Posts

Showing posts from January, 2020

প্রবন্ধ রচনা : যমুনা সেতু

↬ বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতু ↬ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে যমুনা সেতু ভূমিকা : স্বপ্নের সেতু যমুনা সেতু। এটি কেবল সেতু বা স্বপ্নই নয় বাংলাদেশের মানুষের দীর্ঘদিনের লালিত আকাঙ্ক্ষার সফল বাস্তবায়ন এবং সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে, যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। যমুনা নদীর উপর দিয়ে এ সেতু নির্মাণের মাধ্যমে বাংলাদেশের পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের একটি লালিত স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিয়েছে। দেশের অবহেলিত উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ আর উন্নয়নের ক্ষেত্রে যমুনা সেতুর গুরুত্ব আজ সর্বজনস্বীকৃত। একবিংশ শতাব্দীর দ্বারপ্রান্তে উদ্বোধিত এই সেতু নতুন যুগের মোকাবিলার ক্ষেত্রে এক অনন্য ভূমিকা পালন করবে। সেতুটি নির্মাণের প্রথম পর্যায় থেকে শেষ পর্যন্ত বিভিন্ন দেশি বিদেশি নির্মাণসংস্থা কাজ করেছে।  পটভূমি বা সেতু নির্মাণের আদিকথা : যমুনার উপর একটি সেতু নির্মাণের প্রথম আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় ১৯৬৬ সালে প্রাদেশিক পরিষদের অধিবেশনে। এ পরিষদের সর্বসম্মত প্রস্তাব ছিল, ‘যমুনা নদীর উপর বাহাদুরাবাদ ও ফুলছড়ির মধ্যে একটি সেতু নির্মিত হোক।’ অতঃপর ১৯৭০ সালে তৎকা...

সাধারণ জ্ঞান : বাংলাদেশের আবহাওয়া ও জলবায়ু

বাংলাদেশের আবহাওয়া ও জলবায়ু বাংলাদেশের বার্ষিক গড় তাপমাত্রা কত? – ২৬.০১ সেলসিয়াস। বাংলাদেশের শীতকালের গড় তাপমাত্রা কত? – ১৮.৭২ সেলসিয়াস। বাংলাদেশের গ্রীষ্মকালের গড় তাপমাত্রা কত? – ২৭.৮ সেলসিয়াস। বাংলাদেশের বর্ষাকালের গড় তাপমাত্রা কত? – ২৬.৭ সেলসিয়াস। বাংলাদেশে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত পরিমান কত? – ২০৩ সেঃমিঃ। বাংলাদেশে সর্বোচ্চ গড় বৃষ্টিপাত কোথায় হয়? – সিলেটের লালখানে (৩৮৮ সে.মি.)। বাংলাদেশে সর্বনিম্ন গড় বৃষ্টিপাত কোথায় হয়? – নাটোরের লালপুরে (১৫৪ সে.মি.)। বাংলাদেশের উঞ্চতম স্থানের নাম কি? – নাটোরের লালপুরে। বাংলাদেশের উঞ্চতম জেলা কোনটি? – রাজশাহী।  বাংলাদেশের শীতলতম স্থান কোনটি? – শ্রীমঙ্গল। বাংলাদেশের শীতলতম জেলা কোনটি? – সিলেট। বাংলাদেশের প্রায় মধ্য ভাগ দিয়ে কোন রেখা অতিক্রান্ত করেছে? – কর্কটক্রান্তি রেখা। গ্রীনিচমান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশের সময় অগ্রগামী কত? – ৬ ঘন্টা। বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস কোনটি? – এপ্রিল। বাংলাদেশের শীতলতম মাস কোনটি? – জানুয়ারী। বাংলাদেশের জলবায়ু কিরূপ? – নাতিশীতোষ্ণ। বাংলাদেশের জলবায়ূ কি নামে পরিচিত? – বিষুবীয়। বাংলাদেশের আব...

সাধারণ জ্ঞান : বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান

বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান বাংলাদেশের আয়তন কত? – ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিঃ মিঃ। আয়তনের দিক দিয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের স্থান কত? – ৯০ তম। পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ কোনটি? – বাংলাদেশ। বাংলাদেশের কোন অঞ্চল এবং কতখানি জায়গা নিয়ে বরেন্দ্রভূমি বিস্তৃত? – রাজশাহী অঞ্চলে প্রায় ৯৩২০ বর্গ কিঃ মিঃ। মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় কোথায় অবস্থিত? – গাজীপুর, ময়মনসিংহ এবং টাঙ্গাইল। মধুপুর ও ভাওয়াল গড়ে আয়তন কত? – প্রায় ৪৩১০ কিঃ মিঃ। লালমাই পাহাড়ের আয়তন এবং গড় উচ্চতা কত? – আয়তন ৩৩.৬৫ বর্গ কিঃমিঃ এবং গড় উচ্চতা ২১ মি: বাংলাদেশের পলল সমভুমি এলাকার আয়তন কত? – প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গ কিঃমিঃ। পস্নাবন ভুমি এলাকার গড় উচ্চতা কত? – সমুদ্র পৃষ্ট হতে প্রায় ৯.১৪ মিটার বা ৩০ ফুট। সমুদ্র তল থেকে দিনাজপুরের উচ্চতা কত? – ৩৭.৫০ মিটার। সমুদ্রতল থেকে বগুড়ার উচ্চতা কত ? – ২০ মিটার। সমুদ্রতল থেকে নারায়নগঞ্জ এবং রাজশাহীর উচ্চতা কত? – ৮ মিটার। বাংলাদেশের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য কত ? – ৫,১৩৮ কিলোমিটার। (৭১১ কিঃমিঃ সমুদ্র উপকূলসহ) বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলের দৈর্ঘ্য কত ? – ৭১১ কিঃ মিঃ বা ৪২২ মাইল। কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলের দৈর...

প্রবন্ধ রচনা : প্রতিবন্ধীদের প্রতি সামাজিক দায়িত্ব

ভূমিকা : আমাদের সবারই প্রতিবন্ধীদের প্রতি কর্তব্য ও দায়িত্ব আছে। একইভাবে পারিবারের, সমাজের এবং রাষ্ট্রেরও তাদের প্রতি কর্তব্য আছে। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করি যে, বিশ্বের অনেক দেশই প্রতিবন্ধীদের প্রতি অত্যন্ত উদাসীন এবং কোথাও কোথাও নিষ্করুণ। যা খুবই বেদনাদায়ক এবং মানবতাবিরোধী কাজ। ১৯৮১ সাল হল আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী-বর্ষ হিসেবে চিহ্নিত।  প্রতিবন্ধী শব্দের তাৎপর্য : মানুষের জন্ম দৈবের অধীন। কারো কারো জীবন তাই জন্ম মুহূর্তেই বিধাতার অভিশাপ-কলঙ্কিত। কেউ কেউ আবার দুরারোগ্য ব্যাধি, দুর্ঘটনা বা যুদ্ধ-কবলিত হয়ে প্রতিবন্ধী। দৈহিক বা মানসিক দিক দিয়ে যার জীবনে স্বাভাবিক বিকাশের অপূর্ণতা, প্রতিবন্ধকতা বা বাধা-সেই প্রতিবন্ধী। কেউ কেউ জন্মাধি প্রতিবন্ধী। কারো বা বায়োবুদ্ধির সাথে সাথে বোধশক্তির দীনতা ধরা পড়ে। সমাজে মূক বধির বিকলাঙ্গ জড়বুদ্ধি এরা সবাই প্রতিবন্ধী।  এদের সমস্যা : এদের জীবনে পদে পদে বাধা। এরা পৃথিবীর রঙ রূপ রসের বিলাস-বৈচিত্র্য অনেক কিছু উপভোগে অক্ষম। এরা সুস্থ মানুষের মতন হেঁটে চলে বেড়াতে অপটু। দিকে দিকে যে বিচিত্র কর্মধারা নিত্য প্রবাহিত, সেখানে যোগ দিতে অপটু। ধীরে ধীরে ...

প্রবন্ধ রচনা : শিশুরাই দেশের ভবিষ্যৎ

↬ এদেশের শিশু ও বিশ্ব শিশু ↬ আজকের শিশু আগামীদিনের ভবিষ্যৎ ভূমিকা : ‘ধরায় উঠেছে ফুটি শুভ্র প্রাণগুলি  নন্দনের এনেছে সম্বাদ  ইহাদে করো আশীর্বাদ।’                                               ------ রবীন্দ্রনাথ শুচিতার মূর্ত প্রতীক শুভপ্রাণ শিশুরাই ধরার বুকে নিয়ে আসে নন্দনের সংবাদ। আযানের ধ্বনিতে / উলুধ্বনি-শঙ্খধ্বনিতে হয় নবজাতকের বরণ। শিশুরাই আগামী প্রজন্মের স্বপ্ন। অনাগত দিনের নতুন ইতিহাস। এদের মধ্যেই সুপ্ত আছে ভাবীকালের কত কবি শিল্পী সাহিত্যিক, কত সত্যসন্ধ বিজ্ঞানী, কত দুঃসাহসী অভিযাত্রী, কত আলোকতীর্থের অভিসারী যুগাবতার ধর্মগুরু, ইতিহাসের কত খ্যাত-কীর্তি পুরুষ। আজ মর্ত্যের প্রাঙ্গণে যার অপটু, ভীরু-চরণধ্বনি, উত্তরকালে তারই দৃপ্ত পদচারণা।  শিশু-পরিচর্যার প্রয়োজন : যে শিশুরা ভবিষ্যতের উজ্জ্বল সম্ভাবনার বলিষ্ঠ অঙ্গীকার, যাদের কর্মসাধনা ও সিদ্ধির ওপর নির্ভর করে দেশ ও জাতির গৌরব-ইতিহাস, যারা আগামী দিনের স্বপ্ন ও সার্থকতা, তাদের জীবনে উপ...

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন ও ভারতের ভূমিকা

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে তৎকালীন বিশ্বের তিনটি বৃহৎ শক্তি তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ও বিপক্ষে অবস্থান গ্রহণ করে। দুটি সমাজতান্ত্রিক দেশ সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীনের অবস্থান ছিল পরস্পরবিরোধী। আদর্শগতভাবে চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দুই মেরুতে অবস্থান করলেও ক্রমবর্ধমান সোভিয়েত প্রভাববলয় প্রতিহত করতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রশ্নে তারা বিরোধী ভূমিকায় অবর্তীন হয়েছিল। অন্যদিকে তৎকালীন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ পরাশক্তি সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং প্রতিবেশী দেশ ভারত পরম বন্ধুর ন্যায় বাংলাদেশের পাশে এসে দাঁড়িয়ে ছিল। এমনকি শেষ পর্যন্ত ভারত সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশের বিজয় নিশ্চিতকরণে মূখ্য ভূমিকা পালন করে।  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা : বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নীতি প্রথম থেকেই বাঙালিস্বার্থের পরিপন্থি ছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ছিল পাকিস্তান নেতৃবৃন্দের বিরাগভাজন না হওয়া। মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস নিক্সন প্রশাসন পাকিস্তানের জন্য নৈতিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমর্থন যুগিয়েছিল। পাকিস্তানকে সমর্থন করার পেছনে প্রেসিডেন্ট নিক্সনের ...

সাধারণ জ্ঞান : ক্রিকেট

ক্রিকেট বাংলাদেশ ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিবি) কবে গঠিত হয়? – ১৯৭৩ সালে। বাংলাদেশ ক্রিকেট কন্ট্রোল কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিবি) এর বর্তমান নাম কী? – বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। জাতীয় ক্রিকেট প্রতিযোগিতা কবে থেকে শুরু হয়? – ১৯৭৪-৭৫ সাল থেকে। প্রথম জাতীয় ক্রিকেট লীগ কবে অনুষ্ঠিত হয়? – ১৯৯৯-২০০০ সালে। প্রথম জাতীয় ক্রিকেটে মোট কয়টি দল অংশ নেয়? – ৬টি। (ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট এবং বরিশাল।) দ্বিতীয় এ সি সি ট্রফিতে বাংলাদেশ কোন দেশকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়? – মালয়েশিয়া। (আমিনুল ইসলাম বুলবুল ম্যান অব দি ম্যাচ) একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে বাংলাদেশ প্রথম কবে কোন দেশকে হারিয়ে জয়লাভ করে? – ১৬ মে ১৯৯৮ কেনিয়াকে। বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট জয় লাভ করে কোন দলের বিরুদ্বে? – জিম্বাবুয়ে। (প্রথম টেস্টম্যাচ জয়ী অধিনায়ক – হাবিবুল বাশার।) বাংলাদেশের পক্ষে এককভাবে টেস্ট ম্যাচ সবচেয়ে বেশি রান করেন – হাবিবুল বাসার। বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেটের কততম সদস্য দেশ? – ১০ম। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অভিষেক টেস্ট কবে কোথায় অনুষ্ঠিত হয়? – ১০-১৪ নভেম্বর, ২০০০, ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাত...

সাধারণ জ্ঞান : বাংলাদেশের খেলাধুলা, ফুটবল, বিশ্ব অফিম্পিকে বাংলাদেশ, কমনওয়েলথ গেমসে বাংলাদেশ

বাংলাদেশের খেলাধুলা বাংলাদেশের পক্ষে ওয়ানডে অভিষেকে কোন ক্রিকেটার পাঁচ উইকেট পেয়েছেন? – তাসকিন আহমেদ। (নোট : সোহাগ গাজী ২০১২ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তার অভিষেকে ৬ উইকেট নেন। তাইজুল ইসলাম ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তার ৬ উইকেট নেন। আর তাসকিন আহমেদ ১৭ জুন ২০১৪ সালে ভারতের বিপক্ষে ৫ উইকেট নেন।) বাংলাদেশ ‘টেস্ট স্ট্যাটাস’ লাভ করে কবে? – ২৬ জুন, ২০০০ সাল। কোন বাংলাদেশী সর্বপ্রথম সাঁতরে ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করেন? – ব্রজেন দাস। বাংলাদেশ কবে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার মর্যাদা লাভ করে? – ১৫ জুন, ১৯৯৭ সাল। বাংলাদেশের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সাঁতারু কে? – ব্রজেন দাস। বাংলাদেশের জাতীয় খেলা কোনটি? – কাবাডি (হা-ডু-ডু)। কবে বাংলাদেশ প্রথম বিশ্বকাপ ফুটবলের বাছাইপর্বে বাংলাদেশ কোন গ্রুপে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে? – ১৯৮৬ সালে কেক্সিকো বিশ্বকাপ ফুটবলে বাছাই পর্বে। বাংলাদেশ ফিফার সদস্য হয় কবে? – ১ জানুয়ারি ১৯৭৬ সালে। বাংলাদেশ এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) সদস্য পদ লাভ করে কবে? – ১৯৭৩ সালে। দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কোনটি? – বি ...

সাধারণ জ্ঞান : বাংলা একাডেমি পুরস্কার, একুশে পদক, স্বাধীনতা পদক

বাংলা একাডেমি পুরস্কার সাহিত্য, শিল্প ও গবেষণাকর্মে নিজ নিজ ক্ষেত্রে অন্যান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলা একাডেমি প্রতি বছর এ পুরস্কার ঘোষণা করে। ২০০২ সালের পূর্ব পর্যন্ত এ পুরস্কারের মূল্য ছিল ২৫,০০০ টাকা এবং একটি সম্মাননাপত্র। ২০০২ সাল থেকে এ পুরস্কারের মূল্য বৃদ্ধি করে ১,০০,০০০ (এ লক্ষ) টাকা, ক্রেস্ট ও সম্মাননা দেয়া হয়।  বাংল একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০১৪ এ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যে পান কে? – আবু মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন।  বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০১৫ ক্রম ক্ষেত্র ব্যক্তিত্ব ১ কথাসাহিত্য শাহীন আক্তার ২ প্রবন্ধ আবুল মোমেন, ড. আতিউর রহমান ৩ কবিতা আলতাফ হোসেন ৪ গবেষণা মনিরুজ্জামান ৫ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্য তাজুল ইসলাম ৬ ভ্রমণ কাহিনী, আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা ফারুক হোসেন ৭ শিশুসাহিত্য সুজন বড়ুয়া একুশে পদক একুশে পদকের মান কী? – নগদ ১ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারটের ৩ ভরি ওজনের একটি স্বর্ণপদক, রেপ্লিকা ও একট...

সধারণ জ্ঞান : জাতীয় পুরস্কারসমূহ

জাতীয় পুরস্কারসমূহ ২০০১ সালে কোন প্রতিষ্ঠানটি বিল গেটস পদক অর্জন করে? – আইসিডিডিআরবি (বাংলাদেশের হাসপাতাল)। ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য কাকে ১৯৯৭ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া হয়? – ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত। একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ কতবার স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করতে পারেন? – জীবনে এক বার। এ পর্যন্ত মোট কতজনকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়েছে? – ৬৮ জনকে। বাংলাদেশে মোট কতজনকে বীরশ্রেষ্ঠ পদক প্রদান করা হয়েছে? – সাত জনকে। স্বাধীনতা যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের স্বীকৃতিস্বরূপ মোট কতজন মহিলাকে বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত করা হয়? – দুই জন (ডা. সেতারা বেগম ও তারামন বিবি)। ‘স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার’ কবে থেকে চালু হয়? – ১৯৭৭ সাল থেকে। ‘স্বাধীনতা পদক পুরস্কার’ এর প্রবর্তক কে? – শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। একুশে পদক প্রবর্তন করা হয় কবে? – ১৯৭৬ সালে। একুশে পদকের প্রবর্তক কে? – শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। কত সাল থেকে বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রদান করা হয়? – ১০৬০ সাল থেকে। বাংলা একাডেমি পুরস্কার দেয়া হয়নি কত বার? – ৩ বার (১৯৮৫, ১৯৯৭ ও ২০০০ সালে)। মার্কিন যুক্তর...