষা কেন্দ্রের উদ্দেশ্য। । ০২ এপ্রিল শনিবার ১০টায় পৌছে গেলাম বিজয় সরণির দক্ষিণ-পশ্চিম কোনায় অবস্থিত বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটারে। ই-টিকেট ক্রয় করা ছিল আগেই, তার এন্ট্রি স্লিপ সংগ্রহ করলাম। বাইরে থেকে নীল-সবুজের ঘন সমারোহে গম্বুজবিশিষ্ট স্থাপনাটি দেখতে খুবই আকর্ষণীয় । কাউন্টারে মোবাইল ফোন, ক্যামেরা, ব্যাগ জমা দিয়ে রাইড সিমুলেটরে উঠলাম আমরা চারজন। নভোথিয়েটারে দুটো চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হলো। ‘এ জার্নি টু ইনফিনিটি’তে নক্ষত্রশালার গম্বুজে পৃথিবী ও নীল আকাশ ফুটিয়ে তোলা হলো। বিগ ব্যাং-এর মাধ্যমে কীভাবে নক্ষত্র ও গ্রহ সৃষ্টি হলো এবং আমাদের ছায়াপথে সূর্য ও গ্রহগুলোর অবস্থান ও প্রকৃতি এমনভাবে ফুটিয়ে তোলা হলো যে, মনে হলো আমরা নক্ষত্র-গ্রহগুলোতে ঘুরে বেড়াচ্ছি। এ এক অনাস্বাদিত, রোমাঞ্চকর ও বিস্ময...

সাধারণ জ্ঞান : বিভিন্ন পরীক্ষায় ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ সম্পর্কে যত প্রশ্ন এসেছে

বিভিন্ন পরীক্ষায় ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ সম্পর্কে যত প্রশ্ন এসেছে ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন। জাতির পিতার জন্মদিন উপলক্ষে তার রাজনৈতিক কর্মযজ্ঞ ও অন্যান্য বিষয়ে চাকরির পরীক্ষায় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় আসা প্রশ্নাবলি নিয়ে আমাদের মার্চ মাসের আয়োজন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম তারিখ কত? —  ১৭ মার্চ ১৯২০। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিবসে উদযাপিত হয় —  জাতীয় শিশু দিবস।  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস —  ১০ জানুয়ারি।  জাতীয় শোক দিবস —  ১৫ আগস্ট।  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব বাংলার নতুন নামকরণ ‘বাংলাদেশ’ করেন — ৫ ডিসেম্বর ১৯৬৯।  ‘Poet of Politics’ বলা হয় কাকে? — বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব পাকিস্তান কারাগার থেকে মুক্তি পান — ৮ জানুয়ারি ১৯৭২।  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘রাজনীতির কবি’ বলে আখ্যায়িত করেছিলেন কে? — লোবেন জেঙ্কিল।...

Essay : Bangabandh’s Life & Ideology

Bangabandh’s Life & Ideology Introduction : The story of Bangladesh is the story of a man named Sheikh Mujibur Rahman who loved the masses of East Bengal and sacrificed his life for a country which he had named ‘Bangladesh’. Bangabandhu was a genuine people’s leader. It was his love for his people and empathy for his people’s suffering that made him strive for their freedom. The sacrifice and contribution of Bangabandhu for the independence of Bangladesh is incomparable. He is considered to be the inspiration behind the independence and entitled with Bangabandhu (Friend of Bengal) by the people of Bangladesh. He gradually led his people to a liberation war in 1971 to be freed from the oppressions and deprivations of the Pakistani rulers. Thus, he is regarded ‘Jatir Pita’ . Birth, Childhood and Education :  Sheikh Mujibur Rahman was born in the village of Tungipara under Gopalganj District on 17 March 1920. His father was Sheikh Lutfar Rahman an...

Paragraph : Bangabandhu Satellite-2

Bangabandhu Satellite-2 Bangladesh is going to launch its second satellite ‘Bangabandhu Satellite-2’ by December 2023. With launching ‘Bangabandhu Satellite-1’ into space in 12 may 2018, Bangladesh became the 57th member of the elite club of satellites. The project of Bangabandhu Satellite-1 costs Tk 2,765 crore. The satellite is located 36,000 kilometers away from earth. It provides services to Bangladesh and many other South Asian countries. Y launching Bangabandhu Satellite-2, Bangladesh will become selfreliant in earth observation with optical and radar images and applications. Bangladeshi security and law enforcing agencies need security images which are not commercially available. Bangabandhu Satellite-2 won’t be launched only for commercial purpose. It will cover on the country’s remote areas including char and coastal sites as well. With the aim of launching Bangabandhu Satellite-2, Bangladesh Satellite Company Ltd (BSCL) signed a cooperation contract with the Russian co...

বাঙালির মহানায়ক

১৯২০  বঙ্গবন্ধু ১৭ মার্চ ১৯২০ ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার (বর্তমানে জেলা) টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। শেখ লুৎফর রহমান এবং শেখ সায়েরা খাতুনের ৪ কন্যা এবং ২ পুত্র সন্তানের মধ্যে শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন তৃতীয়। মা-বাবা তাঁকে 'খোকা' বলে ডাকতেন।  ১৯২৭  সাত বছর বয়সে শেখ মুজিবুর রহমান গিমাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির মাধ্যমে তাঁর স্কুল জীবন আরম্ভ করেন। নয় বছর বয়সে তিনি গোপালগঞ্জ পাবলিক স্কুলে তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হন। পরবর্তীকালে তিনি গোপালগঞ্জ মিশনারি স্কুলে ভর্তি হন।  ১৯৩৪  ১৪ বছর বয়সে বেরিবেরি রোগে আক্রান্ত হলে তার একটি চোখ কলকাতায় অপারেশন করা হয় এবং চক্ষুরোগের কারণে তার লেখাপড়ার সাময়িক বিরতি ঘটে।  ১৯৩৮  শেখ মুজিবুর রহমান ১৮ বছর বয়সে শেখ ফজিলাতুন্নেসা (রেনু)-কে বিয়ে করেন। তাঁরা দুই কন্যা (শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা) এবং তিন পুত্রের (শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শেখ রাসেল) জনক-জননী ছিলেন।  ১৯৪২  বঙ্গবন্ধু গোপালগঞ্জ মিশন স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে কলকাতা ইসলামিয়...

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও জাতীয় শিশু দিবস

জন্ম ও শিক্ষা : শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ ফরিপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার পাটগাতি ইউনিয়নের টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা শেখ লুৎফর রহমান গোপালগঞ্জ দায়রা আদালতের সেরেস্তাদার (যিনি আদালতের হিসাব সংরক্ষণ করেন) ছিলেন। এবং মা'র নাম সায়ের খাতুন। চার কন্যা এবং দুই পুত্রের সংসারে তিনি ছিলেন তৃতীয়। সন্তান। তার বড় বোন ফাতেমা বেগম, মেজ বোন আছিয়া বেগম, সেজ বোন হেলেন ও ছোট বোন লাইলী; তার ছোট ভাইয়ের নাম শেখ আবু নাসের। ১৯২৭ সালে শেখ মুজিব গিমাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা শুরু করেন যখন তার বয়স সাত বছর। নয় বছর বয়সে তথা ১৯২৯ সালে গোপালগঞ্জ পাবলিক স্কুলে ভর্তি হন এবং এখানেই ১৯৩৪ সাল পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। ১৯৩৭ সালে গোপালগঞ্জে মাথুরানাথ ইনস্টিটিউট মিশন স্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি হন। গোপালগঞ্জ মিশনারি স্কুল থেকে তিনি ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। ১৯৩৮ সনে আটারো বছর বয়সে তার সাথে ফজিলাতুন্নেসার বিয়ে হয়। এই দম্পতির ঘরে দুই কন্যা এবং তিন পুত্রের জন্ম হয়। কন্যারা হলেন শেখ হাসিনা এবং শেখ রেহানা। আর পুত্রদের নাম শেখ কামাল, শেখ জামাল এবং শে...

প্রবন্ধ রচনা : মুজিববর্ষ

↬ মুজিব জন্ম শতবর্ষ ↬ বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ↬ মুজিববর্ষ ২০২০-২০২১ “আমি হিমালয় দেখিনি, তবে শেখ মুজিবকে দেখেছি। ব্যক্তিত্ব ও সাহসে তিনি হিমালয় সমান।” - ফিদেল ক্যাস্ট্রো।  ভূমিকা : পৃথিবীর শিক্ষা, সভ্যতা ও সংস্কৃতির বিকাশে তথা জাতিসত্তার বিকাশে অনেক মহান ব্যক্তি অভাবনীয় অবদান রেখে গেছেন। পরাধীনতার শৃঙ্খল ছিন্ন করে চির আকাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা অর্জনে দূরদর্শী ও বিস্ময়কর ভূমিকা পালন করেছেন অনেক কীর্তিমান ব্যক্তিত্ব। গভীর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, আত্মত্যাগ ও জনগণের আস্থায় অটল বাঙালির অবিসংবাদী নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেই কীর্তিমান মহান ব্যক্তিদের অন্যতম। এই দূরদর্শী মহান নেতার নেতৃত্বে মুক্তির আকাঙ্ক্ষায় উন্মাতাল বাঙালি জাতি ঝাঁপিয়ে পড়ে গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধে, অর্জন করে বহু প্রত্যাশিত স্বাধীনতা।  বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ : বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ এক ও অভিন্ন। বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের সঙ্গে তাঁর আত্মার সম্পর্ক। তাই তো তিনি দৃঢ়কণ্ঠে বলেছেন, ‘আমি বাঙালি, বাংলা আমার ভাষা, বাংলাদেশ আমার দেশ’। আজীবন সংগ্রামী বঙ্গবন্ধু দেশ ও মানুষ...

জাতীয় শোক দিবসের প্রস্তুতির জন্য ক্লাস স্থগিতের জন্য আবেদন

জাতীয় শোক দিবস অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির জন্য ৪র্থ (চতুর্থ) ঘণ্টার পর ক্লাস স্থগিতের জন্য আবেদন। ১৩ আগস্ট, ২০২২ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, সাতক্ষীরা। বিষয় : জাতীয় শোক দিবস অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির জন্য চতুর্থ ঘণ্টার পর ক্লাস স্থগিতের জন্য আবেদন। জনাব, সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আগামী ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালন করা হবে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে এই দিনে হত্যা করা হয়। তাঁর বর্ণাঢ্য জীবনের নানামুখী দিক নিয়ে এই দিনে আলোচিত হবে। জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠান উপলক্ষে প্রত্যেক শ্রেণিকেই কোনোনা কোনো দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমাদের ওপর রয়েছে মঞ্চসজ্জা ও স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব। কাজগুলো সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে চতুর্থ ঘণ্টার পর ক্লাসসমূহ স্থগিত প্রয়োজন। অতএব, মহোদয় সমীপে বিনীত অনুরোধ, চতুর্থ ঘণ্টার পর ক্লাসসমূহ স্থগিত করে আমাদের বাধিত করবেন। নিবেদক, জোবায়ের হোসেন সপ্তম শ্রেণি, রোল নং-০১

ভাষণ : ১৫ই আগস্ট : জাতীয় শোক দিবস

তোমার কলেজে ‘১৫ই আগস্ট : জাতীয় শোক দিবস’ উপলক্ষে প্রধান অতিথির একটি মঞ্চভাষণ তৈরি কর। ১৫ই আগস্ট : জাতীয় শোক দিবস শ্রদ্ধেয় সভাপতি, বিশেষ অতিথি ও উপস্থিত সুধীবৃন্দ, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকল শহীদের আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে আমার বক্তব্য শুরু করছি। শুরুতেই আমি আজকের এই অনুষ্ঠানের আয়োজকদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই এই মহতী অনুষ্ঠানে আমাকে প্রধান অতিথির সম্মান প্রদানের জন্য। আজ পনেরোই আগস্ট, জাতীয় শোক দিবস। ইতিহাসে এ দিনটি আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ হারিয়ে অশ্রু বিসর্জনের দিন। শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করার দিন। আমরা জানি ১৯৭৫ সালের এই দিনে বাঙালি জাতির জনক, বাঙালির প্রাণপ্রিয় নেতা, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিপথগামী একদল সেনাসদস্যের হাতে সপরিবারে শাহাদাত বরণ করেন। বাঙালি জাতি নির্মম এ হত্যাকাণ্ডে আজও অশ্রুবিসর্জন করছে, গভীর বেদনায় অন্তরের সীমাহীন শ্রদ্ধা নিবেদন করছে। আজ ভোরে শোকর্যালিতে শুনেছি সেই বিষাদের সুর—  “যদি রাত পোহালে শোনা যেত বঙ্গবন্ধু মরে ন...

বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা

বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা কর। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক বাড়িটি আজ ‘বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর’। অথচ ১৯৬২ সালের আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ৬ দফা আন্দোলন, ১৯৭০ এর সাধারণ নির্বাচন, ১৯৭১ এর অসহযোগ আন্দোলন, ১৯৭১ এর ৭ই মার্চ ও স্বাধীনতা ঘোষণার পরিকল্পনা প্রণয়ন নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় দেশি-বিদেশি ব্যক্তিত্ব ও সাংবাদিকদের সাক্ষাৎকার প্রধান ও সাধারণ মানুষের দুঃখ-কষ্ট শোনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই বাড়িটি। এই বাড়িটি থেকেই পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বহুবার গ্রেফতার করেছেন। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি থাকাকালে এই বাড়িতেই তাকে সপরিবারে ১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগস্ট প্রাণ দিতে হয়েছিল। ১৯৮১ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার কাছে বাড়িটি হস্তান্তর করা হলে তিনি এটি বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট এর কাছে হস্তান্তর করেন। ট্রাস্ট এই বাড়িটিকে জাদুঘরে রূপান্তর করে।এসব গুরুত্বপূর্ণ কথা আব্বার কাছ থেকে শুনে ঐতিহাসিক তাৎপর্যমণ্ডিত বঙ্গবন্ধু স্মৃতি বিজড়িত এই বাড়িটি খালাতো ফুফাতো...

বঙ্গবন্ধু সমাধিসৌধ পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা

বঙ্গবন্ধু সমাধিসৌধ পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা কর। গোপালগঞ্জ জেলা শহর থেকে ২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত টুঙ্গিপাড়া গ্রামে এসেছি। সেখানে নিজ বাড়িতে বাবা আমার পাশে শায়িত রয়েছেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধুর জন্ম ও শাহাদাত বার্ষিকীতে শুধু নয়, সারা বছরই হাজার হাজার মানুষ বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে আসে, তার আত্মার শান্তির জন্য মোনাজাত করে। আমরাও চার বন্ধু পরিবারের সবাইকে নিয়ে এসেছি বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে এবং কমপ্লেক্স ঘুরে দেখতে। বাইগ্য নদীর পাড়ের এই গ্রামটি সবুজ গাছপালা ও বন বনানীবেষ্টিত, সামনে রয়েছে সবুজ ফসলের মাঠ। বড় রাস্তা থেকে গ্রামে ঢুকতেই বামে উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স, দিঘি, একপাশে হেলিপ্যাড। সামনে কিছুদূর গেলেই বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ কমপ্লেক্স। দৃষ্টিনন্দন গেট দিয়ে ঢুকে একপাশে পাঠাগার ও মিউজিয়াম, গবেষণা কেন্দ্র, প্রশাসনিক ভবন, মসজিদ, ক্যাফেটেরিয়া। অন্য পাশে মুক্তমঞ্চ বকুলতলা চত্বর, লেকচার থিয়েটার, বাগান। পুকুর ঘেরা বাগানটি মন জুড়িয়ে দেয়। ক...

বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক বেড়ানোর অভিজ্ঞতা

বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক বেড়ানোর অভিজ্ঞতা বর্ণনা করো। আমাদের বাস এগিয়ে চলছে গাজীপুরের দিকে। ঢাকার সরকারি বিজ্ঞান কলেজ থেকে শিক্ষক-শিক্ষার্থী মিলিয়ে আমরা ৫০ জন এশিয়ার সর্ববৃহৎ 'বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক' দেখতে যাচ্ছি। দুদিকে শালবন, মাঝে মাঝে বাতিঘর, সবুজ গ্রাম। বাস বাঘের বাজার পৌঁছে বামদিকে টার্ন নিল, আরও তিন কিলোমিটার যেতে হবে। কাছাকাছি পৌঁছতেই পার্কের ফটো আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করল। ৪০০ টাকা প্রবেশ ফি দিয়ে ভিতরে ঢুকেই চোখ জুড়িয়ে গেল সারি সারি নানা বাহারি রঙের ফুলের গাছ দেখে। সামনে এগিয়ে যাওয়া কয়েকজন ভয়ে দৌড় দিয়েছে বাঘ-সিংহ দেখে। স্যারদের একজন ওদের সামলে নিলেন। বললেন এরপর দেখবে বাজপাখি, ক্যাঙ্গারু, ডায়নাসোর। ওগুলো জীবন্ত নয়, কাজেই ভয় নেই। পার্কের প্রথমে বঙ্গবন্ধু স্কয়ার। এখানে দুই হাজার প্রজাতির মেরুদন্ডী ও অমেরুদন্ডী প্রাণীর দেহাবশেষ স্পিসিমেন ও স্টাফিং করে রাখা হয়েছে। আমরা মনোযোগ দিয়ে ঘুরে ঘুরে দেখলাম এবং নতুন অনেক কিছু জানলাম। বন্য পরিবেশে বন্যপ্রাণীর অবাধ বিচরণ দেখতে আমরা গাড়িতে করে কোর সাফারি পার্কে ঢুকলাম। ধীরে ধীরে গাড়ি চলছে। দু...

অনুচ্ছেদ : ৭ই মার্চের ভাষণ

৭ই মার্চের ভাষণ বাংলাদেশের মানুষের কাছে ৭ই মার্চের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যময়। ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রহমান তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমাবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) প্রায় দশ লক্ষ মানুষের উপস্থিতিতে ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। এই ভাষণের বাস্তবতা বিশ্লেষণ করতে গেলে একটি পিছনে যেতে হবে। পাকিস্তানি নামক রাষ্ট্রের জন্মের পর থেকেই পশ্চিম পাকিস্তানিরা পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলার উপরে শোষণ - নিপীড়ন শুরু করে। আর এর বিরুদ্ধে বাংলার মানুষ আন্দোলন করে শেখ মুজিবর রহমানের নেতৃত্বে। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের সামরিক একনায়ক আইয়ুব খান ক্ষমতাচ্যুত হন। এরপর ক্ষমতায় এসে নতুন প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া সাধারণ নির্বাচন দিতে বাধ্য হন। ১৯৭০ সালের সে নির্বাচনে আওয়ামী লীগ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বাঙালিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর না করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। কোনো কারণ ছাড়াই ইয়াহিয়া ১৯৭১ সালের ৩রা মার্চে ঢাকায় পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করেন। এই ষড়যন্ত্রমূলক ঘোষণা শুনেই পূর্ব পাকিস্তানের সর্বত্র প্রতিবাদ ও বিক্ষোভের ঝড় ওঠে। তারই প্রেক্ষি...

অনুচ্ছেদ : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান বাংলাদেশের এক অবিসংবাদিত নাম। তাঁর সুযোগ্য নেতৃত্বের ফলে ১৯৭১ সাল আমরা পেয়েছি চেয়ে চিরকাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। স্বাধীনতা সংগ্রামের এক উত্তাল সময়ে বাংলার ছাত্রজনতা এই অবিসংবাদিত নেতাকে 'বঙ্গবন্ধু' হিসেবে ঘোষণা দেয়। বঙ্গবন্ধু ১৯২০ সালের ১৭ ই মার্চ গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি সক্রিয় রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে নানা ধরনের আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েন। ৫২'র ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ৭১'র এর মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত তাঁর বলিষ্ঠ ভূমিকা বাঙালিকে নিয়ে গিয়েছে এক নতুন অভ্যুদয়ের দিকে। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে তাঁর দল আওয়ামী লীগ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলেও পশ্চিম পাকিস্তানি ক্ষমতালোভীরা শাসনভার ছেড়ে দিতে নানা টাল বাহানা শুরু করেন। এরই এক পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ঘোষণা দেম। তাঁর সে কালজয়ী ভাষণ 'এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম' - এর উদ্দীপ্ত বাণী বাঙালিকে করে তোলে অদম্য সাহসী। ১৯...

প্রবন্ধ রচনা : বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ - PDF

Image
ভূমিকা : বিশ্ব সম্মোহনীদের নামের তালিকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সর্বাগ্রে ও স্বগৌরবে অবস্থান করছেন। সম্মোহনীতা বলতে অত্যাকর্ষণজনীত মহিনী শক্তিকে বুঝায়। আর এই মহিনী শক্তি যুগে যুগে কোনো না কোনো ব্যাক্তিত্বে প্রকাশ পায়। আর এসব ব্যাক্তিত্বের আঙ্গুলের ইশারায় পৃথিবীতে মহা বিপ্লব সংঘটিত হয়। ফলে সমগ্র মানব জাতির মুক্তি আসে। তাই বলা যায় বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ একে অপরের জন্যই সৃষ্টি। জন্ম ও পারিবারিক পরিচয় : জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ই মার্চ গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা শেখ লুৎফর রহমান ও মাতা সায়েরা খাতুন। দুই ভাই ও চার বোনের মধ্যে তিনি ছিলেনপিতা মাতার তৃতীয় সন্তান। সবাই আদর করে খোকা বলে ডাকতেন।  শিক্ষা জীবন : ১৯২৭ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বয়স ৭ বছর তখন তাকে স্থানীয় গিমাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করা হয়। তারপর ৯ বছর বয়সে ১৯২৯ সালে গোপালগঞ্জ পাবলিক স্কুলে ভর্তি করা হয়। পরে তিনি মিশনারি স্কুলে ভর্তি হন। কিন্তু ১৯৩৪ সালে তিনি বেরিবেরি রোগে আক্রান্ত হলে ৪ বছর তাঁর পড়ালেখা বন্ধ থাকে। ১৯৪২ সালে তিন...

সাধারণ জ্ঞান : মুজিব শতবর্ষ

মুজিব শতবর্ষ মুজিব বর্ষঃ ১৭ মার্চ, ২০২০ থেকে ১৬ ডিসেম্বর ২০২১ সাল পর্যন্ত। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানের ১০০ দিনের ক্ষণগননা হয় ১০ জানুয়ারি, ২০২০ সালে। ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২ সাল বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। ইউনেস্কোর ৪০ তম সাধারন অধিবেশনে মুজিব বর্ষ পালনের সিন্ধান্ত পাস হয়। ইউনেস্কোর বর্তমান সদস্য ১৯৩ টি রাষ্ট্র মুজিববর্ষ পালন করবে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ২৬ মার্চ, ২০২১ সাল। সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে দেশে প্রথমবারের মতো ৭ম ব্যাংক নোট বাজারে ছাড়া হয়। যা ২০০ টাকা মূল্যমানের নোট। mujib100.gov.bd নামক ওয়েবসাইটে মুজিব বর্ষের সকল কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। মুজিব বর্ষের লোগোর ডিজাইনার — সব্যসাচী হাজরা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবরের সবচেয়ে বড় ভাস্কর্য স্থাপিত হয়েছে চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহরের মোড়ে। বেদিসহ এ ভাস্কর্যের উচ্চতা ২৬.৫ ফুট। যার নাম রাখা হয়েছে “বজ্রকন্ঠ”। বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে তিন ধরনের মন্তব্য খাতা রাখা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু কে নিয়ে ‘মুজিব ভাই’ বইটি লেখেন এবিএম মুসা। বঙ্গবন্ধুর খুনী মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামী ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আব্দুল মাজেদের ফাঁসি কার্যকর করা হয় ১২ এপ্রিল,...

Paragraph : Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman - PDF

Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman The father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman is the makes of Independent Bangladesh. He is recognized as the great Bengali of the past thousand of years. we owe his charismatic leadership for making us a great nation. The great man was born on 17th March 1920 Tungipara in Gopalganj. He completed his study in 1947 at the Kolkata Islamic College. Afterwards, he joined politics and did his best for the Bengali nation to make them free from the oppression of the Pak rulers. For that, he was arrested and tortured by Pakistani rulers several times. After so many struggle and movements the East Pakistan Government were compelled to take decision for having an election in 1970. Awami League got the highest vote in that election from public. Bangabandhu was the man who won the heart of all Bengali people. But Pakistani rulers had been denying to hand over the rule. After that Bangabandhu ...