Posts

Showing posts with the label সাধারণ জ্ঞান

পুলিশ বিষয়ক পরিভাষা

পুলিশ বিষয়ক পরিভাষা Police State পুলিশ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত রাষ্ট্র হচ্ছে ‘Police State’। যেখানে সরকারবিরোধী পক্ষকে পুলিশের সাহায্যে দমন করা হয়। এটা অনেকটা Totalitarian রাষ্ট্রের মতো। Totalitarian State Totalitarian State বলতে এমন একটা রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাকে বোঝায়, যেখানে একটিমাত্র রাজনৈতিক দল থাকে। এখানে জনসাধারণকে রাষ্ট্রের প্রয়োজনের নিকট উৎসর্গীকৃ বলে বিবেচনা করা হয়। Ambush অতর্কিত আক্রমণার্থে গোপন স্থানে অবস্থান করাকে Ambush বলা হয় (to lay concealed in wait to attack by surprise)। Curfew আভিধানিক অর্থে Curfew হচ্ছে একটা ইঙ্গিত বা সময়, যার পর জনসাধারণ অবশ্যই ঘরে অবস্থান করবে। অপরদিকে Code of Criminal Procedure (CrPC)-এর ২৪ নং সেকশন অনুযায়ী Curfew হচ্ছে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক জারিকৃত একটি আদেশ, যার ফলে একটি নির্দিষ্ট এলাকার জনসাধারণ যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকে ঘর থেকে বের হতে পারে না। FIR বা এজাহার FIR হচ্ছে First Information Report CrPC-এর ১৫৪ ও ১৫৫ ধারা অনুযায়ী কোনো অপরাধের বিষয়ে থানায় রিপোর্ট করাকে FIR বলা হয়। ফৌজদারী মামলার ক্ষেত্রে FIR একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে ...

বাংলাদেশ পুলিশ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান - ৬ষ্ঠ পর্ব

বাংলাদেশ পুলিশের উল্লেখযোগ্য শাখা বাহিনী প্রধান স্পেশাল ব্রাঞ্চ (SB) এডিশনাল আইজি (Additional IG) সিআইডি (CID) সিআইডি (CID) মেট্রোপলিটন পুলিশ (Metropolitan Police) কমিশনার (Commissioner) র‌্যাব (RAB) মহাপরিচালক (General Director) রেলওয়ে পুলিশ (জিআরপি) (GRP) ডিআইজি (DIG) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন ডিআইজি (DIG) পুলিশ ইন্টারনাল ওভারসাইট ডিআইজি (DIG) ইমিগ্রেশন পুলিশ ডিআইজি (DIG) সোয়াট ডিআইজি (DIG) বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন নেটওয়ার্ক ডিআইজি (DIG) হাইওয়ে পুলিশ ডিআইজি (DIG) এসএএফ (আর্মড ফোর্স) এসপি (SP) ট্যুরিস্ট পুলিশ - শিল্পাঞ্চল পুলিশ ডিআইজি (DIG) ক্রিমিনাল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (CIU) ডিআইজি (DIG) নৌ প...

বাংলাদেশ পুলিশ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান - ৫ম পর্ব

বাংলাদেশ কোস্টগার্ড বাংলাদেশে কবে কোস্টগার্ড গঠন করা হয়? — ১৯৯৪ সালের ১২ ডিসেম্বর। আইন পাস হয়- সেপ্টেম্বর ১৯৯৪। কোস্টগার্ড বাহিনী গঠনের উদ্দেশ্য কি? — উপকূলের নিরাপত্তা ও নৌযানগুলোকে জলদস্যুদের হামলা থেকে রক্ষা করা। বাংলাদেশের উপকূলীয় সীমান্তের দৈর্ঘ্য কত? — ৭১০ কিলোমিটার। কোস্টগার্ডের কার্যক্রম শুরু হয় কবে? — ২০ ডিসেম্বর ১৯৯৫। বাংলাদেশ কোস্টগার্ড-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত? — ঢাকায়। কোস্টগার্ডের আঞ্চলিক অফিস কয়টি ও কোথায় অবস্থিত? — ২টি; চট্টগ্রাম ও খুলনায়। অপারেশন জাটকা কি? — জাটকা নিধন বন্ধে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড কর্তৃক পরিচালিত অভিযান। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর)- এর বর্তমান নাম কি? — বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (BGB) BGB-এর পূর্ণরূপ কি? — Border Guard Bangladesh বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ আইন জাতীয় সংসদে পাস হয় কবে? — ৮ ডিসেম্বর ২০১০। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ আইন রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করেন কবে? — ২০ ডিসেম্বর ২০১০। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ আইনে বিদ্রোহের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কি? — মৃত্যুদণ্ড। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ কবে যাত্রা শুরু করে? — ২৩ জানুয়ারি ২০১১। বর্ডার গার্ড বাংলাদে...

বাংলাদেশ পুলিশ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান - ৪র্থ পর্ব

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পুলিশ (তথ্য আগস্ট ২০২০ পর্যন্ত) বাংলাদেশ পুলিশ বিদেশে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার্থে নিয়োজিত হয়ে কার তত্ত্বাবধানে কাজ করে? — জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী। বর্তমানে শান্তিরক্ষা মিশনে অবদানের দিক থেকে বাংলাদেশ পুলিশের অবস্থান কত? — চতুর্থ। বাংলাদেশ পুলিশ এ যাবৎ জাতিসংঘের কতটি মিশনে অংশ নিয়েছে? — ২২টি। বর্তমানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের কত জন সদস্য কাজ করছে? — ৬৫৪ জন। বসনিয়া-হার্জেগোভিনায় নিয়োজিত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীতে যোগ দেয়ার জন্য বাংলাদেশ পুলিশের দলটিকে পাঠানো হয় কবে? — ১৮ আগস্ট ১৯৯২। কতজন পুলিশ সদস্য ২০২০ সালের আগস্ট পর্যন্ত জাতিসংঘ মিশন সম্পন্ন হয়েছে? — ১৯,৬৬৮ জন। হাইতি মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের দলটিকে পাঠানো হয় কবে? — ২ অক্টোবর ১৯৯৪। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মশনে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ পুলিশের কত সদস্য শহিদ হন? — ২১ জন। বসনিয়ায় এক বছরের জন্য পুলিশ মনিটর হিসেবে দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ পুলিশের ১০ জন অফিসারকে পাঠানো হয় কবে? — ১৮ অক্টোবর ১৯৯৬। অ্যাঙ্গোলা শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের কতজন সদস্য প্রেরিত...

সাধারণ জ্ঞান : বঙ্গবন্ধু টানেল

Image
২৮ অক্টোবর ২০২৩ চট্টগ্রামের পতেঙ্গা প্রান্তে ‘ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল ’-এর উদ্বোধন করা হয়। চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত দেশের প্রথম এই সুড়ঙ্গপথের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এটিই দক্ষিণ এশিয়ায় নদী তলদেশের প্রথম ও দীর্ঘতম সড়ক সুড়ঙ্গপথ। টানেলটি প্রস্তাবিত এশিয়ান হাইওয়েকে ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সঙ্গে সংযুক্ত করবে এবং দূরত্ব ৪০ কিলোমিটার কমিয়ে দেবে। কর্ণফুলী নদীর উভয় পাশের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং চীনের সাংহাই শহরের ন্যায় চট্টগ্রামকে ‘ওয়ান সিটি অ্যান্ড টু টাউন’ মডেলে গড়ে তোলাই প্রকল্পের উদ্দেশ্য। ২৯ অক্টোবর সকাল ৬টা থেকে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়। টানেলের দুই টিউবের চার লেন দিয়ে ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার গতিতে গাড়ি চলাচল করতে পারবে। এতে কর্ণফুলী নদী পাড়ি দিতে ৩-৪ মিনিট সময় লাগবে। চীনা প্রতিষ্ঠান China Communication and Construction Company Limited এই সুড়ঙ্গ নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন দায়িত্ব পালন করে। প্রতিষ্ঠানটি টানেল রক্ষণাবেক্ষণ ও টোল আদায়ের দায়িত্বও পালন করবে। দুই টিউববিশিষ্ট চার লেনের টানেল প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি ৭১...

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য কনফিডেন্স কোচিং-এর লেকচার শিট - PDF

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য কনফিডেন্স কোচিং - এর সকল লেকচার শিট PDF English - Confidence Lecture 01-02 English - Confidence Lecture 03-04 English - Confidence Lecture 05-06 English - Confidence Lecture 07-08 English - Confidence Lecture 09-10 English - Confidence Lecture 11-12 English - Confidence Lecture 13-14 English - Confidence Lecture 15-16 English - Confidence Lecture 17-18 English - Confidence Lecture 19-20 আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি - কনফিডেন্স লেকচার ০১-০২ আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি - কনফিডেন্স লেকচার ০৩-০৪ আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি - কনফিডেন্স লেকচার ০৫-০৬ আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি - কনফিডেন্স লেকচার ০৭-০৮ আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি - কনফিডেন্স লেকচার ০৯-১০ আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি - কনফিডেন্স লেকচার ১১ - ১২ গণিত - কনফিডেন্স লেকচার ০১-০৩ গণিত - কনফিডেন্স লেকচার ০৪-০৬ গণিত - কনফিডেন্স লেকচার ০৭-০৯ গণিত - কনফিডেন্স লেকচার ১০-১২ গণিত - কনফিডেন্স লেকচার ১৩-১৫ গণিত - কনফিডেন্স লেকচার ১৬-১৮ বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ - কনফিডেন্স লেকচার ০১-...

বাংলাদেশ পুলিশ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান - ৩য় পর্ব

(১৭) ট্রাফিক পুলিশ ট্রাফিক সিগনালে আলোর ক্রম কি? — লাল > হলুদ > সবুজ ট্রাফিক সিগনালে লাল বাতি কি নির্দেশ করে? — থামতে নির্দেশ করে। ট্রাফিক সিগনালে থামার জন্য লাল আলো ব্যবহৃত হয় কেন? — লাল আলোর বিক্ষেপণ কম বলে। ট্রাফিক সিগনালে চলার নির্দেশক আলো কোনটিপ? — সবুজ আলো। ট্রাফিক সিগনালের হলুদ আলো কিসের নির্দেশক? — গতি কমানো বা চলা শুরুর প্রস্তুতির নির্দেশক। ঢাকা মহানগরীতে কতটি ট্রাফিক ক্রসিং রয়েছে? — ৬৫০টি। ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের হিসাব অনুযায়ী ঢাকা শহরে কয়টি স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক বাতি আছে? — ৬০টি। প্রতিটি স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক বাতি সংযোগ করতে কত টাকা খরচ হয়েছে? — আড়াই লাখ টাকা (প্রায়)। ঢাকা মহানগরীতে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য মোট ট্রাফিক পুলিশের সংখ্যা কত? — ৩৫০০ জন (প্রায়)। রাজধানীতে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে প্রথমবারের মতো মহিলা ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন করা হয় কবে? — ৮ জুন ২০০৩। সরকার রাজধানীতে মহিলা ট্রাফিক নিয়োগের পর কোন বিভাগে মহিলা পুলিশ নিয়োগ করেছে? — আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসমূহ এবং স্থলবন্দরসমূহের ইমিগ্রেশন বিভাগে। টিসিএনবি (TCNB)...

বাংলাদেশ পুলিশ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান - ২য় পর্ব

Image
(৯) পুলিশ রেঞ্জ পুলিশ রেঞ্জ কি? — এটি চার স্তরবিশিষ্ট পুলিশ প্রশাসনের সর্বোচ্চ স্তর। পুলিশ রেঞ্জ কিভাবে গঠিত? — কয়েকটি জেলার সমন্বয়ে একটি পুলিশ রেঞ্জ গঠিত হয়। একটি পুলিশ রেঞ্জের প্রধান কর্মকর্তাকে কি বলা হয়? — ডিআইজি (ডেপুটি ইন্সপেস্টর জেনারেল)। বাংলাদেশে বর্তমানে কয়টি পুলিশ রেঞ্জ আছে? — ১০টি (ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর, ময়মনসিংহ, রেলওয়ে ও হাইওয়ে)। (১০) পুলিশ জেলা পুলিশ জেলা কি? — পুলিশ প্রশাসনের একটি স্তর (দ্বিতীয় স্তর)। পুলিশ জেলা কিভাবে গঠিত হয়? — কয়েকটি পুলিশ সার্কেলের সমন্বয়ে একটি পুলিশ জেলা গঠিত হয়। জেলার পুলিশ প্রধানকে কি বলে? — এসপি (সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ)। বর্তমানে দেশে কয়টি পুলিশ জেলা আছে? — প্রতি জেলায় ১টি করে ৬৪টি। (১১) পুলিশ সার্কেল পুলিশ সার্কেল কি? — পুলিশ প্রশাসনের তৃতীয় স্তর। পুলিশ সার্কেল কিভাবে গঠিত হয়? — কয়েকটি পুলিশ থানার সমন্বয়ে পুলিশ সার্কেল গঠিত। পুলিশ সার্কেলের অধিকর্তা কে হন? — একজন সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট। (১২) পুলিশ থানা পুলিশ থানা কি? — চার স্তরবিশিষ্ট পুলিশ প্রশাসনের সর্বনিম্ন স...

বাংলাদেশ পুলিশ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান - ১ম পর্ব

Image
(১) পুলিশ বিষয়ক সাধারণ তথ্য ‘POLICE’ শব্দটির পূর্ণরূপ কি? — P-Polite, O-Obedient, L-Loyal, I-Intelligent, C-Courageous, E-Efficient পুলিশ (Police) শব্দের অর্থ কি? — ‘Police’ শব্দটি Noun হলে এর অর্থ হয় শৃঙ্খলা, শান্তি ও আইন রক্ষা করার ব্যবস্থা (The system of preservation of order and peace and enforcement of law)। অথবা পুলিশ বলতে বোঝায় এমন একটা প্রতিষ্ঠানের সদস্য, যাদের দায়িত্ব হচ্ছে দুর্নীতি দমন ও প্রতিহত করা এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখা। (The member of an official organization whose job is to keep public orders and demolish and prevent of corruption crime) শব্দটি Verb হলে তখন তার অর্থ দাঁড়ায় পুলিশ বা তৎসমতুল্য কোনোকিছু দ্বারা কোনো স্থানে শৃঙ্খলা বজায় রাখা (to keep orders in a place with or as if with police)। বাংলাদেশ পুলিশের মূলনীতি কি? — শান্তি, শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও প্রগতি। পুলিশের মূলমন্ত্র কি? — দুষ্টের দমন ও শিষ্টের লালন। (২) বাংলাদেশ পুলিশের মনোগ্রাম, ড্রেস ও ক্যাপ বাংলাদেশ পুলিশের মনোগ্রাম কি? — এক পাশে ধানের শীষ ও অপর পাশে গমের শীষ এবং ...

সাধারণ জ্ঞান : পদ্মা সেতু

Image
প্রমত্ত পদ্মার ওপর নির্মিত হবে একটি সেতু, এতে ঢাকার সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমের যোগাযোগে উন্মোচিত হবে নতুন সম্ভাবনা- এ স্বপ্ন বহুদিনের। যা এখন বাস্তবে পরিণত। ২৫ জুন ২০২২ দেশের দীর্ঘতম সেতুটি চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। পদ্মা সেতু কালপঞ্জিতে পদ্মা সেতু ১৯৯৯ - নিজস্ব অর্থায়নে সরকার পদ্মা সেতু তৈরির প্রাক-সম্ভাব্যতা যাচাই করে। ২০০১ - ৪ জুলাই : তৎকালীন ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক মাওয়া ঘাটে পদ্মা সেতু নির্মাণের আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন। ৪ ডিসেম্বর : বিস্তারিত সমীক্ষা পরিচালনার জন্য সরকারের সাথে JICA’র চুক্তি স্বাক্ষর। ২০০৩ - পদ্মা সেতু নির্মাণের লক্ষ্যে বিস্তারিত সমীক্ষার কাজ শুরু। ২০০৭ - আগস্ট : একনেকে ১০,১৬১ কোটি টাকা ব্যয়ে পদ্মা সেতু প্রকল্পের অনুমোদন। ২০০৯ - ২ ফেব্রুয়ারি : পদ্মা সেতুর নকশা প্রণয়নের কাজ শুরু করে AECOM ২০১১ - ২৮ এপ্রিল : বিশ্বব্যাংকের সাথে বাংলাদেশ সরকারের ১২০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণচুক্তি স্বাক্ষর। ২০১ ২ - ২৯ জুন : শর্ত না মানায় ঋণচুক্তি বাতিলের ঘোষণা দেয় বিশ্বব্যাংক। ৪ জুলাই : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ...

সাধারণ জ্ঞান : GDP'র চূড়ান্ত হিসাব ২০২২

৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ২০২০-২১ অর্থ বছরের চূড়ান্ত GDP'র খাতওয়ারি অবদান ও প্রবৃদ্ধির হার এবং মাথাপিছু আয় প্রকাশ করে। কৃষি, শিল্প ও সেবা- এই তিনটিকে প্রধান খাত ধরে গণনা করা হয় GDP। জনসংখ্যা ১৬৯.১১ মিলিয়ন GDP ৩৫,৩০১,৮৪৮ মিলিয়ন টাকা GNI ৩৭,১৫৯,৯৯৬ মিলিয়ন টাকা মাথাপিছু GDP ২০৮,৭৫১ টাকা বা ২,৪৬২ মা.ড. মাথাপিছু জাতীয় আয় ২১৯,৭৩৮ টাকা বা ২,৫৯১ মা.ড. GDP'র প্রবৃদ্ধির হার ৬.৯৪% মাথাপিছু আয় : মাথাপিছু আয় কোনো নাগরিকের ব্যক্তিগত আয় নয়। একটি অর্থবছরে রাষ্ট্রের সার্বিক আয়কে মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করে যে আয় পাওয়া যায়, সেটিই মাথাপিছু আয়। GDP : একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত মোট দ্রব্য ও সেবাসমূহের সমষ্টিকে মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা মোট দেশজ উৎপাদন বলে। মোট দেশজ উৎপাদনকে ইংরেজিতে Gross Domestic Product বা সংক্ষেপে GDP বলে। জিডিপি হিসাব করার সময় দেশের মধ্যে ও সেবাসমূহের সমষ্টিকে বোঝায়। কিন্তু বিদেশে অবস্থানরত দেশের জনগণ কর্তৃক উৎপাদিত দ্রব্য ও...