Posts

Showing posts with the label সংলাপ

জনজীবনের উপর বিজ্ঞাপনের প্রভাব সম্পর্কে দু’বন্ধুর মধ্যে সংলাপ

জনজীবনের উপর বিজ্ঞাপনের প্রভাব সম্পর্কে দু’বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। রাহাত : কী রে, একা একা এখানে বসে কী ভাবছিস? অনিক : তেমন কিছু না। ভাবছি আমরা যে প্রতিদিন টেলিভিশনে, রাস্তাঘাটে এত এত বিজ্ঞাপন দেখি, এতে কতটুকু লাভবান হই। রাহাত : কখনো কখনো লাভবান হই, আবার কখনো তা ক্ষতির শিকারও হই। তবে সবকিছুরই তো খারাপ-ভালো দুটোই দিক থাকে। অনিক : হুম, তা থাকে। কিন্তু তোর কি মনে হয় না বিজ্ঞাপনে কিছু অবান্তর জিনিস দেখানোর কারণে মানুষ বিভ্রান্তির শিকার হয়? বিজ্ঞাপনের কথা বিশ্বাস করে পণ্য কিনে ঠকে যায়? এমনকি ক্ষতিগ্রস্তও হয়। রাহাত : তোর এ কথা নির্দ্বিধায় মেনে নিলাম। কিন্তু বাজারে নতুন কোনো পণ্য এলে বিজ্ঞাপন ছাড়া তুই জানবি কীভাবে? দোকানে গিয়ে জানতে পারাপ আগেই তুই বিজ্ঞাপন থেকে পণ্যের কথা জানতে পারবি। আর এখন তো ইন্টারনেটে সব ধরনের তথ্য পাওয়া যায়। চাইলে সেখান থেকে সন্দেহ দূরও করে নেওয়া যেতে পারে। অনিক : এটা মেনে নিচ্ছি। তবে দ্রব্যের গুণগত মানের তুলনায় বিজ্ঞাপনে অধিক প্রচার মানুষকে বিভ্রান্ত করে। রাহাত : এই কথার সাথে আমি একমত। আবার কিছু কিছু পণ্য আছে যেগুলোর গুণগত মানের তুলনায় বিজ্ঞাপন তেমন নেই। কিন্...

শিশু ও নারীর প্রতি সহিংসতা বিষয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সংলাপ

শিশু ও নারীর প্রতি সহিংসতা বিষয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সংলাপ রচনা কর। অদিতি : স্যার, সামাজিকভাবে আমরা ক্রমশ হীনমম্মন্যতার পরিচয় দিচ্ছি। রাজীব স্যার : সেটা কী রকম? অদিতি : আমরা কেমন দিন দিন নৈতিকতা হারিয়ে সভ্য থেকে ক্রমশ অসভ্য হয়ে যাচ্ছি। পত্র-পত্রিকায়, টেলিভিশনে দেখেন না স্যার, প্রতিদিনই শিশু-হত্যা, অপহরণ, নারী নির্যাতনের ভয়াবহ ঘটনার খবর? রাজীব স্যার : তা তো দেখিই। সাধারণ মানুষ যেন গুটি কয়েক অমানুষের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে। অদিতি : স্যার, এসব দেখে আমার প্রচণ্ড ভয় হয়, কবে কখন কার যে কী হয়। সবসময় কেমন একটা উৎকণ্ঠার মধ্যে থাকতে হয়। রাজীব স্যার : সবাই ভয়ে পিছিয়ে গেলে সমাজ পরিবর্তন করবে কে? ঐ যে গুটি কয়েক অমানুষ। যাদেরকে শতকরা হিসেবে এক ভাগও ধরা যাবে না। অথচ তারাই সমাজকে অস্থির করে তুলছে। অদিতি : তাহলে আমরা কী করতে পারি, স্যার? রাজীব স্যার : এদের বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে। এদের অমানবিক আচরণ ও জঘন্য কাজকে প্রতিহত করতে হবে। তুমি একজন অদিতি সাহস করে সামনে দাঁড়াও। দেখবে তোমার পেছনে হাজারো অদিতি এসে দাঁড়িয়েছে। তখন ঐসব অপরাধী তোমাদের বয়ে পালাতে থাকবে। অদিতি : স্যার, ইদানিং...

বই পড়ার গুরুত্ব সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ

বই পড়ার গুরুত্ব সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। কালাম : কেমন আছিস দোসত্‌? তোর হাতে ওটা কী বই? জালাল : ভালো। তুই? এটা কবি আল মাহমুদের শ্রেষ্ঠ কবিতা। কালাম : হ্যাঁ, ভালো। এক কবি বলেছেন ‘পড়িলে বই আলোকিত হই, না পড়িলে বই অন্ধকারে রই।’ জালাল : কবি ঠিক কথাই বলেছেন। পড়ে পড়েই মানুষ জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হয়। কালাম : আসলেই বই না পড়লে মানুষের দৃষ্টি খোলে না, মনের চোখ ফোটে না। জালাল : মনের চোখ না ফুটলে, মনের দরোজা না খুললে তো সবই অন্ধকার। কালাম : বই পড়েই মানুষ তার হৃদয়কে আলোকিত করতে পারে। দূর করতে পারে সব সংকীর্ণতা। জালাল : সংকীর্ণতামুক্ত আলোকিত মানুষই প্রশংসিত হয় পৃথিবীর বুকে। কালাম : মানুষের সম্মান ও মর্যাদা বাড়ে জ্ঞানচর্চার মধ্য দিয়ে। জালাল : সর্বোপরি মানুষ খুঁজে পায় মুক্তির পথ, কল্যাণের পথ। কালাম : দেশপ্রেম, মানবপ্রেম এবং স্রষ্টার প্রতি ভালোবাসা জন্মে বই পড়ার মধ্য দিয়ে জানতে জানতে। জালাল : বই পড়েই আমরা জানতে পারি আধুনিক বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পর্কে। যা আমাদের জীবনের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় বিষয়। কালাম : শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে আরও ...

সড়ক দুর্ঘটনা বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ

সড়ক দুর্ঘটনা বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। রাকিব : কেমন আছিস বন্ধু? অনেক দিন তোর কোনো খোঁজখবর পাচ্ছি না। রাজিব : আর ভালো থাকা! সড়ক দুর্ঘটনায় আহত মামাকে নিয়ে খুবই ঝামেলায় ছিলাম। রাকিব : কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল? কই কিছুই তো জানি না। রাজিব : কেন পত্র-পত্রিকায় এবং মিডিয়া তো ফলাও করে প্রচার করছে ঢাকা-মাওয়া রুটের দুর্ঘটনার কথা। রাকিব : তা তো প্রতিদিনই দেখি। দেশে প্রতিদিন গড়ে তিনজন করে বছরে এক হাজারের বেশি লোক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায়। পঙ্গু হয়ে বছরে ৫ থেকে ১০ হাজার মানুষ। রাজিব : সেদিন দেখলাম সড়ক দুর্ঘটনার এক মর্মান্তিক দৃশ্য। রাকিব : কিন্তু এ ব্যাপারে আমাদের মধ্যে কোনো ধরনের সচেতনতা বোধ আছে বলে মনে হয় না। রাজিব : কেন? ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলন তো তাদের কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে। রাকিব : তা যাচ্ছে কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনার মূল কারণ ড্রাইভারদের বেপরোয়া গাড়ি চালানো তো থামছে না। রাজিব : এমনকি ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন এবং নির্দিষ্ট স্টপেজ ছাড়া যেখান-সেখান থেকে যাত্রী তোলাও বন্ধ হচ্ছে না। রাকিব : দক্ষতাহীন অপ্রা...

নারী শিক্ষার গুরুত্ব নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ

নারী শিক্ষার গুরুত্ব নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ রচনা কর। [ বসে চা খাচ্ছে দুই বন্ধু আর গল্প করছে। প্রসঙ্গ : নারী-শিক্ষা ] জারিফ : নারীশিক্ষার দরকার নেই, এই অযৌক্তিক কথা কেন বলছ শরীফ? শরিফ : কারণ নারীরা শিক্ষিত হলে তারা অতিরিক্ত চালাক আর বেয়াদ হয়ে যায়। জারিফ : একটা উদাহরণ দাও। শরীফ : কেন, হাবিবের মেয়েটাকে দেখলে না কেমন বাপের মানসম্মান তোয়াক্কা না করে হাসিবের হাত ধরে বেরিয়ে গেল। জারিফ : তারা কি খারাপ আছে? নাকি বাবা-মার খোঁজখবর নেয় না? শরীফ : না, তা নয়। কিন্তু সোহানা কী করল? তার মামার গালে ঠাস করে একটা চড় মারল। জারিফ : কেন মারল সেটা বল। প্রথমত মামা খুব জঘন্য অন্যায় করেছে, আর দ্বিতীয়ত সোহানা ওর মামার চেয়ে বয়সে বড়। কাজেই শাসন করতেই পারে। আচ্ছা, মামা কি তোমার কাছে নালিশ করেছিল? শরীফ : না, তা করেনি। জারিফ : তুমি যে দুজনের কথা বললে তারা তো গ্রাজুয়েট। তারা চাকরি করছে, সংসারের কাজ করছে। আবার বাচ্চাদেরও পড়াচ্ছে। যদি শিক্ষা লাভ না করত তাহলে কি এ দায়িত্ব পালন করে এত ভালো থাকতে পারত? শরীফ : তবুও… জারিফ : আর কোনো ‘তবুও’ নেই। এখন যে কঠিন সময় তাতে নারী-পুরুষ সবাইকে সমান তালে কাজ করতে হবে। না...

বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ

বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। [ আরিফ দৌড়ে হাঁপাতে হাঁপাতে জারিফের কাছে আসে। ] আরিফ : হারিছ মিয়া তার বাড়ির পেছনের বাগানের সব গাছ কেটে ফেলল, এটা কি ঠিক করেছে? জারিফ : সব গাছ কেটে ফেলল মানে! মগের মুল্লুক পেয়েছে নাকি! আরিফ : আমাদের ‘বৃক্ষবান্ধব’ কমিটি কী করল? তারা এটাকে ঠেকাতে পারল না? জারিফ : আমিই তো জানি না। আমরা কমিটির লোকজন পাঁচ গ্রামে ঘুরে মানুষকে বুঝিয়ে প্রতিটি বাড়িতে অন্তত একশ করে গাছ লাগানোর ব্যবস্থা করেছিলাম। পাঁচ বছর পরে তার এই হাল! আরিফ : এখন দেখাদেখি সবাই যদি গাছ কেটে ফেলে তাহলে পরিবেশের কী অবস্থা হবে! আহা রে… এই যে দুই পাড়ে গাছ লাগিয়েছি, এখন কি পাড় ভাঙে? ভাঙে না। ২০ টা পুকুর পাড়ে, রাস্তার দুই ধারে গাছ লাগানো হয়েছে, তাতে যে ভালো হয়েছে লোকজন কি তা দেখে না, বোঝে না? জারিফ : এলাকার রাস্তা-ঘাট ধুলো উড়ত, চলাফেরা করা যেত না। এখন সবুজ ঘাসে ছেয়ে গেছে। অনেক গাছে ফল ধরছে, পাখির আনাগোনা বেড়েছে। গরু-ছাগল এখন ঘাস খেতে পারছে। স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে এসেছে। আরিফ : মানুষের মন-মেজাজও এখন ভালো হয়ে উঠেছে। ‍রুক্ষতা নেই। রাগারাগি, মারামারি, খুনোখুনি নেই। সবু...

একটি পূর্ণিমা রাতের সৌন্দর্য প্রসঙ্গে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ

একটি পূর্ণিমা রাতের সৌন্দর্য প্রসঙ্গে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। আলাল : কেমন আছিস দোস্‌ত? দেখ, এত সুন্দর পূর্ণিমাকে কেন যে সুকান্ত ঝলসানো রুটি বলেছেন বুঝতে পারছি না। দুলাল : কারণ তো কবি বলেই দিয়েছেন। আর আমিও ভালো আছি। আলাল : তা বলেছেন কিন্তু আমার মনে হয় পূর্ণিমা চাঁদ যেন রসমালাইয়ের রসে ভেজা মিষ্টি। দুলাল : তা হতেই পারে। কারণ তুই তো আর কবির মতো ক্ষুধার্ত না। তোর তো পেট ভরা এখন নানান পিঠা-পায়েসে। আলাল : ক্ষুধার্ত নই কিন্তু চোখ তো সৌন্দর্যের ক্ষুধায় কাতর। দুলাল : হ্যাঁ, পেটের ক্ষুধা মিটলেই মনের ক্ষুধার কথা ভেসে ওঠে, মনে তখন পূর্ণিমা রাতকে অপরূপ মায়াবী বলে মনে হয়। আলাল : দেখ না নদীর ঢেউয়ের উপর কেমন আলোর নাচন চলছে। দুলাল : সবই পূর্ণিমার খেলা। মনে হয় পূর্ণিমা তার মায়াবী আলো ঢেলে দিয়েছে নদীর জলে। আলাল : তুই ঠিকই বলেছিস। দেখ গাছের পাতাগুলো পর্যন্ত ঝকমক করে তুলছে। দুলাল : প্রকৃতির এই খেলা সত্যিই অপূর্ব। আলাল : দেখ্‌ দেখ্‌, নারকেল গাছের পাতাগুলো যেন হাতছানি দিয়ে আমাদের ডাকছে। দুলাল : ডাকছে তো অবশ্যই, পূর্ণিমায় ওরা তো মাতোয়ারা আজ, তাই তো নেচে নেচে সবাইকে ডা...

ফেসবুকের ‍সুফল ও কুফল বিষয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ

ফেসবুকের ‍সুফল ও কুফল বিষয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ রচনা কর জামাল : আরে দোস্‌ত, কেমন আছিস? তোকে তো আজকাল দেখাই যায় না। কামাল : আছি ভালো। ঢাকায় বেড়াতে গিয়েছিলাম। তোর খবর কী? জামাল : ভালো। তবে ফেইসবুকের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে গেছি। কামাল : আমারও তো একই অবস্থা। যদিও ফেইসবুক একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। জামাল : কিন্তু এখন তো এটা অসামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হয়ে উঠেছে। কামাল : তা উঠেছে। কিন্তু এ জন্য তো আর ফেইসবুককেই দায়ী করা যায় না। জামাল : দায়ী করছি না, তবে অপব্যবহারের কুফল নিয়ে খুবই চিন্তার মধ্যে আছি। কামাল : আসলে সব প্রযুক্তিরই ভালো-মন্দ দুটো দিক রয়েছে, যা ব্যবহারকারীর ব্যবহারের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। জামাল : ফেইসবুককে অনেকে এখন রাজনীতি চর্চার ক্ষেত্র বানিয়ে একে বিষিয়ে তুলেছে। কামাল : অথচ সামাজিক কল্যাণে ও জনমত গঠনে ফেইসবুক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। জামাল : শিক্ষা-সংস্কৃতি চর্চায় এর গুরুত্বকে আমি খাটো করে দেখছি না তবে বিনোদনের নামে যে অপসংস্কৃতি ও অশালীন পরিবেশ ছড়িয়ে দিচ্ছে তাতে তো তরুণ প্রজন্ম বিপথগামী হচ্ছে। কামাল : তা হচ্ছে, কিন্তু সে ব্যাপারে ফেইসবুক কর্তৃপক্ষও সজাগ রয়েছে। তারা ক...

বাল্যবিবাহ নিরোধের গুরুত্ব সম্পর্কে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে সংলাপ

‘বাল্যবিবাহ নিরোধের গুরুত্ব’ সম্পর্কে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। শিক্ষার্থী : আস্সালামুআলাইকুম স্যার। শিক্ষক : ওয়ালাইকুম আস্সালাম। সবাই ভালো আছ তো? শিক্ষার্থী : জি স্যার, আপনি গত ক্লাসে বলেছিলেন আজকে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় নিয়ে আলাপ করবেন। শিক্ষক : হ্যাঁ। আজকে আমি তোমাদের সাথে বাল্যবিবাহ নিয়ে কথা বলব। তোমরা কি কেউ জানো বাল্যবিবাহ কী? শিক্ষার্থী : পরিণত বয়সের আগে মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দেওয়াকেই বাল্যবিবাহ বলে। শিক্ষক : খুব সুন্দর। এই বাল্যবিবাহ আমাদের সমাজে এখনও প্রচলিত আছে, যা সমাজে খুব নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। শিক্ষার্থী : কীভাবে স্যার? আমাদের আশপাশের অনেকেরই অনেক কম বয়সে বিয়ে হয়ে যাচ্ছে। তাহলে আমাদের উচিত তাদেরকে বাঁচানো। শিক্ষক : অবশ্যই বাঁচানো উচিত। ধরো, কোনো মেয়ে নির্দিষ্ট বয়সের আগে বিয়ে হয়ে গেলে তার ওপর অনেক অপ্রত্যাশিত দায়িত্ব অর্পণ করা হয়, যেগুলোর জন্য সে প্রস্তুত থাকে না। ফলে সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। আবার সে দ্রুত মা হয়ে যাওয়ার ফলে নিজের যেমন শারীরিক ক্ষতি হচ্ছে একইভাবে সে অপরিণত শিশু জন্ম দিচ্ছে।...

নিরাপদ সড়ক চাই বিষয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ

‘নিরাপদ সড়ক চাই’ বিষয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ রচনা কর। সুমন : কী রে বন্ধু কেমন আছিস? ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলন কি থেমে গেল নাকি? সুজন : আছি ভালোই। না রে দোস্ত থামেনি তবে গতি একটু কমে এসেছে আর কি! তোর খবর কী? সুমন : আমার খবর ভালো। কিন্তু পত্রিকায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার সংবাদ পড়ে মনটা ভালো নেই। সুজন : আট জন নিহত! ভাবা যায়? প্রতিদিনই বাড়ছে এই দুর্ঘটনা। সুমন :  হ্যাঁ, এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে দেশে প্রতিদিন গড়ে তিন জন করে বছরে এক হাজারের বেশি লোক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায় এবং পঙ্গু হয় বছরে ৫ থেকে ১০ হাজার লোক। সুজন : সড়ক দুর্ঘটনা কী যে হৃদয়বিদারক ও মর্মান্তিক তা কল্পনাও করা যায় না। সুমন :  ঠিকই বলেছিস। সেদিন নিজের চোখে দেখেছি এক ভয়াবহ দৃশ্য। আমি আর রাজু তো একজনকে টেনে বের করলাম খাদে পড়া বাস থেকে। দেখলাম লোকটার একটা হাত কেটে আলাদা হয়ে গেছে। সুজন : এমন ভয়াবহ দৃশ্য প্রতিদিন কাউকে না কাউকে দেখতে হচ্ছে। সুমন :  হ্যাঁ। এর ফলে আমরা হারাচ্ছি আত্মীয়স্বজন, মেধাবী মুখ, প্রিয় মানুষকে। কিন্তু আমরা এই দুর্ঘটনা রোধে সচেষ্ট নই। সুজন : সড়ক দুর্ঘটনায় অকাল মৃত্যু বড় অস্বাভাবিক এবং খুবই বেদনাদা...

বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের সাম্প্রতিক প্রবণতা বিষয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ

বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের সাম্প্রতিক প্রবণতা বিষয়ে দুই বন্ধুর কথোপকথন তৈরি করো। রাশেদ : কী অসহ্য গরম পড়েছে দেখেছ? শাহীন : হ্যা, মনে হচ্ছে চামড়া পুড়ে যাবে। রাশেদ : আগে তো এমন ছিল না। এখন দেখছি গ্রীষ্মের আগেই অসহ্য গরম শুরু হয়ে যায়। শাহীন : কারণ টা বলতে পারবে? রাশেদ : কারণ তো একটাই, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি। শাহীন : কিন্তু দিন দিন পৃথিবী এত উষ্ণ হচ্ছে কেন? রাশেদ : অক্সিজেনের মাত্রা হ্রাস ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের মাত্রা বৃদ্ধি – এটাই উষ্ণতা বাড়ার মূল কারণ। শাহীন : আচ্ছা, কেন এমন হচ্ছে বলো তো? রাশেদ : পৃথিবীর কলকারখানাসহ যানবাহনের ধোয়া ও বৃক্ষ নিধনের ফলে অক্সিজেন কমছে। শাহীন : আর কার্বন ডাইঅক্সাইড? রাশেদ : অক্সিজেন কমলে স্বভাবতই কার্বন ডাইঅক্সাইড বাড়বে। আর কার্বন ডাইঅক্সাইড বাড়লে তাপমাত্রাও বাড়বে। শাহীন : এর ফলে পৃথিবীর অনেক ক্ষতি হতে পারে, তাই না। রাশেদ : অবশ্যই। উষ্ণতা বাড়লে মেরু অঞ্চলের বরফ গলবে। আর বরফ গললে সাগরের পানির পরিমাণও বেড়ে যাবে।বাংলাদেশের ...

সাম্প্রতিক বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে পিতাপুত্রের মধ্যে সংলাপ

সাম্প্রতিক বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে পিতাপুত্রের কথোপকথন রচনা করো । পুত্র : বাবা, T20 বিশ্বকাপে বাংলাদেশের খেলা কি দেখেছ? বাবা : হ্যা, দেখেছি। বাংলাদেশ তো এবারও সেমিফাইনাল খেলতে পারল না। বাংলাদেশ ক্রিকেট খেলতেই পারে না। পুত্র : না বাবা, বাংলাদেশ এখন অনেক ভালো ক্রিকেট খেলছে। একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম। বাবা : কিছু ম্যাচে যে এভাবে কাছাকাছি গিয়েও হারল তা তুই কীভাবে ব্যাখ্যা করবি। পুত্র : কিছু ম্যাচ হেরেছে বলে তুমি তাদের খারাপ বলবে? তামিম ইকবাল এক ম্যাচে ১০৩ করেছে যা এই বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রান। নবাগত সাব্বির রহমানের খেলাও ছিল দেখার মতো। তাছাড়া নতুন দল হিসেবে প্রতিটি দলকেই চাপে ফেলেছে বাংলাদেশ। কিন্তু সৌম্য, মুশফিক ও সাকিব তাদের সেরাটা দিতে পারেনি। বাবা : হ্যা, তোর কথা মানলাম। কিন্তু খেলোয়াড়দের মধ্যে চঞ্চলতা বেশি কাজ করে। স্থির মস্তিষ্কে সুন্দরভাবে খেলার প্রবণতা তাদের মধ্যে দেখা যায় না। পুত্র : মানসিক শক্তি বাড়ানোর জন্য কাজ করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। বাবা : এখন আমাদের ক্রিকেট ব...

সাম্প্রতিক ক্রিকেট নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ

সাম্প্রতিক ক্রিকেট নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো। রাহেল : দোস্ত, বাংলাদেশ কি খেলাড়া খেলতাছে; একবার ভাব! রাজিব : তুই ঠিকই বলেছিস; সত্যিই বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু শুধু দেশের মাটিতে ভালো খেললে তো হবে না, বিদেশেও ভালো খেলতে হবে। রাহেল : এইডা তুই কি কইলি দোস্ত? গত বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ তো অনেক ভালো খেলছে। রাজিব : তা ঠিক, ইংল্যান্ডের মতো বড় দলকে হারিয়ে বাংলাদেশ কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে। রাহেল : আর এবারের এশিয়া কাপে কি হইল তুই ক? রাজিব : হুঁ, যদিও খেলাটা দেশের মাটিতে হয়েছে তবুও বাংলাদেশের পারফরমেন্স ছিল দুর্দান্ত। রাহেল : পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কারে তো নাকানি-চুবানি খাওয়াইছে বাংলাদেশ; ভারতরেও কিন্তু বহুত কষ্ট করতে হইছে জিততে। রাজিব : ঠিকই বলেছিস; দিন দিন বাংলাদেশের ক্রিকেট কিন্তু বিশ্বমানের হচ্ছে । রাহেল : হু, আমাগো সাকিব তো কত্তদিন এক নাম্বার অলরাউন্ডার ছিল। রাজিব : সত্যিই সাকিব আমাদের গর্ব, তবে ওকে আরো পেশাদার হতে হবে। আমাদের নতুন ক্রিকেটাররা ওকে দেখেই শিখবে । রাহেল : আর মুস্তাফ...

সংস্কৃতি ও অপসংস্কৃতি নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ

সংস্কৃতি ও অপসংস্কৃতি নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ। সীমা : জানিস, মা-বাবার সঙ্গে এখন আর টিভি দেখা যায় না। শান্ত : কেন, কী হয়েছে? সীমা : আর বলিস না, যা সব দেখায় টিভিতে একবারে সেন্সর নেই। শান্ত : বুঝেছি, তুই বাইরের চ্যানেলগুলোর কথা বলছিস; তো সেগুলো না দেখলেই তো পারিস। সীমা : ধ্যাত, কী যে বলিস না, কত সুন্দর সুন্দর অনুষ্ঠান হয় চ্যানেলগুলোতে। শান্ত : তোর কথা একেবারে ফেলে দেয়া যায় না, কিন্তু আমাদের দেশের চ্যানেলগুলোতেও কিন্তু অনেক ভালো অনুষ্ঠান হয়। সীমা : দূর, এখানকার আর্টিস্টরা সব সেকেলে পোশাক আর মেকআপে অভিনয় করে। শান্ত : বিষয়টা তা নয়, ওগুলো আমাদের দেশীয় সংস্কৃতির সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ; তাছাড়া সেগুলো দেখতেও বেশ ভালো । সীমা : তা ঠিক, কিন্তু আমাদের বয়সি ছেলেমেয়েরা ওগুলো ফলো করে না। তুই আমি কি করেছি, বল? শান্ত : আমরাও আসলে পারিনি, কিন্তু আমাদের দেশের শিল্প-সাহিত্য, নাটক, সিনেমা, গান সত্যিই খুব ভালো রে। সীমা : মাও তাই বলে, কিন্তু আমরা চাইলেই কি আমাদের মধ্য থেকে অপসংস্কৃতি দূর করতে পারব বল? শান্ত : হয়ত...

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ে দুই সহকর্মীর মধ্যে সংলাপ

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ে দুই সহকর্মীর মধ্যে সংলাপ রচনা করো। সিরাজ : ভাই, বাজারের অবস্থা কী বলেন তো? জাফর : কী আর বলব ভাই, সব জিনিসের দাম চোখের পলকে বেড়ে যাচ্ছে। সিরাজ : তাই নাকি! বাজারে শাকসবজি, মাছের কি আমদানি কমে গেছে? জাফর : তা একেবারে কম নেই, কিন্তু দাম প্রায় নাগালের বাইরে চলে গেছে। সিরাজ : সারা দেশ থেকে ঢাকায় মাছ, শাকসবজিসহ অন্যান্য জিনিসের আমদানি হয়। কৃষকরা কম লাভে শাকসবজিসহ অন্য জিনিসগুলো বিক্রি করলেও আমাদের তা বেশি টাকায় কিনতে হয়। জাফর : আসলে আমাদের অতিলোভী মানসিকতাই এর জন্য দায়ী। তা ছাড়া ভেজাল মেশানোর প্রবণতা তো আছেই । সিরাজ : দ্রব্যমূল্যের দাম এভাবে বাড়লে তো ভাই মধ্যবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত বা গরিব মানুষ ভয়াবহ অবস্থার পড়বে। জাফর : দেখুন, সরকারের চেষ্টা আছে বাজারে জিনিসের দাম স্থিতিশীল রাখার। এ কারণে তারা স্বল্প মূল্যে বাজারে চাল, তেল, ডাল, ময়দা, চিনি বিক্রি করছে। তাতে কিন্তু গরিব মানুষের একটু হলেও উপকার হচ্ছে। সিরাজ : হ্যা, তা হচ্ছে; তবে অসাধু কিছু মানুষ সেখানেও ঝামেলা করার চেষ্টা করছে। ফলে সেখানেও সাধ...

ভবিষৎ জীবনের উদ্দেশ্য নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ

ভবিষৎ জীবনের উদ্দেশ্য নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ তুলে ধরো। সাগর : দোস্ত, তোর পড়ালেখার কী খবর? আকাশ : মনমতো হচ্ছে না রে। সাগর : বাসায় কোনো সমস্যা দোস্ত? আকাশ : না, সমস্যা তো নিজের মধ্যে একগাদা। সাগর : কেন, তোর আবার কী সমস্যা? আকাশ : ভবিষৎ জীবন কেমন হবে কখনো ভেবে দেখেছিস? সাগর : আকাশের ভবিষৎ তো দিনে বেশি চকচকা আর রাতে একটু কম চকচকা। আকাশ : ইয়ার্কি করিস না, বিষয়টা কিন্তু আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। সাগর : তুই এত ভালো ছাত্র, তারপরও এত ভাবিস কেন? ভাবার কথা তো আমাদের। আকাশ : তোর আবার ভাবনা আছে নাকি? পড়াশোনা শেষ করে বাবার ব্যবসায় বসে যাবি। সাগর : আমরা তিন ভাই; তার মধ্যে বড় ভাই বাবার সঙ্গে ব্যবসা করছে। আমার ওদিকে কোনো আগ্রহ নেই। আকাশ : আগ্রহ নেই কেন? ব্যবসা কী খারাপ জিনিস নাকি? সাগর : খারাপ হবে কেন! আমিও ব্যবসাই করতে চাই, তবে একটু অন্য রকমের। আকাশ : কী রকমের? সাগর : ই-বিজনেস? মানে অনলাইনে। আকাশ : জানিস, আমারও ই-বিজনেসের আগ্রহ আছে। কিন্তু টাকা পাব কোথায়? সাগর : দোস্ত, টাকার চিন্তা করিস না, ওই দ...

কোচিং বাণিজ্য নিয়ে দুজন শিক্ষার্থীর মধ্যে সংলাপ

কোচিং বাণিজ্য নিয়ে দুজন শিক্ষার্থীর কথোপকথন রচনা করো। অর্ক : কেমন আছিস বল? হাতে এত কাগজপত্র কীসের? অহনা : ভালো নেই; আর হাতে যা দেখছিস সব কোচিং-এর নোট। অর্ক : কত টাকা লাগল এগুলো নিতে? অহনা : ২৫০০ দিয়েছি, আরো ৫০০ লাগবে। অর্ক : কোচিং সেন্টারগুলো টাকা ছাড়া কিছুই বোঝে না! অহনা : কী করব বল, না দিয়ে উপায় নেই। কারণ আমাদের পড়াশোনা এখন কোচিং নির্ভরই হয়ে গেছে। অর্ক : সে চান্সটাই ওরা নিচ্ছে। নোট ধরিয়ে দিচ্ছে আর একগাদা টাকা নিয়ে নিচ্ছে। অহনা : ক্লাসের ওই অল্প সময়ে ভালোমতো কিছুই বুঝি না; তাই বাধ্য হয়ে কোচিং-এ যাই। অর্ক : কিন্তু কোচিং-এ এখন নামেমাত্র পড়াশোনা হয়। তার বদলে ওরা যে ফিস নেয় তা রীতিমতো বাণিজ্য! অহনা : উপায় কী বল? কোচিং-এ না গেলেও নানারকম সমস্যা। অর্ক : বিভিন্ন কোচিং-এর বিভিন্ন নিয়ম। আর এই নিয়মের মধ্যে ফেলে আমাদের কাছ থেকে একগাদা টাকা আদায় করে নিচ্ছে। অহনা : ক্লাস লেকচার, নোট, দৈনিক পরীক্ষার ফি, সাপ্তাহিক পরীক্ষার ফি, মাসিক পরীক্ষার ফি— শুধু টাকা আর টাকা! অর্ক : শুধু তাই বল, ...

সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংলাপ

সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে কথোপকথন রচনা করো। সুমন, শম্পা, রিংকু, রিনি : স্যার কেমন আছেন? শফিক স্যার : ভালো আছি, তোমরা কেমন আছ? সুমন : আমরা ভালো আছি স্যার। আপনি কী একটা বলবেন বলছিলেন? শফিক স্যার : হ্যা, ভাষা নিয়ে তোমাদের সঙ্গে একটু কথা বলা দরকার। শম্পা : সামনে তো ফেব্রুয়ারি মাস স্যার। শফিক স্যার : হ্যা, ফেব্রুয়ারি এলেই ভাষার কথা মনে হয় আমাদের। কিন্তু ভাষাটা শুধু ফেব্রুয়ারি মাসের ব্যাপার নয়, সারা বছরই এর চর্চা করতে হয়। রিংকু : আসলে স্যার আমরা সারা বছর ভাষার দিক খেয়ালই করি না। শফিক স্যার : এ কারণেই চারদিকে বাংলা ভাষার এত দুরবস্থা ৷ রিনি : টিভিতে অনেকেই বলেন ‘সর্বস্তরে’ বাংলা ভাষার প্রচলন করতে হবে। এটা আসলে কী স্যার? শফিক স্যার : এ কথার মানে হলো আমাদের জীবনের প্রতিক্ষেত্রে শুদ্ধভাবে বাংলা ভাষার ব্যবহার বাড়ানো বা চর্চা করা বলতে পারো। সুমন : কিন্তু স্যার রাস্তায় বেরোলেই আমারা ইংরেজি শব্দের ব্যবহার দেখি। প্রায় সব জায়গাতেই ইংরেজি ব্যবহার করার চেষ্টা করা হয়। ...

মায়েদের ভারতীয় টিভি সিরিয়ালে আসক্তি নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ

মায়েদের ভারতীয় টিভি সিরিয়ালে আসক্তি নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো। সেতু : কী হয়েছে তোর? শাওন : মেজাজ খারাপ, কথা বলিস না। সেতু : মেজাজ খারাপ কেন? বাসায় ঝামেলা করেছিস? শাওন : সত্যি, মাকে নিয়ে আর পারা যায় না। সেতু : কেন? চাচি আবার কী করেছে? শাওন : মায়ের জন্য টিভিতে কিচ্ছু দেখা যায় না, সারাক্ষণ সে ভারতীয় টিভি সিরিয়াল দেখে। সেতু : আমাদের বাড়িতেও ওই একই সমস্যা। বাবা তো এ নিয়ে ভীষণ রাগারাগি করে; কিন্তু মাকে কিছুতেই থামানো যায় না। একটার পর একটা সিরিয়াল দেখতে থাকে। শাওন : শুধু দেখলেও তো হতো; মা এখন রীতিমতো সিরিয়ালে আসক্ত। সিরিয়ালের ঘটনাই তার কাছে সবচেয়ে জরুরী বিষয়। সেতু : আমার মাও তাই রে; কেউ বাড়িতে এলে অন্য কোনো গল্প করে না। শুধু সিরিয়ালের গল্প করে। শাওন : এই সিরিয়ালগুলো কিন্তু আমাদের সংসারে অশান্তি আনছে; অনেক সহজ বিষয়ও জটিল করে দিচ্ছে। সেতু : আমাদের চিন্তার নেতিবাচক পরিবর্তন হচ্ছে। শাওন : অথচ আমাদের দেশের নাটকগুলোতে সংসারের এত জটিলতা দেখায় না। বরং বিনোদনের দিকে বেশি গুরু...

শিক্ষাসফর প্রসঙ্গে দুই বন্ধুর সংলাপ

শিক্ষাসফর প্রসঙ্গে দুই বন্ধুর সংলাপ রচনা করো। তুলি : তোর শিক্ষাসফরের প্রস্তুতি কেমন? তুহিন : চলছে; তোর খবর কী? তুলি : আমি কী কী করব তা ভেবে রেখেছি। তুহিন : কী করবি? তুলি : যেহেতু পাহাড়ি এলাকা; পাহাড়ে চড়ব, প্রচুর ছবি তুলব, রাতে বারবিকিউ-র কথা ভেবেছি। তুহিন : বাহ! তুই তো একাই সব করে ফেলবি দেখছি। তুলি : আরে না, সবাই মিলেই করব; সবার কথাই ভেবেছি। তুহিন : স্যারকে জানিয়েছিস? তুলি : সমস্যা তো সেখানেই; স্যারকে কীভাবে বলা যায় সেটাই ভাবছি। তুহিন : আমার মনে হয় সরাসরি বলে দেয়াই ভালো। তুলি : কিন্তু স্যারের অন্য কোনো পরিকল্পনাও তো থাকতে পারে। তুহিন : ঠিকই বলেছিস, স্যারের কথাগুলো আগে শুনতে হবে। তুলি : এই আবিদ, এদিকে শোন। তুহিন : তাহলে আমি আরো কজনকে ডাকি। সবাই মিলে কথা বললে কাজ হবে। তুলি : কমনরুমে মেয়েদের পাওয়া যেতে পারে। আমি ওদের ডাকছি। তুহিন : তাহলে আমি মাঠের দিকে যাই; ওদিকে ছেলেদের পাওয়া যাবে। তুলি : সবাই মিলে কিন্তু একসঙ্গে স্যারকে বলব। তুহিন : আচ্ছা; ঠিক আছে।