Posts

Showing posts with the label দিবস

মে দিবসের পটভূমি ও আজকের শ্রমিক

মে দিবসের পটভূমি ও আজকের শ্রমিক শ্রমজীবী মানুষের প্রেরণা ও উৎসবের দিন ১ মে। দিনটি প্রেরণার হলেও এর পিছনে লুকিয়ে আছে এক রক্তাক্ত করুণ ইতিহাস। ন্যায্য অধিকার আদায়ে শ্রমিকদের আত্মহুতি দানের এই গৌরব দীপ্ত ইতিহাস, যা যুগ যুগ ধরে শ্রমিকদের উজ্জীবিত করে তাদের দাবি আদায়ের সংগ্রামে রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বিশ্বের শ্রমিক সমাজ তাদের দাবি-দাওয়ার যে প্রতিফলন ঘটিয়েছিল তা আজো পরিপূর্ণতা লাভ করেনি। এখনে তাদের দাবি-দাওয়ার ৫০ ভাগও বাস্তবায়িত হয়নি। আজকের এই আধুনিক যুগেও শ্রমিকরা হচ্ছে তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। ধনিক শ্রেণী আজো শ্রমিকের শোষণের নীতিতে অটল রয়েছে। তাই প্রতি বছর শ্রমিক দিবস পালিত হলেও শ্রমিকের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন নেই। পটভূমি : ঢালাই শ্রমিকদের তরুণ নেতা এইচ সিলভিসের নেতৃত্বে নেতা এইচ সিলভিসের নেতৃত্বে ‘ন্যাশনাল লেবার ইউনিয়ন’ ৮ ঘণ্টা কর্ম দিবসের দাবিতে ১৮৮৬ সালের ১ মে আমেরিকায় ধর্মঘটের ডাক দেয়। এ ধর্মঘটের প্রধান কেন্দ্র ছিল শিকাগোতে। ১ মে শিকাগোকে কেন্দ্র করে প্রায় সাড়ে তিন লাখ শ্রমিক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মিশিগান অ্যাভিনিউ’র মিছিলে যোগদ...

প্রতিবেদন : মহান মে দিবস উপলক্ষে সংবাদ প্রতিবেদন

সংবাদপত্রের প্রকাশের জন্যে 'ঐতিহাসিক মহান মে দিবস' বিষয়ক একটি প্রতিবেদন রচনা করো। আজ ঐতিহাসিক মে দিবস দীপান্বিতা দোলা : আজ পঞ্জিকার তারিখ অনুযায়ী পহেলা মে। এ তারিখটি ঐতিহাসিক। বিশ্বের শ্রমজীবী মানুষের সংহতি প্রকাশের দিন আজ। দিনটি আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে পালিত হয় সারা বিশ্বে। শ্রমজীবী মানুষেরা অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যে সেদিন যে সংগ্রাম প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল, তার ভিত্তিতে এ দিনটি ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নিয়েছে।  ১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের 'হে মার্কেটে' ৮ ঘন্টা কাজের সময় নির্ধারণের দাবিতে সমবেত হয় হাজার হাজার শ্রমিক। এই শ্রমিকদের সমাবেশ সেদিন পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালালে অনেক শ্রমিকের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত হয়। পুলিশের নির্যাতনের মুখেও শ্রমিক আন্দোলন থেমে না গিয়ে বরং তা আরো বেগবান হয়ে ওঠে। প্রতিবাদমুখর শ্রমিকরা ৪ মে হে মার্কেটের সামনে আবারো সমাবেশের আয়োজন করে। এদিনও পুলিশ বাহিনী নির্মমভাবে শ্রমিকদের ওপর গুলি চালায়। হতাহত হয় আরো অনেক শ্রমিক। এভাবে শ্রমিকের রক্তের বিনিময়ে শেষ পর্যন্ত কাজের সময়...

Paragraph : May Day

May Day May Day is an international holiday of working people. In the year 1886 in the month of May, the workers in the American city of Chicago who were groaning under the pangs of exploitation raised slogans for their recognition as men. This movement demanded a time limit for work and other basic facilities of the workers so that they could live as human beings. This was no doubt a moral blow to the wealthy class. In consequence, the streets of Chicago city were red with the warm blood of the workers. The capitalist government and its agent adopted every possible means to choke the voice of the workers. The leaders of the workers were hanged. But the undaunted workers came out successful in sacrificing their lives. The demand for eight hours working time instead of twelve or thirteen hours was accepted and they were provided with some amenities of life. May Day has been a symbol for workers all over the world. May Day is a spirit of international brotherhood and unity of the worke...

প্রবন্ধ রচনা : মে দিবসের তাৎপর্য

↬ আন্তর্জাতিক মে দিবস ↬ মে দিবসের ইতিহাস ভূমিকা : ‘এমন সময় আসবে যখন কবরের অভ্যন্তরে শায়িত আমাদের নিশ্চুপতা জ্বালাময়ী বক্তৃতার চেয়ে বাঙ্ময় হবে এবং তার শ্রমিকশ্রেণীর বিজয়লাভের শেষ সংগ্রাম পর্যন্ত লড়াইয়ে প্রেরণা যোগাবে এবং শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।’   -আগস্ট স্পাইজ ১৮৮৭ সালের ১১ নভেম্বর। ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়ে শ্রমিক আন্দোলনের অন্যতম নেতা কথাগুলো বলেছিলেন। তাঁর সেদিনের সেই ভবিষ্যদ্ববাণী আজ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবে প্রমাণিত হয়েছে। ব্যর্থ হয় নি তাঁদের এই আত্মদান। শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে তা এক স্মরণীয় অধ্যায়। ‘মে দিবস’ পরিণত হয়েছে আন্তর্জাতিক দিবসে। মে দিবস আজ তাই হাজার হাজার শ্রমিকের পায়ে চলা মিছিলের কথা। ‘একটি মাত্র সৈন্যবাহিনী’ হিসেবে একই পতাকা তলে দাঁড়িয়ে আপসহীন সংগ্রামের কথা। মে দিবস দুনিয়ার শ্রমিকের এক হওয়ার ব্রত। আন্তর্জাতিক সংগ্রাম আর সৌভ্রাতৃত্বের দিন। মে দিবসের অর্থ শ্রমজীবী মানুষের উৎসবের দিন, জাগরণের গান, সংগ্রামে ঐক্য ও গভীর প্রেরণা। মে দিবস শোষণমুক্তির অঙ্গীকার, ধনকুবেরের ত্রাস, সমাজতন্ত্র গড়ার শপথ। মে-রানীর রূপকথা : অথচ এই মে দিব...

অনুচ্ছেদ : মুজিবনগর দিবস

মুজিবনগর দিবস মুজিবনগর দিবস আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এবং জাতীয় জীবনে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ স্মরণীয় একটি দিন। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল এদেশের রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র স্বাধীনতার সংগ্রাম। এই মুক্তির সংগ্রামকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ১০ এপ্রিল ১৯৭১ গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার। এ সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায়, যার বর্তমান নাম মুজিবনগর। শপথ অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক দেশি-বিদেশি সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। সরকার প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার নাম অনুসারে বৈদ্যনাথতলার নামকরণ করা হয় মুজিবনগর এবং অস্থায়ী সরকারও পরিচিত হয় মুজিবনগর সরকার নামে। এ সরকার গঠনের মাত্র দুই-ঘণ্টা পর পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান মুজিবনগরে বোমাবর্ষণ করে এবং মেহেরপুর দখল করে নেয়। ফলে মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোডে স্থানান্তরিত হয়। বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের ১২টি মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ছিল। এসব বিভাগের মাধ্যমেই যুদ্ধকালে সামরিক ও বেসামরিক যাবতীয় প্রশাসন পরিচালিত...

প্রবন্ধ রচনা : আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস

ভূমিকা : আটই সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস। জাতিসংঘের আহ্বানে প্রতি বছর সারা বিশ্ব জুড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই দিবসটি উদযাপন করা হয়। তবে উন্নত বিশ্বের জন্য তা তেমন তাৎপর্যপূর্ণ বিবেচিত না হলেও তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর জন্য তা বিশেষভাবে গরুত্বপূর্ণ। বিশেষত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর ক্ষেত্রে নিরক্ষরতার যে পরিস্থিতি বর্তমানে বিদ্যমান তার প্রেক্ষিতে এসব দেশে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালনের উপযোগিতা অনেক বেশি। সারা বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ লোক নিরক্ষর। সারা বিশ্বের এই নিরক্ষর এক শ কোটি লোকের মধ্যে প্রায় ৬৭ কোটি নিরক্ষর লোক বাস করে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে। বাংলাদেশে সাক্ষরতা পরিস্থিতি : বাংলাদেশ এই নিরক্ষরবহুল অঞ্চলে অবস্থিত এবং দেশের প্রায় এক তৃতীয়াংশ লোক নিরক্ষর বলে অনুমিত হয়। তবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গমনোপযোগী শিশুদের সামনে এখনও বিদ্যালয়ের দ্বার উন্মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন কার্যকর করায় এসব শিশু শিক্ষার আলোয় এসে আমাদের দেশে সাক্ষরতার হার দ্রুত বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে তাতে সন্দেহ নেই। এই প্রত্যাশিত সাফল্য আমাদের কাছে...

আজ মহান স্বাধীনতা দিবস বিষয়ক দিনিলিপি

তোমার মহান স্বাধীনতা দিবসের স্মৃতিচারণ করে দিনলিপি লিখো। ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২২, শনিবার।  ধানমন্ডি, ঢাকা।  সময় : রাত ১১.৩০ মিনিট।  আজ মহান স্বাধীনতা দিবস। আমাদের বাঙালি জাতির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। কারণ এই দিনেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। এতগুলো বছর পরও দিনটির গুরুত্ব এতটুকু কমেনি আমাদের কাছে। আর আজ সকালে আমার ঘুম ভাঙে স্বাধীনতার বিভিন্ন গান দিয়ে। উঠে দেখি চারিদিকে বিভিন্ন ধরনের দেশাত্মবোধক গান বাজছে। দিনটা শুরু হয় আমার স্বাধীনতার গান দিয়ে। ঘর থেকে বাইরে এসে দেখি আমার ভাই ও বোন খুব খুশি। দৃশ্যটা দেখে আমার খুবই ভালো লাগলো। আজ আমার স্কুলে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ছিল। আমি প্রত্যেকটা প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছি। শিক্ষকরা সবাই আমার উপর খুব খুশি। অনেকগুলো পুরস্কার নিয়ে বাসায় এসে দেখি আমার ছোট ভাই - বোনও তাদের স্কুল থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেয়েছে। আমাদের বসার ঘর পুরস্কারে ভর্তি হয়ে গেল। দুপুরে বাবা আমাদেরকে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে নিয়ে গেল। অবশ্য দুপুরের খাবারটা আমরা বাহিরেই সেরে ফেলি। আর যেখানেই...

বিদ্যালয়ে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে নিমন্ত্রণপত্র

তোমার বিদ্যালয়ে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে একটি নিমন্ত্রণপত্র রচনা কর। ২১ মার্চ, ২০২০ সুধী, শুভেচ্ছা রইল। আগামী ২৬ মার্চ, ২০২০ তারিখে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে আমাদের বিদ্যালয়ে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণে দিনব্যাপী এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন বীর মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী। এ ছাড়া আরো উপস্থিত থাকবেন স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধারা। উক্ত মহতী অনুষ্ঠানে আপনার সবান্ধব উপস্থিতি একান্তভাবে কামনা করছি। বিনীত নুসরাত জাহান সাধারণ সম্পাদিকা জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজ, ছাত্রী সংসদ, জয়পুরহাট। অনুষ্ঠানসূচি ১. শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ : সকাল ৬:০০ টা ২. র‍্যালি : সকাল ৭:০০ টা ৩. উদ্বোধনী ঘোষণা : সকাল ৯:০০ টা ৪. আলোচনা সভা : সকাল ৯:৩০ টা ৫. সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান : বিকাল ৫:০০ টা

স্বাধীনতা দিবস নিয়ে স্কুলের শিক্ষক ও কয়েকজন ছাত্রের মধ্যে সংলাপ

স্বাধীনতা দিবস পালন করা নিয়ে স্কুলের শিক্ষক ও কয়েকজন ছাত্রের মধ্যে একটি সংলাপ তৈরি করো। শিক্ষক : প্রতিবছরের মতো এ বছরও আমাদের কলেজে ২৬শে মার্চ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে আগামীকাল থেকে অনুষ্ঠানের মহড়া চলবে। তোমাদের সবার অংশগ্রহণ করা চাই। কামাল : স্যার, নাটক হবে না? শিক্ষক : অবশ্যই হবে। তোমাদের সাইদুল স্যার ‘আবার ৭১’ নামে একটা নাটিকা লিখেছেন। উনিই নির্দেশনা দেবেন। জামাল : স্যার, সবাই কি নাটক করতে পারবে? শিক্ষক : অবশ্যই। তোমাদের মধ্য থেকে বাছাই করে তারপর চরিত্র অনুযায়ী তোমাদেরকে নাটকের মহড়ায় নেওয়া হবে। অপু : স্যার আমি কিন্তু নাচ আর দেশাত্মবোধক গান করব। নুরু : আমি পল্লিগীতি আর ভাওয়াইয়া গান করব। পারলে নাটকের দলেও থাকতে চাই। শিক্ষক : অবশ্যই তোমরা তোমাদের পছন্দমতো বিভাগে অংশগ্রহণ করবে। আচ্ছা, তোমাদের মধ্যে কেউ কি ৭ই মার্চের ভাষণ জানো? জামাল : আমি জানি স্যার। শিক্ষক : বলো তো শুনি। জামাল : এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম। ...

মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে বন্ধুদের মধ্যে সংলাপ

মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে বন্ধুদের মধ্যে একটি সংলাপ তৈরি করো। সবুজ : আগামীকাল সকাল ৬টার মধ্যে কিন্তু সবাইকে আসতে হবে। অনেক কাজ বাকি আছে, সব ঠিক করতে হবে। বুলবুল : আমাদের বিজয় রালি সকাল ৭টায়। সবাইকে স্যার থাকতে বলেছে। সবুজ : সবাই থাকবে। আমাদের প্রায় ৩০টার মতো খেলাধুলার ইভেন্ট। সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে। নয়ন : সবুজ, তুই কিন্তু সবার দায়িত্ব আর একবার সবাইকে বুঝিয়ে দিবি। সবুজ : বুঝিয়ে দিয়েছি। বুলবুলের কাজ প্রিন্সিপাল স্যারের সাথে কথা বলে বাজেটটা নেয়া। দোকানে পতাকা বানাতে দিতে হবে। বুলবুল : আমি তো আজাদ স্যারের সাথে কথা বলতে যাব। সবুজ : আজাদ স্যারের কাছে আমি যাব। তুই টাকা নিয়ে পতাকার দোকানে যা। নয়ন : ঠিক আছে আমরা আজকে যত দ্রুত যাব কাল তত তাড়াতাড়ি আসতে পারব। সবুজ : তাড়াতাড়ি ঘুমিযে যাবি সবাই। নয়ন, তুই সকালে আসার সময় আমাকে ডেকে নিয়ে আসবি। নয়ন : ঠিক আছে, চল।

কলেজে মহান বিজয় দিবস উদযাপনের একটি দিনলিপি

তোমার কলেজে মহান বিজয় দিবস উদযাপনের একটি দিনলিপি প্রস্তুত করো। ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ টাঙ্গাইল। ভোর পাঁচটায় ঘুম ভেঙে গেল। মা উঠে গেছেন আগেই। নাশতা তৈরি করছেন। আমাকে তাড়াতাড়ি তৈরি হতে বললেন। আজ বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে দীর্ঘ নয় মাস ধরে মুক্তিযুদ্ধের পর দেশ শত্রুমুক্ত হয়। এই দিন চূড়ান্ত পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে। ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা বিজয় অর্জন করেছি। বাংলাদেশ আজ স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র। কাজেই আজকের দিনটি বাঙালি জাতির জন্য পরম পবিত্র ও তাৎপর্যময় দিন। আমাদের কুমুদিনী কলেজ থেকে সকাল ৬টায় বিজয় র‍্যালি বের হবে। আমি যথাসময়ে পৌঁছে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান মুখর বিজয় র‍্যালিতে অংশ নিলাম। শহরের মূল সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিজয় র‍্যালি আবার কলেজ গেটে এসে থামল। আমরা শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করলাম। সেখানে শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে ১ মিনিট নীরবতা পালন করলাম। তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া প্রার্থনা করা হলো। পাশেই মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংবলিত চিত্র প্রদর্শনী উদ্বোধন করলেন কলেজের অধ্যক্ষ মহোদয়। ছবিগুলো সংগ্র‍...

ভাষণ : ১৫ই আগস্ট : জাতীয় শোক দিবস

তোমার কলেজে ‘১৫ই আগস্ট : জাতীয় শোক দিবস’ উপলক্ষে প্রধান অতিথির একটি মঞ্চভাষণ তৈরি কর। ১৫ই আগস্ট : জাতীয় শোক দিবস শ্রদ্ধেয় সভাপতি, বিশেষ অতিথি ও উপস্থিত সুধীবৃন্দ, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকল শহীদের আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে আমার বক্তব্য শুরু করছি। শুরুতেই আমি আজকের এই অনুষ্ঠানের আয়োজকদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই এই মহতী অনুষ্ঠানে আমাকে প্রধান অতিথির সম্মান প্রদানের জন্য। আজ পনেরোই আগস্ট, জাতীয় শোক দিবস। ইতিহাসে এ দিনটি আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ হারিয়ে অশ্রু বিসর্জনের দিন। শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করার দিন। আমরা জানি ১৯৭৫ সালের এই দিনে বাঙালি জাতির জনক, বাঙালির প্রাণপ্রিয় নেতা, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিপথগামী একদল সেনাসদস্যের হাতে সপরিবারে শাহাদাত বরণ করেন। বাঙালি জাতি নির্মম এ হত্যাকাণ্ডে আজও অশ্রুবিসর্জন করছে, গভীর বেদনায় অন্তরের সীমাহীন শ্রদ্ধা নিবেদন করছে। আজ ভোরে শোকর্যালিতে শুনেছি সেই বিষাদের সুর—  “যদি রাত পোহালে শোনা যেত বঙ্গবন্ধু মরে ন...

ভাষণ : স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য

‘ স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তুমি তোমার বক্তব্য উপস্থাপন কর। অথবা, মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে তোমাকে এক আলোচনা সভায় ভাষণ দিতে হবে। ভাষণটি তৈরি কর। অথবা , মহান স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির একটি ভাষণ তৈরি কর। অথবা , ‘স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভার প্রধান বক্তা হিসেবে একটি ভাষণ তৈরি কর। ‘স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠানের মাননীয় সভাপতি, সম্মানিত প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি, আলোচকবৃন্দ, সুধীমণ্ডলী, পৃথিবীর বহু জাতিই স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করেছে। যে দিনটিতে দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয় সেটি সেই দেশের স্বাধীনতা দিবস। প্রতি বছরই একবার করে সেই স্মরণীয় ও তাৎপর্যময় দিনটি উপস্থিত হয়। তখন সেই জাতি প্রাণশক্তিতে উজ্জীবিত হয়। স্বাধীনতা একটি জাতির তথা দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। যে জাতি পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ সে জাতির জীবনে কোনো গৌরব নেই। স্বাধীনতা জাতিকে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন করে তোলে। তাই জাতীয় জীবনে স্বাধীনতার গুরুত্ব অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সম্মানিত সুধী, বাঙালির জাতীয় জীবনে ...

ভাষণ : আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য বর্ণনা করে একটি ভাষণ রচনা কর। অথবা , ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ উপলক্ষে তোমার কলেজ কর্তৃক আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রদানের জন্য একটি ভাষণ তৈরি কর। অথবা, “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির ভাষণ তৈরি কর। অথবা, শহীদ দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে একুশের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করে একটি ভাষণ রচনা কর। অথবা, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভার প্রধান অতিথির একটি ভাষণ তৈরি কর। অথবা , ‘একুশের তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভার প্রধান বক্তা হিসেবে একটি ভাষণ তৈরি কর। অথবা , “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস” উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে “বাংলাদেশে সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু হোক” – এই শিরোনামে একটি ভাষণ তৈরি কর। অথবা, ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ উপলক্ষে একজন বক্তা হিসেবে একটি ভাষণ তৈরি কর। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা মাননীয় সভাপতি, সম্মানিত প্রধান অতিথি ও উপস্থিত সুধীবৃন্দ, আসসালামু আলাইকুম। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস মানুষকে চেতনাবোধে সমৃদ্ধ করার দিন। সুধ...

ভাষণ : ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে একটি ক্লাবের/বিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে কিছু বলার জন্য একটি ভাষণ প্রস্তুত কর। অথবা, “১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য” শীর্ষক আলোচনা সভায় উপস্থাপনের জন্য একটি ভাষণ প্রস্তুত কর। অথবা,  ‘মহান বিজয় দিবসের তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভার প্রধান বক্তা হিসেবে একটি ভাষণ তৈরি কর। অথবা, “বিজয় দিবস চেতনায় অম্লান”–বিষয়ে আলোচনা সভায় উপস্থাপনের জন্য একটি ভাষণ রচনা কর। ‘মহান বিজয় দিবসের তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভা সম্মানিত সভাপতি, প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি, সমবেত সুধীমণ্ডলী এই মহান দিনে আমার সালাম ও শুভেচ্ছা গ্রহণ করুন। “মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি।” এই মহান বাণী স্বাধীনতার অমর সংগীত আজও আমার হৃদয়ের বীণায় বাজে; একই সাথে আনন্দ ও বেদনার অশ্রু ঝরায় চোখে। আজ ১৬ই ডিসেম্বর। বাঙালির জীবনে এক পরমানন্দের দিন, শৃঙ্খল ভাঙার দিন, স্বাধীন আকাশে মুক্ত বিহঙ্গের মতো উড়ে বেড়ানোর দিন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে বাংলার আকাশে যে শকুনের চঞ্চুর ঠোকর বসেছিল সেই ঠোকরের প্রতিরোধে জ্বলে উঠেছিল লাখো বাঙালি। যার ফলে ...

কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের অভিজ্ঞতা

কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা কর। এ বছর আমাদের কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের জন্য বিশেষ আয়োজন করা হয়েছিল। প্রায় এক সপ্তাহ আগে অধ্যক্ষ মহোদয় সব ছাত্রছাত্রীকে নির্দেশ দিয়েছিলেন দিনটিকে বিশেষভাবে উদযাপন করতে এবং তার জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও দিকনির্দেশনাও দিয়েছিলেন। স্বাধীনতা দিবসে আমরা ৭টার মধ্যেই যথারীতি কলেজে উপস্থিত হলাম। প্রথমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং সমবেত কন্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হলো। তারপর স্বাধীনতা দিবসের র‍্যালি বের হয়। শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কলেজ ক্যাম্পাসে এসে র‍্যালি শেষ হলো। তারপর সকাল সাড়ে দশটা থেকে শুরু হলো প্রতিযোগিতামূলক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। দেশাত্মবোধক গান, কবিতা আবৃত্তি এবং তার সঙ্গে নাচ চলল দুপুর দুটো পর্যন্ত। এরপর দেড় ঘন্টা মধ্যাহ্নভোজের বিরতি। বিকাল ৪টা থেকে শুরু হলো মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা নিয়ে স্মৃতিচারণমূলক অনুষ্ঠান। এলাকার দুজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে আহ্বান করা হলো। তাঁরা যুদ্ধকালীন অভিজ্ঞতার কথা শোনালেন। বিকেল পাঁচটায় শুরু হলো অনুষ্ঠান। বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী, মুক্তিযোদ্ধা ও বক্তাগণের কাছ থেকে অনেক মূল্য...

প্রতিবেদন : ‘মহান বিজয় দিবস’ উদ্‌যাপন সম্পর্কিত (পত্রিকার জন্য)

মনে করো তুমি একটি দৈনিক পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক, 'মহান বিজয় দিবস' উদ্‌যাপন সম্পর্কিত একটি প্রতিবেদন রচনা করো। যশোরে মহান বিজয় দিবস উদ্‌যাপন নিজস্ব সংবাদদাতা : যশোর : মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে যশোর প্রেসক্লাব যথাযথ মর্যাদায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উদ্‌যাপন করে। এ উপলক্ষে আলোচনা সভা, স্বরচিত কবিতা পাঠের আসর, রচনা প্রতিযোগিতা, আবৃত্তি প্রতিযোগিতা ও সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জেলা প্রশাসক ও ক্লাব সভাপতির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দীন। আলোচনায় অংশ নেন অধ্যাপক আবুল কাশেম ও কবি দাউদ হাসান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, আমাদের জাতীয় জীবনে সবচেয়ে বড় অর্জন ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বিজয় লাভ। দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ শেষে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বর্বর পাকিস্তানিদের পরাজিত করে এ দিনটিতে আমরা বিজয় অর্জন করি। আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ হয়...

অনুচ্ছেদ : নারী দিবস

নারী দিবস দীর্ঘদিনের বৈষম্যের পরাধীনতার বেড়াজাল ভেঙ্গে বর্তমানে নারী প্রতিবাদী চেতনায় উজ্জীবিত। ইতিহাসের পাতায় আন্দোলনের নতুন মাত্রা হিসেবেব যুক্ত হয়েছে। ১৯৭৫ সালে জাতিসংঘে ঘোষণার পর থেকে সারাবিশ্বে প্রতিবছর এ দিনটি পালিত হয়। আন্তর্জাতিক নারী দিবসের প্রেক্ষাপটে তৈরি হয়েছিল ১৮৫৭ সালে। অমানবিক পরিবেশ ও ১২ ঘন্টা কাজের বিরুদ্ধে নিউইয়র্ক শহরে নারী শ্রমিকরা প্রতিবাদের সূচনা করে। ১৮৫৭ সালের ৮ই মার্চ কারখানার মহিলা শ্রমিকরা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলনের কর্মসূচি হিসেবে শান্তিপূর্ণ মিছিল করলে পুলিশ মিছিলে হামলা চালায়। তিন বছর পর একই দিনে কারখানার মহিলা শ্রমিকরা ওকটি 'মহিলা শ্রমিক ইউনিয়ন' গঠন করে। সেই ধারাবাহিকতায় ১৯০৮ সালের ৮ই মার্চ আবার নিউইয়র্ক শহরে নারী শ্রমিকরা মিছিল বের করে। তারই প্রেক্ষিতে ১৯১০ সালের জার্মান সমাজতান্ত্রিক নেত্রী ক্লারা জেটকিন ৮ই মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালনের প্রস্তাব দেন। তারপর থেকেই নারী সংগঠনগুলো আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে দিবসটি পালন করতে শুরু করে। কিন্তু দীর্ঘদিন বাদে জাতিসংঘ ১৯৭৫ সালে এ দিনটিকে নারী দিবসে স্বীকৃতি দেয়। বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে স...

অনুচ্ছেদ : জাতীয় শোকদিবস

জাতীয় শোকদিবস বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অবিসংবাদিত নেতা স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে স্বপরিবারে হত্যা করা হয় ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট। এ দিনটিকেই জাতীয় শোকদিবস হিসেবে পালন করা হয়। এ দিনটির সাথে জড়িয়ে আছে জাতির বেদনামিশ্রিত অশ্রুগাঁথা। জাতিকে এ দিনটির যন্ত্রণাকাতর ভার বইতে হয়েছে দীর্ঘদিন। সে এক কলঙ্কময় অধ্যায়। জাতির পিতাকে হত্যা করে ঘাতকরা ক্ষান্ত হয়নি, তাঁর হত্যার বিচাত প্রক্রিয়া বন্ধ করার জন্য অধ্যাদেশ জারি করা হয়। এরপর দীর্ঘ সময় জাতির পিতাকে নিয়ে তেমন আলোচনা হয় নি। জাতির পিতার হত্যার পর সামরিক বেসামরিক যে সরকারই এসেছে জাতির পিতার ব্যাপারে তারা ছিল নির্লিপ্ত। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে জাতির পিতার দিকে বিশেষ নজর দেয়। তারা ১৫ই আগস্টকে জাতীর শোকদিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এরপর থেকে দিনটি জাতীয় শোকদিবস হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, মিলাদ মাহফিল ও কাঙালি ভোজের ব্যবস্থা করা হয়। দিনটি থাকে সরকারি ছুটি। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাসহ সসর্বস্তরের জনগণ জাতির পিতার ...

প্রবন্ধ রচনা : বিজয় দিবস (প্রতিযোগিতার উপযোগী) - PDF

Image
↬ জাতীয় জীবনে বিজয় দিবসের তাৎপর্য ↬ আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম ভূমিকা : ১৬ই ডিসেম্বর বাঙালির জাতীয় জীবনের এক অবিস্মরণীয় আনন্দ — বেদনায় শিহরিত উজ্জ্বল দিন। এদিন আমরা দীর্ঘ নয় মাস মুক্তিযুদ্ধ শেষে বিজয় লাভ করেছিলাম, আমাদের প্রিয় স্বদেশ হয়েছিল হানাদার বাহিনী মুক্ত। এ বিজয়ের গৌরব ও আনন্দ অম্লান হয়ে থাকবে চিরদিন। কিন্তু এ বিজয়ের পেছনে রয়েছে ত্রিশ লাখ শহীদের আত্মদান, দু লাখ মা—বোনের ইজ্জত, অনেক ত্যাগ আর তিতিক্ষা। ত্রিশ লাখ প্রাণ আর দু লাখ মা–বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে আমরা যে বিজয় পেয়েছিলাম, সে বিজয় দিবস আমাদের জাতির সামনে খুলে দিয়েছে অমিত সম্ভাবনার স্বর্ণদুয়ার। ১৬ ই ডিসেম্বর বিজয় অর্জনের পর স্বাধীন জাতি হিসেবে বিশ্বের মানচিত্রে ঠাঁই হয়েছিল আমাদের প্রিয় স্বদেশের। বিজয় দিবসের মাধ্যমে জাতির নবযাত্রা শুরু হয়েছিল। স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিশ্বে আত্মপ্রকাশ করেছিল। এ দিনটি একই সঙ্গে তাই গৌরবের ও আনন্দের। ১৬ ই ডিসেম্বর আমাদের জাতীয় মর্যাদার প্রতীক। ১৬ই ডিসেম্বর আমাদের বিজয় দিবস। কিন্তু এ বিজয় একদিনে আসে নি। এজন্য ...