Posts

Showing posts with the label ভাষণ

ভাষণ : শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং আমাদের করণীয়

শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং আমাদের করণীয় বিষয়ে একটি ভাষণ তৈরি করো। শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং আমাদের করণীয় ‘শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং আমাদের করণীয়’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠানের সম্মানিত সভাপতি, বিশেষ অতিথিবৃন্দ, বিজ্ঞ আলোচকবৃন্দ, উপস্থিত অভিভাবকমণ্ডলী ও শিক্ষার্থী বন্ধুরা – সবার প্রতি রইল আমার সশ্রদ্ধ সালাম। আপনারা জানেন শিক্ষিত ব্যক্তি একটি দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। তার পাশাপাশি সুষ্ঠু ও সুন্দর জীবন গঠনের জন্য সুশিক্ষার বিকল্প নেই। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই, আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থার নানা পর্যায়ের নানামুখী সীমাবদ্ধতার কারণে এখনো পর্যন্ত আমরা শিক্ষাব্যবস্থার পর্যাপ্ত উন্নতি সাধন করতে পারিনি। শিক্ষা মানবজীবনে কেন প্রয়োজন, সুশিক্ষার তাৎপর্য কী এবং শিক্ষার মানোন্নয়ন এই মুহূর্তে কতখানি প্রাসঙ্গিক ইত্যাদি বিষয়ে এই মুহূর্তে বিস্তারিত আলোচনা করা নিষ্প্রয়োজন। সভায় আগত সকলেই এই বিষয়গুলোর গুরুত্ব সম্পর্কে যথেষ্ট ওয়াকিবহাল আছেন বলেই আমার বিশ্বাস। সুধীবৃন্দ, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার বর্তমান অবস্থার দিকে দৃষ্টি ফেরানো যাক। শিক্ষার একটি সর্বাধিক গ্রহণযোগ্...

ভাষণ : ফেসবুক ব্যবহারের ভালো ও মন্দ দিকগুলো

ফেসবুক ব্যবহারের ভালো ও মন্দ দিকগুলো নির্দেশপূর্বক একটি ভাষণ তৈরি করো। ফেসবুক ব্যবহারের ভালো ও মন্দ দিকগুলো  ফেসবুক ব্যবহারের ভালো ও মন্দ দিক নির্দেশ করার উদ্দেশ্যে আয়োজিত এই মহতী সভার মাননীয় সভাপতি, সম্মানিত প্রধান অতিথি, মঞ্চে উপবিষ্ট সম্মানিত আলোচক বৃন্দ ও সম্মানিত সুধীমণ্ডলী আপনাদের জানাই আন্তরিক অভিবাদন। আজ একটি জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের ভালোমন্দ দিক নিয়ে আলোচনা করব। ‘ফেসবুক’ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম৷ এটি বিশ্ব সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থার একটি ওয়েবসাইট। ২০০৪ সালে ফেসবুক প্রতিষ্ঠিত হয় এবং প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মার্কজুকারবার্গ। ২০০৪ সালের ডিসেম্বর ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ১০ লাখ। বর্তমানে এর সংখ্যা হয়েছে ১৮৫ কোটির চেয়ে বেশি। বিশ্বে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩৪২ কোটি। এই ফেসবুক এখন এতটাই জনপ্রিয় যে, যাবতীয় সামাজিক যোগাযোগ ছাড়াও অনলাইনে কেনাকাটার কাজেও এই নেটওয়ার্কই ব্যবহৃত হয়। সুধী, ফেসবুকে অনেক সুবিধার মধ্যে অন্যতম সুবিধা হলো ‘য...

ভাষণ : ২২ শ্রাবণ : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়ান দিবস

২২ শ্রাবণ উপলক্ষ্যে একটি ভাষণ প্রস্তুত করো। ২২ শ্রাবণ : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়ান দিবস শ্রদ্ধেয় সভাপতি এবং সমাগত সুধীবৃন্দ – আজ আমরা এক পরম পুণ্যলগ্নে এখানে সমবেত হয়েছি। সমগ্র বাঙালি জীবনে ২২ শ্রাবণ শুধু স্মরণীয় দিন নয়, আমাদের জীবনের মহত্তম আবেগকে আশ্রয় করে আছে এ দিনটি। ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের এ দিনটিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মৃত্যুবরণ করেন। আশি বছরের জীবনে তিনি চিন্তাচেতনায়, রচনায়, অনুভাবনায় বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি এবং সর্বোপরি বাঙালির জীবনকে সমৃদ্ধ করে গেছেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমাদের সংস্কৃতির সঙ্গে, আমাদের সাহিত্যের সঙ্গে আমাদের ঐতিহ্যের সঙ্গে, আমাদের সংগীতের সঙ্গে, মোটকথা আমাদের জীবনের প্রতিটি শোভনতম আবেগের সঙ্গে বিজড়িত হয়ে য়আছেন। তিনি আমাদের কাছে শুধু একজন ব্যক্তিমাত্র নন; একটি জাতির সমগ্র জীবনের আধার। বাঙালি জাতির জীবনে বিশ শতকের প্রথম চল্লিশ বছরকে রবীন্দ্রযুগ বলেই চিহ্নিত করা যায়। বাল্যকালেই রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য-প্রতিভার স্ফুরণ ঘটেছিল। বয়সের সাথে সাথে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তাঁর এ প্রতিভার বিকাশ অব্যাহত ছিল...

ভাষণ : বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির জন্য একটি ভাষণ রচনা করো। বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্মানিত সভাপতি, উপস্থিত সুধীবৃন্দ বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতার পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আমাকে প্রধান অতিথি করায় অনুষ্ঠানের আয়োজকদের জানাচ্ছি শুভেচ্ছাও কৃতজ্ঞতা। জীবনের জন্য অন্যতম প্রয়োজন ক্রীড়া শিক্ষা। একজন সুস্বাস্থ্যের অধিকারী মানুষের জন্য ক্রীড়ার সাথে জড়িত থাকা একান্ত জরুরি। খেলাধুলা মানুষকে শারিরীক ও মানসিকভাবে সুস্থ সবল করে। ক্রীড়া শিক্ষা একটা গুরুত্বপূর্ণ ও জীবন ধারণের মৌলিক বিষয়। আজকে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সকলকে যেমন আনন্দ দিবে তেমনি সবার মাঝে ঐক্যের প্রতীক হিসেবে কাজ করবে। একজন প্রকৃত ক্রীড়াবিদ সকলের বন্ধুতে পরিণত হয়। অনেকের আদর্শ হিসেবে আজীবন বেঁচে থাকে। তার হিংসা, বিদ্বেষ, ক্রোধ হ্রাস পায় ৷ তিনি সকলের ভালোবাসার পাত্র হিসেবে বেঁচে থাকে। একজন সফল ক্রীড়াবিদ ভক্তদের আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা করে। আর পুরষ্কার ক্রীড়াবিদকে সম্মানিত করে। তবে পুরষ্কারের আশায় শুধু ক্রীড়াব...

ভাষণ : সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমন

‘সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমন’ শীর্ষক সেমিনারে উপস্থাপনের জন্য একটি ভাষণ প্রস্তুত কর। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমন আজকের অনুষ্ঠানের মাননীয় সভাপতি, বিশেষ অতিথি, সম্মানিত আলোচকবৃন্দ, সুধীমণ্ডলী সবাইকে শুভেচ্ছা। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিশ্ব মানবতার জন্যে একটি গুরুতর সমস্যা। বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে আলোচিত ইস্যুগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে জঙ্গিবাদ। ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ার হামলার পর এ শব্দটি ব্যাপক আলোচনায় আসে। বিষয়টি সম্পর্কে আলোচনায় যাওয়ার আগে এর ঐতিহাসিক অনুসন্ধান করা যেতে পারে। জঙ্গিবাদ বা সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বয়স প্রায় একশ বছর। বিশ শতকের প্রথমদিকে ব্রিটিশ শাসকদের পৃষ্ঠপোষকতায়ই প্রথম মধ্যপ্রাচ্যে এ ধরনের তৎপরতা শুরু হয়। মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম জঙ্গি সংগঠন ছিল ইহুদিদের ‘হাগানাহ’ নামের একটি দল। দলটি ব্রিটিশদের সহায়তায় গড়ে উঠেছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল ফিলিস্তিন থেকে আরবদের তাড়িয়ে সেখানে ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। ‘হাগানাহ’র ইতিহাস প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সঙ্গে জড়িত। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় আজকের ফিলিস্তিন ভূখণ্ড উসমানীয় খেলাফতের অধীন ছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্...

ভাষণ : শিশুশ্রম বন্ধের আবশ্যকতা

“শিশুশ্রম বন্ধের আবশ্যকতা” বিষয়ে প্রধান অতিথির একটি ভাষণ তৈরি কর। শিশুশ্রম বন্ধের আবশ্যকতা ‘শিশুশ্রম বন্ধের অবশ্যকতা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের সম্মানিত সভাপতি, আলোচকবৃন্দ, উপস্থিত সুধী মণ্ডলী, এতক্ষণ ধরে শিশুশ্রম বন্ধের বিষয়ে সম্মানিত আলোচকবৃন্দ যে কথাগুলো বলেছেন, তার বাইরে কিছু বলা সম্ভব নয়। আমার সব কথাই তাঁরা বলে গেছেন। তাঁদের পরামর্শ সমর্থন করে নিয়ে আমি সংক্ষেপে কিছু বলতে চেষ্টা করব। আমরা একটা কথা প্রায়শই বলি, ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা সব শিশুরই অন্তরে। সেটা কীভাবে, তাঁর ব্যাখ্যা আপনাদের অজানা নয়। আবার কথায় কথায় আমরা বলি, শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। কিন্তু সেটা কীভাবে সম্ভব? পাঁচ বছর বয়স থেকে কলকারখানায়, গ্যারেজে, ওয়ার্কশপে কাজ করে, গাড়ির হেলপারি করে, ইট-পাথর ভাঙার কাজে যোগ দিয়ে, পিতা-মাতা পরিবারের স্নেহ-মমতা থেকে বঞ্চিত হয়ে, স্কুলে না গিয়ে, লেখাপড়া না শিখে, নিরক্ষর থেকে, নানা রকম রোগে ভুগে, জীর্ণ-শীর্ণ হয়ে বেঁচে থেকে? মোটেই না। শিশুরা কীভাবে আগামী দিনের ভবিষ্যৎ হয়ে উঠবে? এগুলোর মধ্য দিয়ে কোনো শিশুই জাতির ভবিষ্যৎ হতে পারবে না। এসব ক...

ভাষণ : নিরাপদ সড়ক চাই

‘নিরাপদ সড়ক চাই’ শীর্ষক আলোচনা সভায় উপস্থাপনের জন্য একটি ভাষণ তৈরি কর। নিরাপদ সড়ক চাই  শ্রদ্ধেয় সভাপতি, মাননীয় প্রধান অতিথি, সম্মানিত বিশেষ অতিথি ও আমার সাথি আলোচকবৃন্দ আস্সালামু আলাইকুম। সুধীমণ্ডলী, ‘নিরাপদ সড়ক চাই’– এ দাবি সময়ের দাবি। এ দাবি অনেক দিনের। যখন থেকে আমরা সড়কপথের ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছি, যান্ত্রিক যানবাহনের ওপর ভরসা করছি, তখন থেকেই ‘নিরাপদ সড়ক চাই’-এর দাবি অব্যাহত রয়েছে। কেননা সড়ক এখন মৃত্যুফাঁদ, যান্ত্রিক যান এখন তার ইন্ধন, আর যারা যানচালক তারা মৃত্যুদূত। শ্ৰোতামণ্ডলী, একসময় আমাদের দেশে ছোটবড় নদী-নালা, খাল-বিল জালের মতো ছড়িয়ে ছিল। গ্রাম থেকে গ্রামে বা গ্রাম থেকে শহরে যেতে হলে নৌকাই ছিল একমাত্র মাধ্যম। ঝড় ছাড়া সে সময় নৌকাডুবি হতো না। কিন্তু এখন খাল-বিল শুকিয়ে গেছে, নদী-নালার অবস্থাও শোচনীয়। যে কারণে যাতায়াতের সুবিধার জন্য তৈরি হয়েছে জালের মতো সড়কপথ। সড়কপথে চলছে নানা রকম অসংখ্য যানবাহন। তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বেড়েছে দুর্ঘটনা। প্রতিদিন নিহত বা আহত হচ্ছে শত শত মানুষ। উপার্জনক্ষম মানুষকে হারিয়ে বহু পর...

ভাষণ : ১৫ই আগস্ট : জাতীয় শোক দিবস

তোমার কলেজে ‘১৫ই আগস্ট : জাতীয় শোক দিবস’ উপলক্ষে প্রধান অতিথির একটি মঞ্চভাষণ তৈরি কর। ১৫ই আগস্ট : জাতীয় শোক দিবস শ্রদ্ধেয় সভাপতি, বিশেষ অতিথি ও উপস্থিত সুধীবৃন্দ, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকল শহীদের আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে আমার বক্তব্য শুরু করছি। শুরুতেই আমি আজকের এই অনুষ্ঠানের আয়োজকদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই এই মহতী অনুষ্ঠানে আমাকে প্রধান অতিথির সম্মান প্রদানের জন্য। আজ পনেরোই আগস্ট, জাতীয় শোক দিবস। ইতিহাসে এ দিনটি আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ হারিয়ে অশ্রু বিসর্জনের দিন। শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করার দিন। আমরা জানি ১৯৭৫ সালের এই দিনে বাঙালি জাতির জনক, বাঙালির প্রাণপ্রিয় নেতা, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিপথগামী একদল সেনাসদস্যের হাতে সপরিবারে শাহাদাত বরণ করেন। বাঙালি জাতি নির্মম এ হত্যাকাণ্ডে আজও অশ্রুবিসর্জন করছে, গভীর বেদনায় অন্তরের সীমাহীন শ্রদ্ধা নিবেদন করছে। আজ ভোরে শোকর্যালিতে শুনেছি সেই বিষাদের সুর—  “যদি রাত পোহালে শোনা যেত বঙ্গবন্ধু মরে ন...

ভাষণ : ছাত্ররাজনীতির একাল ও সেকাল

‘ছাত্ররাজনীতির একাল ও সেকাল’ শীর্ষক সেমিনারে উপস্থাপনের জন্য প্রধান বক্তা হিসেবে একটি মঞ্চভাষণ প্রস্তুত কর। ছাত্ররাজনীতির একাল ও সেকাল শ্রদ্ধেয় সভাপতি, মাননীয় প্রধান অতিথি, সম্মানিত বক্তাবৃন্দ ও উপস্থিত সুধীমণ্ডলী– যুগে যুগে পরিবেশ পরিস্থিতির প্রয়োজনে, সমাজ ও রাষ্ট্রের চাহিদা মেটাতে ছাত্ররাজনীতির রূপ বদলায়। ছাত্ররা যেহেতু সমাজেরই অংশ এবং রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ কর্ণধার সেজন্য ছাত্ররাজনীতিও এসব পরিবর্তনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে পরিবর্তিত হয়। প্রকৃতপক্ষে অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশে ইতিবাচক ছাত্ররাজনীতির গুরুত্ব অপরিসীম রাজনীতির একাল বলতে আমরা বুঝি বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তীকাল আর সেকাল বলতে বুঝি স্বাধীনতা পূর্ববর্তীকাল। সেকালের ছাত্ররাজনীতি ছিল নীতি-আদর্শনির্ভর, গঠনমূলক, শ্রেয়বোধনির্ভর। তখনকার দিনে দেশ এবং দেশের মানুষের কল্যাণ ও উন্নতিই ছিল বড় কথা। ছাত্রদের নিজেদের ইতিবাচক স্বার্থকে অক্ষুণ্ণ রেখে তারা দেশের স্বার্থের কথা ভাবতেন, প্রয়োজনে আন্দোলন করতেন, জীবন উৎসর্গ করতেন।  আমরা যদি ১৯৪৭ পরবর্তী পা...

ভাষণ : নৈতিক অবক্ষয়. উন্নয়নের অন্তরায়

‘নৈতিক অবক্ষয় উন্নয়নের অন্তরায়’ শিরোনামে একটি ভাষণ তৈরি কর। অথবা , ‘নৈতিক অবক্ষয় উন্নয়নের অন্তরায়’ শিরোনামে প্রধান অতিথির একটি ভাষণ তৈরি কর। ‘নৈতিক অবক্ষয়, উন্নয়নের অন্তরায়’ শীর্ষক আলোচনা শ্রদ্ধেয় সভাপতি, মাননীয় প্রধান অতিথি, সম্মানিত বিশেষ অতিথি, বিজ্ঞ আলোচকবৃন্দ ও সুধীমণ্ডলী আসসালামু আলাইকুম । মানুষের মানবিক গুণগুলোর মধ্যে নৈতিক গুণাবলি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা মানুষের নৈতিক বোধের সঙ্গে মানবিক গুণাবলি বিশেষভাবে সম্পর্কিত। প্রত্যেকটি মানুষই সুনির্দিষ্ট নীতি-আদর্শ মেনে চলে, সে অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করে। যার প্রতিফলন ঘটে সমাজে ও রাষ্ট্রে। গঠনমূলক অর্থাৎ ইতিবাচক নীতিবোধ নিজের ব্যক্তিত্ব গঠনে যেমন সহায়ক, তেমনি কল্যাণকর সমাজ তথা রাষ্ট্র গঠনেও সহায়ক। আমাদের দেশে বরাবরই নীতি ও নৈতিকতাবোধ ছিল প্রবল। যে কারণে সমাজে কোথাও কোনো দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, ঘুষ বা কোনো অন্যায় আবদারের চর্চা ছিল না। মানুষ অন্যায়কে এড়িয়ে চলত। কিন্তু ইদানীং এ নেতিবাচক বিষয়গুলোর চর্চা এমন ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে যে, মানবিক গুণাবলি যেন জিম্মি হয়ে গেছে। সরকারি তো বটেই, ব...

ভাষণ : সাম্প্রদায়িক সহিংসতা অমার্জনীয়

‘সাম্প্রদায়িক সহিংসতা অমার্জনীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভার জন্য একটি ভাষণ রচনা কর। অথবা, ‘সম্প্রদায়গত সম্প্রীতি’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানের উপযোগী একটি ভাষণ তৈরি কর। ‘সাম্প্রদায়িক সহিংসতা অমার্জনীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভা শ্রদ্ধেয় সভাপতি, উপস্থিত অতিথিবৃন্দ ও সুধীমণ্ডলী, আসসালামু আলাইকুম। ‘সাম্প্রদায়িক সহিংসতা অমার্জনীয়’ শীর্ষক আজকের এই জনগুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভার ব্যবস্থা করায় আমি প্রথমেই আয়োজকদের বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাই। সুধীমণ্ডলী, আজ আমাদের মাতৃভূমি এক ক্রান্তিকালে দাঁড়িয়ে আছে। আমাদের সমাজের চারদিকে আজ বিশৃঙ্খলা, সন্ত্রাস, সর্বোপরি অরাজকতা বিরাজ করছে। রাজনৈতিক হানাহানির ফলে সামাজিক বিশৃঙ্খলা দুঃসহ পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা। তাই দেশটা আজ ন্যুব্জ, কলঙ্কিত। এতে করে দেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে, অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড ভেঙে যাচ্ছে, সর্বোপরি বিশ্বদরবারে আজ দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। এ অবস্থা আর চলতে পারে না, চলতে দেওয়া যায় না। সুধীবৃন্দ, আপনারা জ্ঞাত আছেন, আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় ‘সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ...

ভাষণ : আলোকিত সমাজ গড়ো

‘আলোকিত সমাজ গড়ো’ শিরোনামে আলোচনা সভার প্রধান অতিথির জন্য একটি ভাষণ রচনা কর। আলোকিত সমাজ গড়ো শ্রদ্ধেয় সভাপতি, উপস্থিত অতিথিবৃন্দ ও সুধীমণ্ডলী আসসালামু আলাইকুম । ‘আলোকিত সমাজ গড়ো' শীর্ষক আজকের এই মহতী আলোচনা সভার ব্যবস্থা করায় আমি প্রথমেই আয়োজকদের বিশেষভাবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। সম্মানিত সুধীবৃন্দ, “অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ পৃথিবীতে আজ যারা অন্ধ সবচেয়ে বেশি আজ চোখে দেখে তারা যাদের হৃদয়ে প্রেম নেই প্রীতি নেই, করুণার আলোড়ন নেই পৃথিবী অচল আজ তাদের সুপরামর্শ ছাড়া।” বিশ্বব্যাপী জাতীয় নেতৃবৃন্দের চরিত্র ও কর্মকাণ্ড দেখে সীমাহীন বিতৃষ্ণা নিয়েই এ কথাগুলো বলেছিলেন রূপসী বাংলার নির্বিরোধী কবি। কিন্তু না, অমৃতের বরপুত্র, আলোকিত গ্রন্থের ধারক ও বাহক মানুষ এরূপ অদ্ভুত আঁধারকে কখনো মেনে নেয়নি, মেনে নিতে পারে না। মনুষ্য সমাজ কোনো অন্ধকারপুরী নয়, মনুষ্য সমাজ হলো আলোকিত সমাজ। দিয়াশলাইয়ের বাক্সে যে আগুন থাকে সে আগুন থাকে প্রচ্ছন্ন। তাকে ঘষা দিয়ে জ্বালাতে হয়। অনুরূপভাবে মনুষ্য সমাজ আলোকিত বলা হলেও সে আলো ...

ভাষণ : পাড়ায় পাড়ায় পাঠাগার গড়ে তোলা

‘পাড়ায় পাড়ায় পাঠাগার গড়ে তোলা’ শীর্ষক আলোচনা সভার একজন বিশেষ বক্তা হিসেবে একটি মঞ্চভাষণ তৈরি কর। ‘পাড়ায় পাড়ায় পাঠাগার গড়ে তোলা’ ‘পাড়ায় পাড়ায় পাঠাগার গড়ে তোলা’ শীর্ষক আলোচনা সভা ২০১৮-এর শ্রদ্ধেয় সভাপতি, প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি, আলোচকবৃন্দ, উপস্থিত সুধীমণ্ডলী আসসালামু আলাইকুম। পাঠাগার প্রতিষ্ঠার মতো একটি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আমাকে কিছু বলার সুযোগ দেওয়ার জন্য আজকের অনুষ্ঠানের আয়োজকদের ধন্যবাদ জানাই । সুধীমণ্ডলী, আমি বিশ্বাস করি এবং জানি যে, আজকে এখানে এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে আমরা যারা কথা বলছি, আমাদের নানা অভিজ্ঞতা আপনাদের সামনে তুলে ধরছি, এর চেয়ে অনেক বেশি অভিজ্ঞতা আপনাদের আছে। জগতে যত বড় বড় কাজ হয়েছে তার সিংহভাগই হয়েছে শ্রোতাদের দ্বারা, বক্তাদের দ্বারা নয়। আপনারা জানেন যে, মানুষ হয়ে জন্ম নিলেই প্রকৃত মানুষ হয়ে ওঠা যায় না। মানুষকে মনুষ্যত্ব অর্জন করতে হয়, জ্ঞানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। কেননা বিশ্বজগতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ পরিচয় লাভের ক্ষেত্রে জ্ঞানের বিকল্প নেই। আর জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রে পাঠাগারের বিকল্প নেই। পাঠাগার মানুষ...

ভাষণ : ইভটিজিং প্রতিরোধে ছাত্রসমাজের ভূমিকা

“ইভটিজিং প্রতিরোধে ছাত্রসমাজের ভূমিকা” — শীর্ষক সেমিনারে বক্তা হিসেবে একটি ভাষণ রচনা কর। অথবা , “ইভটিজিং প্রতিরোধে ছাত্রসমাজের ভূমিকা” শীর্ষক সেমিনারে উপস্থাপনের জন্য প্রধান বক্তা হিসেবে একটি মঞ্চভাষণ প্রস্তুত কর। ইভটিজিং প্রতিরোধে ছাত্রসমাজের ভূমিকা “ইভটিজিং প্রতিরোধে ছাত্রসমাজের ভূমিকা” শীর্ষক সেমিনারের শ্রদ্ধেয় সভাপতি, সম্মানিত প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি, উপস্থিত সুধীজন আসসালামু আলাইকুম। প্রিয় সুধী, আপনারা জানেন, ইভটিজিং মানে নারীদের বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করা। সাধারণত মেয়েদের উদ্দেশ্যে ছুড়ে দেওয়া কিশোর-তরুণদের বিভিন্ন মন্তব্য, শিস বাজানো, চোখে ইশারা করা, ওড়নার আঁচল ধরে টান দেওয়া, ভিড়ের মধ্যে ধাক্কা দেওয়া, অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করা ইত্যাদিকে বলা হয় ইভটিজিং। আধুনিক প্রযুক্তির উন্নয়ন সাধনের ফলে মোবাইলে ছবি তুলে বিরক্ত করা, মিসকল বা আপত্তিকর মেসেজ পাঠানো এবং ই-মেইল বা ফেসবুকের মাধ্যমে মেয়েদের টিজ করাও ইভটিজিংয়ের পর্যায়ভুক্ত। এ অবস্থাকে কেন্দ্র করে দেশে আত্মহননের ঘটনা দিন দিন আশঙ্কাজনক হারে বেড়েই চলছে। অবিলম্বে এর প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্র...

ভাষণ : ইভটিজিং-এর বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ জরুরি

‘ইভটিজিং-এর বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ জরুরি’ শীর্ষক সেমিনারে সভাপতির ভাষণ রচনা কর। “ইভটিজিং-এর বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ জরুরি” শীর্ষক সেমিনার আজকের অনুষ্ঠানের সম্মানিত প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি ও আলোচকবৃন্দ এবং আমার সামনে উপবিষ্ট সচেতন ব্যক্তিবর্গ, আপনাদের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন । উপস্থিত সুধীবৃন্দ, ‘ইভটিজিং-এর বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ জরুরি’– বিষয়টি সম্পর্কে আপনারা দীর্ঘসময় ধরে অতিথিবৃন্দের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা শুনেছেন। আশা করি ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধে আমাদের কী করা উচিত সেই বিষয়টি আপনাদের কাছে এখন পরিষ্কার। আমি সংক্ষেপে বিষয়টি আর একটু সহজ করে আপনাদের বলতে চাই। সামাজিক জীব হিসেবে মানবজীবনকে যথার্থ সৌন্দর্যমণ্ডিত করে তোলে তার নৈতিক মূল্যবোধ। মানুষের জীবনের সাধনা হলো মনুষ্যত্ব অর্জনের সাধনা। এই সাধনায় আছে মহৎ গুণাবলি লাভের চেষ্টা। সততা, ন্যায়পরায়ণতা, আদর্শবাদিতা ইত্যাদি গুণের সমাবেশেই নৈতিকতার স্বরূপ প্রকাশিত হয়। কিন্তু নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের ফলে আমাদের সমাজ আজ ভয়াবহ সংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। যেসব সংকট আজ সমাজকে ঘিরে...

ভাষণ : এইডস কী- বাঁচতে হলে জানতে হবে

‘এইডস কী- বাঁচতে হলে জানতে হবে’– শীর্ষক আলোচনা সভার একজন বক্তা হিসেবে একটি মঞ্চভাষণ তৈরি কর। অথবা, ঘাতক ব্যাধি ‘এইডস’-এর ভয়াবহ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে যুবসমাজের উদ্দেশে একটি ভাষণ তৈরি কর। অথবা , “এইডস— মৃত্যুর অপর নাম : বাঁচতে হলে জানতে হবে” শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানের উপযোগী ভাষণ প্রস্তুত কর। ‘এইডস কী— বাঁচতে হলে জানতে হবে’ শীর্ষক আলোচনা সভা ‘এইড্স কী- বাঁচতে হলে জানতে হবে’ শীর্ষক আলোচনা সভার মান্যবর সভাপতি, সম্মানিত প্রধান অতিথি, আলোচকবৃন্দ, সমবেত সুধী আসসালামু আলাইকুম । সুধীমণ্ডলী, আজকের অনুষ্ঠানে আমাকে কিছু বলার সুযোগদানের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। কোনো আবিষ্কার বা সৃষ্টি যদি এমন হয় যে, তা মানবসভ্যতার বিকাশ সাধনে ভূমিকা রাখবে কিংবা উপকারে আসবে, তার বিস্তার ঘটে খুবই ধীরগতিতে। কিন্তু আবিষ্কার বা সৃষ্টি যদি ধ্বংসাত্মক হয় তবে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বময়। এইড্স তেমনি একটি জীবন বিনষ্টকারী ঘাতক ব্যাধি। সুধীবৃন্দ, UNAIDS-এর এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশে এইড্স রোগীর সংখ্যা ছিল ১৩৪, এইড্স থেকে মৃত্যুর সংখ্যা ৭৪, এইচআইভি...

ভাষণ : আলোকিত মানুষ চাই

‘আলোকিত মানুষ চাই’- শীর্ষক আলোচনা সভায় উপস্থাপনের জন্য প্রধান অতিথির একটি ভাষণ রচনা কর । ‘আলোকিত মানুষ চাই’ শীর্ষক আলোচনা সভা শ্রদ্ধেয় সভাপতি, আজকের সভার অতিথিবৃন্দ ও সুধীমণ্ডলী, আসসালামু আলাইকুম। শুরুতেই ‘আলোকিত মানুষ চাই’ শীর্ষক আজকের এই জনগুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভার আয়োজকদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। সুধীমণ্ডলী, মানুষ হিসেবে জন্ম নিলেই প্রকৃত মানুষ হয়ে ওঠা যায় না। মানুষকে মনুষ্যত্ব অর্জন করতে হয়, জ্ঞান অর্জন করতে হয়। জ্ঞান মানুষকে যোগ্যতা দান করে, মানুষকে বিশ্বজগতের সাথে পরিচিত করে। মানুষ হিসেবে শ্রেষ্ঠত্ব লাভের জন্য জ্ঞানের সহায়তা অপরিহার্য। জ্ঞানের আলোকেই মানুষের জীবন বিকশিত হয়। শিক্ষিত মানুষই আলোকিত মানুষ। সুধীবৃন্দ, জাতিগঠনে শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। দেশের উন্নতি, অগ্রগতি ও জাতির সার্বিক কল্যাণে আলোকিত মানুষই মুখ্য ভূমিকা পালন করতে পারে। শিক্ষা মানুষের মানবিক, দৈহিক, নৈতিক প্রশিক্ষণের ধারাবাহিক পদ্ধতি বলে বিবেচিত। ফলে তারা নানা গুণের সমন্বয়ে আলোকিত মানুষ হয়ে উঠতে পারে। সুধীমণ্ডলী, ব্যক্তিজীবনের শিক্ষার আলো জাতীয় জীবনে প্রতিফলিত হ...

ভাষণ : ইন্টারনেট-এর গুরুত্ব

ইন্টারনেট-এর গুরুত্ব বর্ণনা করে একটি ভাষণ রচনা কর। ‘ইন্টারনেট-এর গুরুত্ব’ শীর্ষক ভাষণ শ্রদ্ধেয় সভাপতি, সম্মানিত প্রধান অতিথি, মঞ্চে উপবিষ্ট আলোচকবৃন্দ এবং সমবেত সুধীমণ্ডলী, আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা নিন। এই সুধী সমাবেশে আমাকে কিছু বলার সুযোগ দেওয়ার জন্যে আমি প্রথমেই আয়োজকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। সুধীবৃন্দ, মানবসভ্যতার বিস্ময়কর বিকাশে আধুনিক বিজ্ঞান যে অনন্য ভূমিকা পালন করছে তার অন্যতম নিদর্শন ইন্টারনেট। বিচিত্র কর্মকাণ্ডে ইন্টারনেটের ব্যবহার জীবনকে করে তুলেছে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ, সমৃদ্ধ হচ্ছে অগ্রসর মানুষের ধ্যানধারণা। কম্পিউটার বিজ্ঞানের এক বিস্ময়। এখন কম্পিউটার প্রযুক্তির সঙ্গে ইন্টারনেট প্রযুক্তি যুক্ত হয়ে এক বিস্ময়কর অবদানরূপে প্রকাশিত। জীবনের ব্যাপক ও বহুমুখী কাজে এটি ব্যবহৃত হয়ে আধুনিক ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তিকে মানবকল্যাণে বিপুলভাবে সম্ভাবনাময় করে তুলেছে। সুধীমণ্ডলী, বাংলাদেশে ইন্টারনেট চালু হয় ১৯৯৩ সালের ডিসেম্বর মাসে। প্রথমদিকে এর ব্যবহার ছিল সীমিত এবং শুধু ই-মেইলে তার প্রয়োগ ছিল। ১৯৯৬ সালের ১৫ জুন থেকে অনলাইন সংযোগ দেওয়া শুর...

ভাষণ : সঞ্চয়ের অভ্যাস গঠন

‘ সঞ্চয়ের অভ্যাস’ শীর্ষক সেমিনারে তুমি একজন বিশেষ বক্তা হিসেবে তোমার বক্তব্য উপস্থাপন কর। অথবা, বিশ্ব মিতব্যয়িতা দিবস উপলক্ষে একটি বেতার ভাষণ তৈরি কর। সঞ্চয়ের অভ্যাস আজকের সেমিনারের মাননীয় সভাপতি, সম্মানিত প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি এবং উপস্থিত সুধীমণ্ডলী, গ্রামেই থাকুন বা শহরেই থাকুন, আপনি নিশ্চয়ই লক্ষ করেছেন দারুণ গরমে আপনি যখন হাঁপাচ্ছেন, তখন আপনার ঘরের দেয়াল বেয়ে সারি দিয়ে উঠে যাচ্ছে অসংখ্য পিঁপড়া। তাদের কারও মুখে ধানের বীজ, কারও মুখে একটা চাল, কারও মুখে একটা মরা ফড়িং। আপনি একটু ভেবে দেখলেই বুঝতে পারেন— বর্ষা আসন্ন বলে এরা আগে থেকেই সঞ্চয় করার কাজে ব্যস্ত। সুধীবৃন্দ, মানুষ নিজের ভবিষ্যৎ জানে না, কিন্তু তার জীবনে যেকোনো দুর্যোগময় মুহূর্ত আসতে পারে। অসুখবিসুখ যেকোনো সময়ে হতে পারে। তখন রোগীর ওষুধের প্রয়োজন, পথ্যের প্রয়োজন, আর তার পরিবার-পরিজনের প্রয়োজন খাদ্যের। এক হাতে কামাই করে যারা দুহাতে ওড়ায় হয়তো তারা এটা ভেবে দেখেন না। ফলে এ ধরনের লোকের ওষুধ-পথ্য জোটে না, এদের পরিবারের লোকেরা নানা প্রকার অসুবিধায় পড়ে। অথচ ঐ ব্যক্তিই যদি নিজের ...

ভাষণ : গুঁড়ো দুধ নয়, মায়ের দুধ-ই শিশুদের জন্য শ্রেষ্ঠ

“গুঁড়ো দুধ নয়, মায়ের দুধ-ই শিশুদের জন্য শ্রেষ্ঠ” এ বিষয়ে মায়েদের সচেতন করতে একটি ভাষণ তৈরি কর। গুঁড়ো দুধ নয়, মায়ের দুধ-ই শিশুদের জন্য শ্রেষ্ঠ অনুষ্ঠানের সম্মানিত সভাপতি, প্রধান অতিথি, অতিথিবৃন্দ এবং উপস্থিত সুধীমন্ডলী আস্‌সালামু আলাইকুম। আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তারাই একদিন হবে আদর্শ নাগরিক, সরকারপ্রধান, রাষ্ট্রপ্রধান, দেশের কর্ণধার। তাই এ শিশুদের সুস্থ সবলভাবে বেড়ে ওঠার পরিবেশ আমাদেরকে নিশ্চিত করতে হবে। সুধীমন্ডলী, শিশু জন্মের পর প্রথম অধিকার হলো মায়ের বুকের ‘শাল দুধ পান কর’। এই দুধে রয়েছে শিশুর রোগপ্রতিরোধের সকল উপাদান। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো অনেক মা আছেন যারা শিশু জন্মের পর শিশুকে বুকের দুধ পান করতে দেন না। এতে শিশুরা নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হয়। তাদের দেহে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা লোপ পায়। তাই সকল মায়েরই উচিত শিশুকে বুকের শাল দুধ পান করানো। শিশুর জন্য মায়ের দুধ আল্লাহ প্রদত্ত অন্যতম শ্রেষ্ঠ নেয়ামত। এ দুধে সকল পুষ্টি উপাদান বিদ্যমান। ছয় মাস বয়স পর্যন্ত একমাত্র মায়ের দুধই যথেষ্ট। অন্য কোনো খাবারের প্রয়োজন নেই। অথচ এ যুগের ...