Posts

Showing posts from October, 2019

হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান ধর্মে তালাক বা বিবাহবিচ্ছেদের পদ্ধতি

হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান ধর্মে তালাক বা বিবাহবিচ্ছেদের পদ্ধতি  মুসলিম আইনে তালাক তালাক শব্দটি এসেছে আরবি ভাষা থেকে যার আভিধানিক অর্থ খুলে দেওয়া, ছেড়ে দেওয়া, বিবাহ বন্ধন ছিন্ন করা। তালাক বলতে আমরা বুঝি আইনসংগত বিবাহ-বিচ্ছেদ। মুসলিম আইনের বিধান মতে, তালাক স্বাশী-স্ত্রীর একটি বৈধ ও স্বীকৃত অধিকার যখন স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, দুইজনের পক্ষে একত্রে বসবাস করা সম্ভব হয় না তখন যে কোনো পক্ষ থেকে বা উভয়ে কিছু নির্দিষ্ট আইনগত উপায়ে তালাকের মাধ্যমে তাদের এই সম্পর্ক ছিন্ন করতে পারেন।  ইসলামী পরিভাষায় তালাক তিন প্রকার। যথা-  ১। তালাকে রাজঈ,  ২। তালাকে বায়িন,  ৩। তালাকে মুগাল্লাযা  মুসলিম আইন অনুযায়ী তালাক ও তালাকের পদ্ধতি : আইনের বিধানমতে তালাক দেওয়ার ক্ষমতা বা অধিকার স্বামী ও স্ত্রীর সমান নয়। স্বামীর এক্ষেত্রে প্রায় একচ্ছত্র ক্ষমতা রয়েছে। স্বামী বা স্ত্রী যে কোনো এক জনের ইচ্ছেতে কিছু আইনগত শর্ত পূরণের মাধ্যমে তালাক হতে পারে। মুসলিম আইন অনুযায়ী নিম্নলিখিত ভাবে তালাক দেওয়া যায় :  স্বামীর পক্ষ থেকে তালাক ...

প্রবন্ধ রচনা : বাংলাদেশের লোকশিল্প

ভূমিকা : প্রাচীন কাল থেকেই বাঙালিরা মৌসুমী কাজের অবসরের ফাঁকে ফাঁকে হরেক রকমের কারুশিল্প সৃষ্টি করতো। এগুলোর মধ্যে সুচি শিল্প, তাঁত শিল্প, নকশিকাঁথা ও মসলিন বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। গৃহিণীরা কাজের বিশ্রামে নকশিকাঁথা কিংবা নানারূপ কারুময় শিল্পকলা অনায়াসে সৃষ্টি করে ফেলতো। এসবের সুনাম বহুকাল আগেই বিদেশেও ছড়িয়েছে। আমাদের লোকশিল্প আমাদের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের পরিচায়ক।  লোকশিল্পের পরিচয় : লোকশিল্প সাধারণ লোকের জন্য সাধারণ লোকের সৃষ্টি। এর পরিধি এত ব্যাপক ও প্রকৃতি এত বিচিত্র যে, এক কথায় এর সংজ্ঞা নিরূপণ করা যায় না। অগাস্ট প্যানিয়েলা (August Panella) বলেন, লোকশিল্পের কেবল ‘শিল্প’ শব্দ বোঝা কঠিন নয়, ‘লোক’ শব্দও সমান সমস্যাপূর্ণ। তাঁর ভাষায়, ‘In the expression ‘Folk art’ it is not only the word ‘art’ that is difficult to understand, the word ‘Folk’ is equally problematic.’ বিশেষজ্ঞরা লোকশিল্পের সংজ্ঞা এড়িয়ে যান এ বলে যে, দেখলেই তাকে চেনা যাবে। ‘Know it when you see it. Material will define itself if one would allow it to so.’  সবচেয়ে সহজলভ্য উপাদান মাটি থেকে আরম্ভ করে কাঠ, বাঁশ, ...

সাধারণ জ্ঞান : ডাটাবেজ

ডাটাবেজ কম্পিউটারকে জন্ম থেকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে – ডাটাবেজ। ডাটাবেজ সফ্টওয়্যার নিচের কোনটি? – মাইক্রোসফ্ট এক্সেস। ডাটাবেজ অর্থ হল – তথ্যবিন্যাস। Datum শব্দের বহুবচন কোনটি? – Data Data(ডাটা) শব্দটি কোন শব্দের বহুবচন? – Datum কম্পিউটারকে কোন কাজের জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়? – ডাটাবেজ। কম্পিউটার কীভাবে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করে? – নির্দেশ অনুযায়ী। কম্পিউটারের সনাতন প্রয়োগ হল – ডাটাবেজ। কোনটি কম্পিউটারের কাঁচামাল? – তথ্য। কম্পিউটারের ভাষায় তথ্য কী? – কাঁচামাল। রিলেশনাল ডাটাবেজে সর্বনিম্ন ফাইলের সংখ্যা – দুটি। ডট প্রম্পট পরিবেশ থেকে মেনু চালিত পরিবেশে যাওয়ার জন্য টাইপ করতে হয় – CHANGE 8 কম্পিউটার যা নিয়ে কাজ করে তার সর্বনিম্ন একককে বলে – উপাত্ত। RDBMS-এর পূর্ণরূপ নিচের কোনটি? – Relational Database Management System টেবিল হচ্ছে ডাটাবেজের – প্রাণ। কোনটি অবটেক্ট? – টেবিল, রেকর্ড, ফিল্ড। রেকর্ড হল কিছু ----- এর সমষ্টি।  –   ফিল্ড। কম্পিউটারের নিকট প্রতিটি তথ্যই একেকটি – রেকর্ড। নিচের কোনটি ছাড়া ডাটাবেজ সক্রিয় হয় না? – ফিল্ড। ডা...

সাধারণ জ্ঞান : স্প্রেডশিট এ্যানালাইসিস

স্প্রেডশিট এ্যানালাইসিস কলাম ও সারির প্রত্যেকটি উপাদানকে কি বলা হয়? – সেল। এক্সেলের কলাম ও সারির প্রত্যেকটি উপাদানকে বলে – সেল। কম্পিউটারে হিসাবনিকাশ করার সাধারণ প্রোগ্রাম কোনটি? – স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম। বিভিন্ন সেলের উপাত্তের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক তৈরি করা যায় কোনটিতে? – স্প্রেডসিট প্রোগ্রাম। বস্তুত কত সালে মেকিনটোশ কম্পিউটার জন্ম নেয়? – ১৯৮৫ সালে। কম্পিউটারের হিসাবনিকাশ করার সাধারণ প্রোগ্রাম কী? – স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম। Spreadsheet হল – গণনাকারী প্রোগ্রাম। শুধু পরিবর্তিত সংখ্যাগুলো টাইপ করে দিলে সম্পূর্ণ হিসাব আপনাআপনি পুনবিন্যস্ত হয়ে যাবে কিসের মাধ্যমে? – স্প্রেডশিটে। মেকিনটোশ সিস্টেমে জনপ্রিয় স্প্রেডসিট কোনটি? – এক্সেল। মেকিনটোশ পার্সোনাল কম্পিউটারের প্রধান স্প্রিডসিট প্রোগ্রাম কোনটি? – মাইক্রোসফট এক্সেল। নিচের কোন্‌টি মেকিনটোশ এবং উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম?  –   Excel. মাইক্রোসফ্ট কোম্পানি মেকিনটোশ কম্পিউটারের জন্য এক্সেল স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম তৈরি করে - / কত সালে মাইক্রোসফ্ট কোম্পানি মেকিনটোশের জন্...

সাধারণ জ্ঞান : আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ বাংলা ভাষাকে দেশের দ্বিতীয় ভাষায় মর্যাদা দিয়েছে – সিয়েরালিওন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৫ জন সদস্য কোথায় বিমান দুর্ঘটনায় শহীদ হন? – বেনিনে। সাম্প্রতিককালে জাতিসংঘের যে সংস্থায় বাংলাদেশ নির্বাচিত হয়েছে – জাতিসংঘ মানবাধিকার সংস্থা। বাংলাদেশ কোন বছর কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করে? – ১৯৭২ সালে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশ সশস্ত্র বর্তমানে কয়টি দেশে কর্মরত রয়েছে? – ১১টি দেশ। পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি কখন স্বাক্ষরিত হয়? – ২ ডিসেম্বর ‘৯৭। জাতিসংঘের কোন সংস্থায় বাংলাদেশ সর্বোচ্চ পদ পেয়েছে? – এসকাপ। গঙ্গার পানি বণ্টন সংক্রান্ত প্রথম চুক্তি হয় কত সালে? – ১৯৭৭ সালে। কত সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে? – ১৯৭৪ সালে। বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের প্রথম বৈঠক কোথায় অনুষ্ঠিত হয়? – ফ্রান্স। কোন আন্তর্জাতিক সংস্থা ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে? – UNESCO বাংলাদেশ প্রথম কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে? – কমনওয়েলথ। বাংলাদেশ কমনওয়েলথ-এর সদস্য পদ লাভ করে কত সালে? – ১৮ এপ্রিল ১৯৭২। বাংলাদেশ কমনওয়েলথে...

সাধারণ জ্ঞান : বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা কবে গৃহীত হয়? – ১৭ জানুয়াররি ১৯৭২। কোনো রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের কত চরণ বাজানো হয়? – প্রথম ৪টি। ১৯ মে ২০১২ তারিখে কোন বাংলাদেশী এভারেস্ট জয় করেন? – নিশাত মজুমদার। বাংলাদেশের রণ সঙ্গীতের রচয়িতা কে? – কাজী নজরুল ইসলাম। আমার ভইয়ের রক্তে রাঙানো ------ গানটির সুরকার – আলতাফ মাহমুদ। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয় কবে? – ২ মার্চ, ১৯৭১। বাংলাদেশে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস কবে? – ১৪ ডিসেম্বর। বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক ও পতাকা জাতীয় পতাকার নকশা প্রথম তৈরি করেন কে? – শিব নারায়ণ দাস। (শিব নারায়ণ দাস এবং ইউসুফ সালাউদ্দিনকে সঙ্গে নিয়ে সানাউল হক ইনু প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শেরে বাংলা হলের ৪০১নং রুমে এ নকশা তৈরি করেন)। বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে? – কামরুল হাসান। বাংলাদেশের মানচিত্র প্রথম কে আঁকেন? – মেজর জেমস রেনেল। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয় কবে? – ২ মার্চ, ১৯৭১। (ঢাবির বটতলায় আ.স.ম আব্দুর রব উত্তোলন করেন) (পতাকা দিবস – ২ মার্চ)। জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন...

সাধারণ জ্ঞান : ওয়ার্ড প্রসেসিং

ওয়ার্ড প্রসেসিং শব্দের অর্থ কি? / ওয়ার্ড প্রসেসিং শব্দটির অর্থ – শব্দ প্রক্রিয়াকরণ। কম্পিউটার আবিষ্কারের পূর্বে অফিস-আদালতের চিঠিপত্র, প্রতিবেদন ইত্যাদির কাজ করা হতো – টাইপরাইটারের সাহায্যে। টাইপরাইটারে কালির বদলে কি ব্যবহার করা হয়? – রিবন। রিবন ব্যবহৃত হয় – টাইপরাইটারে। টাইপরাইটারের অক্ষরের মান আমাদের হাতের লেখার চেয়ে – উন্নত, সহজপাঠ্য ও সুন্দর। মেমোরি ও একাধিক ফন্ট ব্যবহারের সুবিধা নিয়ে তৈরি হয় – ওয়ার্ড প্রসেসর। ওয়ার্ড প্রসেসিং শব্দটির কয়টি অংশ? – ২টি। কম্পিউটারে টাইপ করার পদ্ধতি বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়ার্ডপ্রসেসিং প্রোগ্রাম হচ্ছে – MS Word. কম্পিউটারে লেখালেখির জন্য কি ব্যবহার করা হয়? – কী-বোর্ড কী-বোর্ডে কতকগুলো ফাংশন কী আছে? – ১২টি। আইবিএম পার্সোনাল কম্পিউটারের কী-বোর্ডের উপরের দিকে এক সারিতে কয়টি ফাংশন কী আছে? / কী-বোর্ডে ফাংশন কী এর সংখ্যা কত? / ফাংশন-কী কয়টি? – ১২টি। ফাংশন-কী নির্দেশক চিহ্ন কোনগুলো? – (F1-F12) শিফ্ট বোতাম চেপে বাংলা কোন্ বর্ণ টাইপ করা যায়? – মহাপ্রাণ বর্ণ। কোনটি ফাংশন কী (Function Key)? – F5 আইবিএম কম্পিউটারে যখন শুধুমাত্...

সাধারণ জ্ঞান : সংখ্যা পদ্ধতি ও কম্পিউটার লজিক

Image
সংখ্যা পদ্ধতি সংখ্যা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে বলে - সংখ্যা পদ্ধতি। সংখ্যা নির্বাচনের পদ্ধতিকে বলা হয় - সংখ্যা পদ্ধতি। প্রাচীনকালের মানুষ সংখ্যার কাজ করত - হাতের আঙুলের সাহায্যে। প্রাচীন কালের মানুষ গণনার জন্য ব্যবহার করত - ২ ধরনের পদ্ধতি। ছোট সংখ্যার জন্য ব্যাবিলনীয়রা ব্যবহার করত - ১০-ভিত্তিক সংখ্যা। প্রাচীন ব্যাবিলনের মানুষ বড় সংখ্যা প্রকাশের জন্য কত ভিত্তিক সংখ্যা ব্যবহার করতো? - ১০ ভিত্তিক। আরবরা গণনা পদ্ধতি আয়ত্ত করেছিলেন - ভারতীয়দের কাছ থেকে। আরবরা ৫০০ খ্রি: সংখ্যা পদ্ধতি আয়ত্ব করেছিল - ভারতীয়দের কাছ থেকে। ভারতীয়দের কাছ থেকে আরবরা সংখ্যা পদ্ধতি আয়ত্ত করে - ৫০০ খ্রিষ্টাব্দে। কোন বিজ্ঞানী ১০ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতির উপর বই রচনা করেন? - আল খোয়ারিজমি। বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির প্রতীক দুটি কি কি? - ০ এবং ১। কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ কাজে কোন পদ্ধতি ব্যবহার হয় না? / কোন সংখ্যা পদ্ধতি কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয় না? - দশমিক। কোন সংখ্যা পদ্ধতিকে ইন্দো-আরবীয় সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়? - দশমিক। দশমিক পদ্ধতি সংখ্যা প্রকাশ করার ক্ষুদ্রতম প্রতীক হল - অঙ্ক। দশমিক পদ্ধতিতে ৭...

Essay : Dhaka Metro Rail Project

Dhaka Metro Rail Project Introduction : Traffic congestion in Dhaka city has been a regular phenomenon. Due to traffic congestion, the valuable times of the citizen of Dhaka is wasted. Dhaka, the capital of Bangladesh, is one of the most highly populated and traffic-congested cities in the world with an ever-increasing population of 15 million. With continued economic growth and development, unbearable traffic congestion all around the city has become a grim reality due to excessive (মাত্রাতিরিক্ত) population pressure and people’s tendency (প্রবণতা) to urban living habits for easy livelihood. Due to the people’s movement from one place to another for daily activities, most of the roads remain occupied by vehicles and people face unbearable traffic congestion and waste the valuable times. If the city finds the solution of the congestion, the people will get reprived (মুক্তি) of unbearable traffic situation and can utilize those hours in other developing sectors. With keeping this t...