Posts

Showing posts with the label শোক দিবস

জাতীয় শোক দিবসের প্রস্তুতির জন্য ক্লাস স্থগিতের জন্য আবেদন

জাতীয় শোক দিবস অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির জন্য ৪র্থ (চতুর্থ) ঘণ্টার পর ক্লাস স্থগিতের জন্য আবেদন। ১৩ আগস্ট, ২০২২ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, সাতক্ষীরা। বিষয় : জাতীয় শোক দিবস অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির জন্য চতুর্থ ঘণ্টার পর ক্লাস স্থগিতের জন্য আবেদন। জনাব, সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আগামী ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালন করা হবে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে এই দিনে হত্যা করা হয়। তাঁর বর্ণাঢ্য জীবনের নানামুখী দিক নিয়ে এই দিনে আলোচিত হবে। জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠান উপলক্ষে প্রত্যেক শ্রেণিকেই কোনোনা কোনো দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমাদের ওপর রয়েছে মঞ্চসজ্জা ও স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব। কাজগুলো সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে চতুর্থ ঘণ্টার পর ক্লাসসমূহ স্থগিত প্রয়োজন। অতএব, মহোদয় সমীপে বিনীত অনুরোধ, চতুর্থ ঘণ্টার পর ক্লাসসমূহ স্থগিত করে আমাদের বাধিত করবেন। নিবেদক, জোবায়ের হোসেন সপ্তম শ্রেণি, রোল নং-০১

ভাষণ : ১৫ই আগস্ট : জাতীয় শোক দিবস

তোমার কলেজে ‘১৫ই আগস্ট : জাতীয় শোক দিবস’ উপলক্ষে প্রধান অতিথির একটি মঞ্চভাষণ তৈরি কর। ১৫ই আগস্ট : জাতীয় শোক দিবস শ্রদ্ধেয় সভাপতি, বিশেষ অতিথি ও উপস্থিত সুধীবৃন্দ, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকল শহীদের আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে আমার বক্তব্য শুরু করছি। শুরুতেই আমি আজকের এই অনুষ্ঠানের আয়োজকদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই এই মহতী অনুষ্ঠানে আমাকে প্রধান অতিথির সম্মান প্রদানের জন্য। আজ পনেরোই আগস্ট, জাতীয় শোক দিবস। ইতিহাসে এ দিনটি আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ হারিয়ে অশ্রু বিসর্জনের দিন। শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করার দিন। আমরা জানি ১৯৭৫ সালের এই দিনে বাঙালি জাতির জনক, বাঙালির প্রাণপ্রিয় নেতা, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিপথগামী একদল সেনাসদস্যের হাতে সপরিবারে শাহাদাত বরণ করেন। বাঙালি জাতি নির্মম এ হত্যাকাণ্ডে আজও অশ্রুবিসর্জন করছে, গভীর বেদনায় অন্তরের সীমাহীন শ্রদ্ধা নিবেদন করছে। আজ ভোরে শোকর্যালিতে শুনেছি সেই বিষাদের সুর—  “যদি রাত পোহালে শোনা যেত বঙ্গবন্ধু মরে ন...

অনুচ্ছেদ : জাতীয় শোকদিবস

জাতীয় শোকদিবস বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অবিসংবাদিত নেতা স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে স্বপরিবারে হত্যা করা হয় ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট। এ দিনটিকেই জাতীয় শোকদিবস হিসেবে পালন করা হয়। এ দিনটির সাথে জড়িয়ে আছে জাতির বেদনামিশ্রিত অশ্রুগাঁথা। জাতিকে এ দিনটির যন্ত্রণাকাতর ভার বইতে হয়েছে দীর্ঘদিন। সে এক কলঙ্কময় অধ্যায়। জাতির পিতাকে হত্যা করে ঘাতকরা ক্ষান্ত হয়নি, তাঁর হত্যার বিচাত প্রক্রিয়া বন্ধ করার জন্য অধ্যাদেশ জারি করা হয়। এরপর দীর্ঘ সময় জাতির পিতাকে নিয়ে তেমন আলোচনা হয় নি। জাতির পিতার হত্যার পর সামরিক বেসামরিক যে সরকারই এসেছে জাতির পিতার ব্যাপারে তারা ছিল নির্লিপ্ত। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে জাতির পিতার দিকে বিশেষ নজর দেয়। তারা ১৫ই আগস্টকে জাতীর শোকদিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এরপর থেকে দিনটি জাতীয় শোকদিবস হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, মিলাদ মাহফিল ও কাঙালি ভোজের ব্যবস্থা করা হয়। দিনটি থাকে সরকারি ছুটি। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাসহ সসর্বস্তরের জনগণ জাতির পিতার ...

প্রতিবেদন : বিদ্যালয়ে জাতীয় শোক দিবস পালন

মনে করো, তোমার নাম রুবেল। তুমি নাসিরাবাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র। তোমার বিদ্যালয়ে জাতীয় শোক দিবস পালন করেছ। উক্ত অনুষ্ঠানের বিবরণ দিয়ে প্রধান শিক্ষক বরাবর একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন করো। অথবা, মনে করো, তুমি রুবেল। তুমি নাসিরাবাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তোমার বিদ্যালয়ে ‘জাতীয় শোক দিবস-২০২১’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানের বিবরণ দিয়ে প্রধান শিক্ষক বরাবর একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন করো। ১৮ই আগস্ট ২০২১ বরাবর প্রধান শিক্ষক নাসিরাবাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। বিষয় : জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষ্যে প্রতিবেদন। সূত্র : না.স.উ.বি/১০৮/২০২১ জনাব, নাসিরাবাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষ্যে একটি প্রতিবেদন তৈরিতে আদিষ্ট হয়ে নিম্নরূপ প্রতিবেদন উপস্থাপন করছি। আপনার বিশ্বস্ত রুবেল হোসেন নাসিরাবাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। নাসিরাবাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে জাতীয় শোক দিবস পালিত যথাযথ ভাবগম্ভীর্য ও পূর্ণ মর্যাদার সাথে গত ১৫ই আগস্ট ২০২১ চট্টগ্রাম জেলার নাসিরাবাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে পালিত হলো জাতীয় শোক দিবস। শোকার্ত পরিব...

প্রবন্ধ রচনা : জাতীয় শোক দিবস

ভূমিকা : যতদিন রবে পদ্মা যমুনা গৌরি মেঘনা বহমান ততদিন রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান। দ্বিধাবিভক্ত পরাধীন জাতিকে সুসংগঠিত করে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করা এবং সঠিক নেতৃত্ব দেওয়া সহজ কাজ নয়। অথচ এই কঠিন কাজটি বঙ্গবন্ধু খুব সহজেই করতে পেরেছিলেন। স্বাধীকার থেকে স্বাধীনতার সংগ্রাম সবই পরিচালনা করেছেন শেখ মুজিবুর রহমান অসীম দক্ষতা ও যোগ্যতায়। তাঁর ছিল মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার মতো অসাধারন বজ্রকণ্ঠ। অনলবর্ষী বক্তা হিসেবে তাঁর বিপুল খ্যাতি ছিল। অথচ সবার সেরা আর বাঙালির প্রাণপ্রিয় এই নেতাকে ঘাতকেরা কি নিষ্ঠুরভাবেই না হত্যা করলেন! সেই সাথে ঘাতকেরা শুধু একজন মানুষকেই হত্যা করেনি, হত্যা করেছে ১৬ কোটি বাঙালির পিতাকে, হত্যা করে স্বাধীনতার রক্তিম সূর্যকে, হত্যা করেছে সমাজের নিরীহ, অত্যাচারিত, শোষিত, নির্যাতিত সকল মানুষের আশা আকাঙ্ক্ষার সত্য প্রতীককে। ঘাতকেরা বাঙালি জাতি এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কালো অধ্যায় রচিত করেছিল ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের চিত্রকর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর ...