Posts

Showing posts from May, 2024

শিক্ষক ও অভিভাবকের গল্প

Image
ছাত্রের ফেলের খবর দেয়া শিক্ষকের সাথে ছাত্রের বাবার দারুণ কথোপকথন: - আপনি কি খালেদ আলম ? - জ্বি, বলছি। - ফাহাদ আলম কি আপনার ছেলে? - জ্বি, আপনি কে বলছেন? - আমি আপনার ছেলের ইউনিভার্সিটি থেকে বলছি। মাহবুবুল হক। হেড অফ ডিপার্টমেন্ট। - ও, আচ্ছা। কেমন আছেন, স্যার? - জ্বি, ভালো। আপনার ছেলে সম্পর্কে কিছু কথা বলার ছিল। ও তো কিছুদিন আগে থার্ড সেমিস্টার শেষ করেছে। সেমিস্টার ফাইনালের রেজাল্ট প্রকাশ হয়েছে দুই দিন আগে। আপনার ছেলে দুই কোর্সে ফেল করেছে। আপনাকে কি বলেছে? - জ্বি, বলেছে। - আমাদের ইউনিভার্সিটিতে কিছু নিয়ম-কানুন আছে। ফেল করলে আমরা ছাত্রদের আবারও পরীক্ষায় বসে পাস করার সুযোগ দেই। এরপরও ফেল করলে ইউনিভার্সিটিতে রাখার নিয়ম নেই। - তা এসব আমাকে কেন বলছেন? থতমত খেয়ে গেলেন ও প্রান্তের ব্যক্তি। - না, মানে, আমি বলছিলাম আপনার ছেলে ফেল করেছে। আপনার কি উচিত না তার পড়াশোনার প্রতি খেয়াল রাখা? - আমাকেই যদি তার পড়াশোনার দায়ভার নিতে হয়, তাহলে আপনি কী জন্যে আছেন? - না, মানে আমি বলছিলাম আপনি কাউন্সেলিং করতে পারেন, বোঝাতে পারেন। - অবশ্যই আমি তার সাথে কথা বলতে পারি। কিন্তু শিক্ষক হিসেবে আপনি কি তার সাথে কথা বলেছে...

পুলিশ বিষয়ক পরিভাষা

পুলিশ বিষয়ক পরিভাষা Police State পুলিশ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত রাষ্ট্র হচ্ছে ‘Police State’। যেখানে সরকারবিরোধী পক্ষকে পুলিশের সাহায্যে দমন করা হয়। এটা অনেকটা Totalitarian রাষ্ট্রের মতো। Totalitarian State Totalitarian State বলতে এমন একটা রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাকে বোঝায়, যেখানে একটিমাত্র রাজনৈতিক দল থাকে। এখানে জনসাধারণকে রাষ্ট্রের প্রয়োজনের নিকট উৎসর্গীকৃ বলে বিবেচনা করা হয়। Ambush অতর্কিত আক্রমণার্থে গোপন স্থানে অবস্থান করাকে Ambush বলা হয় (to lay concealed in wait to attack by surprise)। Curfew আভিধানিক অর্থে Curfew হচ্ছে একটা ইঙ্গিত বা সময়, যার পর জনসাধারণ অবশ্যই ঘরে অবস্থান করবে। অপরদিকে Code of Criminal Procedure (CrPC)-এর ২৪ নং সেকশন অনুযায়ী Curfew হচ্ছে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক জারিকৃত একটি আদেশ, যার ফলে একটি নির্দিষ্ট এলাকার জনসাধারণ যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকে ঘর থেকে বের হতে পারে না। FIR বা এজাহার FIR হচ্ছে First Information Report CrPC-এর ১৫৪ ও ১৫৫ ধারা অনুযায়ী কোনো অপরাধের বিষয়ে থানায় রিপোর্ট করাকে FIR বলা হয়। ফৌজদারী মামলার ক্ষেত্রে FIR একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে ...

বাংলাদেশ পুলিশ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান - ৬ষ্ঠ পর্ব

বাংলাদেশ পুলিশের উল্লেখযোগ্য শাখা বাহিনী প্রধান স্পেশাল ব্রাঞ্চ (SB) এডিশনাল আইজি (Additional IG) সিআইডি (CID) সিআইডি (CID) মেট্রোপলিটন পুলিশ (Metropolitan Police) কমিশনার (Commissioner) র‌্যাব (RAB) মহাপরিচালক (General Director) রেলওয়ে পুলিশ (জিআরপি) (GRP) ডিআইজি (DIG) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন ডিআইজি (DIG) পুলিশ ইন্টারনাল ওভারসাইট ডিআইজি (DIG) ইমিগ্রেশন পুলিশ ডিআইজি (DIG) সোয়াট ডিআইজি (DIG) বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন নেটওয়ার্ক ডিআইজি (DIG) হাইওয়ে পুলিশ ডিআইজি (DIG) এসএএফ (আর্মড ফোর্স) এসপি (SP) ট্যুরিস্ট পুলিশ - শিল্পাঞ্চল পুলিশ ডিআইজি (DIG) ক্রিমিনাল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (CIU) ডিআইজি (DIG) নৌ প...

বাংলাদেশ পুলিশ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান - ৫ম পর্ব

বাংলাদেশ কোস্টগার্ড বাংলাদেশে কবে কোস্টগার্ড গঠন করা হয়? — ১৯৯৪ সালের ১২ ডিসেম্বর। আইন পাস হয়- সেপ্টেম্বর ১৯৯৪। কোস্টগার্ড বাহিনী গঠনের উদ্দেশ্য কি? — উপকূলের নিরাপত্তা ও নৌযানগুলোকে জলদস্যুদের হামলা থেকে রক্ষা করা। বাংলাদেশের উপকূলীয় সীমান্তের দৈর্ঘ্য কত? — ৭১০ কিলোমিটার। কোস্টগার্ডের কার্যক্রম শুরু হয় কবে? — ২০ ডিসেম্বর ১৯৯৫। বাংলাদেশ কোস্টগার্ড-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত? — ঢাকায়। কোস্টগার্ডের আঞ্চলিক অফিস কয়টি ও কোথায় অবস্থিত? — ২টি; চট্টগ্রাম ও খুলনায়। অপারেশন জাটকা কি? — জাটকা নিধন বন্ধে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড কর্তৃক পরিচালিত অভিযান। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর)- এর বর্তমান নাম কি? — বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (BGB) BGB-এর পূর্ণরূপ কি? — Border Guard Bangladesh বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ আইন জাতীয় সংসদে পাস হয় কবে? — ৮ ডিসেম্বর ২০১০। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ আইন রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করেন কবে? — ২০ ডিসেম্বর ২০১০। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ আইনে বিদ্রোহের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কি? — মৃত্যুদণ্ড। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ কবে যাত্রা শুরু করে? — ২৩ জানুয়ারি ২০১১। বর্ডার গার্ড বাংলাদে...

বাংলাদেশ পুলিশ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান - ৪র্থ পর্ব

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পুলিশ (তথ্য আগস্ট ২০২০ পর্যন্ত) বাংলাদেশ পুলিশ বিদেশে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার্থে নিয়োজিত হয়ে কার তত্ত্বাবধানে কাজ করে? — জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী। বর্তমানে শান্তিরক্ষা মিশনে অবদানের দিক থেকে বাংলাদেশ পুলিশের অবস্থান কত? — চতুর্থ। বাংলাদেশ পুলিশ এ যাবৎ জাতিসংঘের কতটি মিশনে অংশ নিয়েছে? — ২২টি। বর্তমানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের কত জন সদস্য কাজ করছে? — ৬৫৪ জন। বসনিয়া-হার্জেগোভিনায় নিয়োজিত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীতে যোগ দেয়ার জন্য বাংলাদেশ পুলিশের দলটিকে পাঠানো হয় কবে? — ১৮ আগস্ট ১৯৯২। কতজন পুলিশ সদস্য ২০২০ সালের আগস্ট পর্যন্ত জাতিসংঘ মিশন সম্পন্ন হয়েছে? — ১৯,৬৬৮ জন। হাইতি মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের দলটিকে পাঠানো হয় কবে? — ২ অক্টোবর ১৯৯৪। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মশনে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ পুলিশের কত সদস্য শহিদ হন? — ২১ জন। বসনিয়ায় এক বছরের জন্য পুলিশ মনিটর হিসেবে দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ পুলিশের ১০ জন অফিসারকে পাঠানো হয় কবে? — ১৮ অক্টোবর ১৯৯৬। অ্যাঙ্গোলা শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের কতজন সদস্য প্রেরিত...