Posts

Showing posts with the label স্বাধীনতা দিবস

আজ মহান স্বাধীনতা দিবস বিষয়ক দিনিলিপি

তোমার মহান স্বাধীনতা দিবসের স্মৃতিচারণ করে দিনলিপি লিখো। ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২২, শনিবার।  ধানমন্ডি, ঢাকা।  সময় : রাত ১১.৩০ মিনিট।  আজ মহান স্বাধীনতা দিবস। আমাদের বাঙালি জাতির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। কারণ এই দিনেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। এতগুলো বছর পরও দিনটির গুরুত্ব এতটুকু কমেনি আমাদের কাছে। আর আজ সকালে আমার ঘুম ভাঙে স্বাধীনতার বিভিন্ন গান দিয়ে। উঠে দেখি চারিদিকে বিভিন্ন ধরনের দেশাত্মবোধক গান বাজছে। দিনটা শুরু হয় আমার স্বাধীনতার গান দিয়ে। ঘর থেকে বাইরে এসে দেখি আমার ভাই ও বোন খুব খুশি। দৃশ্যটা দেখে আমার খুবই ভালো লাগলো। আজ আমার স্কুলে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ছিল। আমি প্রত্যেকটা প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছি। শিক্ষকরা সবাই আমার উপর খুব খুশি। অনেকগুলো পুরস্কার নিয়ে বাসায় এসে দেখি আমার ছোট ভাই - বোনও তাদের স্কুল থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেয়েছে। আমাদের বসার ঘর পুরস্কারে ভর্তি হয়ে গেল। দুপুরে বাবা আমাদেরকে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে নিয়ে গেল। অবশ্য দুপুরের খাবারটা আমরা বাহিরেই সেরে ফেলি। আর যেখানেই...

Paragraph : Golden Jubilee of Bangladesh Independence

Golden Jubilee of Bangladesh Independence The 16th of December, the glorious day when the Pakistan army was led by General A.A.K. Niazi along with 93,000 soldiers lay down their arms and surrendered to the Indian and Bangladeshi forces. Bangladesh has reached its 50th day, as Bangladesh won its freedom on December 16, 1971. The victory came at a huge cost of millions of lives lost. Millions of People lost their homes and became refugees. The country’s journey throughout these 50 years has been far from easy. It has gone through immense struggle- be it famines, floods, autocracy and our ever-present problem of corruption. But no one can deny Bangladesh’s place as a nation today, a country brimming with potential, a nation full of opportunities, beginning with its graduation from an LDC to a middle-income economy, followed by fulfilling the Sustainable Development Goals by 2030. In the last decade, its progress was signified by various indicators, including economic growth, povert...

প্রবন্ধ রচনা : স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও অর্থনৈতিক মুক্তি

ভূমিকা : নয় মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যাদ) পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের জন্ম হয়। আর সেই বাংলাদেশে পালিত হচ্ছে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। স্বাধীনতা লাভের পেছনে স্বপ্ন ও প্রত্যাশা ছিল অর্থনৈতিক ও সামাজিক শোষণ থেকে মুক্তি, গণতান্ত্রিক অধিকার এবং আত্মনির্ভরশীলতার অঙ্গীকার। ইতিহাস : বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস সুদীর্ঘ। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর থেকেই এদেশের মানুষের ভাগ্যে জুটেছে কেবল শোষণ আর বঞ্চনা। সেসময় পাকিস্তানের পশ্চিম ও পূর্ব অংশের মধ্যে দুই বিপরীতমুখী অর্থনৈতিক কর্মসূচি অনুসরণ করা হতো। রপ্তানিতে এগিয়ে থাকা সত্ত্বেও দেশের পূর্ব অংশে বিনিয়োগ হতো কম। বড় ও ভারি শিল্পকারখানা প্রায় সবই গড়ে ওঠে পশ্চিম অংশে। পূর্ব অংশের ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে অর্থনীতির সার্বিক নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে পশ্চিমের কয়েকটি ধনাঢ্য পরিবার। সরকারি চাকরি ও সামরিক বাহিনীতে দেখা দেয় কোটার ব্যাপক বৈষম্য। পশ্চিম পাকিস্তানের শোষণ থেকে মুক্তি পেতে বাংলাদেশ...

বিদ্যালয়ে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে নিমন্ত্রণপত্র

তোমার বিদ্যালয়ে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে একটি নিমন্ত্রণপত্র রচনা কর। ২১ মার্চ, ২০২০ সুধী, শুভেচ্ছা রইল। আগামী ২৬ মার্চ, ২০২০ তারিখে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে আমাদের বিদ্যালয়ে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণে দিনব্যাপী এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন বীর মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী। এ ছাড়া আরো উপস্থিত থাকবেন স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধারা। উক্ত মহতী অনুষ্ঠানে আপনার সবান্ধব উপস্থিতি একান্তভাবে কামনা করছি। বিনীত নুসরাত জাহান সাধারণ সম্পাদিকা জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজ, ছাত্রী সংসদ, জয়পুরহাট। অনুষ্ঠানসূচি ১. শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ : সকাল ৬:০০ টা ২. র‍্যালি : সকাল ৭:০০ টা ৩. উদ্বোধনী ঘোষণা : সকাল ৯:০০ টা ৪. আলোচনা সভা : সকাল ৯:৩০ টা ৫. সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান : বিকাল ৫:০০ টা

স্বাধীনতা দিবস নিয়ে স্কুলের শিক্ষক ও কয়েকজন ছাত্রের মধ্যে সংলাপ

স্বাধীনতা দিবস পালন করা নিয়ে স্কুলের শিক্ষক ও কয়েকজন ছাত্রের মধ্যে একটি সংলাপ তৈরি করো। শিক্ষক : প্রতিবছরের মতো এ বছরও আমাদের কলেজে ২৬শে মার্চ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে আগামীকাল থেকে অনুষ্ঠানের মহড়া চলবে। তোমাদের সবার অংশগ্রহণ করা চাই। কামাল : স্যার, নাটক হবে না? শিক্ষক : অবশ্যই হবে। তোমাদের সাইদুল স্যার ‘আবার ৭১’ নামে একটা নাটিকা লিখেছেন। উনিই নির্দেশনা দেবেন। জামাল : স্যার, সবাই কি নাটক করতে পারবে? শিক্ষক : অবশ্যই। তোমাদের মধ্য থেকে বাছাই করে তারপর চরিত্র অনুযায়ী তোমাদেরকে নাটকের মহড়ায় নেওয়া হবে। অপু : স্যার আমি কিন্তু নাচ আর দেশাত্মবোধক গান করব। নুরু : আমি পল্লিগীতি আর ভাওয়াইয়া গান করব। পারলে নাটকের দলেও থাকতে চাই। শিক্ষক : অবশ্যই তোমরা তোমাদের পছন্দমতো বিভাগে অংশগ্রহণ করবে। আচ্ছা, তোমাদের মধ্যে কেউ কি ৭ই মার্চের ভাষণ জানো? জামাল : আমি জানি স্যার। শিক্ষক : বলো তো শুনি। জামাল : এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম। ...

ভাষণ : স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য

‘ স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তুমি তোমার বক্তব্য উপস্থাপন কর। অথবা, মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে তোমাকে এক আলোচনা সভায় ভাষণ দিতে হবে। ভাষণটি তৈরি কর। অথবা , মহান স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির একটি ভাষণ তৈরি কর। অথবা , ‘স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভার প্রধান বক্তা হিসেবে একটি ভাষণ তৈরি কর। ‘স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠানের মাননীয় সভাপতি, সম্মানিত প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি, আলোচকবৃন্দ, সুধীমণ্ডলী, পৃথিবীর বহু জাতিই স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করেছে। যে দিনটিতে দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয় সেটি সেই দেশের স্বাধীনতা দিবস। প্রতি বছরই একবার করে সেই স্মরণীয় ও তাৎপর্যময় দিনটি উপস্থিত হয়। তখন সেই জাতি প্রাণশক্তিতে উজ্জীবিত হয়। স্বাধীনতা একটি জাতির তথা দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। যে জাতি পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ সে জাতির জীবনে কোনো গৌরব নেই। স্বাধীনতা জাতিকে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন করে তোলে। তাই জাতীয় জীবনে স্বাধীনতার গুরুত্ব অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সম্মানিত সুধী, বাঙালির জাতীয় জীবনে ...

কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের অভিজ্ঞতা

কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা কর। এ বছর আমাদের কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের জন্য বিশেষ আয়োজন করা হয়েছিল। প্রায় এক সপ্তাহ আগে অধ্যক্ষ মহোদয় সব ছাত্রছাত্রীকে নির্দেশ দিয়েছিলেন দিনটিকে বিশেষভাবে উদযাপন করতে এবং তার জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও দিকনির্দেশনাও দিয়েছিলেন। স্বাধীনতা দিবসে আমরা ৭টার মধ্যেই যথারীতি কলেজে উপস্থিত হলাম। প্রথমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং সমবেত কন্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হলো। তারপর স্বাধীনতা দিবসের র‍্যালি বের হয়। শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কলেজ ক্যাম্পাসে এসে র‍্যালি শেষ হলো। তারপর সকাল সাড়ে দশটা থেকে শুরু হলো প্রতিযোগিতামূলক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। দেশাত্মবোধক গান, কবিতা আবৃত্তি এবং তার সঙ্গে নাচ চলল দুপুর দুটো পর্যন্ত। এরপর দেড় ঘন্টা মধ্যাহ্নভোজের বিরতি। বিকাল ৪টা থেকে শুরু হলো মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা নিয়ে স্মৃতিচারণমূলক অনুষ্ঠান। এলাকার দুজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে আহ্বান করা হলো। তাঁরা যুদ্ধকালীন অভিজ্ঞতার কথা শোনালেন। বিকেল পাঁচটায় শুরু হলো অনুষ্ঠান। বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী, মুক্তিযোদ্ধা ও বক্তাগণের কাছ থেকে অনেক মূল্য...

প্রবন্ধ রচনা : স্বাধীনতা দিবস (প্রতিযোগিতার উপযোগী) - PDF

Image
↬ ২৬ মার্চ, ১৯৭১ ↬ জাতীয় জীবনে স্বাধীনতা দিবসের গুরুত্ব ভূমিকা :  তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা পৃথিবীর এক প্রান্ত হতে অন্য প্রান্ত জ্বলন্ত ঘোষণার ধ্বনি–প্রতিধ্বনি তুলে, নতুন নিশানা উড়িয়ে, দামামা বাজিয়ে দিগ্বিদিক এই বাংলায় তোমাকেই আসতে হবে। — শামসুর রাহমান কবিতার এ ছত্রেই লুকিয়ে আছে স্বাধীনতার মূলমন্ত্র। স্বাধীনতার বীজপত্র হিসেবে এমন একটি কবিতাই যথেষ্ঠ। স্বাধীনতা মানুষের জন্মগত অধিকার। অনাহারী একজন গৃহহীন পথের লোকও ব্যক্তিগত জীবনে স্বাধীনতা কামনা করে। স্বাধীনতার অর্থ পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হয়ে সার্বভৌম আত্মমর্যাদা নিয়ে দেশ ও জাতির অগ্রযাত্রা। স্বাধীনতা প্রত্যেক জাতির অমূল্য সম্পদ। যে জাতি যেদিন স্বাধীনতা লাভ করে সেদিনটি জাতীয় জীবনে এক গৌরবান্বিত, আনন্দঘন ও তাৎপর্যময় দিন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস : স্বাধীনতা যে কোনো জাতির জন্যে একটি গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। স্বাধীনতা আমাদের সামনে স্বর্ণ দুয়ার খুলে দেয়। যে দুয়ার দিয়ে প্রবেশ করে আমরা আমাদের যুগসঞ্চিত জঞ্জাল দূর করার পথ খুঁজে পেয়েছিলাম। স্বাধীনতা দিবস জাতীয় জীবনের একটি লাল তারিখ, ...

প্রতিবেদন : স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে

তোমার বিদ্যালয়ে উদ্‌যাপিত স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে একটি প্রতিবেদন রচনা করো। বা তোমার বিদ্যালয়ে ‘স্বাধীনতা দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের ওপর একটি প্রতিবেদন রচনা করো। বা, মনে করো, তুমি রাহাত। তুমি খুলনা জিলা স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র। তোমার বিদ্যালয়ে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানের বিবরণ দিয়ে প্রধান শিক্ষক বরাবর একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন করো। ২৯শে মার্চ, ২০২১ বরাবর প্রধান শিক্ষক জাজিরা মোহর আলী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় জাজিরা, শরীয়তপুর বিষয় : স্বাধীনতা দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে প্রতিবেদন। সূত্র: জা.মো.ম.বি/৫১(৩)/২১ জনাব, জাজিরা মোহর আলী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে স্বাধীনতা দিবস উদ্‌যাপন সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন তৈরির আদিষ্ট হয়ে নিম্নরূপ প্রতিবেদন উপস্থাপন করছি। জাজিরা মোহর আলী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে স্বাধীনতা দিবস উদ্‌যাপিত বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে গত ২৬শে মার্চ, ২০২১ জাজিরা উপজেলা সদরের জাজিরা মোহর আলী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৫তম স্বাধীনতা দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যথাযথ মর্যাদায় উদ্‌যাপিত স্বাধীনতা দিবসের মূল অনুষ্ঠান ছিল আলোচনা সভা। ...

প্রবন্ধ রচনা : বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী

Image
১৯৭১ সালে বাংলাদেশ যখন স্বাধীনতা লাভ করে, তখন অনেকেই আমাদের দেশটিকে “A test case for Development” বলে অভিহিত করেছিলেন। যা অনেকটা ছিল বাংলাদেশকে লক্ষ্য করে ছুড়ে দেওয়া উন্নত দেশের একটি চ্যালেঞ্জের মতো। উন্নত দেশগুলো ভাবতেন যে, বাংলাদেশে উন্নয়নের পথে এমন অনেকগুলো বাধা রয়েছে, যা ডিঙিয়ে বাংলাদেশের উন্নত হওয়াটা হবে অসম্ভব একটি ব্যাপার। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও আমাদের প্রত্যাশা প্রথমত, নতুন স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশ নামক দেশটিতে তখন লোকসংখ্যা ছিল প্রায় ৭ কোটি আর দেশটির আয়তন ছিল মাত্র ৫৪ হাজার বর্গমাইল। এত ছোট আয়তনের দেশে এত বেশি লোক পৃথিবীতে তখন খুব একটা ছিল না। তখনো বাংলাদেশ জনসংখ্যা/বর্গমিটার হিসেবে নবম বা দশম হবে। তা ছাড়া ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত দেশটির ওপর একধরনের আধা ঔপনেবিশিক শোষণ চালানো হয়েছিল। ফলে দেশের ভেতরে শিল্পায়নের মাত্রা ছিল কম। অবকাঠামো ছিল দুর্বল, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থা ছিল অবিকশিত। এসব উন্নতির ছিটেফোঁটা যেটুকু ছিল তার সবটাই প্রায় ছিল পশ্চিম পাকিস্তানিদের দখলে। সারা পাকিস্তানে তখন ব্যাংক-বিমা, শিল্প-কারখানা...

প্রতিবেদন : বিদ্যালয়ের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠান সম্পর্কে

সম্প্রতি উদ্‌যাপিত তোমার বিদ্যালয়ের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠান সম্পর্কে প্রধান শিক্ষিকা বরাবর একটি প্রতিবেদন রচনা করো। অথবা, মনে করো, তুমি সোহানা। তোমার বিদ্যালয়ের ‘সুবর্ণজয়ন্তী’ উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানের একটি বিবরণ দিয়ে প্রধান শিক্ষক বরাবর একটি প্রতিবেদন লেখো। ২৬শে জুন, ২০১৮ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, সরকারি করোনেশন মাধ্যমিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, খুলনা। বিষয় : বিদ্যালয়ে সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠান সম্পর্কে প্রতিবেদন। জনাব, সরকারি করোনেশন মাধ্যমিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সুবর্ণজয়ন্তী অর্থাৎ ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠান উদ্‌যাপন সম্পর্কে প্রতিবেদন রচনায় আদিষ্ট হয়ে নিচের প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করছি। সরকারি করোনেশন মাধ্যমিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন ২৫শে জুন, ২০১৮ সরকারি করোনেশন মাধ্যমিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় সুবর্ণজয়ন্তী অর্থাৎ ৫০ বছর পূর্তি। এ উপলক্ষ্যে বিদ্যালয়ে একটি মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিদ্যালয়ে অনেক পুরোনো ছাত্রী উপস্থিত ছিলেন। বিদ্যালয়ের ছাত্রীসংসদ বিষয়টি অত্যন্ত নৈ...

প্রবন্ধ রচনা : স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মহান বিজয় দিবস

ভূমিকা : প্রতিটি জাতির জীবনেই  বিজয় দিবস এক অনন্য গৌরবোজ্জ্বল দিন। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। প্রতিবছর ডিসেম্বর মাসের ১৬ তারিখ বাঙালির জাতীয় জীবনে অপরিসীম আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে। এ দিনটি বাংলাদেশের বিজয় দিবস। বিজয় দিবসের এই দিনটি বাঙালি জাতিসত্ত্বার আত্মমর্যাদা, বীরত্ব এবং সার্বভৌমত্বের প্রতীক।  বাংলাদেশের বিজয় দিবস : ১৯৭১ সালে দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর এই দিনে বাঙালি জাতি অর্জন করে পূর্ণাঙ্গ বিজয়। ১৯৭১ সালের এই দিনে বাঙালিরা পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে তাদেরকে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করেছিল। এই দিনে পৃথিবীর মানচিত্রে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে জন্ম হয়েছে বাংলাদেশের। তাই বিজয়ের এই দিনটি আমাদের জাতীয় জীবনে সর্বাপেক্ষা স্মরণীয়, আনন্দময় এবং গৌরবের দিন। ১৯৭২ সালের ২২ জানুয়ারি তারিখে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এই দিনটিকে বাংলাদেশে জাতীয় দিবস হিসেবে উদ্‌যাপন করা হয় এবং সরকারিভাবে এ দিনটিতে ছুটি ঘোষণা করা হয়। প্রতি বছর বাংলাদেশে দিবসটি যথাযথ ভাবগাম্ভীর্য এবং বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে পালিত হয়। ১৫ ডিসেম্বর রাত ১২.০১ মিনিট থ...

Report on golden jubilee celebration

Suppose, you are Ruma, a student of class-XI of Viqarunnisa Noor School and College, Dhaka. Your college will observe its golden jubilee celebration on January 12. Now, write a report on it.  GOLDEN JUBILEE OF VIQARUNNISA NOON SCHOOL AND COLLEGE-JAN 12  Ruma, DHAKA, January 10 : The four-day golden jubilee celebration of Viqarunnisa Noon School and College begins January 12 on the premises.  The Hon’ble President of the Peoples Republic of Bangladesh will inaugurate the grand celebration on January 12, Principal of the college Hamida Ali told a press conference on Tuesday.  The four-day gala programmes include opening ceremony, alumni day, founding day and closing day. Three mega cultural shows and a band show will be staged.  About 4,000 former students of the school have registered their names to take part in the extravaganza.  Established in 1952, the Viqarunnisa Noon School turned into a Bangla medium school from Senior Cambridge system in 1972. The co...

Report on the celebration of independence day

Suppose, your college has recently celebrated ‘The Independence Day’. A large number of programmes were arranged to observe the day. Now, write a report on the celebration of ‘The Independence Day’.  VICTORIA COLLEGE CELEBRATED INDEPENDENCE DAY  COMILLA, March 29 : The 44th Independence Day was observed at Comilla Victoria College Premises on March 26, with great enthusiasm and solemnity.  The celebrate the occasion preparations were taken with the help from district administration. The local DC attended the ceremony as the chief guest while the Principal presided over the ceremony. The programme of the day started with the singing of the national anthem and hoisting of the national flag at 8:00 am. To celebrate the occasion with pomp and grandeur, the college buildings were decorated with colourful papers.  Patriotic songs were heard through microphones. Students of the college participated in the programme voluntarily and acted out a one at play by Humaun Ahmed. T...

অনুচ্ছেদ : স্বাধীনতা দিবস - PDF

Image
স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চ বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষিত হয়। ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করলেও পাকিস্তানের সামরিক সরকার তাঁর হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি করতে থাকে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শুরু হয় তীব্র আন্দোলন। এ আন্দোলন এক পর্যায়ে স্বাধীনতা ও মুক্তির সংগ্রামে রূপ নেয়। এরপর পাকিস্তান সরকার কূটকৌশলের আশ্রয় নিয়ে ৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে এদেশের নিরীহ ছাত্র-জনতা ও পুলিশ-ইপিআরের উপর অতর্কিত হামলা শুরু করে। এতে অনেক মানুষ হতাহত হয়। এ সময় বঙ্গবন্ধুকেও গ্রেফতার করে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া হয়। গ্রেফতারের পূর্বে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এ পরিস্থিতিতে এ দেশে অবস্থানরত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বাঙালি সৈনিকরা সশস্ত্র বিদ্রোহ শুরু করেন। তাদের এ বিদ্রোহের মধ্য দিয়েই আমাদের স্বাধীনতা ও মুক্তির সংগ্রাম সশস্ত্র যুদ্ধের রূপ নেয়। এরপর একটানা নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর...

Composition : Independence Day Celebration at School

Independence Day Celebration at School In 1947 India was divided into two independent states- India and Pakistan. Once Bangladesh was a part of Pakistan. It was then called East Pakistan. The rules of Pakistan made East Pakistan their colony (উপনিবেশ). The Bangladeshis protested against this. As a result, on the night of March 25, 1971, the Pakistani Army fell upon the innocent unarmed Bangladeshis and started killing them mercilessly. On March 26, independence was declared and our people took up arms to fight the Pakistani occupation forces. So, March 26 is the Independence Day of Bangladesh. On March 26 this year we celebrated the Independence Day in our school in a befitting manner. We decorated the school. At 6 a.m. we hoisted our national flag with the slogans “Joy Bangla” . Our Headmaster gave us an educative talk on the flag hoisting ceremony. Sweets were distributed among the school students at 9 a.m. The variety show was to begin by 2 p.m. So, we again came to scho...

প্রবন্ধ রচনা : স্বাধীনতা দিবস - PDF

↬ ২৬ মার্চ, ১৯৭১ ↬ জাতীয় জীবনে স্বাধীনতা দিবসের গুরুত্ব “সাবাস, বাংলাদেশ, এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়; জ্বলে পুড়ে মরে ছারখার, তবুও মাথা নোয়াবার নয়।”                                                    -সুকান্ত ভট্টাচার্য ২৬শে মার্চ, ১৯৭১ সালে পৃথিবীর মানচিত্রে একটি দেশের নামের অন্তর্ভুক্তি ঘটে, -বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস এ দিনটিকে ঘিরে রচিত হয়েছে। এ দিনের নবীন সূর্যোদয়ের মধ্য দিয়ে আমাদের জাতীয় জীবনে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়। এ স্বাধীনতা দিবসের আনন্দোজ্জ্বল মুহূর্তের মধ্যে প্রথমেই যে কথা মনে পড়ে, তা হল এ দেশের অসংখ্য দেশপ্রেমিক শহীদের আত্মদান। ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলার মানুষ পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক স্বৈরশাসনের ২৪ বছরের গ্লানি থেকে মুক্তির পথ খুঁজে পেয়েছিল। লক্ষ লক্ষ শহীদের রক্তে রাঙানো আমাদের স্বাধীনতার সূর্য। তাই এ দেশের জাতীয় জীবনে স্বাধীনতা দিবস সবচাইতে গৌরবময় ও পবিত্রতম দিন। ২৬ মার্চ, আমাদের মহান স্বাধীনতা দিবস। অন্যান্য ঘটনা : ‘শুধু ভিক্ষ...