Posts

Showing posts from August, 2022

প্রবন্ধ রচনা : একটি রেল স্টেশনের আত্মকথা

ভূমিকা : অতীতের দিকে তাকালে ফেলে আসা দিনগুলোর কথা কিছু কিছু মনে পড়ে। আমার জীবনে অতীত কেবলই অন্ধকার। বর্তমানই আমার জীবনে সবকিছু – সদাচঞ্চল কর্মমুখর বর্তমান নিয়েই আমার কারবার। কলরব মুখরিত আজকের দিনটিই আমার যথার্থ পরিচয়। বিগত দিনটির কলগুঞ্জন আজ নেই, আর আগামী দিনটির কোলাহল কিরূপে ধরা দেবে তা আমার জানা নেই। কারণ আমার পরিচয় আজকের জয়নগর রেল স্টেশন। বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলে এক অখ্যাত রেলস্টেশন হিসেবেই পরিচিত। অতীত ইতিহাস : আমার ভিত্তি কবে স্থাপিত হয়েছিল মনে পড়ে না। কার সুযোগ্য নেতৃত্বে এখানে এক বিজন পরিবেশে প্রথম আমার বুকে ট্রেন দাঁড়িয়ে আমার অস্তিত্ব ঘোষণা করেছিল সে ইতিহাস কোথাও লেখা নেই। এখানে রেল লাইন তৈরির সাথে সাথে আমার জন্ম হয়নি। এ এলাকার জনগণের চলাচলের সুবিধার জন্য কোন এক উদ্যোগী পুরুষ বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিয়ে আমাকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সংগ্রামী মানুষের যুগ যুগ ধরে সংগ্রামের জয়ের স্বাক্ষর এই জয়নগর। তারপর এই পথ দিয়ে অনেক মানুষ এসেছে অনেক গেছে। আমিও আর আদিরূপে থাকিনি। সমৃদ্ধি এসেছে আমার জীবনেও। আজ স্বাধীন দেশে আমার অবয়ব হয়েছে নতুন। রঙবেরঙের পণ্যসামগ্রী সম্বল...

গণিত : ভগ্নাংশ সমস্যা সমাধান - ১

Image
গাণিতিক যুক্তি ভগ্নাংশ পার্ট - ১ পাটিগণিত > ভগ্নাংশ ভগ্নাংশ সমস্যার সমাধান - ১ ভগ্নাংশ সমস্যার সমাধান - ২  ১.৪.১  ২০ ফুট লম্বা একটি বাঁশকে এমন ভাবে কেটে দু’ভাগ করা হলো যেন ছোট অংশটি বড় অংশের দুই তৃতীয়াংশ হয়, ছোট অংশের দৈর্ঘ্য কত ফুট? (ক) ৬ ফুট (খ) ৫ ফুট (গ) ৭ ফুট (ঘ) ৮ ফুট সমাধান উত্তর : (ঘ) ৮ ফুট ধরি, বড় অংশটি “ক” ফুট $\therefore$ ছোট অংশটি ক এর $\left(\frac{২}{৩}\right)$ অংশ বা $\frac{২ক}{৩}$ অংশ। প্রশ্নমতে, ক+$\frac{২ক}{৩}$ = ২০ $\frac{৩ক+২ক}{৩}$ = ২০ ৫ক = ৬০ ক = $\frac{৬০}{৫}$ $\therefore$ ক = ১২ অর্থাৎ বড় অংশটির দৈর্ঘ্য ১২ ফুট, $\therefore$ ছোট অংশটির দৈর্ঘ্য $\frac{২\times১২}{৩}$ = ৮ ফুট  ১.৪.২  ৩৫ ফুট লম্বা একটি বাঁশকে এমন ভাবে দু ভাগ করা হলো যেন ছোট অংশটি সম্পূর্ণ বাঁশটির $\frac{২}{৭}$ অংশ হয়। ছোট অংশের দৈর্ঘ্য কত ফুট? আবার বড় অংশটির দৈর্ঘ্য কত হবে? (ক) ১০ ফুট; ২৫ ফুট (খ) ২৫ ফুট; ৩০ ফুট (গ) ১৫ ফুট; ২০ ফুট (ঘ) ১০ ফুট; ২০ ফুট সমাধান উত...

গণিত : ল.সা.গু এবং গ.সা.গু সমস্যা সমাধান - ২

Image
গাণিতিক যুক্তি ল.সা.গু এবং গ.সা.গু পার্ট - ২ পাটিগণিত > ল.সা.গু এবং গ.সা.গু প্রাথমিক আলোচনা ল.সা.গু এবং গ.সা.গু সমস্যার সমাধান - ১ ল.সা.গু এবং গ.সা.গু সমস্যার সমাধান - ২  ১.২.২৬  $\frac৩৫$, $\frac১৪$, $\frac২৩$ এর ল.সা.গু কত? (ক) ৫ (খ) ২ (গ) ৬ (ঘ) ৭ সমাধান উত্তর : (গ) ৬ ল.সা.গু = লব গুলোর ল.সা.গু ⁄ হর গুলোর গ.সা.গু = $\frac৬১$ = ৬ নোট : যদি গ.সা.গু চাইতো তবে সূত্র হতো : গ.সা.গু = লব গুলোর গ.সা.গু ⁄ হর গুলোর ল.সা.গু  ১.২.২৭  ৫ এবং ৯৫ এর মধ্যে ৫ ও ৩ দ্বারা বিভাজ্য মোট কয়টি সংখ্যা আছে? (ক) ৬ টি (খ) ১০ টি (গ) ৭ টি (ঘ) ১৮ টি সমাধান উত্তর : (ক) ৬ টি ৫ ও ৩ এর ল.সা.গু ১৫ $\therefore$ নির্ণেয় সংখ্যা = $\frac {৯৫-৫}{১৫}$ = $\frac {৯০}{১৫}$ = ৬  ১.২.২৮  একটি প্যাকেটে ৫২০টি মার্বেল আছে। এতে কমপক্ষে আরো কতগুলো মার্বেল যোগ করা হলে সেগুলো ৩, ৪ অথবা ৬ জন ছাত্রের মধ্যে সমানভাবে ভাগ করে দেয়া যাবে? (ক) ৪ টি (খ) ৬ টি (গ) ৮...

প্রবন্ধ রচনা : স্বদেশের পণ্য কিনে হও ধন্য

ভূমিকা : কোন জাতির সমৃদ্ধি নির্ভর করে তার অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নের ওপর। বলা হয়ে থাকে, রাজনৈতিক অবস্থার উন্নয়নের ওপর। বলা হয়ে থাকে, রাজনৈতিক স্বাধীনতার কোন মূল্য নেই যদি অর্থনৈতিক স্বাধীনতা না থাকে। সোজা কথায় পেটে খেলে পিঠে সয়। জীবনে অভাব অনটন না থাকলে জীবনের সুন্দর বিকাশ সাধিত হতে পারে। তাই জীবনের সুখ-শান্তির জন্য আর্থিক স্বচ্ছলতার ভিত্তি সুদৃঢ় হতে হবে। আর দেশের অর্থনীতি সুদৃঢ়ভাবে গড়তে হলে দেশের উৎপাদিত পণ্যসামগ্রীর প্রতি দেশবাসীর আকর্ষণ দেখাতে হবে। বিদেশের পণ্য ক্রয় করে জাতীয় সম্পদ বিনষ্ট করলে দেশের অর্থনীতিতে আসে প্রবল আঘাত। সেজন্য দেশের সম্পদ ব্যবহারের জন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে। বর্তমান অবস্থা : স্বাধীন জাতির জন্য এটা বিশেষ অগৌরবের যে, আমরা বিদেশী পণ্যের প্রতি বিশেষ আকর্ষণ অনুভব করি। দেশীয় জিনিসের প্রতি দেশের লোকদের তেমন কোন আগ্রহ নেই। যাদের সামর্থ্য আছে তারা পারতপক্ষে দেশের পণ্য কিনতে চায় না। সামান্য জিনিসও বিদেশী হলে ভাল এমন একটা মনোভাব সবসময় কাজ করে। দেশীয় পণ্য যত ভালই হোক না কেন তার প্রতি একটা অনীহার ভাব অনেকের মনে বিরাজ করে। এর ফলে দেশের অর্থনীতিতে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়ছে। ব...

প্রবন্ধ রচনা : জন্ম হোক যথা তথা, কর্ম হোক ভাল

ভূমিকা : কর্মই জীবন। কর্মমুখর জীবনের সফলতাই মানুষকে যথার্থ মর্যাদার অধিকারী করে। একজন কবি মানবজীবনের কর্মফলের গুরুত্ব বিবেচনা করে লিখেছেন, বুনিয়াদি বটবৃক্ষ, কত নাম তার, অখাদ্য তাহার ফল, কাকের আহার। যার ফল তেমন কোন উপকারে লাগে না তাকে কেউ মর্যাদা দেয় না। মানবজীবনের বেলায় এ সত্য খুব ভালভাবে উপলব্ধি করা যায়। মানবজীবনের সফলতা নির্ভর করে তার কাজের মধ্যে। কাজের অবদান বিচার করে তার গুরুত্বের দিকটির প্রমাণ পাওয়া যায়। বংশগৌরব বা অভিজাত্যের মাপকাঠিতে মানুষের আসল পরিচয় ফুটে ওঠে না। মর্যাদার ধারণা : আমাদের সমাজে নানা ধরনের লোক বস করে। সমাজের মধ্যে ধনী লোক আছে, আবার গরিব লোকও আছে, ভাল মানুষও আছে, আবার মন্দ লোকেরও অভাব নেই। সংসারের এই বিচিত্র মানুষের সত্যিকার পরিচয় সন্ধান করলে তার কাজের মধ্যে যেমন আসল পরিচয় পাওয়া যাবে তেমন পরিচয় অন্য কোন দিক থেকে পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। অনেকে বংশগৌরব বা অভিজাত্যের বড়াই করে। তাদের ধারণা কোন বিখ্যাতি বড় বংশে জন্মগ্রহণ করলেই ভাল লোক হবে এমন ধারণা অনেকের আছে। বিত্তশালী লোকেরাও টাকার গৌরব প্রকাশ করে নিজেদের বড় মনে করে। বংশগৌরব : অ...

গণিত : ল.সা.গু এবং গ.সা.গু সমস্যা সমাধান - ১

Image
গাণিতিক যুক্তি ল.সা.গু এবং গ.সা.গু পার্ট - ১ পাটিগণিত > ল.সা.গু এবং গ.সা.গু প্রাথমিক আলোচনা ল.সা.গু এবং গ.সা.গু সমস্যার সমাধান - ১ ল.সা.গু এবং গ.সা.গু সমস্যার সমাধান - ২  ১.২.১  কোন লঘিষ্ঠ সংখ্যার সঙ্গে ৩ যোগ করলে যোগফল ২৪, ৩৬ ও ৪৮ দ্বারা বিভাজ্য হবে? (ক) ২০৫ (খ) ১৪৪ (গ) ১০৫ (ঘ) ১৪১ সমাধান উত্তর : (ঘ) ১৪১ ২ ২৪, ৩৬, ৪৮ ২ ১২, ১৮, ২৪ ২ ৬, ৯, ১২ ৩ ৩, ৯, ৬ ১, ৩, ২ ২৪, ৩৬, ৪৮ এর ল.সা.গু = $২\times২\times২\times৩\times৩\times২=১৪৪$ $\therefore$ নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি = ১৪৪-৩ = ১৪১  ১.২.২  কোন ক্ষুদ্রতম সংখ্যার সঙ্গে ১ যোগ করলে যোগফল ৩, ৬, ৯, ১২ এবং ১৫ দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য হবে? (ক) ১৭৯ (খ) ৩৬১ (গ) ৩৫৯ (ঘ) ৭২১ সমাধান উত্তর : (ক) ১৭৯ ৩ ৩, ৬, ৯, ১২, ১৫ ২ ১, ২, ৩, ৪, ৫ ১, ১, ৩, ২, ৫ ৩, ৬, ৯, ১২, ১৫ এর ল.সা.গু = ...

প্রবন্ধ রচনা : পানি বণ্টন চুক্তি

ভূমিকা : প্রতিবেশী রাষ্ট্রসমূহের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে সহযোগিতা প্রসারিত করা সম্ভব হলে সবারই কল্যাণ। বাংলাদেশের বৃহৎ প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সকল বিরোধ মিটিয়ে নিজেদের উন্নয়নে বেশি মনোযোগ দানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করে। বাংলাদেশ ভারত ঐতিহাসিক পানি বণ্টন চুক্তি তেমনি একটি যুগান্তকারী ঘটনা। নিজেদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের ভিত্তিতে সম্পাদিত এই চুক্তি দীর্ঘদিনের একটি সমস্যার অবসান ঘটিয়েছে এবং সে সঙ্গে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা পালনে সহায়ক হয়েছে। পানি চুক্তি : আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা লাভের ছয় মাসের মধ্যেই যুগান্তকারী বাংলাদেশ ভারত পানি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ১৯৯৬ সালের ১২ই ডিসেম্বর তারিখে বাংলাদেশেল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবগৌড়া নয়াদিল্লীতে এই চুক্তি স্বাক্ষর করেন। ১৯৭৭ সালের পর এই প্রথম আনুষ্ঠানিক চুক্তি সম্পাদিত হয়। এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশ পুরো শুকনো মৌসুমে ফারাক্কার মাধ্যমে ৩৫ হাজার কিউসেক পানি পাবে। ফারাক্কায় ৭০ হাজার কিউসেক পানি থাকলে ভারত ও বাংলাদেশ অর্ধেক অর্ধেক হিসেবে পানি লাভ করবে। চুক্তিটি ৩০ বছরের জন্য ...

প্রবন্ধ রচনা : বাংলা ভাষার আন্তর্জাতিক মর্যাদা

মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রাখার জন্য বাঙালির আত্মদানের রক্তরঞ্জিত শহীদ দিবস অমর একুশে ফেব্রুয়ারি নতুন সহস্রাব্দের প্রথম থেকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের মাধ্যমে বাংলা ভাষার বিশ্বব্যাপী মর্যাদা স্বীকৃত হয়েছে। বিশ্বের কাছে বাংলা ভাষা আর তার সগৌরব ঐতিহ্য এখন পরিচিত হয়ে উঠেছে। বাংলা ভাষার মর্যাদা আজ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। বাংলা ভাষার জাতীয় মর্যাদার পরিপূর্ণ স্বীকৃতি লাভ সম্ভবপর হয়েছে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে। বাংলা ভাষা সৃষ্টির প্রারম্ভ কাল থেকে যথাযোগ্য মর্যাদা লাভ না করার পরিপ্রেক্ষিতে অবহেলিত ও অনদৃত হয়ে যুগ যুগ ধরে স্বার্থান্বেষী মহলের অশুভ তৎপরতার বিষনিঃশ্বাসের মধ্য দিয়ে তাকে অগ্রসর হতে হয়েছে। বিচিত্র প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও বাংলা ভাষার গুরুত্ব তার সুদীর্ঘ পথ পরিক্রমাকে নিঃসন্দেহে উজ্জ্বল করে রেখেছে। তবে যথাযোগ্য পরিচর্যার অভাবে বাংলা ভাষা দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যের অনুসারী হয়েও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উপযুক্ত গুরুত্ব অর্জন করতে সক্ষম হয়নি। অথচ ভাষার অভ্যন্তরীণ বৈশিষ্ট্য, এর আকর্ষণীয় গুণাবলি এবং বিপুল জনগোষ্ঠী কর্তৃক এর ব্যবহারের দিক বিবেচনায় এই ভাষার আন্তর্জাতিক চারিত্র্যের সম্ভাবনা...

প্রবন্ধ রচনা : সাক্ষরতা : উন্নয়নের পূর্বশর্ত

ভূমিকা : শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড – একথা যুগ যুগ ধরে উচ্চারিত হয়ে আসছে। কিন্তু শিক্ষাকে সর্বজনীন করা হয়নি এবং শিক্ষাহীনতা জাতীয়  জীবনে দুর্বিষহ হয়ে দুর্ভোগের বোঝা বাড়াচ্ছে। শিক্ষার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বিতর্কের বিন্দুমাত্র অবকাশ নেই। কারণ শিক্ষা ছাড়া মানব সন্তান যথার্থ মানুষ হয়ে ওঠে না। আর আজকের বিশ্বের যারা শিক্ষিত জাতি তারা শুধু মানুষই নয়- উন্নত ও সমৃদ্ধ মানুষ হিসেবে গৌরবজনক স্থান লাভ করেছে। সে জন্য শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা বরাবরই অনুভূত হয়েছে এবং অনুন্নত দেশগুলো শিক্ষার হার বাড়ানোর মাধ্যমে নিজেদের এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। আমাদের দেশের অবস্থা : সাক্ষরতার দিক থেকে আমাদের দেশের অবস্থা নিতান্তই শোচনীয়। পরাধীনতার আমলে শিক্ষার সম্প্রসারণে তেমন কোন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠীর স্বার্থপরতার কারণে শিক্ষার হার বৃদ্ধির দিকে তেমন কোন দৃষ্টি দেওয়া হয়নি। বাংলাদেশের সগৌরব অভ্যুধয়ের পরও শিক্ষার বৈপ্লবিক পরিবর্তনের কথা ভাবা হয়েছিল এমন প্রমাণ মিলে না। বলা যেতে পারে অতি সাম্প্রতিককালে এ ব্যাপারে যথেষ্ট সচেতনতা দেখা যাচ্ছে এবং ইতোমধ্যে ব...

Duty towards humanity : Completing Story

Read the beginning of the following story and complete it in your own way. Give a suitable title of it: Mr Rahman is a retired officer. Usually, he goes for a walk everyday early in the morning. One day while walking in the morning he saw a man laying senseless by the side of the road. He went nearer to the man…… Duty towards humanity (মানবতার প্রতি কর্তব্য) Mr Rahman is a retired officer. Usually, he goes for a walk everyday early in the morning. One day while walking in the morning he saw a man laying senseless by the side of the road. He went nearer to the man and watched carefully. He found that the man was seriously injured. He thought any vehicle would have pushed the man. Then he felt his pulse. He found that the man was still alive. So, he called a CNG autorickshaw and took him to a nearby hospital. There the doctors thanked him because it was about to too late. They tried their utmost and the man got back his sense by the grace ...

Paragraph : Black Will Take No Other Hue

Black Will Take No Other Hue কয়লা ধুইলে ময়লা যায় না It was a winter morning. Cold wind was blowing heavily. A farmer was going to his field. He found a snake half dead with cold, lying by the side of the road. He took pity on the wretched snake. He put in his basket and brought it home. He warned the snake with fire and gave it warm milk and made it fresh. It was all right with it and it got quite well very soon. It began to play with the children of the farmer. For the time being, it behaved well but afterwards, it showed its actual behaviour and forgot the sympathy of the kind farmer. One day while playing with the children of the farmer, it spread out its fang and bit one of them. The farmer realized his mistake. He understood that an evil always remains an evil. So he became very angry and killed the snake with a stick, saying, “Black will take no other hue.” বঙ্গানুবাদ : তখন ছিল শীতকাল। ব্যাপকভাবে ঠাণ্ডা বাতাস প্রবাহিত হচ্ছিল। একজন কৃষক মাঠে...

প্রবন্ধ রচনা : বুদ্ধিজীবী হত্যা

↬ স্মরণীয় যাঁরা চিরদিন ভূমিকা : লাখো প্রাণের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি আমাদের স্বাধীনতা। ১৯৭১ সালে প্রায় নয় মাসব্যাপী যুদ্ধে শহিদ হয়েছেন অসংখ্য মানুষ। দেশবাসী আজও তাঁদের জন্য গর্ববোধ করে।  প্রেক্ষাপট : ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতাসংগ্রামের ডাক দিয়ে বলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম। এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ এরই ধারাবাহিকতায় স্বাধীনতার ঘোষণা আসার ঠিক পূর্বমুহূর্তি অর্থাৎ ২৫ মার্চ গভীর রাতে ঢাকার নিরীহ মানুষের ওপর বর্বর আক্রমণ শুরু হয়। তারা প্রথম শুরু করে নির্বিচারে হত্যা; এরপর ঠাণ্ডা মাথায় পরিকল্পিতভাবে একে একে হত্যা করে এ দেশের বরেণ্য ব্যক্তিদের।  আমরা যাঁদের ভুলব না : আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবনদানকারী কারও কথাই আমরা কোনদিন ভুলতে পারব না। এদের কয়েকজন হলেন :  অধ্যাপক মুনিরুজ্জামান : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানের ধর্মপ্রাণ শিক্ষক ছিলেন তিনি। পবিত্র কোরআন শরিফ পড়া অবস্থায় তাঁকে ধরে, টেনেহিঁচড়ে নিয়ে হত্যা করে পাকিস্তানি সেনারা।  অধ্যাপক জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা : তিনি ইংরেজির খ্যাতিমান শিক্ষ...

প্রবন্ধ রচনা : একজন বীরশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা

↬ একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ↬ একজন বীরশ্রেষ্ঠের কথা বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল ভূমিকা : ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে ৩০ লাখ বাঙালি প্রাণ দিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে একজন হলেন বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ মোস্তফা কামাল। মোস্তফা কামালের পরিচয় : ভোলা জেলার দৌলতখান থানার একটি গ্রামের নাম হাজিপুর। ১৯৪৭ সালের ১৬ই ডিসেম্বর মোস্তফা কামাল এ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম হাবিবুর রহমান। তিনি ছিলেন সেনাবাহিনীর একজন হাবিলদার। মোস্তফা কামালের ছেলেবেলা : ছেলেবেলা থেকেই মোস্তফা কামাল খুব সাহসী ও ডানপিটে ছিলেন। মাত্র পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছিলেন। কুমিল্লা সেনানিবাসে সৈনিকদের সুশৃঙ্খল কুচকাওয়াজ কিশোর মোস্তফা কামাল মুদ্ধ হয়ে দেখতেন আর ভাবতেন- আমিও একজন সৈনিক হব। সৈনিক হিসেবে যোগদান : ১৯৬৭ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন। এরপর সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ শেষ করে ১৯৬৮ সালে চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে নিয়োগ লাভ করেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ ও মোস্তফা কামাল : ১৯৭১ সাল। পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাংলাদেশের স্বাধিকার আন্দোলনকে মেনে নিতে পারল না...