Posts

Showing posts with the label মার্চ

অনুচ্ছেদ : মুজিবনগর দিবস

মুজিবনগর দিবস মুজিবনগর দিবস আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এবং জাতীয় জীবনে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ স্মরণীয় একটি দিন। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল এদেশের রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র স্বাধীনতার সংগ্রাম। এই মুক্তির সংগ্রামকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ১০ এপ্রিল ১৯৭১ গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার। এ সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায়, যার বর্তমান নাম মুজিবনগর। শপথ অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক দেশি-বিদেশি সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। সরকার প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার নাম অনুসারে বৈদ্যনাথতলার নামকরণ করা হয় মুজিবনগর এবং অস্থায়ী সরকারও পরিচিত হয় মুজিবনগর সরকার নামে। এ সরকার গঠনের মাত্র দুই-ঘণ্টা পর পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান মুজিবনগরে বোমাবর্ষণ করে এবং মেহেরপুর দখল করে নেয়। ফলে মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোডে স্থানান্তরিত হয়। বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের ১২টি মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ছিল। এসব বিভাগের মাধ্যমেই যুদ্ধকালে সামরিক ও বেসামরিক যাবতীয় প্রশাসন পরিচালিত...

প্রবন্ধ রচনা : বুদ্ধিজীবী হত্যা

↬ স্মরণীয় যাঁরা চিরদিন ভূমিকা : লাখো প্রাণের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি আমাদের স্বাধীনতা। ১৯৭১ সালে প্রায় নয় মাসব্যাপী যুদ্ধে শহিদ হয়েছেন অসংখ্য মানুষ। দেশবাসী আজও তাঁদের জন্য গর্ববোধ করে।  প্রেক্ষাপট : ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতাসংগ্রামের ডাক দিয়ে বলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম। এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ এরই ধারাবাহিকতায় স্বাধীনতার ঘোষণা আসার ঠিক পূর্বমুহূর্তি অর্থাৎ ২৫ মার্চ গভীর রাতে ঢাকার নিরীহ মানুষের ওপর বর্বর আক্রমণ শুরু হয়। তারা প্রথম শুরু করে নির্বিচারে হত্যা; এরপর ঠাণ্ডা মাথায় পরিকল্পিতভাবে একে একে হত্যা করে এ দেশের বরেণ্য ব্যক্তিদের।  আমরা যাঁদের ভুলব না : আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবনদানকারী কারও কথাই আমরা কোনদিন ভুলতে পারব না। এদের কয়েকজন হলেন :  অধ্যাপক মুনিরুজ্জামান : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানের ধর্মপ্রাণ শিক্ষক ছিলেন তিনি। পবিত্র কোরআন শরিফ পড়া অবস্থায় তাঁকে ধরে, টেনেহিঁচড়ে নিয়ে হত্যা করে পাকিস্তানি সেনারা।  অধ্যাপক জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা : তিনি ইংরেজির খ্যাতিমান শিক্ষ...

আজ মহান স্বাধীনতা দিবস বিষয়ক দিনিলিপি

তোমার মহান স্বাধীনতা দিবসের স্মৃতিচারণ করে দিনলিপি লিখো। ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২২, শনিবার।  ধানমন্ডি, ঢাকা।  সময় : রাত ১১.৩০ মিনিট।  আজ মহান স্বাধীনতা দিবস। আমাদের বাঙালি জাতির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। কারণ এই দিনেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। এতগুলো বছর পরও দিনটির গুরুত্ব এতটুকু কমেনি আমাদের কাছে। আর আজ সকালে আমার ঘুম ভাঙে স্বাধীনতার বিভিন্ন গান দিয়ে। উঠে দেখি চারিদিকে বিভিন্ন ধরনের দেশাত্মবোধক গান বাজছে। দিনটা শুরু হয় আমার স্বাধীনতার গান দিয়ে। ঘর থেকে বাইরে এসে দেখি আমার ভাই ও বোন খুব খুশি। দৃশ্যটা দেখে আমার খুবই ভালো লাগলো। আজ আমার স্কুলে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ছিল। আমি প্রত্যেকটা প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছি। শিক্ষকরা সবাই আমার উপর খুব খুশি। অনেকগুলো পুরস্কার নিয়ে বাসায় এসে দেখি আমার ছোট ভাই - বোনও তাদের স্কুল থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেয়েছে। আমাদের বসার ঘর পুরস্কারে ভর্তি হয়ে গেল। দুপুরে বাবা আমাদেরকে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে নিয়ে গেল। অবশ্য দুপুরের খাবারটা আমরা বাহিরেই সেরে ফেলি। আর যেখানেই...

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে মার্চ মাস

১৯৭১ সালে ২৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত পরিকল্পিত গণহত্যা, যার মাধ্যমে তারা ১৯৭১-এর মার্চ ও এর পূর্ববর্তী সময়ে সংঘটিত বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে দমন করতে চেয়েছিল। এই গণহত্যা ছিল পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকদের আদেশে পরিচালিত, যা ১৯৭০-এর নভেম্বরে সংঘটিত অপারেশন ব্লিটজ়-এর পরবর্তী অনুষঙ্গ। অপারেশনটির আসল উদ্দেশ্য ছিল ২৬ মার্চ-এর মধ্যে সব বড় বড় শহর দখল করে নেয়া এবং রাজনৈতিক ও সামরিক বিরোধীদের এক মাসের ভেতর নিশ্চিহ্ন করে দেয়া। বাঙালিরা তখন পাল্টা প্রতিরোধ সৃষ্টি করে, যা পাকিস্তানি পরিকল্পনাকারীদের ধারণার বাইরে ছিল। পেছনের কথা  ১৯৭০-এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর বাঙালিরা আশা করেছিল যে ক্ষমতার পালাবদল হবে এবং আওয়ামী লীগ ৬ দফা অনুসারে সরকার গঠন করবে। ২৮ ১৯৭১-এ তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান ইয়াহিয়া খান পিপিপি (পাকিস্তান পিপলস্ পার্টি)-এর জুলফিকার আলী ভুট্টোর প্ররোচনা ও চাপে জাতীয় বিধানসভার কার্যাবলি মার্চ পর্যন্ত স্থগিত করে দেন। পিপিপি এরই মধ্যে শেখ মুজিবুর রহমানের জনপ্রিয়তা হ্রাস করার...

Paragraph : Golden Jubilee of Bangladesh Independence

Golden Jubilee of Bangladesh Independence The 16th of December, the glorious day when the Pakistan army was led by General A.A.K. Niazi along with 93,000 soldiers lay down their arms and surrendered to the Indian and Bangladeshi forces. Bangladesh has reached its 50th day, as Bangladesh won its freedom on December 16, 1971. The victory came at a huge cost of millions of lives lost. Millions of People lost their homes and became refugees. The country’s journey throughout these 50 years has been far from easy. It has gone through immense struggle- be it famines, floods, autocracy and our ever-present problem of corruption. But no one can deny Bangladesh’s place as a nation today, a country brimming with potential, a nation full of opportunities, beginning with its graduation from an LDC to a middle-income economy, followed by fulfilling the Sustainable Development Goals by 2030. In the last decade, its progress was signified by various indicators, including economic growth, povert...

প্রবন্ধ রচনা : স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও অর্থনৈতিক মুক্তি

ভূমিকা : নয় মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যাদ) পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের জন্ম হয়। আর সেই বাংলাদেশে পালিত হচ্ছে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। স্বাধীনতা লাভের পেছনে স্বপ্ন ও প্রত্যাশা ছিল অর্থনৈতিক ও সামাজিক শোষণ থেকে মুক্তি, গণতান্ত্রিক অধিকার এবং আত্মনির্ভরশীলতার অঙ্গীকার। ইতিহাস : বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস সুদীর্ঘ। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর থেকেই এদেশের মানুষের ভাগ্যে জুটেছে কেবল শোষণ আর বঞ্চনা। সেসময় পাকিস্তানের পশ্চিম ও পূর্ব অংশের মধ্যে দুই বিপরীতমুখী অর্থনৈতিক কর্মসূচি অনুসরণ করা হতো। রপ্তানিতে এগিয়ে থাকা সত্ত্বেও দেশের পূর্ব অংশে বিনিয়োগ হতো কম। বড় ও ভারি শিল্পকারখানা প্রায় সবই গড়ে ওঠে পশ্চিম অংশে। পূর্ব অংশের ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে অর্থনীতির সার্বিক নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে পশ্চিমের কয়েকটি ধনাঢ্য পরিবার। সরকারি চাকরি ও সামরিক বাহিনীতে দেখা দেয় কোটার ব্যাপক বৈষম্য। পশ্চিম পাকিস্তানের শোষণ থেকে মুক্তি পেতে বাংলাদেশ...

বিদ্যালয়ে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে নিমন্ত্রণপত্র

তোমার বিদ্যালয়ে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে একটি নিমন্ত্রণপত্র রচনা কর। ২১ মার্চ, ২০২০ সুধী, শুভেচ্ছা রইল। আগামী ২৬ মার্চ, ২০২০ তারিখে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে আমাদের বিদ্যালয়ে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণে দিনব্যাপী এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন বীর মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী। এ ছাড়া আরো উপস্থিত থাকবেন স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধারা। উক্ত মহতী অনুষ্ঠানে আপনার সবান্ধব উপস্থিতি একান্তভাবে কামনা করছি। বিনীত নুসরাত জাহান সাধারণ সম্পাদিকা জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজ, ছাত্রী সংসদ, জয়পুরহাট। অনুষ্ঠানসূচি ১. শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ : সকাল ৬:০০ টা ২. র‍্যালি : সকাল ৭:০০ টা ৩. উদ্বোধনী ঘোষণা : সকাল ৯:০০ টা ৪. আলোচনা সভা : সকাল ৯:৩০ টা ৫. সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান : বিকাল ৫:০০ টা

স্বাধীনতা দিবস নিয়ে স্কুলের শিক্ষক ও কয়েকজন ছাত্রের মধ্যে সংলাপ

স্বাধীনতা দিবস পালন করা নিয়ে স্কুলের শিক্ষক ও কয়েকজন ছাত্রের মধ্যে একটি সংলাপ তৈরি করো। শিক্ষক : প্রতিবছরের মতো এ বছরও আমাদের কলেজে ২৬শে মার্চ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে আগামীকাল থেকে অনুষ্ঠানের মহড়া চলবে। তোমাদের সবার অংশগ্রহণ করা চাই। কামাল : স্যার, নাটক হবে না? শিক্ষক : অবশ্যই হবে। তোমাদের সাইদুল স্যার ‘আবার ৭১’ নামে একটা নাটিকা লিখেছেন। উনিই নির্দেশনা দেবেন। জামাল : স্যার, সবাই কি নাটক করতে পারবে? শিক্ষক : অবশ্যই। তোমাদের মধ্য থেকে বাছাই করে তারপর চরিত্র অনুযায়ী তোমাদেরকে নাটকের মহড়ায় নেওয়া হবে। অপু : স্যার আমি কিন্তু নাচ আর দেশাত্মবোধক গান করব। নুরু : আমি পল্লিগীতি আর ভাওয়াইয়া গান করব। পারলে নাটকের দলেও থাকতে চাই। শিক্ষক : অবশ্যই তোমরা তোমাদের পছন্দমতো বিভাগে অংশগ্রহণ করবে। আচ্ছা, তোমাদের মধ্যে কেউ কি ৭ই মার্চের ভাষণ জানো? জামাল : আমি জানি স্যার। শিক্ষক : বলো তো শুনি। জামাল : এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম। ...

২৫শে মার্চ রাতের ভয়াবহতা সম্পর্কে একজন তরুণের দিনলিপি

২৫শে মার্চ রাতের ভয়াবহতা সম্পর্কে একজন তরুণের দিনলিপি লেখ। ২৭ মার্চ,১৯৭১ নির্ঘুম রাত কাটল। খুব ভোরে উঠে বাশারকে নিয়ে বাইরে বের হলাম আজ সকালে কারফিউ নেই। দুপুর থেকে আবার শুরু হবে। নারী, পুরুষ, শিশু, বৃদ্ধ হাজার হাজার লোক রেল-লাইনের পথ ধরে এগিয়ে যাচ্ছে। তাদের সবার চোখে মুখে মৃত্যু ভয়। আমরা আউটার সার্কুলার রোডে হোটেল ‘দ্যা প্যালেস’এর সামনে একটা লাশ দেখে প্রথমে চমকে উঠলাম। তারপর রাজারবাগের দিকে এগিয়ে দেখলাম অসংখ্য লাশ। রক্ত শুকিয়ে জমাটবদ্ধ হয়ে আছে। দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে। পুলিশ ব্যারাক থেকে তখনও ধোঁয়া উঠছে। লাশ আর রক্তের গন্ধে বাশার বমি করল। ওর মাথায় পানি দিতে চাইলাম, সম্ভব হলো না, কলাতলি বেশ দূর। রুমাল ভিজিয়ে এনে ওর চোখ মুখ মুছিয়ে দিলাম। একটু সুস্থ বোধ করলেই ওকে নিয়ে দুপুরের আগে বাসায় ফিরলাম বাসায় ফেরার অল্পক্ষণ পর আমার সেন্ট গ্রেগরির ফ্রেন্ড সালেক এলো আর্মির পোশাকে, সঙ্গে তার বন্ধু ক্যাপ্টেন মাহমুদ। ওদের মুখে ক্যান্টনমেন্টের ভয়াবহ অবস্থার কথা জানলাম। মা ওদের অনেক জোর করলেন খেয়ে যাওয়ার জন্য। ওরা খেল না। আমার জামা কাপড় পরে ছদ্মবেশে বের হলো কারফিউ শুরু হওয়ার আগেই শহ...

ভাষণ : স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য

‘ স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তুমি তোমার বক্তব্য উপস্থাপন কর। অথবা, মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে তোমাকে এক আলোচনা সভায় ভাষণ দিতে হবে। ভাষণটি তৈরি কর। অথবা , মহান স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির একটি ভাষণ তৈরি কর। অথবা , ‘স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভার প্রধান বক্তা হিসেবে একটি ভাষণ তৈরি কর। ‘স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠানের মাননীয় সভাপতি, সম্মানিত প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি, আলোচকবৃন্দ, সুধীমণ্ডলী, পৃথিবীর বহু জাতিই স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করেছে। যে দিনটিতে দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয় সেটি সেই দেশের স্বাধীনতা দিবস। প্রতি বছরই একবার করে সেই স্মরণীয় ও তাৎপর্যময় দিনটি উপস্থিত হয়। তখন সেই জাতি প্রাণশক্তিতে উজ্জীবিত হয়। স্বাধীনতা একটি জাতির তথা দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। যে জাতি পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ সে জাতির জীবনে কোনো গৌরব নেই। স্বাধীনতা জাতিকে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন করে তোলে। তাই জাতীয় জীবনে স্বাধীনতার গুরুত্ব অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সম্মানিত সুধী, বাঙালির জাতীয় জীবনে ...

কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের অভিজ্ঞতা

কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা কর। এ বছর আমাদের কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের জন্য বিশেষ আয়োজন করা হয়েছিল। প্রায় এক সপ্তাহ আগে অধ্যক্ষ মহোদয় সব ছাত্রছাত্রীকে নির্দেশ দিয়েছিলেন দিনটিকে বিশেষভাবে উদযাপন করতে এবং তার জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও দিকনির্দেশনাও দিয়েছিলেন। স্বাধীনতা দিবসে আমরা ৭টার মধ্যেই যথারীতি কলেজে উপস্থিত হলাম। প্রথমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং সমবেত কন্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হলো। তারপর স্বাধীনতা দিবসের র‍্যালি বের হয়। শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কলেজ ক্যাম্পাসে এসে র‍্যালি শেষ হলো। তারপর সকাল সাড়ে দশটা থেকে শুরু হলো প্রতিযোগিতামূলক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। দেশাত্মবোধক গান, কবিতা আবৃত্তি এবং তার সঙ্গে নাচ চলল দুপুর দুটো পর্যন্ত। এরপর দেড় ঘন্টা মধ্যাহ্নভোজের বিরতি। বিকাল ৪টা থেকে শুরু হলো মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা নিয়ে স্মৃতিচারণমূলক অনুষ্ঠান। এলাকার দুজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে আহ্বান করা হলো। তাঁরা যুদ্ধকালীন অভিজ্ঞতার কথা শোনালেন। বিকেল পাঁচটায় শুরু হলো অনুষ্ঠান। বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী, মুক্তিযোদ্ধা ও বক্তাগণের কাছ থেকে অনেক মূল্য...

অনুচ্ছেদ : ৭ই মার্চের ভাষণ

৭ই মার্চের ভাষণ বাংলাদেশের মানুষের কাছে ৭ই মার্চের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যময়। ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রহমান তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমাবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) প্রায় দশ লক্ষ মানুষের উপস্থিতিতে ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। এই ভাষণের বাস্তবতা বিশ্লেষণ করতে গেলে একটি পিছনে যেতে হবে। পাকিস্তানি নামক রাষ্ট্রের জন্মের পর থেকেই পশ্চিম পাকিস্তানিরা পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলার উপরে শোষণ - নিপীড়ন শুরু করে। আর এর বিরুদ্ধে বাংলার মানুষ আন্দোলন করে শেখ মুজিবর রহমানের নেতৃত্বে। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের সামরিক একনায়ক আইয়ুব খান ক্ষমতাচ্যুত হন। এরপর ক্ষমতায় এসে নতুন প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া সাধারণ নির্বাচন দিতে বাধ্য হন। ১৯৭০ সালের সে নির্বাচনে আওয়ামী লীগ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বাঙালিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর না করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। কোনো কারণ ছাড়াই ইয়াহিয়া ১৯৭১ সালের ৩রা মার্চে ঢাকায় পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করেন। এই ষড়যন্ত্রমূলক ঘোষণা শুনেই পূর্ব পাকিস্তানের সর্বত্র প্রতিবাদ ও বিক্ষোভের ঝড় ওঠে। তারই প্রেক্ষি...

অনুচ্ছেদ : নারী দিবস

নারী দিবস দীর্ঘদিনের বৈষম্যের পরাধীনতার বেড়াজাল ভেঙ্গে বর্তমানে নারী প্রতিবাদী চেতনায় উজ্জীবিত। ইতিহাসের পাতায় আন্দোলনের নতুন মাত্রা হিসেবেব যুক্ত হয়েছে। ১৯৭৫ সালে জাতিসংঘে ঘোষণার পর থেকে সারাবিশ্বে প্রতিবছর এ দিনটি পালিত হয়। আন্তর্জাতিক নারী দিবসের প্রেক্ষাপটে তৈরি হয়েছিল ১৮৫৭ সালে। অমানবিক পরিবেশ ও ১২ ঘন্টা কাজের বিরুদ্ধে নিউইয়র্ক শহরে নারী শ্রমিকরা প্রতিবাদের সূচনা করে। ১৮৫৭ সালের ৮ই মার্চ কারখানার মহিলা শ্রমিকরা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলনের কর্মসূচি হিসেবে শান্তিপূর্ণ মিছিল করলে পুলিশ মিছিলে হামলা চালায়। তিন বছর পর একই দিনে কারখানার মহিলা শ্রমিকরা ওকটি 'মহিলা শ্রমিক ইউনিয়ন' গঠন করে। সেই ধারাবাহিকতায় ১৯০৮ সালের ৮ই মার্চ আবার নিউইয়র্ক শহরে নারী শ্রমিকরা মিছিল বের করে। তারই প্রেক্ষিতে ১৯১০ সালের জার্মান সমাজতান্ত্রিক নেত্রী ক্লারা জেটকিন ৮ই মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালনের প্রস্তাব দেন। তারপর থেকেই নারী সংগঠনগুলো আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে দিবসটি পালন করতে শুরু করে। কিন্তু দীর্ঘদিন বাদে জাতিসংঘ ১৯৭৫ সালে এ দিনটিকে নারী দিবসে স্বীকৃতি দেয়। বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে স...

প্রবন্ধ রচনা : স্বাধীনতা দিবস (প্রতিযোগিতার উপযোগী) - PDF

Image
↬ ২৬ মার্চ, ১৯৭১ ↬ জাতীয় জীবনে স্বাধীনতা দিবসের গুরুত্ব ভূমিকা :  তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা পৃথিবীর এক প্রান্ত হতে অন্য প্রান্ত জ্বলন্ত ঘোষণার ধ্বনি–প্রতিধ্বনি তুলে, নতুন নিশানা উড়িয়ে, দামামা বাজিয়ে দিগ্বিদিক এই বাংলায় তোমাকেই আসতে হবে। — শামসুর রাহমান কবিতার এ ছত্রেই লুকিয়ে আছে স্বাধীনতার মূলমন্ত্র। স্বাধীনতার বীজপত্র হিসেবে এমন একটি কবিতাই যথেষ্ঠ। স্বাধীনতা মানুষের জন্মগত অধিকার। অনাহারী একজন গৃহহীন পথের লোকও ব্যক্তিগত জীবনে স্বাধীনতা কামনা করে। স্বাধীনতার অর্থ পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হয়ে সার্বভৌম আত্মমর্যাদা নিয়ে দেশ ও জাতির অগ্রযাত্রা। স্বাধীনতা প্রত্যেক জাতির অমূল্য সম্পদ। যে জাতি যেদিন স্বাধীনতা লাভ করে সেদিনটি জাতীয় জীবনে এক গৌরবান্বিত, আনন্দঘন ও তাৎপর্যময় দিন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস : স্বাধীনতা যে কোনো জাতির জন্যে একটি গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। স্বাধীনতা আমাদের সামনে স্বর্ণ দুয়ার খুলে দেয়। যে দুয়ার দিয়ে প্রবেশ করে আমরা আমাদের যুগসঞ্চিত জঞ্জাল দূর করার পথ খুঁজে পেয়েছিলাম। স্বাধীনতা দিবস জাতীয় জীবনের একটি লাল তারিখ, ...

প্রতিবেদন : স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে

তোমার বিদ্যালয়ে উদ্‌যাপিত স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে একটি প্রতিবেদন রচনা করো। বা তোমার বিদ্যালয়ে ‘স্বাধীনতা দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের ওপর একটি প্রতিবেদন রচনা করো। বা, মনে করো, তুমি রাহাত। তুমি খুলনা জিলা স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র। তোমার বিদ্যালয়ে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানের বিবরণ দিয়ে প্রধান শিক্ষক বরাবর একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন করো। ২৯শে মার্চ, ২০২১ বরাবর প্রধান শিক্ষক জাজিরা মোহর আলী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় জাজিরা, শরীয়তপুর বিষয় : স্বাধীনতা দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে প্রতিবেদন। সূত্র: জা.মো.ম.বি/৫১(৩)/২১ জনাব, জাজিরা মোহর আলী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে স্বাধীনতা দিবস উদ্‌যাপন সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন তৈরির আদিষ্ট হয়ে নিম্নরূপ প্রতিবেদন উপস্থাপন করছি। জাজিরা মোহর আলী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে স্বাধীনতা দিবস উদ্‌যাপিত বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে গত ২৬শে মার্চ, ২০২১ জাজিরা উপজেলা সদরের জাজিরা মোহর আলী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৫তম স্বাধীনতা দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যথাযথ মর্যাদায় উদ্‌যাপিত স্বাধীনতা দিবসের মূল অনুষ্ঠান ছিল আলোচনা সভা। ...

প্রবন্ধ রচনা : বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী

Image
১৯৭১ সালে বাংলাদেশ যখন স্বাধীনতা লাভ করে, তখন অনেকেই আমাদের দেশটিকে “A test case for Development” বলে অভিহিত করেছিলেন। যা অনেকটা ছিল বাংলাদেশকে লক্ষ্য করে ছুড়ে দেওয়া উন্নত দেশের একটি চ্যালেঞ্জের মতো। উন্নত দেশগুলো ভাবতেন যে, বাংলাদেশে উন্নয়নের পথে এমন অনেকগুলো বাধা রয়েছে, যা ডিঙিয়ে বাংলাদেশের উন্নত হওয়াটা হবে অসম্ভব একটি ব্যাপার। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও আমাদের প্রত্যাশা প্রথমত, নতুন স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশ নামক দেশটিতে তখন লোকসংখ্যা ছিল প্রায় ৭ কোটি আর দেশটির আয়তন ছিল মাত্র ৫৪ হাজার বর্গমাইল। এত ছোট আয়তনের দেশে এত বেশি লোক পৃথিবীতে তখন খুব একটা ছিল না। তখনো বাংলাদেশ জনসংখ্যা/বর্গমিটার হিসেবে নবম বা দশম হবে। তা ছাড়া ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত দেশটির ওপর একধরনের আধা ঔপনেবিশিক শোষণ চালানো হয়েছিল। ফলে দেশের ভেতরে শিল্পায়নের মাত্রা ছিল কম। অবকাঠামো ছিল দুর্বল, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থা ছিল অবিকশিত। এসব উন্নতির ছিটেফোঁটা যেটুকু ছিল তার সবটাই প্রায় ছিল পশ্চিম পাকিস্তানিদের দখলে। সারা পাকিস্তানে তখন ব্যাংক-বিমা, শিল্প-কারখানা...

কালরাত ২৫ মার্চ ১৯৭১ : একটি খণ্ডচিত্র

একাত্তরের ৩ মার্চ ঢাকায় পাকিস্তানের নবনির্বাচিত পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠানের কথা ছিল। পাকিস্তানের বিরোধী দল জুলফিকার আলী ভুট্টোর পিপলস পার্টি বিরোধিতা করছিল। এ অবস্থায় ১ মার্চ পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট, সেনাশাসক জেনারেল ইয়াহিয়া খান পার্লামেন্ট অধিবেশন স্থগিত করার ঘোষণা দিলে মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। ঢাকার রাজপথে জনতার ঢল নামে। সবাই পল্টন ময়দানের (বর্তমানের আউটার স্টেডিয়াম) দিকে যায়। হোটেল পূর্বাণীতে আওয়ামী লীগের বৈঠক চলছিল। সেখানে বঙ্গবন্ধু বিক্ষোভ আন্দোলন শুরুর ঘোষণা দেন। সামরিক শাসকেরা কারফিউ জারি করে। মানুষ কারফিউ ভেঙে রাজপথে নামে। গভীর রাতেও বিভিন্ন এলাকা থেকে গণমানুষের উত্তাল মিছিল বেরোতে থাকে। তারা পাকিস্তানি সেনাদের নির্বিচার গুলির সামনে বুক পেতে দেয়। অসংখ্য মানুষ প্রাণ দেয়। ৭ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বঙ্গবন্ধু তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণে ঘোষণা করেন, ‘.....এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ শুরু হয় অসহযোগ আন্দোলন। শুধু আধা বেলা ব্যাংক খোলা থাকত। যানবাহন সামান্য কিছু চলত। আর সব বন্ধ। তখন থেকেই শুরু হয়ে যা...

The Immortal 7th March : Completing Story

Read the beginning of the story. Add at least ten new sentences to complete the story. Give a suitable title to it. 7th March 1971 was a day of huge tension. Everybody was eagerly waiting for the leader in the Racecourse Maidan. Military helicopters were patrolling in the sky. Suddenly.................... The Immortal 7th March 7th March 1971 was a day of huge tension. Everybody was eagerly waiting for the leader in the Racecourse Maidan. Military helicopters were patrolling in the sky. Suddenly Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, the great leader of the Bengali people, appeared before the microphone on the stage with his high and manly voice, he gave a historic speech before the gathering crowd. Addressing the people as ‘my brother’, Bangabandhu began his speech with the statement that his heart was overflowing with grief. He protested the massacre that had been committed in different cities of the country. He said that Bengal had passed twenty three tragic years ...

মার্চ ১৯৭১ - প্রতিটি দিনের ঘটনা

ডেটলাইন মার্চ ১৯৭১ ১ মার্চ ১৯৭১ স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত। জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করার প্রতিবাদে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ঢাকা ও দেশের অন্যান্য শহরে বিক্ষোভ মিছিল। কারফিউ জারি। ২ মার্চ ১৯৭১ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন প্রাঙ্গণের ছাত্রসভায় তৎকালীন ঢাকসুর ভিপি আ স ম আবদুর রব স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন। ৩ মার্চ ১৯৭১ ছাত্রলীগ আয়োজিত পল্টনের জনসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উপস্থিতিতে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শাজাহান সিরাজের ‘স্বাধীন বাংলাদেশের ইশতেহার’ পাঠ। ৫ মার্চ ১৯৭১ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে সারা দেশে পাঁচ দিনব্যাপী হরতাল পালন। টঙ্গী, খুলনা, রাজশাহী ও চট্টগ্রামে গুলি। রংপুরে কারফিউ এবং অসংখ্য সভা ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত। ৬ মার্চ ১৯৭১ দেশবাসীর উদ্দেশ্যে ইয়াহিয়ার ভাষণ, ২৫ মার্চ জাতীয় পরিষদের অধিবেশনের ডাক। ৭ মার্চ ১৯৭১ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানের বিশাল জনসভায় (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বান, ‘তোমাদের যা কিছু আছে, তা-ই নিয়ে প্রস্তুত থাকো। রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরও দেব। এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশা আল্লাহ। এবারের সংগ্...