Posts

Showing posts with the label Motivation

কর্মস্থলে ভালো থাকার কিছু বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি

প্রতিদিন চাকরিজীবীদের একটি বিশাল সময় কাটে কর্মস্থলে। এটাই তাদের রুটি-রুজির জায়গা। কিন্তু কর্মস্থলে সবাই যে খুব ভালো বা কোয়ালিটি টাইম কাটাতে পারেন, তা নয়। তবুও চাকরিটা করে যেতেই হয়। কারণ, ওই চাকরির বেতনেই যে চলে জীবনের চাকা। কোনো কোনো কর্মস্থলে কর্তৃপক্ষই কর্মীদের ভালো থাকার বা ভালো বোধ করার ব্যবস্থা করে দেয়। কোথাও আবার প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ কম থাকে কিছুটা। তখন আসলে ব্যক্তিগত পর্যায়েই উদ্যোগী হতে হয়। আসুন, তবে জেনে নেওয়া যাক এমনই কিছু ছোট ছোট অভ্যাসের কথা। ১. নিজের খোঁজ নিন শুনতে কি অদ্ভুত লাগছে? যত অবাকই হন না কেন, মনে রাখতে হবে–নিজের খোঁজ আসলে নিজেকেই রাখতে হয়। এ জন্য নিজেকেই জিজ্ঞেস করতে হবে, ‘আছ কেমন? ভালো আছো তো?’ আর এটা করতে হবে প্রতিটি দিনই। যাপিত জীবনে আমরা নিজের সঙ্গে কথা বলার ফুরসতই যেন পাই না। আর এতে সবচেয়ে বড় ক্ষতিটা নিজেরই হয়। এমন নয় যে, নিজেকে করা প্রশ্নের উত্তরেই সব সমাধান মিলবে। তবে নিজ সত্তার সঙ্গে আলোচনাটা অন্তত শুরু হবে। হবে সেলফ কাউন্সেলিংয়ের কাজটিও। এতে নিজের অবস্থা ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে একটা স্পষ্ট ধারণা তৈরি হবে। ২. প্রয়োজন নিয়মিত বিরতি কর্মস্থলে কাজের...

চিন্তা ভাবনাকে আরো বেশি স্বচ্ছ করার কৌশল

Image
একজন মানুষের তার চিন্তা ভাবনার উপর নিয়ন্ত্রণ থাকা খুবই জরুরী একটি বিষয়। চিন্তা ভাবনায় স্বচ্ছতা না থাকলে হয়তো একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ভাল থাকা যায় কিন্তু সেই ভাল থাকাটা দীর্ঘস্থায়ী নয়। তাই চিন্তা ভাবনা কে স্বচ্ছ ও নিয়ন্ত্রণে রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। উদাহরণ হিসাবে বলা যায়; ১) আমরা ছোট বেলায় লুডু খেলায় “ছক্কার” জন্য জোরে জোরে ঝাকি দিয়ে মারতাম, আর “এক” এর জন্য আস্তে আস্তে ঝাকি দিয়ে মারতাম। কেন এরকমটি করতাম আমরা? আচ্ছা জোরে মারলেই কি ছক্কা উঠতো আর আস্তে মারলেই কি এক উঠতো? এটি এক ধরনের বিভ্রান্তি, যাকে বলে Illusion of Control Bias, এ ধরনের Bias এর উপর আমাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই, কিন্তু আমরা জোর করে বিশ্বাস করি ফলাফল আমার পক্ষেই আসবেই। এ ধরনের বিশ্বাসের ফলে মানুষ শুধু টাকা হারায় আর হতাশায় নিমজ্জিত হয়। যেমন, লটারির কিনা, ক্যাসিনোতে গিয়ে জুয়া খেলা ইত্যাদি। Moral : আমাদের ফোকাস করা উচিত ওইসব জিনিসের দিকে যেগুলোর ক্ষেত্রে আমাদের নিয়ন্ত্রণ আছে। ২) অনেক সময় সমাজের দিকে তাকিয়ে বা সমাজে আমাদের গ্রহণ যোগ্যতা বৃদ্ধি করার জন্য জীবনের লক্ষ্য সম্পর্কিত সিদ্ধান্তগুলো নিতে হয়...

ভোকাবুলারি বাড়ানোর কৌশল

কীভাবে বাড়াবেন আপনার Vocabulary? ভাষার প্রয়োগে Vocabulary-র ব্যবহার এবং তা বৃদ্ধির মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে। আপনি যদি শব্দই না জানেন তাহলে ভাষা ব্যবহার করবেন কীভাবে? ভাবের আদান-প্রদান করবেন কীভাবে? আজ আলোচনা করবো কীভাবে আমরা Vocabulary বৃদ্ধি করবো এবং একজন শিক্ষক ক্লাসে ছাত্রছাত্রীদের Vocabulary কীভাবে শেখাবেন। Vocabulary মানে শুধু শব্দ জানা নয়, বাক্যে শব্দের সঠিক ব্যবহারকেও বোঝানো হয়। অনেক শিক্ষক কিংবা অভিভাবক ছাত্রছাত্রীদের বলেন, Dictionary মুখস্থ করে ফেলতে। আসলে শুধু Dictionary মুখস্থ করে ফেললে যে জ্ঞান অর্জিত হবে তা দিয়ে সঠিকভাবে ভাষা ব্যবহার করা যায় না। তাই Vocabulary-র সঠিক কিছু কৌশল এখানে উল্লেখ করা হলো— মনে রাখবেন আপনি যেসব শব্দের শুধু অর্থ জানেন কিন্তু শব্দগুলো ব্যবহার করেন না এ বিষয়টি Passive Vocabulary নামে পরিচিত আর যে শব্দের আপনি অর্থ এবং ব্যবহার জানেন সে বিষয়টি Active Vocabulary নামে পরিচিত। আপনার দরকার Active Vocabulary. কারণ Active Vocabulary- র মাধ্যমেই আপনি communicate করবেন আপনার বাস্তব জীবনে প্...

মন খারাপের ওষুধ

মন খারাপ? কিন্তু কেন? অনেকগুলো কারণ আছে। যেমন.................. আপনার সাথে কখনো এমন হয়েছে— আপনি যাকে মন থেকে খুব করে চাচ্ছেন বিপরীতে সে আপনাকে খুব করে দূরে ঠেলতে চাচ্ছে। আবার ধরুন, আপনার ভালো মানুষটি না–চাইতেও বারবার তার কাছেই খারাপ মানুষটি হয়ে যাচ্ছে। অনেক খারাপ লাগে তখন যখন নিজেকে অবহেলায় দেখতে পান!সাথে যদি একাকিত্ব জুড়ে যায় তাহলে আপনাকে পিনিকে ফেলতে স্রেফ কয়েকটা মুহূর্তে দরকার। কথা হল কেন এমন হয়? নিরাপরাধ মানুষটার যখন হাজারটা শুদ্ধ কারণের বিপরীতে একটা বদগুণ তার সকল শুদ্ধতা অশুদ্ধ করে দেয় কিংবা যার কাছে সবচেয়ে ভালোর এক্সপেকটেশন করেছেন অথচ তার কাছেই সবচেয়ে খারাপের পাত্র বনে গেছেন। কি করবেন এমতাবস্থায়? মাঝেমধ্যে সবারই কষ্ট লাগে যখন দেখে চারপাশে এতো ব্যস্তটার মাঝে নিজের শূন্যতা! তখন নিজের একাকিত্বটা তাকেও কষ্টের সাগরে সাঁতরায়!খুব করে অবচেতন মন তখন চেতন মনের নিজেকে রিড করার মতো আপনজন খোঁজে। আমাদের পৃথিবীটা বড্ড নিষ্ঠুর। এখানে স্বার্থছাড়া কেউ আসেনা। আবার স্বার্থ দিলেও সে আসেনা যাকে আপনি চান। হাজার জনকে নিমিষে মোটিভেট করা ছেলেটাও একটা সময় নিজেকে অসহায়ত্বে আবিষ্কার করে। দুনিয়ার যাবতীয় অশান...

সময়কে আমি নষ্ট করেছি; সময় নষ্ট করছে আমায়

আমরা যারা পড়াশোনা করতেছি অথবা যারা পড়াশোনা শেষ করেছি কিন্তু চাকরী করছি না এই দুই ধরনের মানুষ গুলো যতো সহজে যতটা অবজ্ঞা করে সময় নষ্ট করি পৃথিবীর আর কোনো শ্রেণীর মানুষ সময়কে এতোটা হেয় করে না। প্রকৃতির খুব সুইট একটা রিভেঞ্জ হল: সময়কে নষ্ট করলে একসময় সময়ই তোমায় নষ্ট করবে। আমরা যারা এই দুই শ্রেণীর মধ্যে পড়ি তারা বর্তমানে অফুরন্ত সময় পার করতেছেন কোনো রকম গুরুত্বপূর্ণ কোনো কাজ ছাড়া। এই অগণিত সময়গুলো কি কাজে ব্যয় করলেন কোনো হিসাব রেখেছেন তো! মনে রাখুন— প্রকৃতির এই ধ্বংসলীলা একদিন থেমে যাবে। মানুষ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে। আর এই সুইট মোমেন্টসে গোটা বিশ্বে দক্ষ জনবল নিয়োগের এক বিশাল সুযোগের সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচন হবে। তাই যা গেছে যাক কিন্তু যেটুকু এখনো অবশিষ্ট আছে তা কাজে লাগান। সময়ের কাটা পরিবর্তনের সাথে সাথে নিজেকে বদলাতে থাকুন। এমন সময়ে কি করতে পারেন এমন কিছু আইডিয়া শেয়ার করছি:— ।।এক।। যারা শিক্ষার্থী আছেন তারা সময়গুলো অযথা নষ্ট না করে আপনার ব্যবহৃত সময়কে অর্থবহ করে তুলুন। আপনার পড়াশোনায় বেশি বেশি সময় দিন। পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমে আপনার দক্ষতা বাড়িয়ে ফেলুন। এসবের পাশাপাশি আপনি আপনার ম...

TIRED অর্থ SUCCESS

দোস্ত অনেক টায়ার্ড হয়ে গেছি! সারাদিন অফিস করে ক্লান্ত শরীরে এসব ঝামেলা ভাল্লাগেনা! কাজ আর কাজ উফ! টায়ার্ড হয়ে গেলাম! মামা আজ যেতে পারবো নারে শরীর খুব টায়ার্ড! আমরা কোনো একটা কিছু যখন অনেকক্ষণ ধরে করি তখন কমবেশি সবাই উপরোক্ত কথাগুলো বলে থাকি। 'টায়ার্ড' শব্দটার সাথে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত। শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হল: " Tired " আপনি চাইলে এই একটিমাত্র শব্দ Tired কে আপনার অনুপ্রেরণা বানিয়ে আপনার লাইফের গোল এ্যাচিভ করতে পারেন। শুধুমাত্র এই 'Tired' ফর্মুলা ইউস করেই হতে পারেন একজন সফল মানুষ। কিন্তু কিভাবে— T   I   R   E   D ১। টায়ার্ড শব্দের শুরুটা হয়েছে T দিয়ে। আমরা সবাই কমবেশি T → Technique মানে আপনাকে কৌশলী হতে হবে। আপনার কলাকৌশল বাড়াতে হবে। দেখুন আপনার চারপাশে যারা আছে তারা যা করে আপনিও তাই করেন। তারপরেও দিনশেষে কেউ এক একজন সফল মানুষ হয়। কেউ ফেইলর হয়। কিন্তু কথা হচ্ছে কেন এমন হয়? সবচেয়ে ভালোটি সবচেয়ে ভালো ভাবে কি করে করে। বিজয়ীরা বেশি কিছু করেনা। তারা একই কাজ ভিন্ন ভাবে করে থাকে। দিন বদলে যাচ্ছে। কনসেপ্ট গুলো বদলে যাচ্ছে। তাই আপনার নিজেকেও বদলাতে ...

জীবনে এই চারটি বিষয় নিয়ে কখনো লজ্জা করবেন না

।।এক।। আপনার ব্যবহার করা পোশাকটি। আপনি এখন যে পোশাকটি পড়ে আছেন হতে পারে এটা একদম নতুন কিংবা হতে পারে পুরনো পোশাক। এতে লজ্জা বা গৌরবের কিছু নেই। আপনি পুরাতন পোশাক পড়ে আছেন এতে আপনার অসম্মানের কিছু নেই। আমরা অনেক সময় অনেক গুরুত্বপূর্ণ কোথাও যেতে কিংবা কোথাও বেড়াতে গেলে নতুন পোশাক খুঁজে থাকি। এতে দোষের কিছু নয়। কিন্তু আপনার যদি নতুন পোশাক না থাকে বিপত্তি টা ঘটে তখন-ই। জীবনে কখনো অন্যের ধার করা পোশাক পড়ে কোথাও যাবেন না। পোশাকে অহমিকা তো আহমক করে। আপনি কি আহমকের দলে! আপনার পোশাক নতুন হোক কিংবা পুরনো হোক সেটা বিষয় না। সবসময় পরিস্কার ও পরিচ্ছন্ন পোশাক পড়ুন। একটা ঘটনা আপনার সবাই জানেন তবু বলতেছি। বিখ্যাত বিজ্ঞানী আইনস্টাইন যখন তার আপেক্ষিক তত্ত্বের জন্য বিখ্যাত হয়ে গেলেন এবং এর ব্যাখ্যা করতে দেশের নানা শহরে যেতেন। তখন তিনি তার আটপৌড়ে পোশাকগুলোই পড়তেন। যেগুলো খুব সাধারন আর বাড়িতে পড়ার মতো। এ নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে তার কথা উঠলে তিনি হাসিমুখে বলতেন — 'যেখানে যাচ্ছি সেখানে আমায় কেউ চিনে না তাই আমি কেমন পোশাকে যাচ্ছি সেটা বিষয় না। আবার পরিচিত জায়গায় যাওয়ার সময় সেইম কথাটাই বলতেন। ওখানে আমায় সবাই চিন...

সে ক্লান্তি ছাড়া ঘণ্টার পর ঘণ্টা পড়ে কিভাবে?

পড়াশোনায় মনোযোগ ধরে রাখতে কিংবা অধিক সময় পড়ালেখা করতে সাহায্য নিতে পারেন নিম্নের পন্থাগুলো – ।।এক।। পড়াশোনা করার জন্য প্রথম শর্ত হওয়া উচিত উপযুক্ত জায়গা বাছাই করা। কারণ জায়গা নির্বাচন উপযুক্ত না হলে আপনার পড়ালেখায় মনোযোগ বসবে না। বৈজ্ঞানিক তথ্য মতে — প্রচুর আলো বাতাস পাওয়া যায় এমন জায়গা পড়ার জন্য উপযুক্ত।রতাই পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা আছে এবং বাতাস চলাচল করতে পারে এমন জায়গা পড়ার জন্য উত্তম। পর্যাপ্ত আলো থাকলে চোখের উপর স্ট্রেস কম পড়বে এবং বাতাস আপনার দেহমন প্রফুল্ল রাখবে ফলে শরীর সহজে ক্লান্তিবোধ করবে না। দিনে আলোতে পড়তে চেষ্টা করুন এবং সরাসরি সূর্যের আলোতে কখনো পড়ার চেষ্টা করবেন না। রাতের বেলা পরিমিত আলো ব্যবহার করুন। ।।দুই।। পড়ার সময় আপনার পড়াশোনার জন্য দরকারী জিনিসপত্র সব হাতের কাছে রাখুন। প্রয়োজনে যেন আপনাকে উঠতে না হয় এমন ব্যবস্থা করে রাখুন। কারণ টেবিল থেকে একবার উঠলে আপনার মন কোথায় থেকে কোথায় চলে যাবে আপনি নিজেও জানতে পারবেন না। ।।তিন।। বেশকিছু সময় পড়ার পর হালকা নাস্তা করুন। ইংরেজি তে যাকে 'লাইট ফুড' বলে এমন কিছু খেয়ে নিন। এতে শরীরে এক্সট্রা এনার্জি গেইন হবে। ফলে দেহমনে সহজ...

নিজেকে তৈরি করুন, নিজের জন্য

আমরা যারা পড়াশোনা করি তাদের সবাই একটা লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য সামনে রেখে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছি। আমাদের সবার ভিতর একটা ফিক্সড টার্গেট আছে যেটা এ্যাচিভ করতে চাই। কিন্তু একটা সময় পর দেখা যায় আমাদের ভেতর থেকে বেশিরভাগই তাদের লক্ষ্য থেকে সিটকে পড়ে। কিন্তু কেন এমন হয়— আজ কথা বলবো আমাদের এই যাত্রাপথে কোথায় কোন ভুলের জন্য আমরা আমাদের সেরাটা দিয়ে দেওয়ার পরেও কেন সাকসেস নামক বস্তুকে হাতের মুঠোয় আনতে ব্যর্থ হই। তো চলুন শুরু করা যাক— ।।এক।। আমি ধরে নিচ্ছি আপনি একজন জব হোল্ডার। প্রথমে আপনাকে ধরে নিতে হবে আমি আসলে কোন সেক্টরে জব করতে চাই। অতঃপর আপনাকে সেই জব রিলেটেড কিছু খুঁটিনাটি বিষয়সহ হালকা একটা ধারনা মাথায় রাখতে হবে। আমাদের দেশে প্রায় সকল জব ইন্টারভিউ-তে একটা কমন প্রশ্ন করা হয় 'আপনি কেন এই পোস্টে কাজ করতে চান' কিংবা 'আপনাকে আমরা এই পোস্টে কেন চাকরী দিব' । তো আপনি যদি এই বিষয় সম্পর্কে ধারনা থাকে তো খুব সুন্দর করে তাদের সামনে তা প্রেজেন্টস করতে পারবেন। ।।দুই।। আপনার নিজ সম্পর্কে জানতে হবে। প্রায়ই সব কমবেশি ক্যান্ডিডেট-কে এমন করে বলা হয় 'Introduce yourself' এইখানে গিয়ে অনেকে তা...

মানুষ আপনাকে না! আপনার যোগ্যতাকে ভালোবাসে

জীবনে প্রচুর তৃষ্ণা থাকতে হবে। থাকতে হবে প্রচুর দম। হেরে যাওয়ার মানসিকতা থেকে সরে আসতে হবে। আমি কখনো হারবো না, হয় জিতবো নয়তো শিখবো। মাথায় সেট করে নিতে হবে এমন একটা শক্ত প্রতিজ্ঞা। মনকে অনেক শক্ত করতে হবে। শরীরে শক্তি থাকা চাই যা তোমায় অক্লান্ত পরিশ্রম করতে সাহায্য করবে। যত যাই ঘটুক না কেন! পৃথিবী একদিকে সরে যাচ্ছে! আপনজন কাছে টানছে না! নিজেকে তুচ্ছতার বস্তু মনে হচ্ছে! দেয়ালে পিঠ আটকে গেছে কিংবা বেঁচে থাকার কারণ খুঁজে পাচ্ছো না। 'তুমি' হ্যা — তোমাকে বলছি যাকে ভয় পাচ্ছো। যা তোমার কাছে অসম্ভব মনে হচ্ছে। যা সোনার হরিণ ভেবে ছুঁতেই দুঃসাহসিকতা বলে ভাবছো। নিজেকে ভুলে যাও একমুহূর্ত ভুলে যাও কে তুমি কোথায় থাকো কিংবা তোমার কি আছে। টার্গেট ফিক্সড করো আর সুন্দর একটা গেম প্ল্যান করে লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাও। জীবনের অনেক কিছু তোমার প্রতিকূলে থাকবে। অনেক কিছু পেয়েও যেন না পাওয়ার রেশে রয়ে যাবে। অর্থ-বিত্ত-প্রভাব-সম্মান এসব অমনি কেউ রাতারাতি পেয়ে যায় না। বিলে গেটস কিংবা জ্যাক মা কিংবা জুকারবার্গের কথাই ধরো না কেন। তারা এসব তোমার মতো দিনের আলোয় ঘরে শুয়ে দিবাস্বপ্ন দেখে দেখে পেয়ে যাননি। সমাজে ঠাঁই...

ভাবনা কথন

উচ্চবিত্তের এই শহরে বিত্তবান-কে অনুসরণ করতে মধ্যবিত্ত বিলাসিতা করে নিজেকে গরীব বানিয়ে ফেলে। সুতরাং অহেতুক অহমিকা থেকে বিরত থাকুন। সৃষ্টিকর্তার তৈরি পৃথিবীতে দাম্ভিকতা করা ব্যক্তিকে স্রষ্টা পছন্দ করেন না। ভালোবাসাকে কখনো ক্যারিয়ারের সাথে মেলাবেন না। এতে ভালোবাসা এবং ক্যারিয়ার দুটোই চলে যাবে। আপনার জীবনে যেমন ভালোবাসা দরকার তেমনি আপনার জীবনে ভালোবাসা টিকিয়ে রাখতে আপনার খুব ভাল একটা ক্যারিয়ার দরকার। সুতরাং এই বিষয়টি মাথায় রাখুন। আপনি ভালো নেই এটা কখনোই কাউকে জানাবেন না। কোনো অবস্থাতেই কাউকে বলবেন না। আপনি আপনার অজান্তেই এটার মধ্যদিয়ে অন্যদের কাছে বিনোদন হয়ে যাবেন। একটা কথা মাথায় রাখুন পৃথিবীতে কেউ-ই তার নিজ নিজ অবস্থান থেকে সুখী কিংবা ভাল নেই। মানুষের আত্মতৃপ্তির শেষ নেই সুতরাং গোটা জীবন ধরে অতৃপ্তি রয়ে যাবে। যাকে ভালোবাসি তাকে পেতেই হবে এমন ভাবনা নিয়ে বসবাস করবেন না। এই পেতে চাওয়া আপনাকে স্বার্থপর করে তুলবে। একসময় তা ভালোবাসাকে ছাড়িয়ে যাবে। পৃথিবীর সব সম্পর্কে ভালোবাসা থাকে না কিন্তু তারপরও তা টিকিয়ে থাকে এবং তারা বেশ ভালো থাকে। আপনার চারপাশকে বদলানোর চেয়ে আপনার নিজেকে বদলানো সহজ। সুতরাং...

পড়াশোনায় ভালো করার কিছু বিষয়

পড়তে কার ভাল লাগে? শতকরা ৫ জন ব্যক্তিও বলবে না তার পড়াশোনা করতে দারুণ লাগে। কিন্তু তাই বলে কিন্তু কেউ পড়াশোনা বাদ দিয়ে বসে নেই। জীবনে বড় হতে হলে, সুন্দর পরিপাটি একটা ক্যারিয়ার করতে কিংবা সমাজে সম্মানজনক একটা আসন পেতে হলে আপনাকে অবশ্যই পড়াশোনা করতে হবে। কিছু কিছু কাজ ভালো না লাগলেও করুন। জীবনে আমরা প্রতিদিন যা যা করি সব কি আমাদের ভালো লাগে। নিশ্চয় না! কিন্তু তবু করি। পড়াশোনা কে তেমন একটা ভেবে পড়তে শুরু করুন। আপনি রাতারাতি কিংবা সামান্য পরিশ্রম করে কিছু লাভ করবেন এমনটা কখনো মনে প্রবেশ করতে দিবেন না। পৃথিবীর সবকিছু আপনাকে আপনার স্বীয় চেষ্টা আর অসামান্য পরিশ্রম এবং নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়া মানসিকতা আপনাকে অন্য সবার থেকে এগিয়ে রাখবে এবং আলটিমেটলি একটা ভালো কিছু আপনাকে দিবে। সুতরাং লেগে থাকুন। পৃথিবীতে অর্থ বলেন আর গুরুত্ব বলেন কিংবা ক্ষমতা পেতে হলে আপনাকে হয় পড়াশোনা করতে হবে নয়তো স্রষ্টার পানে চেয়ে থাকতে হবে। মনে রাখবেন আপনি কোনো মহাপুরুষ না ; সুতরাং যত তাড়াতাড়ি নিজেকে শোধরাবেন ততোই দ্রুত আপনার মঙ্গল। নিয়ম করে বেছে বেছে নিজের জন্য কিছু সময় বের করুন যা একান্তই নিজের ভালো কাজে ব্যবহার করবেন। দ...

পরীক্ষায় বেশি নম্বর পাওয়ার কৌশল

Image
আমরা সবাই জানি পরীক্ষার খাতায় ভালো করে লিখলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। ভালো ফল পেতে কোনো ভালো স্টুডেন্ট হতে হয় না। হতে হয় স্মার্ট স্টুডেন্ট, বুদ্ধিমান স্টুডেন্ট। পরীক্ষার হলে যে যত বেশি smart idea ব্যবহার করে এবং যে যত শান্ত ও স্থীর থেকে পরীক্ষা দেয় তার ততই ভালো ফল পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।  নিচে আমি ভালো ফল পাওয়ার কিছু কৌশল নিয়ে আলোচনা করছি। আশাকরি তোমাদের উপকারে আসবে।  কারো কারো প্রশ্নপত্রে তেমন কিছুই কমন পড়ে না, তারপরও সে ভালো রেজাল্ট করে। আবার কারো কারো সব কমন পড়ার পরও সে তেমন ভালো রেজাল্ট করতে পারে না। এর কারণ কি? এর কারণ মেধাবী শিক্ষার্থী আর স্মার্ট পরীক্ষার্থীর পার্থক্য। সুতরাং এসো জেনে নিই স্মার্ট হওয়ার কিছু idea - স্মার্ট পরীক্ষার্থী হওয়ার idea :  পরীক্ষা শুরুর ত্রিশ মিনিট আগে পরীক্ষার হলে পৌঁছতে হবে।  অতিরিক্ত কলম, পেন্সিল, রাবার ও পানি সাথে নিতে হবে।  গরমে ঢিলেঢালা পোশাক ও টিস্যু রাখতে হবে।  অন্যদের সাথে কম কথা বলার চেষ্টা করতে হবে।  পরীক্ষার আগে পেট ভরে না খাওয়াই ভালো।  স্মার্ট উত্তরপত্র তৈরি করার idea :  ...