Posts

Showing posts with the label প্রাকৃতিক সৌন্দর্য

Email foreign friend about Bangladesh and her people

Suppose, you are Noman. Very recently you have made friendship with Chi Chang, a non-Bangladehi friend. She is eager to know about Bangladesh and her people. Now, write an email telling her about Bangladesh and her people. To :  <chichang @ myallgarbage.com> Cc :  ......................................................... Bcc :  ......................................................... Subject : Bangladesh and her people. Dear Chi Chang, Take my cordial love and best wishes to you, However, I’m happy to learn that you are very much interested to know about my country and her people. Here it is. Bangladesh is situated in the southern part of Asia. Bangladesh is an independent country. The natural scenery of Bangladesh is very attractive. Rice is our staple food. There are 160 million people in our country. Almost all the people speak in Bangla. Most of the people of our country are Muslims. Besides, there are Hindus, Buddhi...

Letter to pen-friend about telling natural beauty of Bangladesh

Suppose, you have a penfriend named Smith. He has a keen interest to know about the natural beauty of your country. Now, write a letter to him telling about the natural beauty of Bangladesh. Dhaka, Bangladesh 22 April 2020 My dear Smith, Thank you very much for your sweet note. In your letter you have wanted to know about the scenic beauty of Bangladesh. Now I am writing to you about the scenic beauty of my native country. Bangladesh is a treasure trove of bounteous nature. It is uniquely a land of scenic beauty. Green meadows and green corn fields are eye-catching and amazing. Ours is a riverine country. It is criss-crossed by many rivers and their tributaries. The Sundarbans is the largest mangrove forest in the world. It’s still renowned for its great variety of its flora and fauna. It’s a splendid habitat of Royal Bengal Tigers, spotted deer and the estuarine crocodiles. Tourists from all over the world come to visit the Sundarbans, t...

সুন্দরবন ভ্রমণের বর্ণনা দিয়ে দিনলিপি

সুন্দরবন ভ্রমণের বর্ণনা দিয়ে দিনলিপি লেখ। ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সুন্দরবন ভ্রমণ। সালমান রুশদি ১৯৮১ সালে প্রকাশিত তাঁর ‘মিডনাইটস চিলড্রেন’ উপন্যাসে সুন্দরবনের সৌন্দর্য রহস্য সম্পর্কে মন্তব্য করেছিলেন ‘জাদুময়, অপরিমেয়, অননুমেয়।’ পৃথিবীর ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের মধ্যে অনন্য সুন্দর সুন্দরবন ভ্রমণ করতে গিয়ে আমারও সেই অনুভূতি হয়েছে। পরিবারের সবার সঙ্গে বন বিভাগের লঞ্চে করে হিরণ পয়েন্ট এলাকায় গেলাম। ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত বাঘ-হরিণের চারণভূমিতে ধীরে ধীরে নতুন ডালপালা পাতাসমৃদ্ধ বন গড়ে উঠেছে দেখে ভালো লাগল। নানা রঙের অনেক পাখি চোখে পড়ল, কিন্তু বানর বা হরিণ দেখা গেল না। একটা খালের ভেতর বেশ কিছু দূর ঢুকল লঞ্চটি। কাঁকড়া, বেজি চোখে পড়ল। বানরের শব্দ শুনে উপরে গাছের দিকে তাকাতেই কয়েকটা বানর দেখলাম। কেউ ফল খাচ্ছে, কেউ লাফাচ্ছে বা ডাল ঝঁকাচ্ছে। জেলে বা বাওয়ালি কাউকে দেখলাম না। কাদার উপর বাঘের পায়ের ছাপ দেখালেন একজন খালাসি। লঞ্চ দ্রুত ফিরে এলো বন বিভাগের বাংলোয়। নদীর তাজা মাছ রান্না হয়েছে। মজা করে খাওয়া দাওয়া সেরে রওযানা হলাম ঢাকার উদ্দেশ্যে।

প্রতিবেদন : সেন্টমার্টিন দ্বীপ প্রসঙ্গে

পত্রিকায় প্রকাশের জন্যে সেন্টমার্টিন দ্বীপ প্রসঙ্গে একটি প্রতিবেদন তৈরি করো। প্রকৃতির লীলা নিকেতন : সেন্টমার্টিন দ্বীপ শারমিন শিলা : টেকনাফ : বাংলাদেশকে বলা হয় প্রকৃতির কন্যা। সেন্টমার্টিন সেরকম একটি মনোরম স্থান। সেন্টমার্টিন দ্বীপ প্রকৃতির লীলানিকেতন। এ দ্বীপটির মনোরম পরিবেশ দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করে। অথচ এ প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের পরিবেশ ধ্বংসের তৎপরতা প্রায় এক দশক ধরে শুরু হয়েছে। কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় গত এক দশকে এখানে সহস্রাধিক লোক নতুন করে বসতি স্থাপন করেছে। দ্বীপের বাসিন্দাদের মধ্যে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষার কোনো ব্যবস্থা নেই। মাত্র ১২ কিলোমিটার আয়তনের এ দ্বীপে এখন জনসংখ্যা প্রায় চার হাজার। এদের মধ্যে প্রায় ৪০% লোক মিয়ানমার থেকে বিভিন্ন সময় এখানে এসে বসতি স্থাপন করেছে। পরিবেশবিদগণের মতে, আয়তন অনুপাতে সর্বাধিক দু হাজার লোকের বসবাস উপযোগী এ দ্বীপ। পরিকল্পনাহীন কার্যকলাপের ফলে এই দ্বীপের পরিবেশ ব্যবস্থা এখন অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এ ধারা অব্যাহত থাকলে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ ধ্বংস হতে বেশি সময় লাগবে না। পরিবেশ ও ...

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা দিয়ে বিদেশি বন্ধুকে পত্র

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা দিয়ে তোমার কোনো বিদেশি বন্ধুর নিকট পত্র লেখো। রংপুর, বাংলাদেশ  ২০শে মার্চ ২০১৫ প্রিয় রিচার্ড,  আমার শুভেচ্ছা নিও। অনেকদিন পর গতকাল তোমার চিঠি পেলাম। আমার কাছে লেখা এটি তোমার চিঠি। শুনে ভালো লাগলো তুমি বাংলা পড়তে পারো। তাই এ চিঠি বাংলায় লিখছি। এতদিনের চিঠিতে শুধুই জানতে চেয়েছ আমার সম্পর্কে, আর এই প্রথম কি না জানতে চাইলে আমার দেশ, আমার দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নিয়ে তোমার আগ্রহ আমাকে অনুপ্রাণিত করছে অনেক কিছু লিখবার। কিন্তু বাংলার এ অপূর্ব প্রাকৃতিক দৃশ্য ভাষায় আর কতটুকু বা ফুটিয়ে তোলা যায়। তুমি মানচিত্রে নিশ্চয় খেয়াল করেছো বাংলাদেশ বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপ। আমাদের দেশের মতো এমন সুন্দর দেশ বিশ্বে কী আর কোথাও আছে। ষড়ঋতুর এদেশ একেক সময় একেক রকমভাবে সজ্জিত হয়। একেক ঋতুর ফুল একেক রকম। এদেশের সব জেলাতেই ছড়িয়ে আছে নদী। যেন নদীর বুকেই এদেশ ভাসমান। অসংখ্য খালবিল, নদীতে জেলের মাছ ধরার নৌকা আর পাল তুলে মাঝির দাঁড় টানার দৃশ্য যে কী অপূর্ব হতে পারে তা নিজে না দেখে বিশ্বাস করা যায় না। এছাড়া বাংলাদেশের যে দিকেই তা...

অনুচ্ছেদ : রূপসী বাংলা

রূপসী বাংলা বাংলাদেশ অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দেশ। চারদিকে যে দিকেই তাকাই প্রকৃতির অপার সমারোহ। প্রকৃতি যেন তার সৌন্দর্যের পসরা সাজিয়ে বসেছে। সবুজ বন-বনানী, নীল আকাশ, নদী-নালা, খাল বিল এ দেশকে রূপসী করে তুলেছে। এছাড়া বৈচিত্র্যময় প্রকৃতির মধ্যে রয়েছে সমতল ভূমি, পাহাড় টিলা বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ। ঋতুতে ঋতুতে বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে বৈচিত্র্যময় করে তুলেছে। এক ঋতুর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অন্য ঋতুতে ভিন্ন রূপে ফুটে ওঠে। কিন্তু প্রত্যেক ঋতুই আপন বৈশিষ্ট্য রূপে, রসে, গন্ধে অনন্য হয়ে ওঠে। বিচিত্র ফুলের সমাবেশ ঘঠে বিভিন্ন ঋতুতে। গাছগাছালি ও ফসলের মাঠ সারাদেশকে সবুজে ভরে রাখে। ফসল পাকলে তা আবার সোনালী রূপ ধারণ করে। তাই বলা যায় বাংলাদেশ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এক অপূর্ব লীলা নিকেতন। সুজলা, সুফলা, শস্যশ্যামলা সৌন্দর্যে ভরা আমাদের দেশ অকৃপণভাবে তার সৌন্দর্য বিতরণ করছে। দেশের দক্ষিণ অঞ্চলে বিশাল বঙ্গোপসাগরের উত্তাল প্রতিধ্বনি অলৌকিক সুরের মায়াজাল সৃষ্টি করে চলছে। নদ-নদী জালের মতো ছড়িয়ে আছে সারাদেশে। বর্ষায় জলে ভরে গেলে অপরূপ সৌন্দর্য্যের সৃষ্টি করে। এছাড়া নানা রকম পাখি আমাদের রূপসী বাংলাদেশ...

অনুচ্ছেদ : বাংলাদেশের ঋতুবৈচিত্র

বাংলাদেশের ঋতুবৈচিত্র্য ষড়ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত- এ ছয় ঋতুর আবর্তন বাংলাদেশের প্রকৃতি ও জনজীবনকে করে তোলে বৈচিত্র্যময়। প্রতিটি ঋতু তার স্বতন্ত্র ও অনন্য বৈশিষ্ট্য নিয়ে হাজির হয় এবং নিজের অনাবিল সৌন্দর্য উপহার দিয়ে বিদায় নেয়। এক এক ঋতু আমাদের জীবনে নিয়ে আসে একেক রকম ফুল, ফল আর ফসলের সম্ভার। বাংলার প্রকৃতিতে ষড়ঋতুর এ পালাবদল অফুরন্ত সৌন্দর্যের ও বৈচিত্র্যের সৃষ্টি করে। জলবায়ুর প্রভাব ও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণেই মূলত এদেশে ছয়টি ঋতু পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়। বর্ষপঞ্জির হিসেবে বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ দুই মাস গ্রীষ্মকাল, আষাঢ়-শ্রাবন বর্ষাকাল, ভাদ্র-আশ্বিন শরৎকাল, কার্তিক-অগ্রহায়ণ হেমন্তকাল, পৌষ-মাঘ শীতকাল এবং ফাল্গুন-চৈত্র বসন্তকাল। তবে ঋতুর পরিবর্তন সকল সময় যেমন মাসের হিসাব মেনে চলে না, তেমনি আবার হঠাৎ করে রাতারাতিও এর পরিবর্তন ঘটে না। অলক্ষ্যে বিদায় নেয় এক ঋতু, নিঃশব্দে আগমন ঘটে নতুন ঋতুর। তবে প্রতিটি ঋতুর আগমন ঘটে ভিন্ন ভিন্ন রূপ, রং ও সৌন্দর্য নিয়ে। গ্রীষ্মের দাবদাহ ও রসালো ফলের সম্ভার, বর্ষার সজল মেঘের বৃষ্টি ও সবুজ প্রকৃতি, শরতের আলো ঝলমল স্নিগ্ধ আকাশ ও সৌন্দর...

Paragraph : Natural Calamities of Bangladesh

Natural Calamities of Bangladesh Bangladesh is called a land of natural calamities. Because she is vulnerable to different natural disasters such as floods, cyclones, drought, river erosion, storms, earthquakes and so on. Among these devastating forces of nature, flood is the most common one. Almost every year, flood visits to our country. It usually occurs in the rainy season. It has a destructive impact on our life. It causes huge damage to our country. Flood washes away our crops, domestic animals etc. It wipes out our trees, houses and so on. It causes death to a large number of people every year. However, the sufferings of the people do not vanish just after the flood. Because they have to suffer from the aftermath of flood. Many types of diseases such as cholera, dysentery, diarrhoea usually break out in an epidemic form after the flood. People also suffer from the want of pure drinking water, food, shelter etc. They have to depend on the relief and charity of other people. In ...

অনুচ্ছেদ : রূপসী বাংলা

রূপসী বাংলা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি এই বাংলাদেশের বন-বনানী, বিশাল ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল, নদ-নদী, পাহাড়-পর্বত, সমুদ্রসৈকত, হাওর-বাঁওড়, ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনসমূহ ভ্রমণপিপাসু উৎসাহী মানুষকে আকৃষ্ট করে আসছে। রূপমুদ্ধ কবির ভাষায় এই দেশকে বলা হয় রূপসী বাংলা। কবি বলেন, ‘এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি, সকল দেশের রানি সে যে আমার জন্মভূমি।’ অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই দেশের যেদিকেই চোখ যায়- যেখা যায় সবুজ প্রকৃতির অপার সমারোহ। প্রকৃতি যেন তার অনিন্দ্য সৌন্দর্যের পসরা সাজিয়ে বসেছে। সবুজ বনের পাখ-পাখালি, ফুল-ফল, নীলাকাশ, নাও-নদী, খাল-বিল, শাপলা-শালুক মিলে যেন এদেশকে আরও রূপসী করে তুলেছে। বৈচিত্র্যময় ভূ-প্রকৃতির মধ্যে রয়েছে সমতল ভূমি, পাহাড়-টিলা, সুন্দরবন। ঋতুতে ঋতুতে আছে রঙের বৈচিত্র্য কিন্তু প্রত্যেক ঋতুই আপন আপন বৈশিষ্ট্যে অনন্য। রূপে-রসে-গন্ধে ভরপুর করে তোলে এই অপূর্ব লীলা নিকেতন। সুজলা-সুফলা, শস্য-শ্যামলা এই দেশ অকৃপণভাবে তার সৌন্দর্য বিলিয়ে দিচ্ছে সবাইকে। দক্ষিণের বিশাল সমুদ্রের উত্তাল প্রতিধ্বনি যেন অলৌকিক মায়াজাল সৃষ্টি করে। আর উত্তরের পাহাড় দেয় পাহারা। জাল...

Email about introducing of Bangladesh

Imagine, that you are Niaj. You have a German pen-friend. He wishes to know about your country. Now, send an email to him giving an introduction to your country. To : < harry @ myallgarbage.com > Cc : ..................................... Bcc : < morshad.niaj @ myallgarbage.com > Subject : Introduction of Bangladesh. Dear Harry, I am glad to receive your mail. I feel very much happy to see your interest in our country and her people. Let me introduce my country to you today.  Bangladesh is constitutionally known as the People’s Republic of Bangladesh. It’s a democratic country of 1,47,570 square kilometres. It is bordered by India on the west, east and north, Myanmar on the east and the Bay of Bengal on the south. It won independence in 1971 from Pakistan through a bloody war.  Its geographical formation is worth-noting. It is a great delta like a green carpet. It has the longest seabeach in the world. Such plain and green earth is hardly seen ...

প্রবন্ধ রচনা : বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত : কক্সবাজার

ভূমিকা : বিশ্বের বৃহৎ বদ্বীপ বাংলাদেশ। কক্সবাজার হলো এই বদ্বীপের সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থান। এটি বিশ্বের দীর্ঘতম এবং বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটন এলাকা। এখানে প্রতিবছরই দেশি ও বিদেশি পর্যটকদের ভিড় লেগেই থাকে। কক্সবাজার আসলে একই সাথে নদী, সাগর, পাগাড়, সমতল, উপজাতিদের সংস্কৃতি, দর্শনীয় স্থান দেখার অপার সুযোগ মেলে। এই সৈকতে দাঁড়িয়ে সূর্যাস্তের অপরূপ দৃশ্য উপভোগ করা যায়। বর্তমানে কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে। যা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সমুদ্র সৈকত কী : সমুদ্র সৈকত হলো এক ধরণের ভূ-তাত্ত্বিক স্থলভাগ। যা গড়ে উঠে কোনো জলভাগের পাশে। সাধারণত সমুদ্রের পাশে গড়ে উঠা স্থল ভাগকে সমুদ্র সৈকত বলা হয়। যে সকল স্থানে বাতাসের প্রবাহ এবং মহাসাগরীয় স্রোতে কার্যকর হয় সেসকল স্থানে ভূ-তাত্ত্বিক পরিবর্তনের মাধ্যমে সমুদ্র সৈকত সৃষ্টি হয়। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত : অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি আমাদের এই বাংলাদেশ। আর সমুদ্র সৈকতগুলো এই সৌন্দর্যের অন্যতম উপাদান হিসেবে বিবেচিত। এদেশের উল্লেখযোগ্য সমুদ্র সৈকতগুলো হলো- কক্সবাজার ও ইনানী, পটুয়াখালী জেলার ক...

প্রবন্ধ রচনা : জ্যোৎস্না রাতে

↬ একটি পূর্ণিমা রাত অপূর্ব মন মাতানো জ্যোৎস্নার রূপ দেখার আগে রাতের আকাশেকে অন্ধকার বলেই ভেবেছি আমি। আমার ধারণা ছিল রাতের কর্মহীন পৃথিবী পরিশ্রান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। হয়ে যায় নিঝুম। কিন্তু রাতের পৃথিবীতে যে সৌন্দর্যের ঐশ্বর্যময় সমারোহ ঘটতে পারে তা কখনো আমার অভিজ্ঞতায় ছিল না। অভিজ্ঞতা হলো সেদিন হঠাৎ করে আকাশে চন্দ্রোলোকিত রাতের শোভা দেখেছিলাম মুগ্ধনয়নে। সৌন্দর্যের এমন মাদকতা আমি আমার ক্ষুদ্র জীবনে কখনও অবলোকন করি নি। পৃথিবীতে এমন লোক হয়ত খুবই কম পাওয়া যাবে যে অন্ধকারে ভয় পায় না। অন্ধকার সবার মনকে দুর্বল করে দেয়; বয়ে আনে ভয়ংকর রহস্যের শিহরণ। যতক্ষণ ঘরে আলো থাকে কিংবা পড়ালেখায় ব্যস্ত থাকি ততক্ষণ কোনো কিছুকেই ভয় পাই না। কিন্তু ঘর অন্ধকার হলে বা রাতে ঘুম না আসলে অজানা এক ভয় আমাকে গ্রাস করে। সেই আমি জ্যোৎস্নার মোহনীয় রূপ দেখে মুগ্ধ হয়েছি। ঘটনাচক্রে এক রাতে জ্যোৎস্নার রূপ-মাধুরী নিজ চোখে অবলোকন করার সৌভাগ্য আমার হয়। সে এক অপরূপ রাত- রূপময় জ্যোৎস্না রাত। পরীক্ষা সমানে। তাই লেখাপড়ার চাপ খুবই বেশি। কোন দিকে তাকানোর সময় নেই। অনেক রাত পর্যন্ত পড়ালেখা করতে হচ্ছে। চারতলার ঘরে প্রচণ্ড গরমে স...

প্রবন্ধ রচনা : বাংলাদেশের প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য - PDF

↬ রূপসী বাংলাদেশ ↬ রূপসী বাংলা ↬ বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ভূমিকা : প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি এই বাংলাদেশ। অপরূপা এ দেশের সবুজ বনবনানি, সুবিশাল ম্যানগ্রোভ বনরাজি, নদনদী, শ্যামল পাহাড়, বিস্তীর্ণ সমুদ্র সৈকত, প্রাচীন ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনসমূহ যুগ যুগ ধরে পৃথিবী বিভিন্ন দেশের ভ্রমণ বিপাসু উৎসাহী মানুষকে আকৃষ্ট করে আসছে। ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল দেশটি যেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক মিউজিয়াম। সবুজ শ্যামল প্রকৃতির জন্যে এর প্রশংসা যুগ যুগ ধরে কবিদের বাণীতে উচ্চারিত হয়েছে তাইতো কবি বলেন : ‘এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি সকল দেশের রাণী সে যে আমার জন্মভূমি।’ বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য : বাংলাদেশ প্রকৃতির নন্দনকাননের সৌন্দর্যমণ্ডিত কোনো সার্থক চিত্রশিল্পীর নিখুঁত চিত্রকর্মের সঙ্গে তুলনীয়। ব-দ্বীপ সদৃশ এ বঙ্গভূমির রয়েছে বিচিত্র ভূভাগ এবং সমুদ্র স্তনিত বিস্তীর্ণ উপকূল। সমুদ্র জলপ্রপাত, চা-বাগানের আহামরি দৃশ্য, সবুজ গালিচার মতো শস্য ক্ষেত, মাঠ-প্রান্তর। আর বিশেষ করে মাকড়সার জালের মতো ছড়িয়ে আছে রূপালি সব ছোটবড়ো নদনদী। এছা...

প্রবন্ধ রচনা : বাংলাদেশের ষড়ঋতু - PDF

↬ বাংলাদেশের নিঃস্বর্গে ষড়ঋতুর প্রভাব ↬ বাংলাদেশের ঋতুচক্র ↬ বাংলাদেশের ঋতু বৈচিত্র্য ভূমিকা  : এক অসাধারণ সৌন্দর্যপটের নাম বাংলাদেশ। প্রকৃতির মায়া মমতা যার আপন বৈশিষ্ট্য। যে দেশকে বিধাতা সাজিয়েছেন তাঁর আপন মনের মাধুরী মিশিয়ে, সুচারুরূপে, বর্ণাঢ্য করে। সে দেশর নাম বাংলাদেশ। যে দেশের সৌন্দর্যের মাঝে নেই কোন কৃত্রিমতার ছোঁয়া, আছে কেবল প্রগাঢ় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সমারোহ, সে দেশর নাম বাংলাদেশ। নিসর্গ যে দেশের অলংকার, প্রকৃতি যে দেশের রূপ সুষমার মূল উপকরণ, সে দেশেইতো বাংলাদেশ। অপূর্ব সৌন্দর্যে শস্য-সম্পদে আর প্রকৃতিক বৈচিত্র্যে ভরা এমন দেশ পৃথিবীতে আর একটিও নেই। এদেশে জন্মেছি আমি। আমি ধন্য। আমি তৃপ্ত। এ-বাংলার রূপে বিমুগ্ধ কবি আবেগে উদ্বেলিত হয়ে তাই গেয়ে ওঠেন- “ধন ধান্যে পুষ্পে ভরা, আমাদের এই বসুন্ধরা, তাহার মাঝে আছে দেশ এক সকল দেশের সেরা; ও সে স্বপ্ন দিয়ে তৈরি সে দেশ, স্মৃতি দিয়ে ঘেরা।” বাংলার সীমা ও ভূ-প্রকৃতি  : ত্রিশ লক্ষ মানুষ যে দেশের জন্য জীবন দিতে পারে, সে দেশ কি যেই-সেই দেশ। সাড়ে সাত কোটি মানুষ দেশপ্রেমে উদ্বেলিত হয়ে রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১...

Composition : Seasons of Bangladesh

Seasons of Bangladesh ↬ The Six Seasons of Bangladesh There are six seasons in Bangladesh. Each season has its own features. The people also feel different in each season. They forget the monotony by changing these seasons. The seasons are Summer, Rainy, Autumn, Late Autumn, Winter, and Spring. Summer is very hot then. The sun goes over the head at noon. Ponds and tanks dry up. Many villagers suffer for want of drinking water. We get litchis, mangoes, jack-fruits and many other fruits in this season. In the rainy season, the sky is cloudy and it rains day and night. Tanks, rivers, and canals are full of water. Fields go under water. Men cannot go out of their houses easily. Sometimes the rivers overflow their banks. Many villages go under water. Villagers go from one place to another by boat. After the rainy season there comes the Autumn. Rain is not so copious. The sky is clear. White clouds float in the sky. The Hindu...