Posts

Showing posts with the label সমস্যা

প্রবন্ধ রচনা : কুসংস্কার

ভূমিকা : মানব জীবনে এমন কিছু সংস্কার বা বিশ্বাস দেখা যায় যার অশুভ প্রভাবে জীবনের বিকাশ রুদ্ধ হয় এবং জাতীয় জীবন নানাভাবে বিপর্যস্ত হয়ে থাকে। কুসংস্কার এমনি একটি ধারণা বা রীতি বা বিশ্বাস। জীবনকে নানা অনাচারে আঁকড়ে ধরার ক্ষমতা আছে এর এবং এর চরণে নিবেদিত হয়ে মানুষ নিজেকে ব্যক্তিত্বহীন করে তোলে। জাতিকে পেছনে ফেলে রাখার জন্য কুসংস্কারের ভূমিকা কোন অংশে উপেক্ষার নয়। কুসংস্কারের স্বরূপ : কোন বুদ্ধি বিবেচনা ও যুক্তিতর্কের বাইরে মানব মনের এক ধরনের অন্ধ বিশ্বাসকে কুসংস্কার বলা হয়। এমন অনেক ঘটনার ওপর মানুষের বিশ্বাস জন্মায় যার কোন বাস্তব ভিত্তি নেই। সেখানে এক বিমূঢ় অন্ধ বিশ্বাস হৃদয়মন আচ্ছন্ন করে, কোন যুক্তি দাঁড় করিয়েও তাকে অর্থহীন বলে বিশ্বাস করানো যায় না। এই প্রবণতাই কুসংস্কার। এ ধরনের বিশ্বাসকে সত্যাসত্যের মাপকাঠিতে যাচাই করতে মন কখনও সচেতনতা দেখায় না। একটা অন্ধ বিশ্বাস সেখানে প্রাধান্য পায়। মন সেখানে দুর্বলতা প্রদর্শন করে। জ্ঞান-বিজ্ঞানের আলোকে যাচাই করার মত মানসিকতাও থাকে না। কুসংস্কার বিজ্ঞানের আলোকে অর্থহীন, কিন্তু দুর্বল হৃদয় তা সঠিকভাবে কাজ করে যায়। কুসংস...

প্রবন্ধ রচনা : নতুন মহামারি বাল্যবিবাহ কারণ ও প্রতিকার

ভূমিকা : বিশ্বের যেসব দেশে বাল্যবিবাহের হার উচ্চ; বাংলাদেশ তাদের অন্যতম। বাল্যবিবাহের পেছনে বেশ কিছু সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক বিষয় এবং ঐতিহ্য কাজ করে। বাংলাদেশে যেসব কারণ বাল্যবিবাহের ঝুঁকি বাড়ায় তার মধ্যে রয়েছে দারিদ্র্য, মেয়েদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিয়ে ভয় এবং সামাজিক রীতিনীতি ও বিশ্বাসের জটিল সংকট। সাম্প্রতিককালে কোভিড-১৯ এর কারণে বাল্যবিবাহ মহামারির রূপ ধারণ করেছে। বাল্যবিবাহ : ‘বাল্যবিবাহ’ বলতে এমন বিবাহ বোঝায় যার কোনো এক পক্ষ বা উভয় পক্ষ অপ্রাপ্ত বয়স্ক। ‘অপ্রাপ্ত বয়স্ক’ অর্থ বিবাহের ক্ষেত্রে ২১ বছর পূর্ণ হয়নি এমন কোনো পুরুষ এবং ১৮ বছর পূর্ণ হয়নি এমন কোনো নারী। বাল্যবিবাহে মেয়ে এবং ছেলে উভয়ের ওপরই প্রভাব পড়ে। তবে মেয়েরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শিশু বয়সে বিয়ে করতে বাধ্য হওয়া একটি মেয়ে তাৎক্ষণিক এবং জীবনভর এর পরিণাম ভােগ করে। তার স্কুল জীবন শেষ করার পূর্বেই স্বামীর দ্বারা নির্যাতিত এবং গর্ভধারণের সময় জটিলতায় ভােগার ঝুঁকি বেড়ে যায়। বাল্যবিবাহের নেতিবাচক সামাজিক পরিণাম এবং এর ফলে কয়েক পুরুষ ধরে দারিদ্র্যের চক্রে নিপতিত হওয়ার উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে। ইতিহাস : ঐতিহাসিকভা...

প্রতিবেদন : সাংবাদিক হিসেবে লোডশেডিং এর প্রতিকার চেয়ে প্রতিবেদন

একটি দৈনিক সংবাদপত্রের সাংবাদিক হিসেবে লোডশেডিং এর প্রতিকার চেয়ে একটি বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদন রচনা কর। নিজস্ব প্রতিবেদক : হাজারীবাগ, ঢাকা, ১১ জুলাই, ২০১৮ : রাজধানী ঢাকা মহানগরীর পশ্চিমাঞ্চল হাজারীবাগ এলাকার দুই লক্ষাধিক লোক বিদ্যুৎ বিভ্রাটের শিকার। বিগত কয়েক মাস ধরে এলাকায় লোডশেডিং নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রায় প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে রাত বারোটা পর্যন্ত প্রায় দু তিন ঘন্টা এলাকা গভীর অন্ধকারে নিমজ্জিত থাকে। এর ফলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাসহ জনজীবনের দৈনন্দিন স্বাভাবিক জীবনপ্রবাহ দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। প্রায় দেড় কোটি জনঅধ্যুষিত মহানগরী ঢাকার একটি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হাজারীবাগ। এখানে স্কুল কলেজসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত লেদার টেকনোলজি কলেজ রয়েছে যেখানে অসংখ্যা ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা করে। এছাড়া লেদার ইন্ডাস্ট্রিজের একমাত্র স্থান এ এলাকায় যা কিনা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি প্রধান স্থান জুড়ে আছে। নৈশকালীন এ বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ফল উৎপাদন ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। যার প্রভাব বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর ব্যাপকভাবে পড়ছে।  এমতাবস্থায় এলাকায়...

প্রতিবেদন : বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণ ও এর প্রতিকার

‘বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণ ও এর প্রতিকার’ সম্বন্ধে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন রচনা করো। প্রতিবেদনের শিরোনাম : বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণ ও এর প্রতিকার প্রতিবেদকের নাম : শাহরিয়ার নাফিস সিফাত ও রোমেনা নাজনীন এলাকার নাম : ঢাকা প্রস্তুতের সময় ও তারিখ : ১২/০৫/২০২১ বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণ ও এর প্রতিকার বর্তমান সভ্যতা সর্বতোভাবে বিদ্যুৎ নির্ভর হলেও বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সংকট অনেক প্রকট। এ তীব্র বিদ্যুৎ ঘাটতি এদেশের জনজীবনকে বিষিয়ে তুলছে। প্রাত্যহিক জীবনযাপন থেকে শুরু করে শিল্পায়ন, কৃষি উৎপাদন, শিক্ষা প্রভৃতি ক্ষেত্রেই মানুষ দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দিনে ও রাতে একাধিকবার দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকে। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মাত্রা এতোটাই বৃদ্ধি পেয়েছে যে,বিদ্যুৎ সংযোগ যে আছে মাঝে মাঝে সে কথা ভুলে যেতে হয়। অনুসন্ধানে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের নিম্নলিখিত কারণগুলো ধরা পড়েছে- ১. দেশের বর্তমান চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রয়োজন প্রায় ১৩০০০ মেগাওয়াট, কিন্তু উৎপাদন হচ্ছে মাত্র ১০,০০০ মেগাওয়াট। ২. বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ার আনুপাতিক হারে জোগান বাড়েনি গত পঁচিশ বছরে। ৩. আমলাতান্ত্রিক ও অস্থিতিশ...

ভাষণ : নৈতিক অবক্ষয়. উন্নয়নের অন্তরায়

‘নৈতিক অবক্ষয় উন্নয়নের অন্তরায়’ শিরোনামে একটি ভাষণ তৈরি কর। অথবা , ‘নৈতিক অবক্ষয় উন্নয়নের অন্তরায়’ শিরোনামে প্রধান অতিথির একটি ভাষণ তৈরি কর। ‘নৈতিক অবক্ষয়, উন্নয়নের অন্তরায়’ শীর্ষক আলোচনা শ্রদ্ধেয় সভাপতি, মাননীয় প্রধান অতিথি, সম্মানিত বিশেষ অতিথি, বিজ্ঞ আলোচকবৃন্দ ও সুধীমণ্ডলী আসসালামু আলাইকুম । মানুষের মানবিক গুণগুলোর মধ্যে নৈতিক গুণাবলি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা মানুষের নৈতিক বোধের সঙ্গে মানবিক গুণাবলি বিশেষভাবে সম্পর্কিত। প্রত্যেকটি মানুষই সুনির্দিষ্ট নীতি-আদর্শ মেনে চলে, সে অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করে। যার প্রতিফলন ঘটে সমাজে ও রাষ্ট্রে। গঠনমূলক অর্থাৎ ইতিবাচক নীতিবোধ নিজের ব্যক্তিত্ব গঠনে যেমন সহায়ক, তেমনি কল্যাণকর সমাজ তথা রাষ্ট্র গঠনেও সহায়ক। আমাদের দেশে বরাবরই নীতি ও নৈতিকতাবোধ ছিল প্রবল। যে কারণে সমাজে কোথাও কোনো দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, ঘুষ বা কোনো অন্যায় আবদারের চর্চা ছিল না। মানুষ অন্যায়কে এড়িয়ে চলত। কিন্তু ইদানীং এ নেতিবাচক বিষয়গুলোর চর্চা এমন ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে যে, মানবিক গুণাবলি যেন জিম্মি হয়ে গেছে। সরকারি তো বটেই, ব...

ভাষণ : সাম্প্রদায়িক সহিংসতা অমার্জনীয়

‘সাম্প্রদায়িক সহিংসতা অমার্জনীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভার জন্য একটি ভাষণ রচনা কর। অথবা, ‘সম্প্রদায়গত সম্প্রীতি’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানের উপযোগী একটি ভাষণ তৈরি কর। ‘সাম্প্রদায়িক সহিংসতা অমার্জনীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভা শ্রদ্ধেয় সভাপতি, উপস্থিত অতিথিবৃন্দ ও সুধীমণ্ডলী, আসসালামু আলাইকুম। ‘সাম্প্রদায়িক সহিংসতা অমার্জনীয়’ শীর্ষক আজকের এই জনগুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভার ব্যবস্থা করায় আমি প্রথমেই আয়োজকদের বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাই। সুধীমণ্ডলী, আজ আমাদের মাতৃভূমি এক ক্রান্তিকালে দাঁড়িয়ে আছে। আমাদের সমাজের চারদিকে আজ বিশৃঙ্খলা, সন্ত্রাস, সর্বোপরি অরাজকতা বিরাজ করছে। রাজনৈতিক হানাহানির ফলে সামাজিক বিশৃঙ্খলা দুঃসহ পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা। তাই দেশটা আজ ন্যুব্জ, কলঙ্কিত। এতে করে দেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে, অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড ভেঙে যাচ্ছে, সর্বোপরি বিশ্বদরবারে আজ দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। এ অবস্থা আর চলতে পারে না, চলতে দেওয়া যায় না। সুধীবৃন্দ, আপনারা জ্ঞাত আছেন, আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় ‘সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ...

ভাষণ : ইভটিজিং প্রতিরোধে ছাত্রসমাজের ভূমিকা

“ইভটিজিং প্রতিরোধে ছাত্রসমাজের ভূমিকা” — শীর্ষক সেমিনারে বক্তা হিসেবে একটি ভাষণ রচনা কর। অথবা , “ইভটিজিং প্রতিরোধে ছাত্রসমাজের ভূমিকা” শীর্ষক সেমিনারে উপস্থাপনের জন্য প্রধান বক্তা হিসেবে একটি মঞ্চভাষণ প্রস্তুত কর। ইভটিজিং প্রতিরোধে ছাত্রসমাজের ভূমিকা “ইভটিজিং প্রতিরোধে ছাত্রসমাজের ভূমিকা” শীর্ষক সেমিনারের শ্রদ্ধেয় সভাপতি, সম্মানিত প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি, উপস্থিত সুধীজন আসসালামু আলাইকুম। প্রিয় সুধী, আপনারা জানেন, ইভটিজিং মানে নারীদের বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করা। সাধারণত মেয়েদের উদ্দেশ্যে ছুড়ে দেওয়া কিশোর-তরুণদের বিভিন্ন মন্তব্য, শিস বাজানো, চোখে ইশারা করা, ওড়নার আঁচল ধরে টান দেওয়া, ভিড়ের মধ্যে ধাক্কা দেওয়া, অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করা ইত্যাদিকে বলা হয় ইভটিজিং। আধুনিক প্রযুক্তির উন্নয়ন সাধনের ফলে মোবাইলে ছবি তুলে বিরক্ত করা, মিসকল বা আপত্তিকর মেসেজ পাঠানো এবং ই-মেইল বা ফেসবুকের মাধ্যমে মেয়েদের টিজ করাও ইভটিজিংয়ের পর্যায়ভুক্ত। এ অবস্থাকে কেন্দ্র করে দেশে আত্মহননের ঘটনা দিন দিন আশঙ্কাজনক হারে বেড়েই চলছে। অবিলম্বে এর প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্র...

ভাষণ : ইভটিজিং-এর বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ জরুরি

‘ইভটিজিং-এর বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ জরুরি’ শীর্ষক সেমিনারে সভাপতির ভাষণ রচনা কর। “ইভটিজিং-এর বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ জরুরি” শীর্ষক সেমিনার আজকের অনুষ্ঠানের সম্মানিত প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি ও আলোচকবৃন্দ এবং আমার সামনে উপবিষ্ট সচেতন ব্যক্তিবর্গ, আপনাদের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন । উপস্থিত সুধীবৃন্দ, ‘ইভটিজিং-এর বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ জরুরি’– বিষয়টি সম্পর্কে আপনারা দীর্ঘসময় ধরে অতিথিবৃন্দের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা শুনেছেন। আশা করি ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধে আমাদের কী করা উচিত সেই বিষয়টি আপনাদের কাছে এখন পরিষ্কার। আমি সংক্ষেপে বিষয়টি আর একটু সহজ করে আপনাদের বলতে চাই। সামাজিক জীব হিসেবে মানবজীবনকে যথার্থ সৌন্দর্যমণ্ডিত করে তোলে তার নৈতিক মূল্যবোধ। মানুষের জীবনের সাধনা হলো মনুষ্যত্ব অর্জনের সাধনা। এই সাধনায় আছে মহৎ গুণাবলি লাভের চেষ্টা। সততা, ন্যায়পরায়ণতা, আদর্শবাদিতা ইত্যাদি গুণের সমাবেশেই নৈতিকতার স্বরূপ প্রকাশিত হয়। কিন্তু নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের ফলে আমাদের সমাজ আজ ভয়াবহ সংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। যেসব সংকট আজ সমাজকে ঘিরে...

ভাষণ : মাদকাসক্তির কারণ ও প্রতিকার

‘মাদকাসক্তির কারণ ও প্রতিকার’ শীর্ষক সেমিনারে উপস্থাপন করার জন্য একটি ভাষণ তৈরি কর। অথবা, “মাদকদ্রব্যের ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে” যুবসমাজের উদ্দেশে একটি ভাষণ রচনা কর। অথবা, “মাদকের অপর নাম মৃত্যু” শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানের উপযোগী একটি ভাষণ তৈরি কর। অথবা, ‘মাদকাসক্তির কুফল’ সম্পর্কে আয়োজিত সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে উপস্থাপনের জন্য প্রধান অতিথির একটি ভাষণ রচনা কর। অথবা, মাদকাসক্তির কুফল সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে একটি ভাষণ রচনা কর। অথবা, কোনো সেমিনারে উপস্থাপনের জন্য ‘মাদকাসক্তির কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে একটি ভাষণ রচনা কর। অথবা , মাদকদ্রব্য সেবনের ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে একটি মঞ্চ ভাষণ তৈরি কর। ‘মাদকাসক্তির কারণ ও প্রতিকার’ শীর্ষক আলোচনা সভা শ্রদ্ধেয় সভাপতি, সম্মানিত প্রধান অতিথি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মহোদয়, বিশেষ অতিথি ও উপস্থিত সুধীবৃন্দ আমার অভিনন্দন গ্রহণ করুন। মাদকাসক্তির ভয়াবহতা সম্পর্কে ইতোমধ্যে আপনারা অবগত হয়েছেন। এই সর্বনাশা মরণ নেশার দানবীয় থাবায় পড়ে জাতি আজ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। সুধীমণ্ডলী, ...

ভাষণ : নারী নির্যাতন ও পণপ্রথা বিরোধী

‘নারী নির্যাতন ও পণপ্রথা বিরোধী’ সেমিনারে বক্তব্য রাখার জন্য একটি লিখিত বক্তব্য/ভাষণ প্রস্তুত কর। অথবা, নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে আয়োজিত সেমিনারে বক্তব্য রাখার জন্য একটি ভাষণ রচনা কর। অথবা,   পণপ্রথা’র কুফল আলোচনা শীর্ষক সেমিনারে তোমার বক্তব্য পেশ করার জন্য লিখিত ভাষণ প্রস্তুত কর। অথবা, ‘যৌতুকের অভিশাপ’ বিষয়ে একটি ভাষণ রচনা কর। নারী নির্যাতন ও পণপ্রথা বিরোধী সেমিনার শ্রদ্ধেয় সভাপতি, আগত সম্মানিত বিশেষ অতিথি, অতিথিবৃন্দ ও সমবেত সুধী, আমাদের পারিবারিক, সামাজিক ও জাতীয় জীবনে একটি নিত্যনৈমিত্তিক ভয়াবহ রূপ নিয়ে দেখা দিয়েছে নারী নির্যাতন। একবিংশ শতাব্দীর ঊষালগ্নে যখন বিশ্বে দিকে দিকে নারীমুক্তির আন্দোলন নতুন মাত্রা লাভ করেছে, দিকে দিকে জয়ধ্বনি ঘোষিত হচ্ছে নারীমুক্তির, ঠিক তখনই বাংলাদেশের সংবাদপত্রের পাতায় প্রতিদিন ছাপা হয়ে চলেছে নারী হত্যাসহ নারী নির্যাতনের এক কলঙ্কিত ইতিহাস। সুধীবৃন্দ, বাঙালি সমাজে এক অতি প্রাচীন দুরারোগ্য ব্যাধি পণপ্রথা। কৌলীন্য প্রথা তাকে করে তোলে ভয়াবহ। মানুষের স্বার্থ, সুখপরায়ণত...

ভাষণ : এডিস মশার প্রাদুর্ভাব ও ডেঙ্গুজ্বরের ভয়াবহতা

এডিস মশার প্রাদুর্ভাব ও ডেঙ্গুজ্বরের ভয়াবহতা তুলে ধরে একটি ভাষণ প্রস্তুত কর। অথবা , ডেঙ্গুজ্বর প্রতিরোধ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি ভাষণ রচনা কর। এডিস মশার প্রাদুর্ভাব ও ডেঙ্গুজ্বরের ভয়াবহতা শীর্ষক ভাষণ শ্রদ্ধেয় সভাপতি, সম্মানিত অতিথিবৃন্দ ও সমবেত শ্রোতামণ্ডলী, আজ আমরা ডেঙ্গু আতঙ্কে আতঙ্কিত, এডিস মশার ভয়ে ভীত। কিন্তু আমরা যদি একটু সচেতন হই তাহলে আমাদের এমন অবস্থা থাকবে না। প্রিয় সুধী, আপনারা বোধ হয় জানেন ডেঙ্গুজ্বরের ভালো কোনো চিকিৎসা নেই, এ ভাইরাসের তেমন কোনো প্রতিষেধক টিকা নেই, আছে শুধু রোগীর লক্ষণ অনুসারে চিকিৎসা করা এবং রক্তের প্লাটিলেট কমে গেলে প্লাটিলেট দেওয়া। এ চিকিৎসা ব্যয়বহুল। ডেঙ্গুজ্বরের একমাত্র কারণ এডিস মশা, এ এডিস মশার বিস্তার রোধ করতে পারলে ডেঙ্গুজ্বর প্রতিরোধ করা সম্ভব। এডিস মশাকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণ ও দমন করা যায় সে সম্পর্কে আমি কিছু পরামর্শ তুলে ধরতে চাই :  ১. এডিস মশা অন্যান্য মশার চেয়ে আকারে একটু বড় হয় এবং এদের শরীরে ডোরাকাটা দাগ পরিলক্ষিত হয়। এ এডিস মশাকে শনাক্ত করে তার বিস্তার রোধ করতে হবে। ২. এডি...

ভাষণ : বৃক্ষরোপণ সপ্তাহ

বৃক্ষরোপণ সপ্তাহ উপলক্ষে একটি ভাষণ লেখ। অথবা , বৃক্ষরোপণে উদ্বুদ্ধ করার বিষয়ে একটি ভাষণ তৈরি কর। বৃক্ষরোপণ সপ্তাহ শ্রদ্ধেয় সভাপতি, সম্মানিত প্রধান অতিথি, উপস্থিত সুধীমণ্ডলী, এতক্ষণ ধৈর্য ধরে বৃক্ষরোপণের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আপনারা নানা কথা শুনলেন। বৃক্ষ আমাদেরকে ছায়া দেয়, ফল দেয়, ফুল দেয়, আমাদের বাঁচার জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন জোগায়। বৃক্ষ মানবসমাজের উপকারী বন্ধু। কিন্তু বর্তমানে বৃক্ষনিধনের যে মহোৎসব শুরু হয়েছে, তাতে আমরা শঙ্কিত। আমরা যে পরিমাণে গাছ কাটি, সে পরিমাণ গাছ রোপণ করি না। ফলে বনভূমির পরিমাণ দিন দিন কমে যাচ্ছে প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে গাছ কেটে বনভূমি উজাড় করে ফেলা হচ্ছে। এর ক্ষতির পরিমাণ অপরিমেয়। এ ক্ষতি কমাতে হলে আমাদের প্রত্যেককে বৃক্ষরোপণ করতে হবে। বৃক্ষের সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য সরকার প্রতিবছর বৃক্ষরোপণ সপ্তাহ পালন করে থাকে। সরকারি পর্যায়ে এ সপ্তাহকে নানা কর্মকাণ্ডে মুখর করে তোলা হয়। এর প্রধান উদ্দেশ্য বৃক্ষরোপণের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব জনগণের কাছে তুলে ধরা। বনভূমি রক্ষায় এবং অধিক বৃক্ষ রোপণে জনগণকে যদি সচেতন করে তোলা না যায় ...

Paragraph : Population Problem in Bangladesh

Population Problem in Bangladesh The rapid growing population in Bangladesh is burning question of today. It has created difficulties in every sphere of our life. As it is a serious problem. we have to solve it for the sake of our existence. If we cannot do so, we will have to suffer a lot in near future. a Bangladesh is small country with the density of population of 2018 per square mile in 2018 whereas in the USA it is about 36 in 2018 per square mile. Bangladesh occupies the 8th position among the countries of the world in respect of population. Her growth rate of population is 1.03%. in 2018. If this growth rate continues, the population of Bangladesh will be double within the next thirty years. If it really happens, the nation will fall into a great trouble. There are many causes of rapid growth of population. The growth of population in the country the result of two main variables- the birth rate and the death rate. There is a large difference between the two rates, tha...

প্রতিবেদন : বিদ্যুৎ বিভ্রাট বা লোডশেডিং বিষয়ক

বিদ্যুৎ বিভ্রাট বা লোডশেডিং বিষয়ক প্রতিবেদন রচনা করো। বিদ্যুৎ এখন যায় না, বিদ্যুৎ আসে স্টাফ রিপোর্টার : লোডশেডিং ঢাকা শহরের নৈমিত্তিক ঘটনা। কিন্তু বর্তমানে গরম যত বাড়ছে, ছোটবড় সবার অবস্থাই তত খারাপের দিকে গড়াচ্ছে। উষ্ণতার আধিক্যে বিদ্যুতের সমস্যাটিও ততই তীব্রতর হয়ে উঠেছে রাজধানী ঢাকা শহরে। বিদ্যুৎ সার্বক্ষণিক প্রয়োজনীয় একটি জিনিস। রাতে শুধু ইলেকট্রিক বাতি জ্বলবে, বিদ্যুতের এটাই একমাত্র প্রয়োজনীয়তা নয়। দিনে বা রাতে যে কোনো সময়ই হোক বিদ্যুতের অনুপস্থিতি আধুনিক জীবনে হাজারো সংকট ও সমস্যার সৃষ্টি করে। রাষ্ট্রীয়, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক -সকল ক্ষেত্রেই প্রতিটি মুহুর্তে বিদ্যুতের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। আমাদের প্রতি মুহূর্তের কার্যক্রম, ব্যবসা বাণিজ্যসহ সকল ক্ষেত্রে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার পথে অর্থাৎ উন্নয়নের পথেও বিদ্যুৎ ছাড়া এক পা অগ্রসর হওয়া সম্ভব নয়। আধুনিক জীবনের জন্যে সর্বাধিক প্রয়োজনীয় এই বিদ্যুতের সমস্যা আমাদের দেশে প্রকট। এখনো সকলের চাহিদামাফিক বিদ্যুৎ সরবরাহ সুনিশ্চিত করা যায় নি রাষ্ট্রীয়ভাবে। এ সমস্যাটি এখনো জনজীবনে সৃষ্টি করছে নানা ...

অনুচ্ছেদ : হরতাল বা ধর্মঘট

হরতাল বা ধর্মঘট 'হরতাল' একটি গুজরাটি শব্দ; এর বাংলা শব্দ 'ধর্মঘট'। কিন্তু ভারতের পশ্চিম বাংলায় একে 'বনধ' বলে। আর ইংরেজিতে একে বলে 'strike'। যখন কোনো সংঘবদ্ধ দল বা সংগঠন তাদের অধিকার বা দাবি-দাওয়া আদায়ের জন্য চলমান জনজীবনকে এক বা একাধিক দিনের জন্য অচল করে রাখে তখন তাকে হরতাল বা ধর্মঘট বলে। বর্তমানে আমাদের দেশের আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা হরতাল শব্দটির সঙ্গে সুপরিচিত। 'হরতাল' একটি গণতান্ত্রিক অধিকার। কোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে, ভিন্নমতের বিরুদ্ধে শাস্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ জানানোর একটি স্বীকৃত পন্থা হচ্ছে 'হরতাল'। পৃথিবীর অনেক গণতান্ত্রিক দেশে প্রতিবাদ জানানোর একটি স্বীকৃত পন্থা হলো 'হরতাল'। পৃথিবীর অনেক গণতান্ত্রিক দেশে ভিন্ন নামে হলেও প্রতিবাদের এ প্রক্রিয়া চালু আছে। কিন্তু আমাদের দেশে এই গণতান্ত্রিক উপায়টির যথেচ্ছা ব্যবহার হচ্ছে ইদানীং। নিয়মতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ উপায় হিসেবে ‘হরতাল’ আজকাল পালিত হচ্ছে না। সহিংসতা, বোমাবাজি, হত্যা ও সংঘর্ষে রূপান্তরিত হচ্ছে অধিকাংশ হরতাল। এতে লোকক্ষয় ও সম্পদ বিনষ্ট হচ্ছে, জাতীয় জীবনে নানা দুর্যোগ ও ...

কারখানায় বিষাক্ত গ্যাস ও বর্জ্য আবাসিক পরিবেশ দূষিত করছে জানিয়ে পত্রিকায় প্রকাশের উপযোগী পত্র

কারখানায় বিষাক্ত গ্যাস ও বর্জ্য পদার্থ কীভাবে তোমার আবাসিক এলাকার পরিবেশ ক্রমেই দূষিত করে তুলছে, জীবন কীভাবে বিপন্ন হয়ে উঠেছে সে অভিজ্ঞতা জানিয়ে কোনো দৈনিক পত্রিকায় সম্পাদকের কাছে প্রকাশের উপযোগী একটি পত্র রচবা করো। ১০ই অক্টোবর, ২০১৮ সম্পাদক যুগান্তর  ১২/৭ উত্তর কমলাপুর, ঢাকা। জনাব, আপনার বহুল প্রচারিত ও প্রশংসিত দৈনিক 'যুগান্তর' পত্রিকার চিঠিপত্র কলামে নিম্নলিখিত জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট পত্রটি প্রকাশ করলে কৃতজ্ঞ থাকব। বিনীত লিনুস হেনরি গণসালভেস রামপুর আবাসিক এলাকা, নারায়ণগঞ্জ।  দূষণমুক্ত পরিবেশ চাই পরিবেশ দূষণ আধুনিক শিল্পায়ন ও শহরায়ণের একটি মারাত্মক কুফল। অপরিকল্পিত শিল্প-কারখানা স্থাপন এবং এদের বিষাক্ত গ্যাস ও বর্জ্য পদার্থ অপসারণে অব্যবস্থার ফলে ক্রমেই মানুষের আবাসস্থলসমূহ বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠেছে। বলতে হয়, এরূপ পরিবেশ দূষণ মানব সভ্যতার জন্যে এক চরম অভিশাপ। আর এ অভিশাপে জর্জরিত নারায়ণগঞ্জের রামপুর অঞ্চলের অধিবাসীরা। প্রায় এক লক্ষ লোক অধ্যুষিত অঞ্চলে প্রতিদিন শত-শত কল-কারখানার বর্জ্য পদার্থ ও বিষাক্ত গ্যাস চারপাশে ছড়িয়ে পড়...

মাদকাসক্তির কুফল সম্পর্কে সংবাদপত্রে প্রকাশের জন্যে পত্র

মাদকাসক্তির কুফল সম্পর্কে সংবাদপত্রে প্রকাশের জন্যে সম্পাদক বরাবর একটি আবেদন পত্র লেখো। ১৫ই জুন, ২০১৮ সম্পাদক ভোরের কাগজ ৭০ শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভিন সড়ক মালিবাগ, ঢাকা।  জনাব, আপনার বহুল প্রচারিত পত্রিকা 'ভোরের কাগজ' এক নিরন্তর ও নিরলস ভূমিকা পালন করে চলেছে। বরাবরের মতো এবারও নিমোক্ত জাতীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট পত্রটি প্রকাশ করলে কৃতজ্ঞ থাকবো। বিনয়াবনত কামাল শিকদাফ সোনাখালী, চাকুরিয়া, সাভার। চাই মাদকমুক্ত সুস্থ জীবন 'স্বাস্থ্য মানুষের মৌলিক অধিকার' - স্লোগানটি আজ নীতিকথায় পর্যবসিত। সুস্থ জীবনের চেতনা বিসর্জন চলছে জীবাণুযুদ্ধ, রাসায়নিক যুদ্ধ। নেশাযুদ্ধ তার সসর্বশেষ সংস্করণ। নেশার কবলে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে মানুষ, বিশেষ করে যুব সম্প্রদায়। অমিত প্রতিভার এ যুব সম্প্রদায়কে নিয়ে চলছে বহুমাত্রিক ষড়যন্ত্র। সুকৌশলে তাদের হাতে নেশাবস্তু ধরিয়ে দিয়ে একটা স্বার্থান্বেষী মহল জাতির মেরুদণ্ড বিনিষ্ট করার অপচেষ্টায় লিপ্ত। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মৃতকল্প, অসাড় করে দেয়ার অশুভ লক্ষ্যকে একটি মহল দেশের সর্বত্র নেশাদ্রব্যকে অবাধলভ্য করতে গড়ে তুলে...

অনুচ্ছেদ : মাদকাসক্তি

মাদকাসক্তি বর্তমানে বিশ্ব যে কয়টি মারাত্মক সমস্যার সম্মুখীন তার মধ্যে মাদকাসক্তি অন্যতম। এর ব্যবহার ও অবৈধ বিস্তারে বিশ্ববাসী শঙ্কিত। মাদকদ্রব্য হচ্ছে সেসব বস্তু যা গ্রহণের ফলে স্নায়বিক বৈকল্যসহ নেশার সৃষ্টি হয়। সুনির্দিষ্ট সময় পরপর তা সেবনের আসক্তি অনুভূত হয়। এর কুপ্রভাব ভয়াবহ ও মারাত্মক। আমাদের দেশেও মাদকের ভয়াবহতা সাংঘাতিক। আমাদের দেশে যেসব মাদকদ্রব্যের সেবন সর্বাধিক তা হচ্ছে- গাঁজা, ফেনসিডিল, হেরোইন, মদ, বিয়ার, তাড়ি, ঘুমের ঔষধ, প্যাথেড্রিন ইনজেকশন, ইয়াবা ইত্যাদি। এসব মাদকদ্রব্য গ্রহণ করে নেশা সৃষ্টি করাকে মাদকাসক্তি বলা হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, মাদকাসক্তি হচ্ছে চিকিৎসা গ্রহণযোগ্য নয় এমন দ্রব্য অতিরিক্ত পরিমাণে গ্রহণ করা ও তার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়া। বিভিন্ন কারণে মানুষ মাদকাসক্ত হয়। এর মধ্যে সঙ্গদোষ, কৌতুহল, পারিবারিক কলহ, ধর্মীয় মূল্যবোধের বিচ্যুতি ও মাদকদ্রব্যের সহজলভ্যতা উ।উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে যুবসমাজই মাদকাসক্তিতে সবচেয়ে বেশি আচ্ছন্ন। বিশ্বব্যাপী মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার এবং চোরাচালানের মাধ্যকে এর ব্যাপক প্রসার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করেছে। ম...

অনুচ্ছেদ : দুর্নীতি / বাংলাদেশে দুর্নীতি

দুর্নীতি / বাংলাদেশে দুর্নীতি দুর্নীতি মানেই সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অন্যায় বা অসৎ উপায় অবলম্বন করা। প্রায় সব সরকারী খাতই এখন এখন বিশাল দুর্নীতির কবলে। এই ক্যান্সারের কারণে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের রিপোর্টে বাংলাদেশ পাঁচবার এই তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে বলে জানা গেছে। নিরবচ্ছিন্ন দুর্নীতি দিন দিন বাড়ছে। মনে হচ্ছে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলার কেউ নেই। এই দুর্নীতির কারণগুলি বিভিন্ন হতে পারে। দুর্নীতির প্রথম কারণটি হ'ল অর্থ এবং সম্পদের তৃষ্ণা, ক্ষমতার জন্য এবং নিজের জন্য। রাজনৈতিক দুর্নীতি সাধারণ মানুষকে দেশপ্রেম থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। কখনও কখনও, দুর্নীতি যৌন সহিংসতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এই শ্রেণীর দুর্নীতিগ্রস্থ মানুষ বুঝতে পারে না যে দুর্নীতি গ্রহণ করে তারা কেবল সমাজকেই নয় তাদের নিজের পরিবারকেও ক্ষতি করে। এটি আমাদের অর্থনীতি, জীবন, রক্ত ​​চুষে ফেলে এবং আমাদের দেশের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি প্রতিহত করে। দুর্নীতিবাজদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আওতায় আনা উচিত। তাদের সম্পদ এবং অর্থ বাজেয়াপ্ত করা উচিত এবং তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া উচিত। সমাজ থেকে এই র...

প্রতিবেদন : স্কুলের ছাত্রাবাসে বিভিন্ন সমস্যা উল্লেখ করে

তোমার স্কুলের ছাত্রাবাসে বিভিন্ন সমস্যার ওপর একটি প্রতিবেদন রচনা করো। ২৭শে মে, ২০২১ বরাবর প্রধান শিক্ষক ভেদরগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ভেদরগঞ্জ, শরীয়তপুর বিষয় : বিদ্যালয়ের ছাত্রাবাস সমস্যা সংক্রান্ত প্রতিবেদন। সূত্র : ভে.পা.উ.বি. ২০২১/১৯ জনাব, আপনার সদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, আপনার স্মারক ভে.পা.উ.বি. ২০২১/১৯-এর প্রেক্ষিতে সরেজমিনে ভেদরগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রাবাস পরিদর্শন করে ছাত্রাবাসের বর্তমান সমস্যা সম্পর্কে প্রতিবেদন উপস্থাপন করছি। সমস্যায় জর্জরিত ভেদরগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রাবাস ১. স্কুল প্রতিষ্ঠার অল্প কিছুদিন পর ছাত্রদের আবাসন সংকট নিরসনের লক্ষ্যে ছাত্রাবাসটি স্থাপিত হয়। কিন্তু বর্তমানে ছাত্রাবাসটির অবস্থা খুবই করুণ। স্কুল উন্নয়ন ও ছাত্রসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে ছাত্রাবাসের উন্নয়ন ও সংস্কার হয়নি। ফলে আবাসান সংকট দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রয়োজনীয় কক্ষ না থাকার ফলে একই কক্ষে ৮/১০ জন ছাত্রকে ডাবলিং করে অবস্থান করতে হচ্ছে। ফলে ছাত্রদের পড়াশোনার পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে। ২. ছাত্রাবাস প্রতিষ্ঠাকালে যেসব আসবাবপত্র তৈরি করা হয়েছিল সেগুলো বহু ব্যবহারে...