Posts

Showing posts from February, 2022

Paragraph : Health Awareness during the COVID-19 Pandemic

Health Awareness during the COVID-19 Pandemic A pandemic is a worldwide spread of new disease. COVID-19 pandemic has been troubling human civilization from the first half of 2020. The normal lifestyle and economy have faced a serious crisis due to this pandemic. During this entire time, the healthcare department of different countries and WHO are trying to raise awareness of the mass about the rules of health to minimize the risk of infection. Washing hands with soap and water frequently, not touching the face with unclean hands, covering the face with elbow or tissue papers while coughing and sneezing, wearing a face mask while in public, and keeping at least three feet distance from others may help reduce the risk of infection. Personal hygiene and social distancing have been being suggested by the health department to keep the disease to a minimum level. Almost all the countries have practised partial or complete lockdown in different phases to control the spread. However, re...

অনুচ্ছেদ : কোভিড-১৯ এর সময়কার স্বাস্থ্য সচেতনতা

কোভিড-১৯ এর সময়কার স্বাস্থ্য সচেতনতা মহামারী বলতে বোঝায় একটি নতুন রোগের বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া। কোভিড-১৯ মহামারীটি ২০২০ সালের প্রথমার্ধ থেকে মানব সভ্যতাকে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন করেছে। এই মহামারীটির কারণে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও অর্থনীতি মারাত্মক সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। এই পুরো সময়, বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সংক্রমণের ঝুঁকি হ্রাস করার লক্ষ্যে স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বারবার সাবান ও পানি দিয়ে হাত ধোয়া, ময়লা হাত দিয়ে মুখ স্পর্শ না করা, কাশি এবং হাঁচি দেওয়ার সময় কনুই বা টিস্যু পেপার দিয়ে মুখ ঢেকে নেওয়া, জনবহুল স্থানে ফেস মাস্ক পড়া এবং অন্যের থেকে কমপক্ষে ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রেখে অবস্থান করা সংক্রমণের ঝুঁকি হ্রাস করতে পারে। স্বাস্থ্য বিভাগ কর্তৃক ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে যাতে সংক্রমণ ন্যূনতম পর্যায়ে রাখা যায়। প্রায় সব দেশেই এই ভাইরাসের বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে আংশিক বা সম্পূর্ণ লকডাউন পালন করেছে। তবে, সম্প্রতি অনেক দে...

ব্যাকরণ : ব্যাকরণের যত দ্বিধা, যত প্রশ্ন

২০২১ সারে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড থেকে নবম-দশম শ্রেণির নতুন ব্যাকরণ বই বের হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পুরোনো যে বই চলছিল, তার চেয়ে এখন অনেক জায়গায় পার্থক্য রয়েছে। এসব পার্থক্যের কারণ অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের ঠিকমতো জানা নেই। আবার নতুন ব্যাকরণের অনেক জায়গায় বুঝতেও সমস্যা হয়। এসব দ্বিধা ও প্রশ্ন নিয়ে এখানে আলোচনা করা হলো। স্বরধ্বনির সংখ্যা কতটি বাংলা স্বরবর্ণ ১১টি : অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ। তবে স্বরধ্বনি ৭টি : ই, এ, অ্যা. আ, অ, ও, উ। ঈ-এর উচ্চারণ ই-এর মতো; তাই এটি স্বরধ্বনির তালিকায় নেই। একইভাবে, ঊ-এর উচ্চারণ উ-এর মতো; তাই এটি স্বরধ্বনির তালিকায় নেই। ঋ উচ্চারণগতভাবে একটি ব্যঞ্জনধ্বনি; এটিও স্বরধ্বনির তালিকায় নেই। ঐ এবং ঔ এই দুই বর্ণ আসলে যৌগিক স্বর বা দ্বিস্বর। তাই এ দুইও স্বরধ্বনির তালিকায় নেই। তবে স্বরধ্বনির তারিকায় ‘অ্যা’ যুক্ত হয়েছে। ‘অ্যা’ আমাদের বর্ণমালায় না থাকলেও, এটি স্বরধ্বনি হিসেবে বাংলা ভাষায় উচ্চারিত হয়। ব্যঞ্জনবর্ণের চেয়ে ব্যঞ্জনধ্বনি কম কেন বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি; কিন্তু ব্যঞ্জনধ্বনি ৩০টি। লক্ষ করুন, ঙ, ং-এর উচ্চারণ একই; ফলে এখানে বর্ণ দুটি হলেও ধ্বনি একটি...

লাল সবুজের পতাকা

স্বাধীনতা পেয়ে আমরা করছি কত গর্ব কারা করল দেশটা স্বাধীন কখন প্রথম পর্ব। জাতির পিতার একটি ডাকে যুদ্ধ হলো শুরু ইয়াহিয়ার ষড়যন্ত্র ভুট্টো নাটের-গুরু। বীর বাঙালি যুদ্ধ চালায় দীর্ঘ ন’মাস ধরে জীবন বাজি রেখে তাঁরা দেশটা স্বাধীন করে। লাল -সবুজের এই পতাকা পেলাম যুদ্ধ শেষে বীর বাঙালি ফিরে এলো স্বাধীন বাংলাদেশে। রহমাতুল্লাহ আল আরাবী রাজশাহী SSC পরীক্ষার্থী - ২০২২ প্রকাশ :  ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২,  আমার আকাশ

বাঙালি বিজ্ঞানীর কথা

"ভালো করে বাঁচবার আছে যত দিক বিজ্ঞান অবদানে হল মৌলিক সভ্যতা বিকাশের ধারাগুলো জোড়া আগাগোড়া বিজ্ঞান দিয়ে তা মোড়া।" বিজ্ঞান নিয়ে এমনই এক বাস্তব কবিতা রচনা করেছিলেন সাহিত্যিক আলী ইমাম। আমি তারই কয়েক পঙক্তিই উল্লেখ করলাম। যুগে যুগে সভ্যতার বিকাশে ও মানুষের জীবনকে সুন্দর ও আনন্দময় করতে বিজ্ঞান যে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখে চলেছে তা কমবয়সী বালকমাত্রও জানে। কিন্তু যারা বিজ্ঞানের এ সকল আবিষ্কার সবার কাছে পৌঁছে দিয়েছে তারা হলেন বিজ্ঞানীরা। শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কোন ভূখণ্ড নয় বরং সারা বিশ্বে তারা প্রতিনিধিত্ব করেছেন তাদের আবিষ্কারের দ্বারা। সমাদৃত হয়েছেন সর্বমহলে। 'বিজ্ঞানী’ কথাটি উচ্চারিত হলেই আমাদের চোখ চলে যায় নিউটন, আইনস্টাইন কিংবা মাদাম কুরি ও রাদারফোর্ডের মতো বিজ্ঞানীদের দিকে। কিন্তু আমরা কি কখনো আমাদের গর্বের প্রতীক বাঙালি বিজ্ঞানীদের কথা ভেবেছি একবার? কখনও জেনেছি তাদের আবিষ্কারের কথা। যে আবিষ্কারগুলো বদলে দিয়েছিল পৃথিবীকে। এ সপ্তাহেই রয়েছে আমাদের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। তাই এ লেখাটি লেখা হয়েছে আমাদের সেই সব মহান বাঙালি বিজ্ঞানীদের নিয়ে। তাহলে চল শুরু করা যাক। ...

বিজয় মামার বিজয়গাঁথা

বিজয় মামার কথা উঠলেই মা ঝর ঝর করে চোখের পানি ফেলতে থাকেন। মাকে আমি কখনও কাঁদতে দেখিনি। কিন্তু বিজয় মামার কথা উঠলেই তিনি যেন চোখের পানি ধরে রাখতে পারেন না। মায়ের এই কান্না আমি দেখে আসছি আমার জন্মের পর থেকেই। এছাড়াও খালামণিদের কাছ থেকে শুনেছি যে তিনি ১৯৭২ সালের পর থেকেই এভাবে কাঁদেন। পাশাপাশি স্বাধীনতা ও বিজয় দিবসের দিনেও তাকে রোজা রাখতে ও নফল নামাজ পড়তে দেখেছি। কিন্তু আমার মা আরেক দিনে খুব বেশি ইবাদত করতেন। আর সেই দিনটা হলো ৯ ডিসেম্বর। সেদিনটার তাৎপর্য আমি কখনোই বুঝতে পারি নি। একবার মা যখন আমার মাথার চুল আঁচড়ে দিচ্ছিল তখন আমি তাকে এ বিষয়টা জিজ্ঞেস করি। কিন্তু মা তখন আর কাঁদে নি। আমাকে আদর করে পাশে বসিয়ে বলতে লাগলেন বিজয় মামার কথা। নয় ডিসেম্বর দিনটি ছিলো আমাদের পরিবারের জন্য এক ঐতিহাসিক দিন। এ দিনে বিজয় মামার মৃত্যুর সংবাদ আমরা পাই। বিজয় মামা বাঘারপাড়া হাইস্কুলে পড়তো। মুক্তিযুদ্ধ যখন শুরু হয় তখন তার এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। দম ফেলার ফুরসত নেই যেন। খেলার খুব পাগল ছিল যে কিন্তু সেই খেলাও বন্ধ হয়ে গেলো তার। কিন্তু হঠাৎ করে তার মধ্যে কিছু পরিবর্তন দেখতে পাই আমরা। ঘন ঘন বাইরে যেতে ল...

ইংরেজি নববর্ষের ইতিবৃত্ত

নববর্ষ বলতে বোঝায় নতুন বছর বা বছরাম্ভকে। পৃথিবীর সব দেশে ও সব জাতির মাঝেই নববর্ষ পালনের রীতি বিদ্যমান। তেমনি ইউরোপ-আমেরিকায় বিশেষত খ্রিস্টান দেশ সমূহে পালিত নববর্ষের নাম ‘নিউ ইয়ার্স ডে’ প্রতিবছর ৩১শে ডিসেম্বর রাত ১২ টা ১ মিনিটে ইংরেজি নববর্ষকে বরণ করা হয়। খ্রিস্টান বিশ্বে এ দিন সরকারি ছুটি পালিত হয়। অবিরাম গতিতে ছুটে চলা সময়ের চাকা ঘুরে ঘুরে আবারও আমাদের সামনে নিয়ে এসেছে ইংরেজি নববর্ষকে।  খ্রিস্টাব্দের জন্মকথা : বর্তমান বিশ্বে যতগুলো অব্দ বিদ্যমান আমার  তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেশে প্রচলিত অব্দ হলো খ্রিস্টাব্দ। ৫৩০ খ্রিস্টাব্দে দিউনিসউথ প্রথম এ অব্দের প্রচলন করেন। তখন ২৫ ডিসেম্বর থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত (খ্রিস্টাব্দে) বছরের প্রথম দিনটি পড়ত।   বর্তমান বিশ্বের অধিকাংশ দেশে জানুয়ারির  ১ তারিখকে নববর্ষ হিসেবে স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে।  জানুয়ারি থেকে বছর গণনা : ৪৫১ অব্দে রোমের শাসনকার্য পরিচালনা করত ১০ জন ম্যাজিস্ট্রেটের একটি পরিষদ, যা ‘দিসেসভিরস’ নামে পরিচিত ছিল। এ পরিষদই প্রথম মার্চের পরিবর্তে জানুয়ারি থেকে বছর গণনা শ...

Composition : Rainwater Harvesting

Rainwater Harvesting Rainwater harvesting refers to storing of rainwater for various uses. It is a technique of saving rainwater for further use. It is done to collect rainwater using simple mechanisms. The water stored by this unique method is used for various purposes. It is one of the most commonly used methods to save water. There are primarily two types of rainwater harvesting methods. The first one is surface runoff harvesting. In this method, we can collect the surface runoff water by making a path that directs to storage space. The second method is rooftop rainwater harvesting. Here, the roof of a house or building works as a rainwater collection unit. This is a very efficient way to harvest rainwater. Rainwater harvesting maintains the ecological balance. Surface water is not enough to meet the demands of the people. So we can get additional help from rainwater. Rainwater harvesting holds more importance than one can think. Rainwater harvesting maintains the level of groundwat...

সমুদ্রে প্লাস্টিক : একি!

মানুষের জীবনের সাথে সমুদ্র যেন ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। পৃথিবীর প্রায় ৭১% হলো সমুদ্র যা বিভিন্ন প্রাণীর জন্য একমাত্র বাসস্থান। ন্যাশনাল জিওগ্রাফির এক তথ্যমতে, সমুদ্র প্রায় ৭০% অক্সিজেন সরবরাহ করে থাকে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলেও সত্য যে, আমাদের এই সমুদ্র প্রতিনিয়ত কোন না কোনভাবে দূষিত হচ্ছে। আর প্লাস্টিক দূষণ হলো তার মধ্যে অন্যতম যার ফলে জীববৈচিত্র্য এখন চরম হুমকির মুখে। পৃথিবীতে প্রতি মুহুর্তে কোন না কোন স্থানে ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক বোতল, পলিথিন, চিপসের প্যাকেট আর স্ট্র এর শেষ ঠিকানা হচ্ছে সমুদ্র। ২০১৫ সাল নাগাদ পৃথিবীতে ৬.৩ বিলিয়ন প্লাস্টিক পণ্য তৈরি করা হয়েছে। ভয়ংকর হলেও সত্য যে, এর মাত্র ৯ শতাংশকে পুনরায় ব্যবহার করা হয়েছে। ১২ শতাংশ পুড়িয়ে নষ্ট করা হয়েছে আর বাকি ৭৯ শতাংশই পৃথিবীর প্রাকৃতিক পরিবেশে জমা আছে। এই জমা থাকা প্লাস্টিক কোন না কোনভাবে সমুদ্রে এসে পড়ছে। অপচনশীল এই প্লাস্টিক বছরের-পর-বছর সমুদ্রে ভাসতে থাকে আর ঢেউ এর মাধ্যমে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যায়। যার ফলে সমুদ্রের উপর একটা আচ্ছাদন তৈরি করে। সামুদ্রিক প্রাণীর একটা বড় অংশে সাধারণত খাদ্যের জন্য সমুদ্রে ভাসমান ক্ষুদ্র প্রাণী...

বাংলার অলরাউন্ডার

মায়ের  কয়েকবার ডাকাডাকি করার পর সবুজ ঘুম থেকে উঠলো। উঠেই সে ফ্রেশ হতে চলে গেলো। ফ্রেশ হবার পর সে ডাইনিং টেবিলে এসে বসলো। সবুজদের বাড়িতে তারা চারজন। মা, বাবা, তার বোন নাফিসা এবং সে। ডাইনিং টেবিলটা যে খুব বড় তা বলা যাবে না। কিন্তু টেবিলটা খুব্ দামী। সবুজের বাবা এটা গত দুদিন আগেই নিয়ে এসেছিলেন। তার বাবা এখন সোফায় বসে টিভি দেখছেন। টেস্ট ম্যাচ শুরু হয়ে গেছে তা সবুজ গতকাল পত্রিকায় পড়েছিল। পত্রিকা পড়তে তার খুব একটা ভালো লাগে না। কিন্তু তার বাবা তার সামনে চোখ পাকিয়ে বলেছিলেন, ‘শুধুমাত্র পড়াশুনা করলেই হবে না। একজন ভালো ছাত্রকে সকল দিকেই পারদর্শী হতে হবে। তার দরকার প্রচুর জ্ঞান। আর এই জ্ঞান শুধুমাত্র পাঠ্যবইয়ের মাধ্যমে পূরণ করা সম্ভব না। তাই পত্রিকা- বই ,পুস্তক পড়তে হবে।” বলা যায় তার বাবার আদেশ মানতেই পত্রিকায় ঢু মেরেছিল সে। সবুজ দু তিন ওভার দেখলো। বাংলাদেশ দলের টেস্টের দৈন্যদশা যেন সচক্ষে দেখতে পেল সে। এতদিন শুধু শুনেই আসছিল। ৩ ওভারেই ৩ উইকেট নাই! পরে মা এসে খাবারের জন্য তাগাদা দেয়ায় আর দেখতে পারলো না। ব্যাগ গুছিয়ে নিয়েই চলে গেলো স্কুলে। স্কুলে যাবার পথে সবুজের এক বন্ধু আসিফের সাথে তার দেখা...

Composition : Social Media and Teenage Depression

Social Media and Teenage Depression The adolescent and teen years have always been a challenging time. Peer pressure, insecurity and hormones are just some of the issues facing in these age groups. But does social media exacerbate these problems? Is using social media making our kids unhappy? Evidence is mounting that there is a link between social media and depression. What is Social Media? : The ‘social’ part refers to interacting with other people by sharing information with them and receiving information from them. The ‘media’ part refers to an instrument of communication, like the internet (while TV, radio, and newspapers are examples of more traditional form of media). From the two separate terms, we can pull a basic definition together that social media are web-based communication tools that enable people to interact with each other by sharing and consuming information such as, Facebook, Twitter, Instagram, Snapchat and others. The Teen Brain ...

টাউ টাউ বলি তারে

Image
সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা। নতুন বছর মানেই আনন্দ আর খুশির ফোয়ারা। এত সব খুশি আর প্রাপ্তির মধ্যে গণিতশাস্ত্রও পিছিয়ে নেই উৎসব আর দিবসের আয়োজনে। পাই সম্বন্ধে তোমরা আশাকরি মোটামুটি সবাই জানো। বিশেষত: মাধ্যমিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের তো ভালোই বন্ধুত্ব স্থাপিত হয়েছে এর সাথে! তাই না? আচ্ছা তোমরা বলতে পারবে, পাই কি? হ্যা বলছি শোনো। বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাতকেই পাই বলা হয়। π একটি ধ্রুব সংখ্যা। অর্থাৎ যেকোন একটি বৃত্তের পরিধি এবং একই বৃত্তের ব্যাসের অনুপাতের মান সর্বদাই একই হবে। এর মান 3.141592.....। পাই এ মান 3.14 অনুযায়ী বছরের তৃতীয় মাস মার্চের ১৪ তারিখে পাই দিবস পালন করা হয়। টাউ এর কথাটা এখান থেকেই চলে আসে। কিভাবে? শোন তাহলে- পাই আর টাউ হচ্ছে দু বন্ধু। পাইয়ের মান যখন হল 3.14। তখন টাউ হিংসা করে বলে উঠলো আমি তার চেয়ে ডাবল মান নিবো। তখন টাউ মান নিল 6.28। আবার দু জনের অনুপাতেরও একটি বিরাট ইতিহাস আছে। পাইয়ের 3.14 অর্থাৎ 3 টাকে যদি আমরা মাসের ক্রম ও 14 সংখ্যাটিকে যদি তারিখ ধরি তাহলে দেখা যাচ্ছে যে, পাই দিবস পালিত হয় প্রতি বছরের 14 মার্চ। তাহলে টাউয়ের মান তো 6.28। তাহলে এটি কোন সময় পালিত হবে? হু...

Grammar : Conjunction - 1

Conjunction পার্ট—১ Conjunction এর Basic Learning  Conjunction চ্যাপ্টারটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি টপিক৷ যেকোনো পরীক্ষায় এই অংশ থেকে প্রায় প্রশ্ন এসে থাকে। তাই আমরা গুরুত্বের সাথে এই অধ্যায়টি অবশ্যই পড়বো। আলোচনার সুবিধার জন্যে বৃহত্তর অধ্যায়টিকে ৩ অংশে বিভক্ত করে ছোট ছোট পার্টে আলোচনা করা হয়েছে।  পার্ট—১ : Conjunction এর Basic Learning  পার্ট—২ : Conjunction এর গঠনগত ব্যবহার পার্ট—৩ : Conjunction এর অর্থগত ব্যবহার  নিম্নে (পার্ট—১) Conjunction এর Basic Learning এর আলোচনা শুরু করা হলো—   এই অধ্যায়ের আলোচিত বিষয়সমূহ :  Conjunction এর সংজ্ঞা? প্রকারভেদ ও কী কী? ইহা কার সাথে যুক্ত হয়?  Co–ordinating Conjunction গুলো কী কী? বাংলা অর্থসহ এরূপ ১০ টি Conjunction এর নাম।  Sub–ordinating Conjunction  গুলো কী কী? বাংলা অর্থসহ এরূপ ১০ টি Conjunction এর নাম।  Conjunction চেনার উপায় কী কী? / Identification of Conjunction...

মোবাইলে বিজয় কি-বোর্ড দিয়ে বাংলা টাইপিং

Image
কম্পিউটারের বিজয় কি-বোর্ড দিয়ে বাংলা টাইপিং নিশ্চয় শিখে নিয়েছেন আমাদের ‘বিজয় টাইপিং টিউটোরিয়াল’ থেকে। এখানে আমরা আলোচনা করছি কিভাবে মোবাইলে বিজয় দিয়ে বাংলা টাইপিং করবেন। এখানে বলে রাখি বিজয়’এর নিজস্ব টাইপিং এ্যাপ আছে। কিন্তু আমার কাছে বিজয়’এর নিজস্ব টাইপিং এ্যাপটা ভালো লাগে না। তাই আমি ‘রিদ্মিক’ কি-বোর্ডের পুরোনো একটা ভার্সন ইউজ করি। রিদ্মিক কিবোর্ড - ভার্সন : 3.1.8 যেখানে বিজয় কিবোর্ডের হুবহু লেআউট আছে প্রথমে ‘রিদ্মিক’ কি-বোর্ডের পুরোনো ভার্সনটি ডাউনলোড করে নিন এবং ইন্সট্রল করে নিন। মোবাইলের সেটিং থেকে ‘রিদ্মিক’ কি-বোর্ডকে প্রাইমারি কি-বোর্ড হিসেবে সিলেক্ট করে নিন। এখন আপনার কি-বোর্ডটি ব্যবহারের জন্য রেডি। এই কি-বোর্ডের মাধ্যমে আপনি ইংরেজি, বিজয় এবং পোনেটিক তিন ধরনেই টাইপ করতে পারবেন। এই কিবোর্ডে বিজয়’এর কি-বোর্ড লেআউট হুবহু আছে। কিন্তু বর্তমানে Goolge Play Store-এ রিদ্মিকের যে এ্যাপ আছে তাতে বিজয়’এর কি-লেআউট হুবহু নেই। কিছুটা বিজয়’এর সাথে মিল থাকলেও বিজয়’এর লে-আউটের মত হুবহু নয়। এক-দুইটা বাটন উলোট পালট আছে। আপনি আমার সাইট থেকে সে এ্যাপটি ইন্সট...

ভাবসম্প্রসারণ : শূন্য কলসি বাজে বেশি। / অসারে তর্জন গর্জন সার।

শূন্য কলসি বাজে বেশি। অথবা, অসারে তর্জন গর্জন সার। মূলভাব : যার কোনো কিছু করার ক্ষমতা নেই, সে এমন ভাব ধরে থাকে যে, সে-ই সবকিছু করেছে, সে-ই সবকিছুতে পটু। সম্প্রসারিত ভাব : ভাব-গাম্ভীর্যের আলাদা একটি মূল্য রয়েছে। চপলতা, চঞ্চলতা, কিংবা অধিকতর রম্য রসের মাধ্যমে সাময়িক আনন্দঘর পরিবেশের সৃষ্টি হলেও সে আনন্দের কোনো মূল্য থাকে না। অতিমাত্রায় কোনো জিনিসই মানুষের মাঝে আদরণীয় হতে পারে না। তাই যেসব পদার্থের উপরে অত্যধিক চাকচিক্যের লক্ষণ দেখা দেয় তাদের গর্ভাংশ প্রায়ই শূণ্য বা ফাঁকা থাকে। প্রকৃতপক্ষে বাচাল প্রকৃতির লোকের কথাগুলো প্রায়ই থাকে অর্থশূন্য। মুখে তারা অনেক কিছুই বলতে পারে কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তারা কাজের কাজ কিছুই করতে পারে না। তাদের অবস্থা হয় শূন্য কলসির অধিক আওয়াজের মতো। বস্তুত যাদের মাথায় চিন্তা-চেতনা রয়েছে এবং যারা নিজেদের ক্ষমতার ওপর বিশ্বাসী তারা ফাঁকা বুলি আওড়াতে ভালোবাসেন না। তাদের প্রকৃত পরিচয় পাওয়া যায় কাজের দক্ষতার উপর। এই কারণে মনীষীগণ বলেছেন, ‘পৃথিবীতে চিন্তাশীল ও বুদ্ধিমান লোকেরাই কথা কম বলে’ । ইংরেজিতেও একটি প্রবাদ আছে, Empty vessels sound much. মন্তব্য : যাদের বাইরের পরিপাট...

ভাবসম্প্রসারণ : চলে যাব- তবু আজ যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ / প্রাণপণে পৃথিবীর সবার জঞ্জাল, / এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি- / নব জাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।

চলে যাব- তবু আজ যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ প্রাণপণে পৃথিবীর সবার জঞ্জাল, এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি- নব জাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার। মূলভাব : অনাগত শিশুর ভবিষ্যতকে সমৃদ্ধ করতে, নতুন প্রজন্মের আবাসস্থলকে দূষণমুক্ত করতে বর্তমান প্রজন্মকেই এগিয়ে আসতে হবে। দেহের শেষ শক্তি দিয়ে হলেও নবজাতকের কল্যাণে রক্ত শপথে আজ অঙ্গীকারাবদ্ধ হতে হবে সবাইকে। সম্প্রসারিত ভাব : নশ্বর এ বিশ্ব। এখানে সব সময়েই চলে আসা-যাওয়ার নিত্য খেলা। সমাজের বুকে জন্মে, সমাজের মধ্যে বড়ো হয়ে, সমাজে কিছু কীর্তি রেখে একদিন সময় হলে সমাজের বুক থেকে আবার চলে যায় মানুষ। আবার আসে নবজাতক। একই অনুক্রমে চলে সমাজের পথ পরিক্রমা। প্রতিটি মানুষেরই সমাজের কাছে কিছু দায়বদ্ধতা থাকে। যে সমাজ তাকে এত দেয়, বিনিময়ে সেই সমাজকেও তার কিছু দেওয়া উচিত। সমাজের বুকে প্রতিনিয়ত কত অপরিচ্ছন্নতা, আবর্জনাতুল্য কত অনাচার-কদাচার তো আমরাই তৈরি করি। আর সে সমস্ত অনাচার-কদাচারের আবিল-পংকিল পরিবেশ যদি অগ্রজরা অপসারণ করতে না পারে, তাহলে পরবর্তী প্রজন্মের নবজাতকরা মুক্ত পরিবেশে প্রাণভরে শ্বাস নিতে পারবে না। যাতে তারা বড়ো হয়ে উঠে পরম্পরাগত ঐতিহ্যধ্বজা বহন ক...

ভাবসম্প্রসারণ : টিকি মুণ্ডে চড়ি উঠি কহে ডগা নাড়ি / হাত-পা প্রত্যেক কাজে ভুল করে ভারি। / হাত-পা কহিল হাসি ‘হে অভ্রান্ত চুল, / কাজ করি আমরা যে, তাই করি ভুল।

টিকি মুণ্ডে চড়ি উঠি কহে ডগা নাড়ি হাত-পা প্রত্যেক কাজে ভুল করে ভারি। হাত-পা কহিল হাসি ‘হে অভ্রান্ত চুল, কাজ করি আমরা যে, তাই করি ভুল। মূলভাব : যারা কর্মহীন, অলস তাদের কাজ কর্ম মানুষকে হেয় করা। কাজেই অলস ব্যক্তির সমালোচনাকে উপেক্ষা করে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জীবনের কর্মপথে অগ্রসর হওয়া উচিত। সম্প্রসারিত ভাব : মাথার চুল কখনো কোনো কাজ করে না অথচ শারীরিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোর মধ্যে হাত ও পা প্রায় সময়ই কিছু না কিছু কাজ করে থাকে। কাজ করতে গেলে ভুল করা স্বাভাবিক। কিন্তু সেই ভুলের কারণে চুল তাদের নানা প্রকার ভর্ৎসনা করে। সমাজে এমন অকর্মণ্য লোক রয়েছে যারা নিজেরা কোনো কাজই করে না বরং অপরের কাজের ভুল ধরে বেড়ায়। এসব লোক সমাজের কোনো উপকারে আসে না। এদের চেয়ে সমাজের খেটে খাওয়া মানুষের স্থান অনেক উপরে। কাজ করতে গেলে নানা প্রকার ভুল-ভ্রান্তি হবেই, কেননা ভুল করা মানুষের একটি সহজাত প্রবৃত্তি। তাছাড়া ভুল না করলে শুদ্ধকে চেনা যায় না। যারা ভুল করতে জানে না তারা সঠিক কোনো কাজও করতে পারে না। কেননা ভুল হবে কি সঠিক হবে সেই চিন্তাতেই তারা কোনো কাজের সূচনা করতে পারে না। এসব লোক বাইরের পরিপাটি রূপ দিয়ে লোকের কাছে বুদ্ধি...

ভাবসম্প্রসারণ : উচ্চ শির যদি তুমি কুল মান ধনে / করিও না ঘৃণা তবু নীচ-শির জনে।

উচ্চ শির যদি তুমি কুল মান ধনে করিও না ঘৃণা তবু নীচ-শির জনে। মূলভাব : ধনী ও দরিদ্র উভয়েরই বাসযোগ্য ভূমি এই পৃথিবী। ধন-সম্পদে কিংবা বংশমর্যাদায় পার্থক্য থাকলেও মূলত মানুষের সঙ্গে মানুষের কোনো ভেদাভেদ নেই। সম্প্রসারিত ভাব : উচ্চ শ্রেণির লোকেরা প্রায়ই এ কথা অস্বীকার করে থাকে যে, ‘সব মানুষই সমান’। যার একটু বংশ গৌরব ও অর্থ-সম্পদের প্রাচুর্য দেখা দেয়, আত্মদম্ভে সে নিজেকে একেবারে বাদশা বানিয়ে ফেলে। সে ধরাকে সরা জ্ঞান করে কেবলই আত্ম অহংকার প্রকাশে উদ্যত থাকে। কিন্তু অর্থ-সম্পদ কারও চিরস্থায়ী নয়। আজ যে ধনী কাল সে পথের ফকিরে পরিণত হতে পারে। তাই ধন-সম্পত্তির বড়াই করা উচিত নয়। বড়ো হতে গেলে আগে মনটাকে বড়ো করতে হবে। নিচু জনকে ঘৃণা করে কেউ কখনো উঁচুতে অধিষ্ঠিত হতে পারেনি। একটু চিন্তা করে দেখলে সহজেই প্রতীয়মান হয় যে, উঁচু স্থানেই আঘাতের পরিমাণ সর্বদা বেশি হয়ে থাকে। উঁচু বৃক্ষ অধিকাংশ সময়ই ঝড়ে ভূপাতিত হয়। তাই এই নশ্বর পৃথিবীতে অহংকার করা বোকামি ছাড়া আর কিছু নয়। চোখের পলকেই সবকিছু ওলট-পালট হয়ে যেতে পারে। বস্তুত মানুষের ধন-সম্পত্তি, নাম-যশ-খ্যাতি পার্থিব জগতের এক ক্ষণস্থায়ী অর্জন। মনুষ্যত্বের বিকাশ ব্যত...

ভাবসম্প্রসারণ : সাবাস বাংলাদেশ এ পৃথিবী / অবাক তাকিয়ে রয়; / জ্বলে-পুড়ে মরে ছারখার / তবু মাথা নোয়াবার নয়।

সাবাস বাংলাদেশ এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়; জ্বলে-পুড়ে মরে ছারখার তবু মাথা নোয়াবার নয়। মূলভাব : বাঙালি জাতি বীরের জাতি। তারা অন্যায়ের কাছে মাথা নোয়াবার নয়, বরং সকল প্রকার জুলুম-নির্যাতনের সমুচিত জবাব দিয়ে পৃথিবীর বুকে স্থাপন করেছে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। সম্প্রসারিত ভাব : বাঙালি জাতি চিরকালই শান্তি প্রিয় ও স্বাধীনচেতা জাতি। বাঙালির প্রাকৃতিক পরিবেশেই আছে তাদের প্রতিবাদের ভাষা। অপরের বশ্যতা সে কোনো কালেই মেনে নিতে পারেনি। বাংলার ধনধান্য পুষ্পের আকর্ষণে তুর্কি, আফগান, পাঠান, মোগলরা এদেশে আসে এবং দীর্ঘকালব্যাপী শাসন করে। এরপরই বাংলার শোষণ ও লুণ্ঠনের জন্য ইংরেজরা আসে। তারা এদেশের কৃষি সমাজের উপর নির্মম শাসন-শোষণ করে এদেশের ধন-সম্পদ লুট করে নিয়ে যায়। বাঙালির তীব্র প্রতিবাদে প্রায়ই দু’শ বছরের শাসনের অবসান ঘটে। এরপর বাঙালি জাতির উপর চেপে বসে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর অমানবিক শাসন। তারা বাঙালি জাতির রাজনীতিক, অর্থনীতিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার হরণ করে। তারা এদেশের মানুষের উপর ব্যাপক জুলুম-নির্যাতন করে। এদেশের গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত সব জাগায় আগুন জ্বালিয়ে ছারখার করে ধ্বংস স্তুপে পরিণত করে। বাঙালি জ...

ভাবসম্প্রসারণ : নিন্দুক সে বেঁচে থাকুক বিশ্বহিতের তরে, / আমার আশা পূর্ণ হবে তাহার কৃপা ভরে।

নিন্দুকেরে বাসি আমি সবার চেয়ে ভালো, যুগ জনমের বন্ধু আমার আঁধার ঘরের আঁলো। অথবা, নিন্দুক সে বেঁচে থাকুক বিশ্বহিতের তরে, আমার আশা পূর্ণ হবে তাহার কৃপা ভরে। মূলভাব : নিন্দুকের কাজ হলো অপরের নিন্দা করা। তাই বলে নিন্দুককে ঘৃণা করা উচিত নয়। সে মানুষের পরম বন্ধু। নিন্দার ভয়ে মানুষ দূষণীয় কাজ থেকে বিরত থাকতে চেষ্টা করে এবং পরিপূর্ণতা অর্জন করে। সম্প্রসারিত ভাব : মানুষ সামাজিক জীব। তাই সমাজবদ্ধ হয়ে বসবাস করে। সামাজিক বা রাষ্ট্রীয় জীবনে সমালোচনাকারী বা পরনিন্দাকারী লোকের অভাব নেই। তবে সমালোচনা বা পরনিন্দা সবসময় সমাজের ক্ষতি করে না। বরং কিছু কিছু গঠনমূলক সমালোচনা সমাজ বা রাষ্ট্রকে সঠিক পথে পরিচালিত হতে সহায়তা করে। একটি রাষ্ট্রের বিরোধী দল সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে। এতে সরকার নিজেদের ভুলত্রুটি শুধরে নিতে পারে। ফলে জনগণের কল্যাণ সাধিত হয়। নিন্দ না থাকলে পৃথিবীর গৌরব হ্রাস পেত। একটি ভালো কাজের যদি সমালোচনা না হয়, তাহলে সে ভালো কাজের কোনো মূল্যায়ন থাকে না। তই কোনো মহৎ কাজ করতে গেলে বার বার সমালোচনার মুখে পড়তে হয়। সকল প্রকার প্রতিকূলতা অতিক্রম করে মহৎ কাজ সম্পন্ন করার মাধ্যমে মহত্ত্বে...