Posts

Showing posts from April, 2020

সাধারণ জ্ঞান : জাতিসংঘের বিভিন্ন দিবস ও পুরস্কারপ্রাপ্তি

জাতিসংঘ ঘোষিত বর্ষ ২০১৩ – আন্তর্জাতিক পানি সহযোগিতা ও কিনওয়া বর্ষ। ২০১৪ – আন্তর্জাতিক পারিবারিক খামার বর্ষ, আন্তর্জাতিক কেলাসতত্ত্ব বর্ষ, আন্তর্জাতিক ক্ষুদ্র দ্বীপ দেশ উন্নয়ন বর্ষ, আন্তর্জাতিক পারিবারিক পরিকল্পনা বর্ষ, আন্তর্জাতিক স্বচ্ছতা বর্ষ, ফিলিস্থিনি জনগনের সাথে সংহতি বর্ষ। জাতিসংঘ ঘোষিত দশক (২০০৫ – ২০১৪) – দ্বিতীয় বিশ্ব আদিবাসী দশক। (২০০৫ – ২০১৫) – জীবনের জন্য পানি দশক। (২০০৬ – ২০১৬) – সমস্যাসংকুল অঞ্চলে টেকসই উন্নয়ন ও পুর্নগঠন। (২০১০ – ২০২০) – দ্বিতীয় দারিদ্র্য দূরীকরণ দশক নিরাপদ সড়ক, জীববৈচিত্র্য। (২০১১ – ২০২০) – তয় ঔপনিবেশিক সুলভ আচরণ দশক। জাতিসংঘ ঘোষিত আন্তর্জাতিক দিবস ২১ মার্চ – বর্ণ বৈষম্য বিরোধী দিবস। ১৫ মে – আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস। ৫ জুন – বিশ্ব পরিবেশ দিবস। ২৬ জুন – মাদক বিরোধী দিবস। জুলাই মাসের প্রথম শনিবার – আন্তর্জাতিক সমবায় দিবস। ১১ জুলাই – বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। ৯ আগস্ট – আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস। ১২ আগস্ট – আন্তর্জাতিক যুব দিবস। ১৬ সেপ্টেম্বর – আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর রক্ষা দিবস। ২১ সেপ্টেম্বর – বিশ্ব ...

সাধারণ জ্ঞান : জাতিসংঘের মহাসচিব / জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ

জাতিসংঘের মহাসচিব জাতিসংঘ সচিবালয়ের প্রধানের পদবী কী? – সেক্রেটারী জেনারেল (মহাসচিব)। জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব কে ছিলেন? – ট্রিগভেলী। (দেশ- নরওয়ে) জাতিসংঘের মহাসচিবের মেয়াদকাল কত বছর? – ৫ বছর। জাতিসংঘের মহাসচিব কাদের ভোটে নির্বাচিত হন? – সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে। জাতিসংঘের মহাসচিব কোন পরিষদের সুপারিশে নিযুক্ত হন? – নিরাপত্তা পরিষদের। দ্যাগ হেমারশোল্ড কোন দেশের নাগরিক ছিলেন? – সুইডেন। দ্যাগ হেমারশোল্ড কিভাবে মারা যান? – বিমান দুর্ঘটনায় (১৯৬১ সালে)। জাতিসংঘের তৃতীয় মহাসচিব কে ছিলেন? – উথান্ট। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘের মহাসচিব ছিলেন কে? – উথান্ট। (দেশ- মায়ানমার) জাতিসংঘের প্রথম একমাত্র মুসলিম মহাসচিব কে? – কফি আনান (ঘানা)। জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ বাংলাদেশ কবে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে? – ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ (২৯তম অধিবেশনে)। বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম সদস্য দেশ? – ১৩৬তম। জাতিসংঘে প্রথম বাংলায় ভাষণ দেন কে? – প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৭৪ সালে) শেখ মুজিবুর রহমান কবে জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেন? – ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ (২৯তম অধিবেশনে)।...

সাধারণ জ্ঞান : অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ / জাতিসংঘ সচিবালয় বা সদর দফতর / আন্তর্জাতিক আদালত / অছি পরিষদ

অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের সদস্যের মেয়াদকাল কত বছর? – ৩ বছর। অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের কতজন সদস্য প্রতিবছর অবসর নেন? – ১৮ জন। অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের অধিবেশন বছরে কতবার অনুষ্ঠিত হয়? – ২ বার (একবার নিউইয়র্ক, অন্যটি জেনেভা)। অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের সদস্য সংখ্যা কত? – ৫৪টি। জাতিসংঘের কোন সংস্থাকে United Nations Family নামে অভিহিত করা হয়? – অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ। অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য কত? – ১৮। অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের ৫টি আঞ্চলিক কমিশন [১] ESCAP (Economic and Social Commission for Asian & Pacific) – প্রতিষ্ঠাকাল : ১৯৪৭ – সদর দফতর : ব্যাংকক, থাইল্যান্ড। [২] FCA (Economic Commission for Africa) – প্রতিষ্ঠাকাল : ১৯৫৮ – সদর দফতর : আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া। [৩] ECE (Economic Commission for Europe) – প্রতিষ্ঠাকাল : ১৯৪৭ – সদর দফতর : জনেভা, সুইজারল্যান্ড। [৪] ECLAC (Economic Commission for Latin America & Carabbian) – প্রতিষ্ঠাকাল : ১৯৮৪ – সদর দফতর : সান্টিয়াগো, চিলি। [৫] ESCWA (Economic &...

ব্যাকরণ : সাধু ও চলিত রীতি মিশ্রণজনিত কারণে গুরুচণ্ডালী দোষে দুষ্ট ভাষা

‘সাধু ভাষা’ ও ‘চলিত ভাষা’ বাংলা ভাষারই দুটো রীতি। এক রীতির সাথে অন্য রীতি মিলিয়ে ফেললে ভাষা অসুন্দর হয়, ভাষারীতিতে ত্রুটি ঘটে; তাই এ ধরনের মিশ্রণ অবশ্যই দূষণীয় ও বর্জনীয়। যেমন, যদি লিখি  ‘আমি শব পোড়াতে গিয়াছিলাম’  তাহলে ভুল হবে; কেননা, ‘শব’ সাধু রীতির শব্দ, ‘গিয়াছিলাম’ ও তাই, অথচ ‘পোড়াতে’ চলিত ভাষার রূপ। তাই লেখা উচিত  সাধু ভাষায় : ‘আমি শব দাহ করিতে গেয়াছিলাম’ কিংবা ‘আমি মড়া পোড়াইতে গিয়াছিলাম’।  চলিত ভাষ : আমি মড়া পোড়াতে গেছিলাম।  সাধু ও চলিত ভাষার ত্রুটিপূর্ণ মিশ্রণকে ‘গুরুচণ্ডালী দোষ’ বলে।  এ ‘গুরুচণ্ডালী ভাষাদোষে দুষ্ট’ হবার জন্যে বাংলা গদ্যের প্রথম পর্যায়ের কোনো কোনো গদ্য – লেখককেও বিদ্রুপ করে বলা হতো ‘শব-পোড়া’ ‘মরা-দাহে’র দল (‘শব-দাহ’ বা ‘মরা-পোড়া’ না বলে)। তাই, বাংলা গদ্যে বা রচনায় এবং চলিত কথাবার্তায় এ দুই রীতির মিশ্রণ পুরোপুরিভাবে নিষিদ্ধ এবং দূষণীয় এবং বর্জনীয়ও বটে। নিচে গুরুচণ্ডালী দোষে দুষ্ট ভাষার একটি উদাহরণ লক্ষ করা যাক-  “ধরণীর মধ্যে সবচেয়ে বড় জিনিস জানিবার ও বুঝিবার প্রবৃত্তি মানুষের মন থেকে যেদিন চলিয়া যাবে সেদিন...

ব্যাকরণ : সাধু ও চলিত ভাষারীতির পার্থক্য

Image
সাধু ও চলিত ভাষা কাকে বলে? চলিত ভাষা কাকে বলে? ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, “দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গে ভাগীরথী নদীর তীরবর্তী স্থানের ভদ্র ও শিক্ষিত সমাজের ব্যবহৃত মৌখিক ভাষা, সমগ্র বাঙ্গালাদেশের শিক্ষিত সমাজ কর্তৃক শ্রেষ্ঠ মৌখিক ভাষা বলিয়া গৃহীত হইয়াছে। এই মৌখিক ভাষাকে বিশেষভাবে ‘চলিত ভাষা’ বলা হয়।” সাধু ভাষা কাকে বলে? ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, “সাধারণ গদ্য-সাহিত্যে ব্যবহৃত বাঙ্গালা ভাষাকে সাধু ভাষা বলে।” সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য সাধু ও চলিত ভাষারীতির পার্থক্য ক্রমিক নং সাধু ভাষা চলিত ভাষা ১ উনিশ শতকের শুরুতে সংস্কৃতানুসারী পণ্ডিতদের উদ্‌যোগ-আয়োজনে যে সাহিত্যিক গদ্য ভাষার উন্মেষ, তাই সাধু ভাষা। বিশ শতকের শুরুতে প্রমথ চৌধুরীর ‘সবুজপত্রে’র আহ্বানে ভাগীরথী নদীর দুতীরবর্তী অঞ্চলের ভাষাক...

সাধারণ জ্ঞান : সাধারণ পরিষদ / জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ

সাধারণ পরিষদ সাধারণ পরিষদের প্রথম অধিবেশনের সূচনা কবে হয়? – ২৩ অক্টোবর, ১৯৪৬। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের প্রথম অধিবেশন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়? – ওয়েস্ট মিনিস্টার হল (লন্ডন)। সাধারণ পরিষদের মূল কমিটির সংখ্যা কতটি? – ৭টি। সাধারণ পরিষদের নিয়মিত অধিবেশন ছাড়া আর কী অধিবেশন বসতে পারে? – বিশেষ ও জরুরি অধিবেশন। সাধারণ পরিষদের বাৎসরিক নিয়মিত অধিবেশন কবে থেকে শুরু হয়? – প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার থেকে। সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যকাল কতদিন? – ১ বছর। কাদের ভোটে সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়? – সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের ভোটে। সাধারণ পরিষদের সভাপতি কতটি আঞ্চলিক এলাকা থেকে পালাক্রমে নির্বাচিত হন? – ৫টি। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন এই পর্যন্ত কত বার জাতিসংঘের বাহিরে অনুষ্ঠিত হয়? – ২ বার (লন্ডন-১৯৪৬, জেনেভা-১৯৮৮)। জাতিসংঘের বাজেট কোন পরিষদে ঘোষিত হয়? – সাধারণ পরিষদে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ফারাক্কা বিষয় প্রথম উত্থাপিত হয় কোন অধিবেশনে? – ৩১তম অধিবেশনে (১৯৭৬ সালে)। সাধারণ পরিষদের সদস্য সংখ্যা কত? – ১৯৩ (জাতিসংঘের সদস্যের সমান হবে)। ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত জাত...

ব্যাকরণ : বাক্যে সাধু ও চলিত শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রে পার্থক্য

Image
সাধু ও চলিত ভাষায় বাক্যে শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু পার্থক্য লক্ষ করা যায়। এমন কিছু শব্দ আছে যেগুলো কেবল সাধু ভাষাতেই ব্যবহৃত হয়; অন্যদিকে কিছু শব্দ কেবল চলিত ভাষাতেই প্রত্যাশিত।  সাধু ও চলিত শব্দের প্রয়োগ [১] তৎসম-অতৎসম শব্দের প্রয়োগ সাধু ভাষায় তৎসম শব্দের বহুল ব্যবহার দেখা যায়। পক্ষান্তরে চলিত ভাষায় ঐসব তৎসম শব্দের পরিবর্তে সমার্থক অতৎসম (তদ্ভব, দেশী, বিদেশী) শব্দের ব্যবহার হয়ে থাকে। সাধু চলিত অন্তঃকরণ মন অধ্যয়ন পড়া অভিপ্রায় ইচ্ছা উত্তমর্ণ মহাজন গলদেশ গলা তলদেশে তলায় দর্পণ আয়না নিষ্ঠীবন থুতু বঙ্গিম বাঁকা সন্নিধানে কাছে সম্যক যথেষ্ট স্কন্ধ কাঁধ [২] সমাসবদ্ধ শব্দ প্রয়োগে পার্থক্য সাধু ভাষায় দীর্ঘ সমাসবদ্ধ শব্দের প্রয়োগ বেশি। এ ধরনের প্রয়োগ ভাষাকে গাম্ভীর্য দেয়। চলিত ভাষায় সমাসবদ্ধ শব্দ যতটা সম্ভব পরিহার করা হয়ে থাকে। ভাষান্তরের সময়ে তই সাধু ভাষার সমাসবন্ধ পদকে চলিত ভাষায় ভেঙ্গে ভেঙ্গে সহজ করে লে...

সাধারণ জ্ঞান : জাতিপুঞ্জ / জাতিসংঘ

জাতিপুঞ্জ (League of Nations) জাতিসংঘের পূর্বসুরি ‘লীগ অব নেশনস’ কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল? – ১০ জানুয়ারি ১৯২০। জাতিপুঞ্জ গঠনের প্রস্তাবক ছিলেন কে?  – যুক্তরাষ্ট্রের ২৮তম প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন। জাতিপুঞ্জের সদর দফতর কোথায় অবস্থিত ছিল?  – জেনেভা, সুইজারল্যান্ড। জাতিপুঞ্জের চুক্তিপত্র কবে গৃহীত হয়? – ২৮ জুন, ১৯১৯ সালে ২য় ভার্সাই চুক্তিতে। কোন ঘটনা বা বিশ্ব পরিস্থিতির কারণে জাতিপুঞ্জ গঠনের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছিল? – প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠা। জাতিপুঞ্জের প্রথম মহাসচিব কে ছিলেন? – উচ্চপ্রদস্ত ব্রিটিশ রাজকর্মচারী স্যার এরিক ড্রামন্ড। জাতিপুঞ্জ চুক্তিতে মোট কত দফা অন্তর্ভুক্ত ছিল? – ১৪ দফা। জাতিপুঞ্জের মুখ্য সংস্থা ছিল কতটি ও কী কী? – ৩টি। যথা – ১. সভা, ২. পরিষদ, ৩. সচিবালয়। (পরে ILO ও সচিবালয় এতে অন্তর্ভুক্ত হয়) জাতিপুঞ্জ গঠনের সময় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন? – ডেভিড লয়েড জর্জ। ‘লীগ অব নেশনস’ কবে আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হয়? – ১৯৪৬ সালে। জাতিপুঞ্জ গঠনের সাথে জড়িত থেকেও কোন দেশ জাতিপুঞ্জের সদস্য ছিল না? – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। জাতিসং...

সাধারণ জ্ঞান : আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি

আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি কার্টাগেনা প্রটোকল হচ্ছে – জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি। ১৯৮৯ থেকে ওজন স্তর বিষয়ক মন্ট্রিল প্রটোকল কতবার সংশোধন করা হয়? – ৪ বার। ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের (Continental Shelf) সীমা হবে ভিত্তি রেখা হতে – ৩৫০ নটিকেল মাইল। (নোট : আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমা আইনানুযায়ী অর্থনৈতিক অঞ্চল – ২০০ নটিকেল মাইল পর্যন্ত এবং মহীসোপানের সীমা ভিত্তি রেখা (উপকূল) থেকে – ৩৫৪ নটিকেল মাইল পর্যন্ত।) জীববৈচিত্র্য সংক্রান্ত কনভেনশন জীববৈচিত্র্য কনভেনশন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কবে? – ৫ জুন, ১৯৯২। জীববৈচিত্র্য কনভেনশন চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়? – ব্রাজিলের রিওডি জেনোবিতে। জীববৈচিত্র্য কনভেনশন চুক্তি কার্যকর হয় কবে? – ২৯ ডিসেম্বর ১৯৯৩। জীববৈচিত্র্য কনভেনশন চুক্তির উদ্দেশ্য কী? – বিশ্বের সমস্ত জীববৈচিত্র্যের যথাযোগ্য সংরক্ষণ, এ উপাদানসমূহের টেকসই ব্যবহার বৃদ্ধি এবং জেনেটিক রিসোর্স ব্যবহার নিশ্চিত করা। জীববৈচিত্র্য কনভেনশন চুক্তিতে কতটি দেশ স্বাক্ষর করে? – ১৭৮টি। ভিয়েনা কনভেনশন ভিয়েনা কন...